সহিহ বুখারী > সোমবার দিন মৃত্যু।

সহিহ বুখারী ১৩৮৭

حدثنا معلى بن أسد، حدثنا وهيب، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت دخلت على أبي بكر ـ رضى الله عنه ـ فقال في كم كفنتم النبي صلى الله عليه وسلم قالت في ثلاثة أثواب بيض سحولية، ليس فيها قميص ولا عمامة‏.‏ وقال لها في أى يوم توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت يوم الاثنين‏.‏ قال فأى يوم هذا قالت يوم الاثنين‏.‏ قال أرجو فيما بيني وبين الليل‏.‏ فنظر إلى ثوب عليه كان يمرض فيه، به ردع من زعفران فقال اغسلوا ثوبي هذا، وزيدوا عليه ثوبين فكفنوني فيها‏.‏ قلت إن هذا خلق‏.‏ قال إن الحى أحق بالجديد من الميت، إنما هو للمهلة‏.‏ فلم يتوف حتى أمسى من ليلة الثلاثاء ودفن قبل أن يصبح‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কয় খন্ড কাপড়ে তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কাফন দিয়েছিলে? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিন খন্ড সাদা সাহুলী (স্থানের নাম) কাপড়ে, যার মধ্যে জামা ও পাগড়ী ছিল না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, কোন দিন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল করেন? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, সোমবার। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আজ কী বার? তিনি [ ‘আয়িশা (রাঃ)] বললেন, আজ সোমবার। তিনি [আবূ বকর (রাঃ)] বললেন, আমি আশা করি এখন হতে আগত রাতের মধ্যে (আমার মৃত্যু হবে)। অতঃপর অসুস্থকালীন নিজের পরিধেয় কাপড়ের প্রতি লক্ষ্য করে তাতে জাফরানী রং এর চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, আমার এ কাপড়টি ধুয়ে তার সাথে আরো দু’খন্ড কাপড় বৃদ্ধি করে আমার কাফন দিবে। আমি (‘আয়িশা) বললাম, এটা (পরিধেয় কাপড়টি) পুরাতন। তিনি বললেন, মৃত ব্যক্তি অপেক্ষা জীবিতদের নতুন কাপড়ের প্রয়োজন অধিক। আর কাফন হলো বিগলিত শবদেহের জন্য। তিনি মঙ্গলবার রাতের সন্ধ্যায় ইনতিকাল করেন, ভোর হবার পূর্বেই তাঁকে দাফন করা হয়েছিল।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কয় খন্ড কাপড়ে তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কাফন দিয়েছিলে? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিন খন্ড সাদা সাহুলী (স্থানের নাম) কাপড়ে, যার মধ্যে জামা ও পাগড়ী ছিল না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, কোন দিন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল করেন? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, সোমবার। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আজ কী বার? তিনি [ ‘আয়িশা (রাঃ)] বললেন, আজ সোমবার। তিনি [আবূ বকর (রাঃ)] বললেন, আমি আশা করি এখন হতে আগত রাতের মধ্যে (আমার মৃত্যু হবে)। অতঃপর অসুস্থকালীন নিজের পরিধেয় কাপড়ের প্রতি লক্ষ্য করে তাতে জাফরানী রং এর চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, আমার এ কাপড়টি ধুয়ে তার সাথে আরো দু’খন্ড কাপড় বৃদ্ধি করে আমার কাফন দিবে। আমি (‘আয়িশা) বললাম, এটা (পরিধেয় কাপড়টি) পুরাতন। তিনি বললেন, মৃত ব্যক্তি অপেক্ষা জীবিতদের নতুন কাপড়ের প্রয়োজন অধিক। আর কাফন হলো বিগলিত শবদেহের জন্য। তিনি মঙ্গলবার রাতের সন্ধ্যায় ইনতিকাল করেন, ভোর হবার পূর্বেই তাঁকে দাফন করা হয়েছিল।

حدثنا معلى بن أسد، حدثنا وهيب، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت دخلت على أبي بكر ـ رضى الله عنه ـ فقال في كم كفنتم النبي صلى الله عليه وسلم قالت في ثلاثة أثواب بيض سحولية، ليس فيها قميص ولا عمامة‏.‏ وقال لها في أى يوم توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت يوم الاثنين‏.‏ قال فأى يوم هذا قالت يوم الاثنين‏.‏ قال أرجو فيما بيني وبين الليل‏.‏ فنظر إلى ثوب عليه كان يمرض فيه، به ردع من زعفران فقال اغسلوا ثوبي هذا، وزيدوا عليه ثوبين فكفنوني فيها‏.‏ قلت إن هذا خلق‏.‏ قال إن الحى أحق بالجديد من الميت، إنما هو للمهلة‏.‏ فلم يتوف حتى أمسى من ليلة الثلاثاء ودفن قبل أن يصبح‏.‏


