সহিহ বুখারী > কবরের উপরে ইয্‌খির বা অন্য কোন প্রকারের ঘাস দেয়া।

সহিহ বুখারী ১৩৪৯

حدثنا محمد بن عبد الله بن حوشب، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ حرم الله مكة، فلم تحل لأحد قبلي ولا لأحد بعدي، أحلت لي ساعة من نهار، لا يختلى خلاها، ولا يعضد شجرها، ولا ينفر صيدها، ولا تلتقط لقطتها إلا لمعرف ‏"‏‏.‏ فقال العباس ـ رضى الله عنه ـ إلا الإذخر لصاغتنا وقبورنا‏.‏ فقال ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏‏.‏ وقال أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لقبورنا وبيوتنا ‏"‏‏.‏ وقال أبان بن صالح عن الحسن بن مسلم، عن صفية بنت شيبة، سمعت النبي صلى الله عليه وسلم مثله‏.‏ وقال مجاهد عن طاوس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ لقينهم وبيوتهم‏.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ, তা'আলা মক্কাকে হারাম (সম্মানিত বা নিষিদ্ধ এলাকা) সাব্যস্ত করেছেন। আমার পূর্বে তা, কারো জন্য হালাল (বৈধ ও উন্মুক্ত এলাকা) ছিল না এবং আমার পরেও কারো জন্য তা হালাল হবে না। আমার জন্য একটি দিনের (মক্কা বিজয়ের দিন) কিছু সময় হালাল করা হয়েছিল। কাজেই তার ঘাস উৎপাটন করা যাবে না, তার গাছ কাটা যাবে না, শিকারকে তাড়িয়ে দেয়া যাবে না। সেখানে পড়ে থাকা (হারানো) বস্তু উঠিয়ে নেয়া যাবে না, তবে হারানো প্রাপ্তির ঘোষণা প্রদানকারীর জন্য (অনুমতি থাকবে)। তখন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তবে ইয্‌খির ঘাস আমাদের স্বর্ণকারদের জন্য এবং আমাদের কবরগুলোর জন্য প্রয়োজন। তখন তিনি বললেনঃ ইয্‌খির ব্যতীত। আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, আমাদের কবর ও বাড়ী ঘরের জন্য। আর আবান ইব্‌নু সালিহ (রহঃ) সাফিয়্যা বিন্‌ত শায়বাহ্‌ (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি অনুরূপ বলতে শুনেছি আর মুজাহিদ (রহঃ) ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বলেন, তাদের কর্মকার ও ঘর-বাড়ির জন্য।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ, তা'আলা মক্কাকে হারাম (সম্মানিত বা নিষিদ্ধ এলাকা) সাব্যস্ত করেছেন। আমার পূর্বে তা, কারো জন্য হালাল (বৈধ ও উন্মুক্ত এলাকা) ছিল না এবং আমার পরেও কারো জন্য তা হালাল হবে না। আমার জন্য একটি দিনের (মক্কা বিজয়ের দিন) কিছু সময় হালাল করা হয়েছিল। কাজেই তার ঘাস উৎপাটন করা যাবে না, তার গাছ কাটা যাবে না, শিকারকে তাড়িয়ে দেয়া যাবে না। সেখানে পড়ে থাকা (হারানো) বস্তু উঠিয়ে নেয়া যাবে না, তবে হারানো প্রাপ্তির ঘোষণা প্রদানকারীর জন্য (অনুমতি থাকবে)। তখন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তবে ইয্‌খির ঘাস আমাদের স্বর্ণকারদের জন্য এবং আমাদের কবরগুলোর জন্য প্রয়োজন। তখন তিনি বললেনঃ ইয্‌খির ব্যতীত। আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, আমাদের কবর ও বাড়ী ঘরের জন্য। আর আবান ইব্‌নু সালিহ (রহঃ) সাফিয়্যা বিন্‌ত শায়বাহ্‌ (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি অনুরূপ বলতে শুনেছি আর মুজাহিদ (রহঃ) ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বলেন, তাদের কর্মকার ও ঘর-বাড়ির জন্য।

حدثنا محمد بن عبد الله بن حوشب، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ حرم الله مكة، فلم تحل لأحد قبلي ولا لأحد بعدي، أحلت لي ساعة من نهار، لا يختلى خلاها، ولا يعضد شجرها، ولا ينفر صيدها، ولا تلتقط لقطتها إلا لمعرف ‏"‏‏.‏ فقال العباس ـ رضى الله عنه ـ إلا الإذخر لصاغتنا وقبورنا‏.‏ فقال ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏‏.‏ وقال أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لقبورنا وبيوتنا ‏"‏‏.‏ وقال أبان بن صالح عن الحسن بن مسلم، عن صفية بنت شيبة، سمعت النبي صلى الله عليه وسلم مثله‏.‏ وقال مجاهد عن طاوس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ لقينهم وبيوتهم‏.


