সহিহ বুখারী > বিপদে মাথা মুন্ডানো নিষেধ।
সহিহ বুখারী ১২৯৬
وقال الحكم بن موسى حدثنا يحيى بن حمزة، عن عبد الرحمن بن جابر، أن القاسم بن مخيمرة، حدثه قال حدثني أبو بردة بن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ قال وجع أبو موسى وجعا فغشي عليه، ورأسه في حجر امرأة من أهله، فلم يستطع أن يرد عليها شيئا، فلما أفاق قال أنا بريء ممن برئ منه رسول الله صلى الله عليه وسلم، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم برئ من الصالقة والحالقة والشاقة.
আবূ বুরদা ইব্নু আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেন। এমনকি তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়লেন। তখন তাঁর মাথা তাঁর পরিবারভুক্ত কোন এক মহিলার কোলে ছিল। তিনি তাকে কোন জবাব দিতে পারছিলেন না। জ্ঞান ফিরে পেলে তিনি বললেন, সে সব লোকের সঙ্গে আমি সম্পর্ক রাখিনা যাদের সাথে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে সব নারীর সাথে সম্পর্কচ্ছেদের কথা প্রকাশ করেছেন- যারা চিৎকার করে ক্রন্দন করে, যারা মস্তক মুন্ডন করে এবং যারা জামা কাপড় ছিন্ন করে।
আবূ বুরদা ইব্নু আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেন। এমনকি তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়লেন। তখন তাঁর মাথা তাঁর পরিবারভুক্ত কোন এক মহিলার কোলে ছিল। তিনি তাকে কোন জবাব দিতে পারছিলেন না। জ্ঞান ফিরে পেলে তিনি বললেন, সে সব লোকের সঙ্গে আমি সম্পর্ক রাখিনা যাদের সাথে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে সব নারীর সাথে সম্পর্কচ্ছেদের কথা প্রকাশ করেছেন- যারা চিৎকার করে ক্রন্দন করে, যারা মস্তক মুন্ডন করে এবং যারা জামা কাপড় ছিন্ন করে।
وقال الحكم بن موسى حدثنا يحيى بن حمزة، عن عبد الرحمن بن جابر، أن القاسم بن مخيمرة، حدثه قال حدثني أبو بردة بن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ قال وجع أبو موسى وجعا فغشي عليه، ورأسه في حجر امرأة من أهله، فلم يستطع أن يرد عليها شيئا، فلما أفاق قال أنا بريء ممن برئ منه رسول الله صلى الله عليه وسلم، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم برئ من الصالقة والحالقة والشاقة.
সহিহ বুখারী > যারা গাল চাপড়ায় তারা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
সহিহ বুখারী ১২৯৭
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس منا من ضرب الخدود، وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية ".
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যারা শোকে গণ্ডে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে ও জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যারা শোকে গণ্ডে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে ও জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس منا من ضرب الخدود، وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية ".
সহিহ বুখারী > বিপদের সময় হায়, ধ্বংস বলা ও জাহিলী যুগের মত চিৎকার করা নিষেধ।
সহিহ বুখারী ১২৯৮
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ليس منا من ضرب الخدود، وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية ".
‘আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেছেনঃ যারা শোকে গণ্ডে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে ও জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।
‘আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেছেনঃ যারা শোকে গণ্ডে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে ও জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ليس منا من ضرب الخدود، وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية ".
সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি বিপদের সময় এমন ভাবে বসে পড়ে যে, তার মধ্যে দুঃখবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।
সহিহ বুখারী ১৩০০
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا عاصم الأحول، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قنت رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا حين قتل القراء، فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم حزن حزنا قط أشد منه.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (বীর-ই মাউনার ঘটনায়) ক্বারি (সাহাবীগনের) শাহাদাতের পর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ফজরের সালাতে) এক মাস যাবত কুনুত-ই নাযিলা [১] পাঠ করেছিলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি আর কখনো এর চেয়ে অধিক শোকাভিভূত হতে দেখিনি।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (বীর-ই মাউনার ঘটনায়) ক্বারি (সাহাবীগনের) শাহাদাতের পর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ফজরের সালাতে) এক মাস যাবত কুনুত-ই নাযিলা [১] পাঠ করেছিলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি আর কখনো এর চেয়ে অধিক শোকাভিভূত হতে দেখিনি।
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا عاصم الأحول، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قنت رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا حين قتل القراء، فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم حزن حزنا قط أشد منه.