সহিহ বুখারী > হঠাৎ মৃত্যু।

সহিহ বুখারী ১৩৮৮

حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا محمد بن جعفر، قال أخبرني هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ‏.‏ أن رجلا، قال للنبي صلى الله عليه وسلم إن أمي افتلتت نفسها، وأظنها لو تكلمت تصدقت، فهل لها أجر إن تصدقت عنها قال ‏ "‏ نعم ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, আমার মায়ের আকস্মিক মৃত্যু ঘটে, কিন্তু আমার বিশ্বাস তিনি (মৃত্যুর পূর্বে) কথা বলতে সক্ষম হলে কিছু সদকা করে যেতেন। এখন আমি তাঁর পক্ষ হতে সদকা করলে তিনি এর প্রতিফল পাবেন কি? তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেন, হ্যাঁ।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, আমার মায়ের আকস্মিক মৃত্যু ঘটে, কিন্তু আমার বিশ্বাস তিনি (মৃত্যুর পূর্বে) কথা বলতে সক্ষম হলে কিছু সদকা করে যেতেন। এখন আমি তাঁর পক্ষ হতে সদকা করলে তিনি এর প্রতিফল পাবেন কি? তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেন, হ্যাঁ।

حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا محمد بن جعفر، قال أخبرني هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ‏.‏ أن رجلا، قال للنبي صلى الله عليه وسلم إن أمي افتلتت نفسها، وأظنها لو تكلمت تصدقت، فهل لها أجر إن تصدقت عنها قال ‏ "‏ نعم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বক্‌র ও ‘উমর (রাঃ)-এর কবর সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।

সহিহ বুখারী ১৩৮৯

حدثنا إسماعيل، حدثني سليمان، عن هشام، وحدثني محمد بن حرب، حدثنا أبو مروان، يحيى بن أبي زكرياء عن هشام، عن عروة، عن عائشة، قالت إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليتعذر في مرضه ‏ "‏ أين أنا اليوم أين أنا غدا ‏"‏ استبطاء ليوم عائشة، فلما كان يومي قبضه الله بين سحري ونحري، ودفن في بيتي‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোগশয্যায় (স্ত্রীগণের নিকট অবস্থানের) পালার সময়কাল জানতে চাইতেন। আমার অবস্থান আজ কোথায় হবে? আগামীকাল কোথায় হবে? ‘আয়িশা (রাঃ)-এর পালা বিলম্বিত হচ্ছে বলে ধারণা করেই এ প্রশ্ন করতেন। [ ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন] যে দিন আমার পালা আসলো, সেদিন আল্লাহ তাঁকে আমার কন্ঠদেশ ও বক্ষের মাঝে (হেলান দেয়া অবস্থায়) রূহ কব্‌য করলেন [৩০] এবং আমার ঘরে তাঁকে দাফন করা হয়।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোগশয্যায় (স্ত্রীগণের নিকট অবস্থানের) পালার সময়কাল জানতে চাইতেন। আমার অবস্থান আজ কোথায় হবে? আগামীকাল কোথায় হবে? ‘আয়িশা (রাঃ)-এর পালা বিলম্বিত হচ্ছে বলে ধারণা করেই এ প্রশ্ন করতেন। [ ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন] যে দিন আমার পালা আসলো, সেদিন আল্লাহ তাঁকে আমার কন্ঠদেশ ও বক্ষের মাঝে (হেলান দেয়া অবস্থায়) রূহ কব্‌য করলেন [৩০] এবং আমার ঘরে তাঁকে দাফন করা হয়।

حدثنا إسماعيل، حدثني سليمان، عن هشام، وحدثني محمد بن حرب، حدثنا أبو مروان، يحيى بن أبي زكرياء عن هشام، عن عروة، عن عائشة، قالت إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليتعذر في مرضه ‏ "‏ أين أنا اليوم أين أنا غدا ‏"‏ استبطاء ليوم عائشة، فلما كان يومي قبضه الله بين سحري ونحري، ودفن في بيتي‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৯১