সহিহ বুখারী > কোন কারণে মৃত ব্যক্তিকে কবর বা লাহ্‌দ হতে বের করা যাবে কি?

সহিহ বুখারী ১৩৫২

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سعيد بن عامر، عن شعبة، عن ابن أبي نجيح، عن عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال دفن مع أبي رجل فلم تطب نفسي حتى أخرجته فجعلته في قبر على حدة‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতার সাথে আরেকজন শহীদকে দাফন করা হলে আমার মন তাতে তুষ্ট হতে পারল না। অবশেষে আমি তাঁকে (কবর হতে) বের করলাম এবং একটি পৃথক কবরে তাঁকে দাফন করলাম।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতার সাথে আরেকজন শহীদকে দাফন করা হলে আমার মন তাতে তুষ্ট হতে পারল না। অবশেষে আমি তাঁকে (কবর হতে) বের করলাম এবং একটি পৃথক কবরে তাঁকে দাফন করলাম।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سعيد بن عامر، عن شعبة، عن ابن أبي نجيح، عن عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال دفن مع أبي رجل فلم تطب نفسي حتى أخرجته فجعلته في قبر على حدة‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫০

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عبد الله بن أبى بعد ما أدخل حفرته فأمر به فأخرج، فوضعه على ركبتيه، ونفث عليه من ريقه، وألبسه قميصه، فالله أعلم، وكان كسا عباسا قميصا‏.‏ قال سفيان وقال أبو هارون وكان على رسول الله صلى الله عليه وسلم قميصان، فقال له ابن عبد الله يا رسول الله، ألبس أبي قميصك الذي يلي جلدك‏.‏ قال سفيان فيرون أن النبي صلى الله عليه وسلم ألبس عبد الله قميصه مكافأة لما صنع‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উবাই (মুনাফিক সর্দারকে) কবর দেয়ার পর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার (কবরের) নিকট আসলেন এবং তিনি তাঁকে বের করার নির্দেশ দিলে তাকে (কবর হতে) বের করা হল। তখন তিনি তাকে তাঁর (নিজের) দু’ হাঁটুর উপর রাখলেন, নিজের (মুখের) লালা (তাঁর উপর ফুঁকে) দিলেন এবং নিজের জামা তাকে পরিয়ে দিলেন। আল্লাহ্‌ সমধিক অবগত। সে আব্বাস (রাঃ)-কে একটি জামা পড়তে দিয়েছিল। আর সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিধানে তখন দুটি জামা ছিল। ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইব্‌নু ‘উবাই)-এর পুত্র (আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার (পবিত্র) দেহের সাথে জড়িয়ে থাকা জামাটি আমার পিতাকে পরিয়ে দিন। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, তারা মনে করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জামা ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইব্‌নু উবাই)-কে পরিয়ে দিয়েছিলেন, তার কৃত (ইহসানের) বিনিময় স্বরূপ।

