সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বাণীঃ পরিবার-পরিজনের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়া হয়, যদি বিলাপ করা তার অভ্যাস হয়ে থাকে।

সহিহ বুখারী ১২৮৭

See previous Hadith

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তখন ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ‘উমর (রাঃ) -ও এমন কিছু বলতেন। অতঃপর ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করলেন, ‘উমর (রাঃ)-এর সাথে মক্কা থেকে প্রত্যাবর্তন করছিলাম। আমরা বাইদা (নামক স্থানে) উপস্থিত হলে ‘উমর (রাঃ) বাবলা বৃক্ষের ছায়ায় একটি কাফিলা দর্শন করতঃ আমাকে বললেন, গিয়ে দেখো এ কাফিলা কার? ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি গিয়ে দেখলাম সেখানে সুহাইব (রাঃ) আছেন। আমি তাঁকে তা অবহিত করলাম। তিনি বললেন, তাঁকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে এসো। আমি সুহাইব (রাঃ)-এর নিকট আবার গেলাম এবং বললাম, চলুন, আমীরুল মু’মিনীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করুন। অতঃপর যখন ‘উমর (রাঃ) (ঘাতকের আঘাতে) আহত হলেন, তখন সুহাইব (রাঃ) তাঁর কাছে আগমন করতঃ এ বলে ক্রন্দন করতে লাগলেন, হায় আমার ভাই! হায় আমার বন্ধু! এতে ‘উমর (রাঃ) তাঁকে বললেন, তুমি আমার জন্য ক্রন্দন করছো? অথচ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তির জন্য তার আপন জনের কোন কোন কান্নার কারণে অবশ্যই তাকে ‘আযাব দেয়া হয়।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তখন ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ‘উমর (রাঃ) -ও এমন কিছু বলতেন। অতঃপর ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করলেন, ‘উমর (রাঃ)-এর সাথে মক্কা থেকে প্রত্যাবর্তন করছিলাম। আমরা বাইদা (নামক স্থানে) উপস্থিত হলে ‘উমর (রাঃ) বাবলা বৃক্ষের ছায়ায় একটি কাফিলা দর্শন করতঃ আমাকে বললেন, গিয়ে দেখো এ কাফিলা কার? ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি গিয়ে দেখলাম সেখানে সুহাইব (রাঃ) আছেন। আমি তাঁকে তা অবহিত করলাম। তিনি বললেন, তাঁকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে এসো। আমি সুহাইব (রাঃ)-এর নিকট আবার গেলাম এবং বললাম, চলুন, আমীরুল মু’মিনীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করুন। অতঃপর যখন ‘উমর (রাঃ) (ঘাতকের আঘাতে) আহত হলেন, তখন সুহাইব (রাঃ) তাঁর কাছে আগমন করতঃ এ বলে ক্রন্দন করতে লাগলেন, হায় আমার ভাই! হায় আমার বন্ধু! এতে ‘উমর (রাঃ) তাঁকে বললেন, তুমি আমার জন্য ক্রন্দন করছো? অথচ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তির জন্য তার আপন জনের কোন কোন কান্নার কারণে অবশ্যই তাকে ‘আযাব দেয়া হয়।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১২৮৮

See previous Hadith

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘উমর (রাঃ)-এর মৃত্যুর পর ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট আমি ‘উমর (রাঃ)-এর এ উক্তি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ ‘উমর (রাঃ)-কে রহম করুন। আল্লাহর কসম! আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেননি যে, আল্লাহ্‌ ঈমানদার (মৃত) ব্যক্তিকে তার পরিজনের কান্নার কারণে আযাব দিবেন। তবে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ তা‘আলা কাফিরদের আযাব বাড়িয়ে দেন তার পরিজনের কান্নার কারণে। অতঃপর ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, (এ ব্যাপারে) আল্লাহর কুরআনই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। (ইরশাদ হয়েছে) : ‘বোঝা বহনকারী কোন ব্যক্তি অপরের বোঝা বহন করবে না’- (আন‘আম ১৬৪)। তখন ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌ই (বান্দাকে) হাসান এবং কাঁদান করান। রাবী ইব্‌নু আবূ মুলাইকা (রহঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! (এ কথা শুনে) ইব্‌নু ‘উমর কোন মন্তব্য করলেন না।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘উমর (রাঃ)-এর মৃত্যুর পর ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট আমি ‘উমর (রাঃ)-এর এ উক্তি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ ‘উমর (রাঃ)-কে রহম করুন। আল্লাহর কসম! আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেননি যে, আল্লাহ্‌ ঈমানদার (মৃত) ব্যক্তিকে তার পরিজনের কান্নার কারণে আযাব দিবেন। তবে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ তা‘আলা কাফিরদের আযাব বাড়িয়ে দেন তার পরিজনের কান্নার কারণে। অতঃপর ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, (এ ব্যাপারে) আল্লাহর কুরআনই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। (ইরশাদ হয়েছে) : ‘বোঝা বহনকারী কোন ব্যক্তি অপরের বোঝা বহন করবে না’- (আন‘আম ১৬৪)। তখন ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌ই (বান্দাকে) হাসান এবং কাঁদান করান। রাবী ইব্‌নু আবূ মুলাইকা (রহঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! (এ কথা শুনে) ইব্‌নু ‘উমর কোন মন্তব্য করলেন না।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১২৮৫