وعن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أنها أوصت عبد الله بن الزبير ـ رضى الله عنهما ـ لا تدفني معهم وادفني مع صواحبي بالبقيع، لا أزكى به أبدا‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্‌ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে অসিয়্যত করেছিলেন, আমাকে তাঁদের (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর দু’সাহাবী) পাশে দাফন করবে না। বরং আমাকে আমার সঙ্গিনীদের সাথে বাকী’তে দাফন করবে যাতে আমি চিরকালের জন্য প্রশংসিত হতে না থাকি।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্‌ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে অসিয়্যত করেছিলেন, আমাকে তাঁদের (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর দু’সাহাবী) পাশে দাফন করবে না। বরং আমাকে আমার সঙ্গিনীদের সাথে বাকী’তে দাফন করবে যাতে আমি চিরকালের জন্য প্রশংসিত হতে না থাকি।

وعن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أنها أوصت عبد الله بن الزبير ـ رضى الله عنهما ـ لا تدفني معهم وادفني مع صواحبي بالبقيع، لا أزكى به أبدا‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৯০

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، عن هلال، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي لم يقم منه ‏ "‏ لعن الله اليهود والنصارى، اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏‏.‏ لولا ذلك أبرز قبره، غير أنه خشي أو خشي أن يتخذ مسجدا‏.‏ وعن هلال قال كناني عروة بن الزبير ولم يولد لي‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্তিম রোগশয্যায় বলেন, ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। কারণ, তারা তাদের নবী গণের কবরকে সিজদার স্থানে পরিণত করেছে। (রাবী উরওয়া বলেন) এরূপ আশঙ্কা না থাকলে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবরকে (ঘরের বেষ্টনীতে সংরক্ষিত না রেখে) খোলা রাখা হতো। কিন্তু তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) আশংকা করেন বা আশংকা করা হয় যে, পরবর্তীতে একে মসজিদে পরিণত করা হবে। রাবী হিলাল (রহঃ) বলেন, উরওয়া আমাকে (আবূ আমর) কুনিয়াতে ভূষিত করেন আর তখন পর্যন্ত আমি কোন সন্তানের পিতা হইনি। ------------------ ১৩৯০/১. সুফিয়ান তাম্মার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবর উটের কুজের ন্যায় (উঁচু) দেখেছেন। (আ.প্র.১৩০০, ই.ফা.১৩০৮) ------------------ ১৩৯০/২. উরওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ওয়ালীদ ইবনু আবদুল মালিক-এর শাসনামলে যখন (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাওযার) বেষ্টনী দেয়াল ধসে পড়ে, তখন তাঁরা সংষ্কার করতে আরম্ভ করলে একটি পা প্রকাশ পায়, তা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কদম মুবারক বলে ধারণা করার কারণে লোকেরা খুব ঘাবড়ে যায়। সনাক্ত করার মত কাউকে তারা পায়নি। অবশেষে উরওয়া (রাঃ) তাদের বললেন, আল্লাহর কসম এ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পা নয় বরং এতো ‘উমর (রাঃ)-এর পা। (৪৩৫) (আ.প্র. ১৩০১, ই.ফা.১৩০৯)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্তিম রোগশয্যায় বলেন, ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। কারণ, তারা তাদের নবী গণের কবরকে সিজদার স্থানে পরিণত করেছে। (রাবী উরওয়া বলেন) এরূপ আশঙ্কা না থাকলে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবরকে (ঘরের বেষ্টনীতে সংরক্ষিত না রেখে) খোলা রাখা হতো। কিন্তু তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) আশংকা করেন বা আশংকা করা হয় যে, পরবর্তীতে একে মসজিদে পরিণত করা হবে। রাবী হিলাল (রহঃ) বলেন, উরওয়া আমাকে (আবূ আমর) কুনিয়াতে ভূষিত করেন আর তখন পর্যন্ত আমি কোন সন্তানের পিতা হইনি। ------------------ ১৩৯০/১. সুফিয়ান তাম্মার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবর উটের কুজের ন্যায় (উঁচু) দেখেছেন। (আ.প্র.১৩০০, ই.ফা.১৩০৮) ------------------ ১৩৯০/২. উরওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ওয়ালীদ ইবনু আবদুল মালিক-এর শাসনামলে যখন (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাওযার) বেষ্টনী দেয়াল ধসে পড়ে, তখন তাঁরা সংষ্কার করতে আরম্ভ করলে একটি পা প্রকাশ পায়, তা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কদম মুবারক বলে ধারণা করার কারণে লোকেরা খুব ঘাবড়ে যায়। সনাক্ত করার মত কাউকে তারা পায়নি। অবশেষে উরওয়া (রাঃ) তাদের বললেন, আল্লাহর কসম এ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পা নয় বরং এতো ‘উমর (রাঃ)-এর পা। (৪৩৫) (আ.প্র. ১৩০১, ই.ফা.১৩০৯)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، عن هلال، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي لم يقم منه ‏ "‏ لعن الله اليهود والنصارى، اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏‏.‏ لولا ذلك أبرز قبره، غير أنه خشي أو خشي أن يتخذ مسجدا‏.‏ وعن هلال قال كناني عروة بن الزبير ولم يولد لي‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৯২