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উবাই (মুনাফিক সর্দারকে) কবর দেয়ার পর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার (কবরের) নিকট আসলেন এবং তিনি তাঁকে বের করার নির্দেশ দিলে তাকে (কবর হতে) বের করা হল। তখন তিনি তাকে তাঁর (নিজের) দু’ হাঁটুর উপর রাখলেন, নিজের (মুখের) লালা (তাঁর উপর ফুঁকে) দিলেন এবং নিজের জামা তাকে পরিয়ে দিলেন। আল্লাহ্‌ সমধিক অবগত। সে আব্বাস (রাঃ)-কে একটি জামা পড়তে দিয়েছিল। আর সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিধানে তখন দুটি জামা ছিল। ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইব্‌নু ‘উবাই)-এর পুত্র (আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার (পবিত্র) দেহের সাথে জড়িয়ে থাকা জামাটি আমার পিতাকে পরিয়ে দিন। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, তারা মনে করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জামা ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইব্‌নু উবাই)-কে পরিয়ে দিয়েছিলেন, তার কৃত (ইহসানের) বিনিময় স্বরূপ।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عبد الله بن أبى بعد ما أدخل حفرته فأمر به فأخرج، فوضعه على ركبتيه، ونفث عليه من ريقه، وألبسه قميصه، فالله أعلم، وكان كسا عباسا قميصا‏.‏ قال سفيان وقال أبو هارون وكان على رسول الله صلى الله عليه وسلم قميصان، فقال له ابن عبد الله يا رسول الله، ألبس أبي قميصك الذي يلي جلدك‏.‏ قال سفيان فيرون أن النبي صلى الله عليه وسلم ألبس عبد الله قميصه مكافأة لما صنع‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫১

حدثنا مسدد، أخبرنا بشر بن المفضل، حدثنا حسين المعلم، عن عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال لما حضر أحد دعاني أبي من الليل فقال ما أراني إلا مقتولا في أول من يقتل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، وإني لا أترك بعدي أعز على منك، غير نفس رسول الله صلى الله عليه وسلم، فإن على دينا فاقض، واستوص بأخواتك خيرا‏.‏ فأصبحنا فكان أول قتيل، ودفن معه آخر في قبر، ثم لم تطب نفسي أن أتركه مع الآخر فاستخرجته بعد ستة أشهر، فإذا هو كيوم وضعته هنية غير أذنه‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন উহুদ যুদ্ধের সময় উপস্থিত হল, তখন রাতের বেলা আমার পিতা আমাকে ডেকে বললেন, আমার মনে হয় যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগনের মধ্যে যাঁরা প্রথমে শহীদ হবেন, আমি তাঁদের মধ্যে একজন হব। আর আমি আমার (মৃত্যুর) পরে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যতীত তোমার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কাউকে রেখে যাচ্ছি না। আমার যিম্মায় কর্য রয়েছে। তুমি তা পরিশোধ করবে। তোমার বোনদের ব্যাপারে সদুপদেশ গ্রহণ করবে। জাবির (রাঃ) বলেন, পরদিন সকাল হলে (আমরা দেখলাম যে) তিনিই প্রথম শহীদ। তাঁর কবরে তাঁর আর একজন সাহাবীকে তাঁর সাথে দাফন করা হয়েছিল। কিন্তু পরে অন্য একজনের সাথে (একই) কবরে তাঁকে রাখা আমার মনে ভাল লাগল না। তাই ছয় মাস পর আমি তাঁকে (কবর হতে) বের করলাম এবং দেখলাম যে, তাঁর কানে সামান্য চিহ্ন ব্যতীত তিনি সেই দিনের মতই (অক্ষত ও অবিকৃত) রয়েছেন, যে দিন তাঁকে (কবরে) রেখেছিলাম।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন উহুদ যুদ্ধের সময় উপস্থিত হল, তখন রাতের বেলা আমার পিতা আমাকে ডেকে বললেন, আমার মনে হয় যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগনের মধ্যে যাঁরা প্রথমে শহীদ হবেন, আমি তাঁদের মধ্যে একজন হব। আর আমি আমার (মৃত্যুর) পরে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যতীত তোমার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কাউকে রেখে যাচ্ছি না। আমার যিম্মায় কর্য রয়েছে। তুমি তা পরিশোধ করবে। তোমার বোনদের ব্যাপারে সদুপদেশ গ্রহণ করবে। জাবির (রাঃ) বলেন, পরদিন সকাল হলে (আমরা দেখলাম যে) তিনিই প্রথম শহীদ। তাঁর কবরে তাঁর আর একজন সাহাবীকে তাঁর সাথে দাফন করা হয়েছিল। কিন্তু পরে অন্য একজনের সাথে (একই) কবরে তাঁকে রাখা আমার মনে ভাল লাগল না। তাই ছয় মাস পর আমি তাঁকে (কবর হতে) বের করলাম এবং দেখলাম যে, তাঁর কানে সামান্য চিহ্ন ব্যতীত তিনি সেই দিনের মতই (অক্ষত ও অবিকৃত) রয়েছেন, যে দিন তাঁকে (কবরে) রেখেছিলাম।