সহিহ বুখারী ১২৯৯
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى، قال أخبرتني عمرة، قالت سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قتل ابن حارثة وجعفر وابن رواحة جلس يعرف فيه الحزن، وأنا أنظر من صائر الباب ـ شق الباب ـ فأتاه رجل، فقال إن نساء جعفر، وذكر بكاءهن، فأمره أن ينهاهن، فذهب ثم أتاه الثانية، لم يطعنه فقال انههن. فأتاه الثالثة قال والله غلبننا يا رسول الله فزعمت أنه قال " فاحث في أفواههن التراب ". فقلت أرغم الله أنفك، لم تفعل ما أمرك رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم تترك رسول الله صلى الله عليه وسلم من العناء.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন (মুতা-র যুদ্ধ ক্ষেত্র হতে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে (যায়দ) ইব্নূ হারিসা, জা’ফর ও ইব্নু রাওয়াহা (রাঃ)-এর শাহাদাতের খবর পৌঁছল, তখন তিনি (এমনভাবে) বসে পড়লেন যে, তাঁর মধ্যে দুঃখের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল। আমি [‘আয়িশা (রাঃ)] দরজার ফাঁক দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করছিলাম। এক ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়ে জা’ফর (রাঃ)-এর পরিবারের মহিলাদের কান্নাকাটির কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন, তিনি যেন তাদেরকে (কান্নাকাটি করতে) নিষেধ করেন, লোকটি চলে গেল এবং দ্বিতীয়বার এসে (বলল) তারা তার কথা মানেনি। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তাঁদেরকে নিষেধ করো। ঐ ব্যক্তি তৃতীয়বার এসে বললেন, আল্লাহর কসম! সে আল্লাহর রাসূল! তাঁরা আমাদের হার মানিয়েছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরক্তির সাথে বললেনঃ তাহলে তাদের মুখে মাটি নিক্ষেপ করো। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্ তোমার নাকে ধূলি মিলিয়ে দেন। [১] তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ পালন করতে পারনি। অথচ তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিরক্ত করতেও দ্বিধা করোনি।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন (মুতা-র যুদ্ধ ক্ষেত্র হতে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে (যায়দ) ইব্নূ হারিসা, জা’ফর ও ইব্নু রাওয়াহা (রাঃ)-এর শাহাদাতের খবর পৌঁছল, তখন তিনি (এমনভাবে) বসে পড়লেন যে, তাঁর মধ্যে দুঃখের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল। আমি [‘আয়িশা (রাঃ)] দরজার ফাঁক দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করছিলাম। এক ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়ে জা’ফর (রাঃ)-এর পরিবারের মহিলাদের কান্নাকাটির কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন, তিনি যেন তাদেরকে (কান্নাকাটি করতে) নিষেধ করেন, লোকটি চলে গেল এবং দ্বিতীয়বার এসে (বলল) তারা তার কথা মানেনি। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তাঁদেরকে নিষেধ করো। ঐ ব্যক্তি তৃতীয়বার এসে বললেন, আল্লাহর কসম! সে আল্লাহর রাসূল! তাঁরা আমাদের হার মানিয়েছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরক্তির সাথে বললেনঃ তাহলে তাদের মুখে মাটি নিক্ষেপ করো। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্ তোমার নাকে ধূলি মিলিয়ে দেন। [১] তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ পালন করতে পারনি। অথচ তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিরক্ত করতেও দ্বিধা করোনি।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى، قال أخبرتني عمرة، قالت سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قتل ابن حارثة وجعفر وابن رواحة جلس يعرف فيه الحزن، وأنا أنظر من صائر الباب ـ شق الباب ـ فأتاه رجل، فقال إن نساء جعفر، وذكر بكاءهن، فأمره أن ينهاهن، فذهب ثم أتاه الثانية، لم يطعنه فقال انههن. فأتاه الثالثة قال والله غلبننا يا رسول الله فزعمت أنه قال " فاحث في أفواههن التراب ". فقلت أرغم الله أنفك، لم تفعل ما أمرك رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم تترك رسول الله صلى الله عليه وسلم من العناء.