حدثنا قتيبة، حدثنا جرير بن عبد الحميد، حدثنا حصين بن عبد الرحمن، عن عمرو بن ميمون الأودي، قال رأيت عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ قال يا عبد الله بن عمر، اذهب إلى أم المؤمنين عائشة ـ رضى الله عنها ـ فقل يقرأ عمر بن الخطاب عليك السلام، ثم سلها أن أدفن مع صاحبى‏.‏ قالت كنت أريده لنفسي، فلأوثرنه اليوم على نفسي‏.‏ فلما أقبل قال له ما لديك قال أذنت لك يا أمير المؤمنين‏.‏ قال ما كان شىء أهم إلى من ذلك المضجع، فإذا قبضت فاحملوني ثم سلموا ثم قل يستأذن عمر بن الخطاب‏.‏ فإن أذنت لي فادفنوني، وإلا فردوني إلى مقابر المسلمين، إني لا أعلم أحدا أحق بهذا الأمر من هؤلاء النفر الذين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عنهم راض، فمن استخلفوا بعدي فهو الخليفة، فاسمعوا له وأطيعوا‏.‏ فسمى عثمان وعليا وطلحة والزبير وعبد الرحمن بن عوف وسعد بن أبي وقاص، وولج عليه شاب من الأنصار فقال أبشر يا أمير المؤمنين ببشرى الله، كان لك من القدم في الإسلام ما قد علمت، ثم استخلفت فعدلت، ثم الشهادة بعد هذا كله‏.‏ فقال ليتني يا ابن أخي وذلك كفافا لا على ولا لي أوصي الخليفة من بعدي بالمهاجرين الأولين خيرا، أن يعرف لهم حقهم، وأن يحفظ لهم حرمتهم، وأوصيه بالأنصار خيرا الذين تبوءوا الدار والإيمان أن يقبل من محسنهم، ويعفى عن مسيئهم، وأوصيه بذمة الله وذمة رسوله صلى الله عليه وسلم أن يوفى لهم بعهدهم، وأن يقاتل من ورائهم، وأن لا يكلفوا فوق طاقتهم‏.‏

আমর ইবনু মায়মুন আওদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)-কে দেখলাম তিনি নিজের ছেলে আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)-কে ডেকে বললেন, তুমি উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বল, ‘উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আপনাকে সালাম বলেছেন। অত:পর আমাকে আমার দু’জন সাথী (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বক্‌র)-এর পাশে দাফন করতে তিনি রাযী আছেন কি না? [১] ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি পূর্ব হতেই নিজের জন্য এর আশা পোষণ করতাম, কিন্তু আজ ‘উমর (রাঃ)-কে নিজের উপর অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) ফিরে এলে ‘উমর (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কি বার্তা নিলে এলে? তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] আপনাকে অনুমতি দিয়েছেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, সেখানে শয্যা লাভই ছিল আমার নিকট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমার মৃত্যুর পর আমাকে বহন করে [ ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত করে] তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে, ‘উমর ইবনু খাত্তাব (পুণরায়) আপনার অনুমতি চাইছেন। তিনি অনুমতি দিলে, আমাকে সেখানে দাফন করবে। অন্যথায় আমাকে মুসলমানদের কবরস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। [২] অত:পর ‘উমর (রাঃ) বলেন, এ কয়েকজন ব্যক্তি যাদের উপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যু পর্যন্ত সন্তুষ্ট ছিলেন, তাঁদের অপেক্ষা অন্য কাউকে আমি এ খিলাফতের (দায়িত্ব পালনে) অধিক যোগ্য বলে মনে করি না। তাই আমার তাঁরা (তাঁদের মধ্য হতে) যাঁকে খলীফা মনোনীত করবেন তিনি খলীফা হবেন। তোমরা সকলেই তাঁর আদেশ মেনে চলবে, তাঁর আনুগত্য করবে। এ বলে তিনি ‘উসমান, ‘আলী, তালহা, যুবাইর, ‘আবদুর রাহমান ইবনু আওফ ও সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করলেন। এ সময়ে এক আনসারী যুবক ‘উমর (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আমীরুল মু’মিনীন! আল্লাহ প্রদত্ত সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আপনি ইসলামের ছায়াতলে দীর্ঘদিন অতিবাহিত করার সৌভাগ্য লাভ করেছেন যা আপনিও জানেন। অত:পর আপনাকে খলীফা নিযুক্ত করা হয় এবং আপনি ন্যায়বিচার করেছেন। সর্বোপরি আপনি শাহাদাত লাভ করেছেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, হে ভাতিজা! যদি তা আমার জন্য লাভ লোকসানের না হয়ে বরাবর হয়, তবে কতই না ভাল হবে। (তিনি বললেন) আমার পরবর্তী খলীফাকে ওয়াসিয়্যাত করে যাচ্ছি, তিনি যেন প্রথম দিকের মুহাজিরদের ব্যাপারে যত্নবান হন, তাঁদের হক আদায় করে চলেন, যেন তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেন। আমি তাঁকে আনসারদের সাথেও সদাচারের উপদেশ দেই, যারা ঈমান ও মদীনাকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন, যেন তাঁদের মধ্যকার সৎকর্মপরায়ণদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এবং তাঁদের মধ্যকার (লঘু) অপরাধীকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। সর্বশেষে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দায়িত্বভূক্ত (সর্বস্তরের মু’মিনদের সম্পর্কে) সতর্ক করে দিচ্ছি যেন মু’মিনদের সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করা হয়, তাদের রক্ষার জন্য যুদ্ধ করা হয় এবং সাধ্যের বাইরে কোন দায়িত্ব তাদের উপর অর্পণ করা না হয়।