حدثنا مسدد، أخبرنا بشر بن المفضل، حدثنا حسين المعلم، عن عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال لما حضر أحد دعاني أبي من الليل فقال ما أراني إلا مقتولا في أول من يقتل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، وإني لا أترك بعدي أعز على منك، غير نفس رسول الله صلى الله عليه وسلم، فإن على دينا فاقض، واستوص بأخواتك خيرا‏.‏ فأصبحنا فكان أول قتيل، ودفن معه آخر في قبر، ثم لم تطب نفسي أن أتركه مع الآخر فاستخرجته بعد ستة أشهر، فإذا هو كيوم وضعته هنية غير أذنه‏.‏


সহিহ বুখারী > কবরকে লাহ্‌দ ও শাক্‌ক বানানো।

সহিহ বুখারী ১৩৫৩

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الليث بن سعد، قال حدثني ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يجمع بين رجلين من قتلى أحد ثم يقول ‏"‏ أيهم أكثر أخذا للقرآن ‏"‏‏.‏ فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد فقال ‏"‏ أنا شهيد على هؤلاء يوم القيامة ‏"‏‏.‏ فأمر بدفنهم بدمائهم ولم يغسلهم‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদের শহীদগণের দু’ দু’জনকে একত্র করে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কুরআন সম্পর্কে কে অধিক জ্ঞাত? দুজনের কোন একজনের দিকে ইঙ্গিত করা হলে প্রথমে তাঁকে কবরে রাখতেন। অতঃপর ইরশাদ করেনঃ কিয়ামাতের দিন আমি তাঁদের জন্য সাক্ষী হব। তিনি রক্ত-মাখা অবস্থায়ই তাঁদের দাফন করার আদেশ করলেন এবং তাঁদের গোসলও দেননি।

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদের শহীদগণের দু’ দু’জনকে একত্র করে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কুরআন সম্পর্কে কে অধিক জ্ঞাত? দুজনের কোন একজনের দিকে ইঙ্গিত করা হলে প্রথমে তাঁকে কবরে রাখতেন। অতঃপর ইরশাদ করেনঃ কিয়ামাতের দিন আমি তাঁদের জন্য সাক্ষী হব। তিনি রক্ত-মাখা অবস্থায়ই তাঁদের দাফন করার আদেশ করলেন এবং তাঁদের গোসলও দেননি।

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الليث بن سعد، قال حدثني ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يجمع بين رجلين من قتلى أحد ثم يقول ‏"‏ أيهم أكثر أخذا للقرآن ‏"‏‏.‏ فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد فقال ‏"‏ أنا شهيد على هؤلاء يوم القيامة ‏"‏‏.‏ فأمر بدفنهم بدمائهم ولم يغسلهم‏.‏


সহিহ বুখারী > কোন বালক ইসলাম গ্রহণ করে মারা গেলে তার জন্য (জানাযার) সালাত আদায় করা যাবে কি? বালকের নিকট ইসলামের দাওয়াত দেয়া যাবে কি?

সহিহ বুখারী ১৩৫৫

See previous Hadith

রাবী সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, অতঃপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) ঐ খেজুরের বাগানের দিকে গমন করলেন যেখানে ইব্‌নু সাইয়াদ ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদ তাকে দেখে ফেলার পূর্বেই ইব্‌নু সাইয়াদের কিছু কথা তিনি শুনে নিতে চাচ্ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে একটি চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে দেখলেন। যার ভিতর হতে তার গুনগুন আওয়াজ শোনা [১] যাচ্ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদের মা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল যে, তিনি খেজুর (গাছের) কাণ্ডের আড়ালে আত্মগোপন করে চলছেন। সে তখন ইব্‌নু সাইয়াদকে ডেকে বলল, ও সাফ ! (এটি ইব্‌নু সাইয়াদের ডাক নাম) এই যে মুহাম্মাদ ! তখন ইব্‌নু সাইয়াদ লাফিয়ে উঠল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ সে (ইব্‌নু সাইয়াদের মা) তাকে (যথাবস্থায়) থাকতে দিলে (ব্যাপারটি) স্পষ্ট হয়ে যেত। শুআইব (রহঃ) তাঁর হাদীসে (فَرَفَضَهُ) বলেন, এবং সন্দেহের সাথে বলেন, (رَمْرَمَةُ) অথবা (زَمْزَمَةُ) এবং উকাইল (র.) বলেছেন, (رَمْزَةُ) আর মা’মার বলেছেন, (আরবী)।

