সহিহ বুখারী > দু‘ ওয়াক্ত সালাত একসঙ্গে আদায় করা এবং দুয়ের মধ্যে কোন নফল সালাত আদায় না করা
সহিহ বুখারী ১৬৭৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، أَخْبَرَنِي كُرَيْبٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ لَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ أَمَرَ أَصْحَابَهُ أَنْ يَطُوفُوا بِالْبَيْتِ، وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، ثُمَّ يَحِلُّوا، وَيَحْلِقُوا أَوْ يُقَصِّرُوا.
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশা এক সাথে আদায় করেন। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা ইক্বামাত দেয়া হয়। তবে উভয়ের মধ্যে বা পরে তিনি কোন নফল সালাত আদায় করেননি। (১০৯১) (আঃপ্রঃ ১৫৫৯, ইঃফাঃ ১৫৬৫)
সহিহ বুখারী ১৬৭৪
وَقَالَ لَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ طَافَ طَوَافًا وَاحِدًا، ثُمَّ يَقِيلُ ثُمَّ يَأْتِي مِنًى ـ يَعْنِي يَوْمَ النَّحْرِ ـ. وَرَفَعَهُ عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ.
আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জের সময় মুযদালিফায় মাগরিব এবং ‘ইশা একত্রে আদায় করেছেন। (৪৪১৪, মুসলিম ১৫/৪৭, হাঃ ১২৮৭, আহমাদ ২৩৬২১) (আঃপ্রঃ ১৫৬০, ইঃফাঃ ১৫৬৬)
সহিহ বুখারী > মাগরিব এবং ‘ইশা উভয় সালাতের জন্য আযান ও ইক্বামাত দেয়া
সহিহ বুখারী ১৬৭৫
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنِ الأَعْرَجِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ حَجَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَفَضْنَا يَوْمَ النَّحْرِ، فَحَاضَتْ صَفِيَّةُ، فَأَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْهَا مَا يُرِيدُ الرَّجُلُ مِنْ أَهْلِهِ. فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا حَائِضٌ. قَالَ حَابِسَتُنَا هِيَ ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَفَاضَتْ يَوْمَ النَّحْرِ. قَالَ " اخْرُجُوا ". وَيُذْكَرُ عَنِ الْقَاسِمِ وَعُرْوَةَ وَالأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ أَفَاضَتْ صَفِيَّةُ يَوْمَ النَّحْرِ."
‘আবদুর রাহমান ইব্নু ইয়াযিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হজ্জ আদায় করলেন। তখন ‘ইশার আযানের সময় বা তার কাছাকাছি সময় আমরা মুযদালিফায় পৌঁছলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে আদেশ দিলেন। সে আযান দিল এবং ইক্বামাত বলল। তিনি মাগরিব আদায় করলেন এবং এরপর আরো দু‘ রাক‘আত আদায় করলেন। অত:পর তিনি রাতের খাবার আনালেন এবং তা খেয়ে নিলেন। (রাবী বলেন) অত:পর তিনি একজনকে আদেশ দিলেন। আমার মনে হয়, লোকটি আযান দিল এবং ইক্বামাত বলল। ‘আমর (রহঃ) বলেন, আমার বিশ্বাস এ সন্দেহ যুহাইর (রহঃ) হতেই হয়েছে। অত:পর তিনি দু‘ রাক‘আত ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। ফজর হওয়া মাত্রই তিনি বললেনঃ এ সময়, এ দিনে, এ স্থানে, এ সালাত ব্যতীত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আর কোন সালাত আদায় করেননি। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এ দু‘টি সালাত তাদের প্রচলিত ওয়াক্ত হতে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই লোকেরা মুযদালিফা পৌঁছার পর মাগরিব আদায় করেন এবং ফজরের সময় হওয়া মাত্র ফজরের সালাত আদায় করেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ করতে দেখেছি। (১৬৮২, ১৬৮৩) (আঃপ্রঃ ১৫৬১, ইঃফাঃ ১৫৬৭)