আমর ইবনু মায়মুন আওদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)-কে দেখলাম তিনি নিজের ছেলে আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)-কে ডেকে বললেন, তুমি উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বল, ‘উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আপনাকে সালাম বলেছেন। অত:পর আমাকে আমার দু’জন সাথী (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বক্‌র)-এর পাশে দাফন করতে তিনি রাযী আছেন কি না? [১] ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি পূর্ব হতেই নিজের জন্য এর আশা পোষণ করতাম, কিন্তু আজ ‘উমর (রাঃ)-কে নিজের উপর অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) ফিরে এলে ‘উমর (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কি বার্তা নিলে এলে? তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] আপনাকে অনুমতি দিয়েছেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, সেখানে শয্যা লাভই ছিল আমার নিকট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমার মৃত্যুর পর আমাকে বহন করে [ ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত করে] তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে, ‘উমর ইবনু খাত্তাব (পুণরায়) আপনার অনুমতি চাইছেন। তিনি অনুমতি দিলে, আমাকে সেখানে দাফন করবে। অন্যথায় আমাকে মুসলমানদের কবরস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। [২] অত:পর ‘উমর (রাঃ) বলেন, এ কয়েকজন ব্যক্তি যাদের উপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যু পর্যন্ত সন্তুষ্ট ছিলেন, তাঁদের অপেক্ষা অন্য কাউকে আমি এ খিলাফতের (দায়িত্ব পালনে) অধিক যোগ্য বলে মনে করি না। তাই আমার তাঁরা (তাঁদের মধ্য হতে) যাঁকে খলীফা মনোনীত করবেন তিনি খলীফা হবেন। তোমরা সকলেই তাঁর আদেশ মেনে চলবে, তাঁর আনুগত্য করবে। এ বলে তিনি ‘উসমান, ‘আলী, তালহা, যুবাইর, ‘আবদুর রাহমান ইবনু আওফ ও সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করলেন। এ সময়ে এক আনসারী যুবক ‘উমর (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আমীরুল মু’মিনীন! আল্লাহ প্রদত্ত সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আপনি ইসলামের ছায়াতলে দীর্ঘদিন অতিবাহিত করার সৌভাগ্য লাভ করেছেন যা আপনিও জানেন। অত:পর আপনাকে খলীফা নিযুক্ত করা হয় এবং আপনি ন্যায়বিচার করেছেন। সর্বোপরি আপনি শাহাদাত লাভ করেছেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, হে ভাতিজা! যদি তা আমার জন্য লাভ লোকসানের না হয়ে বরাবর হয়, তবে কতই না ভাল হবে। (তিনি বললেন) আমার পরবর্তী খলীফাকে ওয়াসিয়্যাত করে যাচ্ছি, তিনি যেন প্রথম দিকের মুহাজিরদের ব্যাপারে যত্নবান হন, তাঁদের হক আদায় করে চলেন, যেন তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেন। আমি তাঁকে আনসারদের সাথেও সদাচারের উপদেশ দেই, যারা ঈমান ও মদীনাকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন, যেন তাঁদের মধ্যকার সৎকর্মপরায়ণদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এবং তাঁদের মধ্যকার (লঘু) অপরাধীকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। সর্বশেষে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দায়িত্বভূক্ত (সর্বস্তরের মু’মিনদের সম্পর্কে) সতর্ক করে দিচ্ছি যেন মু’মিনদের সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করা হয়, তাদের রক্ষার জন্য যুদ্ধ করা হয় এবং সাধ্যের বাইরে কোন দায়িত্ব তাদের উপর অর্পণ করা না হয়।