রাবী সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, অতঃপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) ঐ খেজুরের বাগানের দিকে গমন করলেন যেখানে ইব্‌নু সাইয়াদ ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদ তাকে দেখে ফেলার পূর্বেই ইব্‌নু সাইয়াদের কিছু কথা তিনি শুনে নিতে চাচ্ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে একটি চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে দেখলেন। যার ভিতর হতে তার গুনগুন আওয়াজ শোনা [১] যাচ্ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদের মা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল যে, তিনি খেজুর (গাছের) কাণ্ডের আড়ালে আত্মগোপন করে চলছেন। সে তখন ইব্‌নু সাইয়াদকে ডেকে বলল, ও সাফ ! (এটি ইব্‌নু সাইয়াদের ডাক নাম) এই যে মুহাম্মাদ ! তখন ইব্‌নু সাইয়াদ লাফিয়ে উঠল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ সে (ইব্‌নু সাইয়াদের মা) তাকে (যথাবস্থায়) থাকতে দিলে (ব্যাপারটি) স্পষ্ট হয়ে যেত। শুআইব (রহঃ) তাঁর হাদীসে (فَرَفَضَهُ) বলেন, এবং সন্দেহের সাথে বলেন, (رَمْرَمَةُ) অথবা (زَمْزَمَةُ) এবং উকাইল (র.) বলেছেন, (رَمْزَةُ) আর মা’মার বলেছেন, (আরবী)।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৩৫৪

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، أن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن عمر انطلق مع النبي صلى الله عليه وسلم في رهط قبل ابن صياد، حتى وجدوه يلعب مع الصبيان عند أطم بني مغالة، وقد قارب ابن صياد الحلم فلم يشعر حتى ضرب النبي صلى الله عليه وسلم بيده ثم قال لابن صياد ‏"‏ تشهد أني رسول الله ‏"‏‏.‏ فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين‏.‏ فقال ابن صياد للنبي صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فرفضه وقال آمنت بالله وبرسله‏.‏ فقال له ‏"‏ ماذا ترى ‏"‏‏.‏ قال ابن صياد يأتيني صادق وكاذب‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خلط عليك الأمر ‏"‏ ثم قال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني قد خبأت لك خبيئا ‏"‏‏.‏ فقال ابن صياد هو الدخ‏.‏ فقال ‏"‏ اخسأ، فلن تعدو قدرك ‏"‏‏.‏ فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ دعني يا رسول الله أضرب عنقه‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكنه فلن تسلط عليه، وإن لم يكنه فلا خير لك في قتله ‏"‏‏.‏ وقال سالم سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب إلى النخل التي فيها ابن صياد وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه ابن صياد فرآه النبي صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع، يعني في قطيفة له فيها رمزة أو زمرة، فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل فقالت لابن صياد يا صاف ـ وهو اسم ابن صياد ـ هذا محمد صلى الله عليه وسلم‏.‏ فثار ابن صياد فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو تركته بين ‏"‏‏.‏ وقال شعيب في حديثه فرفصه رمرمة، أو زمزمة‏.‏ وقال إسحاق الكلبي وعقيل رمرمة‏.‏ وقال معمر رمزة‏.‏