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا أبو عامر، حدثنا فليح بن سليمان، عن هلال بن علي، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال شهدنا بنتا لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس على القبر ـ قال فرأيت عينيه تدمعان قال ـ فقال ‏"‏ هل منكم رجل لم يقارف الليلة ‏"‏‏.‏ فقال أبو طلحة أنا‏.‏ قال ‏"‏ فانزل ‏"‏‏.‏ قال فنزل في قبرها‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক কন্যা [উম্মু কুলসুম (রাঃ)]-এর জানাযায় উপস্থিত হলাম। আল্লাহর রসূল কবরের পার্শ্বে উপবিষ্ট ছিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন আমি তাঁর চক্ষু হতে অশ্রু ঝরতে দেখলাম। বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে, যে আজ রাতে স্ত্রী মিলন করোনি? আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, আমি। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে তুমি (কবরে) অবতরণ কর। রাবী বলেন, তখন তিনি আবূ তালহা (রাঃ) তাঁর কবরে অবতরণ করলেন।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক কন্যা [উম্মু কুলসুম (রাঃ)]-এর জানাযায় উপস্থিত হলাম। আল্লাহর রসূল কবরের পার্শ্বে উপবিষ্ট ছিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন আমি তাঁর চক্ষু হতে অশ্রু ঝরতে দেখলাম। বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে, যে আজ রাতে স্ত্রী মিলন করোনি? আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, আমি। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে তুমি (কবরে) অবতরণ কর। রাবী বলেন, তখন তিনি আবূ তালহা (রাঃ) তাঁর কবরে অবতরণ করলেন।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا أبو عامر، حدثنا فليح بن سليمان، عن هلال بن علي، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال شهدنا بنتا لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس على القبر ـ قال فرأيت عينيه تدمعان قال ـ فقال ‏"‏ هل منكم رجل لم يقارف الليلة ‏"‏‏.‏ فقال أبو طلحة أنا‏.‏ قال ‏"‏ فانزل ‏"‏‏.‏ قال فنزل في قبرها‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৮৪

حدثنا عبدان، ومحمد، قالا أخبرنا عبد الله، أخبرنا عاصم بن سليمان، عن أبي عثمان، قال حدثني أسامة بن زيد ـ رضى الله عنهما ـ قال أرسلت ابنة النبي صلى الله عليه وسلم إليه إن ابنا لي قبض فائتنا‏.‏ فأرسل يقرئ السلام ويقول ‏"‏ إن لله ما أخذ وله ما أعطى وكل عنده بأجل مسمى، فلتصبر ولتحتسب ‏"‏‏.‏ فأرسلت إليه تقسم عليه ليأتينها، فقام ومعه سعد بن عبادة ومعاذ بن جبل وأبى بن كعب وزيد بن ثابت ورجال، فرفع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبي ونفسه تتقعقع ـ قال حسبته أنه قال ـ كأنها شن‏.‏ ففاضت عيناه‏.‏ فقال سعد يا رسول الله ما هذا فقال ‏"‏ هذه رحمة جعلها الله في قلوب عباده، وإنما يرحم الله من عباده الرحماء ‏"‏‏.‏

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈকা কন্যা (যায়নাব) তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট লোক পাঠালেন যে, আমার এক পুত্র মরণাপন্ন অবস্থায় রয়েছে, তাই আপনি আমাদের নিকট আসুন। তিনি বলে পাঠালেন, (তাঁকে) সালাম দিবে এবং বলবেঃ আল্লাহরই অধিকারে যা কিছু তিনি নিয়ে যান আর তাঁরই অধিকারে যা কিছু তিনি দান করেন। তাঁর নিকট সকল কিছুরই একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সওয়াবের অপেক্ষায় থাকে। তখন তিনি তাঁর কাছে কসম দিয়ে পাঠালেন, তিনি যেন অবশ্যই আগমন করেন। তখন তিনি দন্ডায়মান হলেন এবং তাঁর সাথে ছিলেন সা’দ ইব্‌নু উবাদাহ, মু‘আয ইব্‌নু জাবাল, উবাই ইব্‌নু কা’ব, যাইদ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) এবং আরও কয়েকজন। তখন শিশুটিকে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তুলে দেয়া হল। তখন সে ছটফট করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা ধারনা যে, তিনি এ কথা বলেছিলেন, যেন তার শ্বাস মশকের মত (শব্দ হচ্ছিল)। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’ চক্ষু বেয়ে অশ্রু ঝরছিল। সা’দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! একি? তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে রহমত, যা আল্লাহ্‌ তাঁর বান্দার অন্তরে গচ্ছিত রেখেছেন। আর আল্লাহ্‌ তো তাঁর দয়ালু বান্দাদের প্রতিই দয়া করেন।