حدثنا قتيبة، حدثنا جرير بن عبد الحميد، حدثنا حصين بن عبد الرحمن، عن عمرو بن ميمون الأودي، قال رأيت عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ قال يا عبد الله بن عمر، اذهب إلى أم المؤمنين عائشة ـ رضى الله عنها ـ فقل يقرأ عمر بن الخطاب عليك السلام، ثم سلها أن أدفن مع صاحبى‏.‏ قالت كنت أريده لنفسي، فلأوثرنه اليوم على نفسي‏.‏ فلما أقبل قال له ما لديك قال أذنت لك يا أمير المؤمنين‏.‏ قال ما كان شىء أهم إلى من ذلك المضجع، فإذا قبضت فاحملوني ثم سلموا ثم قل يستأذن عمر بن الخطاب‏.‏ فإن أذنت لي فادفنوني، وإلا فردوني إلى مقابر المسلمين، إني لا أعلم أحدا أحق بهذا الأمر من هؤلاء النفر الذين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عنهم راض، فمن استخلفوا بعدي فهو الخليفة، فاسمعوا له وأطيعوا‏.‏ فسمى عثمان وعليا وطلحة والزبير وعبد الرحمن بن عوف وسعد بن أبي وقاص، وولج عليه شاب من الأنصار فقال أبشر يا أمير المؤمنين ببشرى الله، كان لك من القدم في الإسلام ما قد علمت، ثم استخلفت فعدلت، ثم الشهادة بعد هذا كله‏.‏ فقال ليتني يا ابن أخي وذلك كفافا لا على ولا لي أوصي الخليفة من بعدي بالمهاجرين الأولين خيرا، أن يعرف لهم حقهم، وأن يحفظ لهم حرمتهم، وأوصيه بالأنصار خيرا الذين تبوءوا الدار والإيمان أن يقبل من محسنهم، ويعفى عن مسيئهم، وأوصيه بذمة الله وذمة رسوله صلى الله عليه وسلم أن يوفى لهم بعهدهم، وأن يقاتل من ورائهم، وأن لا يكلفوا فوق طاقتهم‏.‏


সহিহ বুখারী > মৃতদের গালি দেয়া নিষেধ।

সহিহ বুখারী ১৩৯৩

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن مجاهد، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تسبوا الأموات فإنهم قد أفضوا إلى ما قدموا ‏"‏‏.‏ ورواه عبد الله بن عبد القدوس عن الأعمش، ومحمد بن أنس عن الأعمش‏.‏ تابعه علي بن الجعد وابن عرعرة وابن أبي عدي عن شعبة‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা মৃতদের গালি দিও না। কারণ, তারা স্বীয় কর্মফল পর্যন্ত পৌছে গেছে। [ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন] ‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘আবদুল কুদ্দুস ও মুহাম্মাদ ইবনু আনাস (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ‘আলী ইবনু জা’দ, ইবনু আর’আরা ও ইবনু আবূ ‘আদী (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় আদম (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা মৃতদের গালি দিও না। কারণ, তারা স্বীয় কর্মফল পর্যন্ত পৌছে গেছে। [ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন] ‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘আবদুল কুদ্দুস ও মুহাম্মাদ ইবনু আনাস (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ‘আলী ইবনু জা’দ, ইবনু আর’আরা ও ইবনু আবূ ‘আদী (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় আদম (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن مجاهد، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تسبوا الأموات فإنهم قد أفضوا إلى ما قدموا ‏"‏‏.‏ ورواه عبد الله بن عبد القدوس عن الأعمش، ومحمد بن أنس عن الأعمش‏.‏ تابعه علي بن الجعد وابن عرعرة وابن أبي عدي عن شعبة‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00