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে ইব্‌নু সাইয়াদ-এর (বাড়ির) দিকে গেলেন। তাঁরা তাঁকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) বনূ মাগালা দুর্গের পাশে অন্যান্য বালকদের সাথে খেলাধূলারত পেলেন। তখন ইব্‌নু সাইয়াদ বালিগ হবার নিকটবর্তী হয়েছিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমন অনুভব করার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত ধরে ফেললেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আমি আল্লাহর রসূল? ইব্‌নু সাইয়াদ তাঁর দিকে দৃষ্টি করে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মীদের রসূল। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দিবেন যে, আমি আল্লাহর রসূল? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বললেনঃ আমি আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি। অতঃপর তিনি তাকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কী দেখে থাক? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, আমার নিকট সত্যবাদী ও মিথ্যাবাদী আগমন করে থাকে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ ব্যাপারটি তোমার নিকট বিভ্রান্তিকর করা হয়েছে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি একটি বিষয় তোমার হতে (আমার মনের মধ্যে) গোপন রেখেছি। বলতো সেটি কী? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, তা হচ্ছে (الدُّخُّ) 'আদ্-দুখখু। তখন তিনি ইরশাদ করলেনঃ তুমি লাঞ্ছিত হও ! তুমি কখনো তোমার (জন্য নির্ধারিত) সীমা অতিক্রম করতে পারবে না। তখন ‘উমর (রাঃ) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন, হে আল্লাহর রসূল ! আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই [২৬]। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ যদি সে সে-ই (অর্থাৎ মাসীহ্‌ দাজ্জাল) হয়ে থাকে, তাহলে তাকে কাবু করার ক্ষমতা তোমাকে দেয়া হবে না। আর যদি সে-ই (দাজ্জাল) না হয়, তাহলে তাকে হত্যা করার মধ্যে তোমার কোন কল্যাণ নেই।

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে ইব্‌নু সাইয়াদ-এর (বাড়ির) দিকে গেলেন। তাঁরা তাঁকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) বনূ মাগালা দুর্গের পাশে অন্যান্য বালকদের সাথে খেলাধূলারত পেলেন। তখন ইব্‌নু সাইয়াদ বালিগ হবার নিকটবর্তী হয়েছিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমন অনুভব করার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত ধরে ফেললেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আমি আল্লাহর রসূল? ইব্‌নু সাইয়াদ তাঁর দিকে দৃষ্টি করে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মীদের রসূল। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দিবেন যে, আমি আল্লাহর রসূল? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বললেনঃ আমি আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি। অতঃপর তিনি তাকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কী দেখে থাক? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, আমার নিকট সত্যবাদী ও মিথ্যাবাদী আগমন করে থাকে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ ব্যাপারটি তোমার নিকট বিভ্রান্তিকর করা হয়েছে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি একটি বিষয় তোমার হতে (আমার মনের মধ্যে) গোপন রেখেছি। বলতো সেটি কী? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, তা হচ্ছে (الدُّخُّ) 'আদ্-দুখখু। তখন তিনি ইরশাদ করলেনঃ তুমি লাঞ্ছিত হও ! তুমি কখনো তোমার (জন্য নির্ধারিত) সীমা অতিক্রম করতে পারবে না। তখন ‘উমর (রাঃ) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন, হে আল্লাহর রসূল ! আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই [২৬]। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ যদি সে সে-ই (অর্থাৎ মাসীহ্‌ দাজ্জাল) হয়ে থাকে, তাহলে তাকে কাবু করার ক্ষমতা তোমাকে দেয়া হবে না। আর যদি সে-ই (দাজ্জাল) না হয়, তাহলে তাকে হত্যা করার মধ্যে তোমার কোন কল্যাণ নেই।

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، أن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن عمر انطلق مع النبي صلى الله عليه وسلم في رهط قبل ابن صياد، حتى وجدوه يلعب مع الصبيان عند أطم بني مغالة، وقد قارب ابن صياد الحلم فلم يشعر حتى ضرب النبي صلى الله عليه وسلم بيده ثم قال لابن صياد ‏"‏ تشهد أني رسول الله ‏"‏‏.‏ فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين‏.‏ فقال ابن صياد للنبي صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فرفضه وقال آمنت بالله وبرسله‏.‏ فقال له ‏"‏ ماذا ترى ‏"‏‏.‏ قال ابن صياد يأتيني صادق وكاذب‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خلط عليك الأمر ‏"‏ ثم قال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني قد خبأت لك خبيئا ‏"‏‏.‏ فقال ابن صياد هو الدخ‏.‏ فقال ‏"‏ اخسأ، فلن تعدو قدرك ‏"‏‏.‏ فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ دعني يا رسول الله أضرب عنقه‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكنه فلن تسلط عليه، وإن لم يكنه فلا خير لك في قتله ‏"‏‏.‏ وقال سالم سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب إلى النخل التي فيها ابن صياد وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه ابن صياد فرآه النبي صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع، يعني في قطيفة له فيها رمزة أو زمرة، فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل فقالت لابن صياد يا صاف ـ وهو اسم ابن صياد ـ هذا محمد صلى الله عليه وسلم‏.‏ فثار ابن صياد فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو تركته بين ‏"‏‏.‏ وقال شعيب في حديثه فرفصه رمرمة، أو زمزمة‏.‏ وقال إسحاق الكلبي وعقيل رمرمة‏.‏ وقال معمر رمزة‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৭

