সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি বিপদের সময় এমন ভাবে বসে পড়ে যে, তার মধ্যে দুঃখবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।

সহিহ বুখারী ১৩০০

حدثنا عمرو بن علي، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا عاصم الأحول، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قنت رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا حين قتل القراء، فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم حزن حزنا قط أشد منه‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (বীর-ই মাউনার ঘটনায়) ক্বারি (সাহাবীগনের) শাহাদাতের পর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ফজরের সালাতে) এক মাস যাবত কুনুত-ই নাযিলা [১] পাঠ করেছিলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি আর কখনো এর চেয়ে অধিক শোকাভিভূত হতে দেখিনি।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (বীর-ই মাউনার ঘটনায়) ক্বারি (সাহাবীগনের) শাহাদাতের পর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ফজরের সালাতে) এক মাস যাবত কুনুত-ই নাযিলা [১] পাঠ করেছিলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি আর কখনো এর চেয়ে অধিক শোকাভিভূত হতে দেখিনি।

حدثنا عمرو بن علي، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا عاصم الأحول، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قنت رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا حين قتل القراء، فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم حزن حزنا قط أشد منه‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৯৯

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى، قال أخبرتني عمرة، قالت سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قتل ابن حارثة وجعفر وابن رواحة جلس يعرف فيه الحزن، وأنا أنظر من صائر الباب ـ شق الباب ـ فأتاه رجل، فقال إن نساء جعفر، وذكر بكاءهن، فأمره أن ينهاهن، فذهب ثم أتاه الثانية، لم يطعنه فقال انههن‏.‏ فأتاه الثالثة قال والله غلبننا يا رسول الله فزعمت أنه قال ‏ "‏ فاحث في أفواههن التراب ‏"‏‏.‏ فقلت أرغم الله أنفك، لم تفعل ما أمرك رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم تترك رسول الله صلى الله عليه وسلم من العناء‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (মুতা-র যুদ্ধ ক্ষেত্র হতে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে (যায়দ) ইব্‌নূ হারিসা, জা’ফর ও ইব্‌নু রাওয়াহা (রাঃ)-এর শাহাদাতের খবর পৌঁছল, তখন তিনি (এমনভাবে) বসে পড়লেন যে, তাঁর মধ্যে দুঃখের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল। আমি [‘আয়িশা (রাঃ)] দরজার ফাঁক দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করছিলাম। এক ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়ে জা’ফর (রাঃ)-এর পরিবারের মহিলাদের কান্নাকাটির কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন, তিনি যেন তাদেরকে (কান্নাকাটি করতে) নিষেধ করেন, লোকটি চলে গেল এবং দ্বিতীয়বার এসে (বলল) তারা তার কথা মানেনি। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তাঁদেরকে নিষেধ করো। ঐ ব্যক্তি তৃতীয়বার এসে বললেন, আল্লাহর কসম! সে আল্লাহর রাসূল! তাঁরা আমাদের হার মানিয়েছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরক্তির সাথে বললেনঃ তাহলে তাদের মুখে মাটি নিক্ষেপ করো। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্‌ তোমার নাকে ধূলি মিলিয়ে দেন। [১] তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ পালন করতে পারনি। অথচ তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিরক্ত করতেও দ্বিধা করোনি।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (মুতা-র যুদ্ধ ক্ষেত্র হতে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে (যায়দ) ইব্‌নূ হারিসা, জা’ফর ও ইব্‌নু রাওয়াহা (রাঃ)-এর শাহাদাতের খবর পৌঁছল, তখন তিনি (এমনভাবে) বসে পড়লেন যে, তাঁর মধ্যে দুঃখের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল। আমি [‘আয়িশা (রাঃ)] দরজার ফাঁক দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করছিলাম। এক ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়ে জা’ফর (রাঃ)-এর পরিবারের মহিলাদের কান্নাকাটির কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন, তিনি যেন তাদেরকে (কান্নাকাটি করতে) নিষেধ করেন, লোকটি চলে গেল এবং দ্বিতীয়বার এসে (বলল) তারা তার কথা মানেনি। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তাঁদেরকে নিষেধ করো। ঐ ব্যক্তি তৃতীয়বার এসে বললেন, আল্লাহর কসম! সে আল্লাহর রাসূল! তাঁরা আমাদের হার মানিয়েছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরক্তির সাথে বললেনঃ তাহলে তাদের মুখে মাটি নিক্ষেপ করো। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্‌ তোমার নাকে ধূলি মিলিয়ে দেন। [১] তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ পালন করতে পারনি। অথচ তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিরক্ত করতেও দ্বিধা করোনি।