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال قال عبيد الله سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يقول كنت أنا وأمي، من المستضعفين أنا من الولدان، وأمي، من النساء‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং আমার মা (লুবাবাহ্‌ বিন্‌ত হারিস) মুসতায’আফীন (দুর্বল, অসহায়) এর অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি ছিলাম না-বালিগ শিশুদের মধ্যে আর আমার মা ছিলেন মহিলাদের মধ্যে।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং আমার মা (লুবাবাহ্‌ বিন্‌ত হারিস) মুসতায’আফীন (দুর্বল, অসহায়) এর অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি ছিলাম না-বালিগ শিশুদের মধ্যে আর আমার মা ছিলেন মহিলাদের মধ্যে।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال قال عبيد الله سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يقول كنت أنا وأمي، من المستضعفين أنا من الولدان، وأمي، من النساء‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৬

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد ـ وهو ابن زيد ـ عن ثابت، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال كان غلام يهودي يخدم النبي صلى الله عليه وسلم فمرض، فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم يعوده، فقعد عند رأسه فقال له ‏"‏ أسلم ‏"‏‏.‏ فنظر إلى أبيه وهو عنده فقال له أطع أبا القاسم صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأسلم، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏"‏ الحمد لله الذي أنقذه من النار ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী বালক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাত করত, সে একবার অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখার জন্য আসলেন। তিনি তার মাথার নিকট বসে তাকে বললেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহণ কর, সে তখন তার পিতার দিকে তাকাল, সে তার নিকটেই ছিল, পিতা তাকে বলল, আবুল কাসেম (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুনিয়াত) এর কথা মেনে নাও, তখন সে ইসলাম গ্রহণ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখান হতে বের হয়ে যাওয়ার সময় ইরশাদ করলেনঃ যাবতীয় প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দিলেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী বালক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাত করত, সে একবার অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখার জন্য আসলেন। তিনি তার মাথার নিকট বসে তাকে বললেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহণ কর, সে তখন তার পিতার দিকে তাকাল, সে তার নিকটেই ছিল, পিতা তাকে বলল, আবুল কাসেম (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুনিয়াত) এর কথা মেনে নাও, তখন সে ইসলাম গ্রহণ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখান হতে বের হয়ে যাওয়ার সময় ইরশাদ করলেনঃ যাবতীয় প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দিলেন।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد ـ وهو ابن زيد ـ عن ثابت، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال كان غلام يهودي يخدم النبي صلى الله عليه وسلم فمرض، فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم يعوده، فقعد عند رأسه فقال له ‏"‏ أسلم ‏"‏‏.‏ فنظر إلى أبيه وهو عنده فقال له أطع أبا القاسم صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأسلم، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏"‏ الحمد لله الذي أنقذه من النار ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৯

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء، هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها لا تبديل لخلق الله ذلك الدين القيم‏}‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নবজাতকই ফিত্‌রাতের উপর জন্মলাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী, নাসারা বা মাজূসী (অগ্নিপূজারী) রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু একটি পূর্নাঙ্গ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাকে কোন (জন্মগত) কানকাটা দেখতে পাও? অতঃপর আবূ হুরায়রা তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا لا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ اللَّهِ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ) (যার অর্থ) “আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরণ কর, যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন, এটাই সরল সুদৃঢ় দ্বীন”- (সূরা রুমঃ ৩০)।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নবজাতকই ফিত্‌রাতের উপর জন্মলাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী, নাসারা বা মাজূসী (অগ্নিপূজারী) রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু একটি পূর্নাঙ্গ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাকে কোন (জন্মগত) কানকাটা দেখতে পাও? অতঃপর আবূ হুরায়রা তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا لا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ اللَّهِ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ) (যার অর্থ) “আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরণ কর, যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন, এটাই সরল সুদৃঢ় দ্বীন”- (সূরা রুমঃ ৩০)।