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى، قال أخبرتني عمرة، قالت سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قتل ابن حارثة وجعفر وابن رواحة جلس يعرف فيه الحزن، وأنا أنظر من صائر الباب ـ شق الباب ـ فأتاه رجل، فقال إن نساء جعفر، وذكر بكاءهن، فأمره أن ينهاهن، فذهب ثم أتاه الثانية، لم يطعنه فقال انههن‏.‏ فأتاه الثالثة قال والله غلبننا يا رسول الله فزعمت أنه قال ‏ "‏ فاحث في أفواههن التراب ‏"‏‏.‏ فقلت أرغم الله أنفك، لم تفعل ما أمرك رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم تترك رسول الله صلى الله عليه وسلم من العناء‏.‏


সহিহ বুখারী > বিপদের সময় দুঃখ প্রকাশ না করা।

সহিহ বুখারী ১৩০১

حدثنا بشر بن الحكم، حدثنا سفيان بن عيينة، أخبرنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، أنه سمع أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ يقول اشتكى ابن لأبي طلحة ـ قال ـ فمات وأبو طلحة خارج، فلما رأت امرأته أنه قد مات هيأت شيئا ونحته في جانب البيت، فلما جاء أبو طلحة قال كيف الغلام قالت قد هدأت نفسه، وأرجو أن يكون قد استراح‏.‏ وظن أبو طلحة أنها صادقة، قال فبات، فلما أصبح اغتسل، فلما أراد أن يخرج، أعلمته أنه قد مات، فصلى مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم أخبر النبي صلى الله عليه وسلم بما كان منهما، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لعل الله أن يبارك لكما في ليلتكما ‏"‏‏.‏ قال سفيان فقال رجل من الأنصار فرأيت لهما تسعة أولاد كلهم قد قرأ القرآن‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ তালহা (রাঃ)-এর এক পুত্র অসুস্থ হয়ে পড়ল। বর্ণনাকারী বলেন, তার মৃত্যু হলো। তখন আবূ তালহা (রাঃ) বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী যখন দেখলেন যে, ছেলেটি মারা গেছে, তখন তিনি কিছু প্রস্তুতি নিলেন [১] এবং ছেলেটিকে ঘরের এক কোণে রেখে দিলেন। আবূ তালহা (রাঃ) বাড়িতে এসে জিজ্ঞেস করলেন, ছেলের অবস্থা কেমন? স্ত্রী জওয়াব দিলেন, তার আত্মা শান্ত হয়েছে এবং আশা করি সে এখন আরাম পাচ্ছে। আবূ তালহা ভাবলেন তাঁর স্ত্রী সত্য বলেছেন। রাবী বলেন, তিনি রাত যাপন করলেন এবং ভোরে গোসল করলেন। তিনি বাইরে যেতে উদ্যত হলে স্ত্রী তাঁকে জানালেন, ছেলেটি মারা গেছে। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে (ফজরের) সালাত আদায় করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁদের রাতের ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করলেন। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ আশা করা যায়, আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাদের এ রাতে বরকত দিবেন। সুফিয়ান (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, আমি আবূ তালহা (রাঃ) দম্পতির নয় জন সন্তান দেখেছি, তাঁরা সবাই কুরআন পাঠ করেছে।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ তালহা (রাঃ)-এর এক পুত্র অসুস্থ হয়ে পড়ল। বর্ণনাকারী বলেন, তার মৃত্যু হলো। তখন আবূ তালহা (রাঃ) বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী যখন দেখলেন যে, ছেলেটি মারা গেছে, তখন তিনি কিছু প্রস্তুতি নিলেন [১] এবং ছেলেটিকে ঘরের এক কোণে রেখে দিলেন। আবূ তালহা (রাঃ) বাড়িতে এসে জিজ্ঞেস করলেন, ছেলের অবস্থা কেমন? স্ত্রী জওয়াব দিলেন, তার আত্মা শান্ত হয়েছে এবং আশা করি সে এখন আরাম পাচ্ছে। আবূ তালহা ভাবলেন তাঁর স্ত্রী সত্য বলেছেন। রাবী বলেন, তিনি রাত যাপন করলেন এবং ভোরে গোসল করলেন। তিনি বাইরে যেতে উদ্যত হলে স্ত্রী তাঁকে জানালেন, ছেলেটি মারা গেছে। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে (ফজরের) সালাত আদায় করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁদের রাতের ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করলেন। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ আশা করা যায়, আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাদের এ রাতে বরকত দিবেন। সুফিয়ান (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, আমি আবূ তালহা (রাঃ) দম্পতির নয় জন সন্তান দেখেছি, তাঁরা সবাই কুরআন পাঠ করেছে।

حدثنا بشر بن الحكم، حدثنا سفيان بن عيينة، أخبرنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، أنه سمع أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ يقول اشتكى ابن لأبي طلحة ـ قال ـ فمات وأبو طلحة خارج، فلما رأت امرأته أنه قد مات هيأت شيئا ونحته في جانب البيت، فلما جاء أبو طلحة قال كيف الغلام قالت قد هدأت نفسه، وأرجو أن يكون قد استراح‏.‏ وظن أبو طلحة أنها صادقة، قال فبات، فلما أصبح اغتسل، فلما أراد أن يخرج، أعلمته أنه قد مات، فصلى مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم أخبر النبي صلى الله عليه وسلم بما كان منهما، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لعل الله أن يبارك لكما في ليلتكما ‏"‏‏.‏ قال سفيان فقال رجل من الأنصار فرأيت لهما تسعة أولاد كلهم قد قرأ القرآن‏.‏