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء، هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها لا تبديل لخلق الله ذلك الدين القيم‏}‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৮

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، قال ابن شهاب يصلى على كل مولود متوفى وإن كان لغية، من أجل أنه ولد على فطرة الإسلام، يدعي أبواه الإسلام أو أبوه خاصة، وإن كانت أمه على غير الإسلام، إذا استهل صارخا صلي عليه، ولا يصلى على من لا يستهل من أجل أنه سقط، فإن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ كان يحدث قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه – ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها‏}‏ الآية‏.‏

শুআইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু শিহাব (রহঃ) বলেছেন, নবজাত শিশু মারা গেলে তাঁদের প্রত্যেকের জানাযার সালাত আদায় করা হবে। যদিও সে কোন ভ্রষ্টা মায়ের সন্তানও হয়। এ কারণে যে, সে সন্তানটি ইসলামী ফিত্‌রাহ্‌র (তাওহীদ) এর উপর জন্মলাভ করেছে। তার পিতামাতা ইসলামের দাবীদার হোক বা বিশেষভাবে তার পিতা। যদিও তার মা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের অনুসারী হয়। নবজাত শিশু সরবে কেঁদে থাকলে তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে। আর যে শিশু না কাঁদবে, তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে না। কেননা, সে অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। কারণ, আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রতিটি নবজাতকই জন্মলাভ করে ফিত্‌রাতের (তাওহীদের) উপর। অতঃপর তার মা-বাপ তাকে ইয়াহূদী বা খ্রিস্টান বা অগ্নিপূজারী রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু নিখুঁত বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাদের মধ্যে কোন কান কাটা দেখতে পাও? (বরং মানুষরাই তার নাক কান কেটে দিয়ে বা ছিদ্র করে তাকে বিকৃত করে থাকে। অনুরূপ ইসলামের ফিত্‌রাহ্‌তে ভূমিষ্ট সন্তানকে মা-বাপ তাদের শিক্ষা-দীক্ষা ও জীবন ধারায় প্রবাহিত করে ভ্রান্ত ধর্মী বানিয়ে ফেলে) পড়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا) "আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরন কর যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন -" (সূরা রূমঃ ৩০)

শুআইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু শিহাব (রহঃ) বলেছেন, নবজাত শিশু মারা গেলে তাঁদের প্রত্যেকের জানাযার সালাত আদায় করা হবে। যদিও সে কোন ভ্রষ্টা মায়ের সন্তানও হয়। এ কারণে যে, সে সন্তানটি ইসলামী ফিত্‌রাহ্‌র (তাওহীদ) এর উপর জন্মলাভ করেছে। তার পিতামাতা ইসলামের দাবীদার হোক বা বিশেষভাবে তার পিতা। যদিও তার মা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের অনুসারী হয়। নবজাত শিশু সরবে কেঁদে থাকলে তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে। আর যে শিশু না কাঁদবে, তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে না। কেননা, সে অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। কারণ, আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রতিটি নবজাতকই জন্মলাভ করে ফিত্‌রাতের (তাওহীদের) উপর। অতঃপর তার মা-বাপ তাকে ইয়াহূদী বা খ্রিস্টান বা অগ্নিপূজারী রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু নিখুঁত বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাদের মধ্যে কোন কান কাটা দেখতে পাও? (বরং মানুষরাই তার নাক কান কেটে দিয়ে বা ছিদ্র করে তাকে বিকৃত করে থাকে। অনুরূপ ইসলামের ফিত্‌রাহ্‌তে ভূমিষ্ট সন্তানকে মা-বাপ তাদের শিক্ষা-দীক্ষা ও জীবন ধারায় প্রবাহিত করে ভ্রান্ত ধর্মী বানিয়ে ফেলে) পড়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا) "আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরন কর যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন -" (সূরা রূমঃ ৩০)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، قال ابن شهاب يصلى على كل مولود متوفى وإن كان لغية، من أجل أنه ولد على فطرة الإسلام، يدعي أبواه الإسلام أو أبوه خاصة، وإن كانت أمه على غير الإسلام، إذا استهل صارخا صلي عليه، ولا يصلى على من لا يستهل من أجل أنه سقط، فإن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ كان يحدث قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه – ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها‏}‏ الآية‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00