সহিহ বুখারী > মুসীবতের প্রথম অবস্থায়ই প্রকৃত সবর।

সহিহ বুখারী ১৩০২

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن ثابت، قال سمعت أنسا ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الصبر عند الصدمة الأولى ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিপদের প্রথম অবস্থায়ই প্রকৃত সবর।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিপদের প্রথম অবস্থায়ই প্রকৃত সবর।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن ثابت، قال سمعت أنسا ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الصبر عند الصدمة الأولى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ তোমার জন্য আমরা অবশ্যই শোকাভিভূত।

সহিহ বুখারী ১৩০৩

حدثنا الحسن بن عبد العزيز، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا قريش ـ هو ابن حيان ـ عن ثابت، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال دخلنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي سيف القين ـ وكان ظئرا لإبراهيم ـ عليه السلام ـ فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم إبراهيم فقبله وشمه، ثم دخلنا عليه بعد ذلك، وإبراهيم يجود بنفسه، فجعلت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم تذرفان‏.‏ فقال له عبد الرحمن بن عوف ـ رضى الله عنه ـ وأنت يا رسول الله فقال ‏"‏ يا ابن عوف إنها رحمة ‏"‏‏.‏ ثم أتبعها بأخرى فقال صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن العين تدمع، والقلب يحزن، ولا نقول إلا ما يرضى ربنا، وإنا بفراقك يا إبراهيم لمحزونون ‏"‏‏.‏ رواه موسى عن سليمان بن المغيرة عن ثابت عن أنس ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

‘আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আবূ সায়ফ্‌ কর্মকারের নিকট গেলাম। তিনি ছিলেন (নবী -তনয়) ইব্‌রাহীম (রাঃ)-এর দুধ সম্পর্কীয় পিতা। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইব্‌রাহীম (রাঃ)-কে তুলে নিয়ে চুমু খেলেন এবং নাকে-মুখে লাগালেন। অতঃপর (আরেক বার) আমরা তাঁর (আবূ সায়ফ্‌-এর) বাড়িতে গেলাম। তখন ইব্‌রাহীম (রাঃ) মুমূর্ষু অবস্থায়। এতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উভয় চক্ষু হতে অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আর আপনিও? (ক্রন্দন করছেন?)। তখন তিনি বললেনঃ অশ্রু প্রবাহিত হয় আর হৃদয় হয় ব্যথিত। তবে আমরা মুখে তা-ই বলি যা আমাদের রব পছন্দ করেন। [১৭] আর হে ইব্‌রাহীম! তোমার বিচ্ছেদে আমরা অবশ্যই শোকসন্তপ্ত। [১৮] মূসা (রহঃ)….আনাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেন।

‘আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আবূ সায়ফ্‌ কর্মকারের নিকট গেলাম। তিনি ছিলেন (নবী -তনয়) ইব্‌রাহীম (রাঃ)-এর দুধ সম্পর্কীয় পিতা। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইব্‌রাহীম (রাঃ)-কে তুলে নিয়ে চুমু খেলেন এবং নাকে-মুখে লাগালেন। অতঃপর (আরেক বার) আমরা তাঁর (আবূ সায়ফ্‌-এর) বাড়িতে গেলাম। তখন ইব্‌রাহীম (রাঃ) মুমূর্ষু অবস্থায়। এতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উভয় চক্ষু হতে অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আর আপনিও? (ক্রন্দন করছেন?)। তখন তিনি বললেনঃ অশ্রু প্রবাহিত হয় আর হৃদয় হয় ব্যথিত। তবে আমরা মুখে তা-ই বলি যা আমাদের রব পছন্দ করেন। [১৭] আর হে ইব্‌রাহীম! তোমার বিচ্ছেদে আমরা অবশ্যই শোকসন্তপ্ত। [১৮] মূসা (রহঃ)….আনাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেন।

حدثنا الحسن بن عبد العزيز، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا قريش ـ هو ابن حيان ـ عن ثابت، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال دخلنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي سيف القين ـ وكان ظئرا لإبراهيم ـ عليه السلام ـ فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم إبراهيم فقبله وشمه، ثم دخلنا عليه بعد ذلك، وإبراهيم يجود بنفسه، فجعلت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم تذرفان‏.‏ فقال له عبد الرحمن بن عوف ـ رضى الله عنه ـ وأنت يا رسول الله فقال ‏"‏ يا ابن عوف إنها رحمة ‏"‏‏.‏ ثم أتبعها بأخرى فقال صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن العين تدمع، والقلب يحزن، ولا نقول إلا ما يرضى ربنا، وإنا بفراقك يا إبراهيم لمحزونون ‏"‏‏.‏ رواه موسى عن سليمان بن المغيرة عن ثابت عن أنس ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00