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈকা কন্যা (যায়নাব) তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট লোক পাঠালেন যে, আমার এক পুত্র মরণাপন্ন অবস্থায় রয়েছে, তাই আপনি আমাদের নিকট আসুন। তিনি বলে পাঠালেন, (তাঁকে) সালাম দিবে এবং বলবেঃ আল্লাহরই অধিকারে যা কিছু তিনি নিয়ে যান আর তাঁরই অধিকারে যা কিছু তিনি দান করেন। তাঁর নিকট সকল কিছুরই একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সওয়াবের অপেক্ষায় থাকে। তখন তিনি তাঁর কাছে কসম দিয়ে পাঠালেন, তিনি যেন অবশ্যই আগমন করেন। তখন তিনি দন্ডায়মান হলেন এবং তাঁর সাথে ছিলেন সা’দ ইব্‌নু উবাদাহ, মু‘আয ইব্‌নু জাবাল, উবাই ইব্‌নু কা’ব, যাইদ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) এবং আরও কয়েকজন। তখন শিশুটিকে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তুলে দেয়া হল। তখন সে ছটফট করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা ধারনা যে, তিনি এ কথা বলেছিলেন, যেন তার শ্বাস মশকের মত (শব্দ হচ্ছিল)। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’ চক্ষু বেয়ে অশ্রু ঝরছিল। সা’দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! একি? তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে রহমত, যা আল্লাহ্‌ তাঁর বান্দার অন্তরে গচ্ছিত রেখেছেন। আর আল্লাহ্‌ তো তাঁর দয়ালু বান্দাদের প্রতিই দয়া করেন।

حدثنا عبدان، ومحمد، قالا أخبرنا عبد الله، أخبرنا عاصم بن سليمان، عن أبي عثمان، قال حدثني أسامة بن زيد ـ رضى الله عنهما ـ قال أرسلت ابنة النبي صلى الله عليه وسلم إليه إن ابنا لي قبض فائتنا‏.‏ فأرسل يقرئ السلام ويقول ‏"‏ إن لله ما أخذ وله ما أعطى وكل عنده بأجل مسمى، فلتصبر ولتحتسب ‏"‏‏.‏ فأرسلت إليه تقسم عليه ليأتينها، فقام ومعه سعد بن عبادة ومعاذ بن جبل وأبى بن كعب وزيد بن ثابت ورجال، فرفع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبي ونفسه تتقعقع ـ قال حسبته أنه قال ـ كأنها شن‏.‏ ففاضت عيناه‏.‏ فقال سعد يا رسول الله ما هذا فقال ‏"‏ هذه رحمة جعلها الله في قلوب عباده، وإنما يرحم الله من عباده الرحماء ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৮৬

حدثنا عبدان، حدثنا عبد الله، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني عبد الله بن عبيد الله بن أبي مليكة، قال توفيت ابنة لعثمان ـ رضى الله عنه ـ بمكة وجئنا لنشهدها، وحضرها ابن عمر وابن عباس ـ رضى الله عنهم ـ وإني لجالس بينهما ـ أو قال جلست إلى أحدهما‏.‏ ثم جاء الآخر، فجلس إلى جنبي فقال عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ لعمرو بن عثمان ألا تنهى عن البكاء، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن الميت ليعذب ببكاء أهله عليه ‏"‏‏.‏ فقال ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قد كان عمر ـ رضى الله عنه ـ يقول بعض ذلك، ثم حدث قال صدرت مع عمر ـ رضى الله عنه ـ من مكة حتى إذا كنا بالبيداء، إذا هو بركب تحت ظل سمرة فقال اذهب، فانظر من هؤلاء الركب قال فنظرت فإذا صهيب، فأخبرته فقال ادعه لي‏.‏ فرجعت إلى صهيب فقلت ارتحل فالحق أمير المؤمنين‏.‏ فلما أصيب عمر دخل صهيب يبكي يقول واأخاه، واصاحباه‏.‏ فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ يا صهيب أتبكي على وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الميت يعذب ببعض بكاء أهله عليه ‏"‏‏.‏ قال ابن عباس ـ رضى الله عنهما فلما مات عمر ـ رضى الله عنه ـ ذكرت ذلك لعائشة ـ رضى الله عنها ـ فقالت رحم الله عمر، والله ما حدث رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله ليعذب المؤمن ببكاء أهله عليه‏.‏ ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن الله ليزيد الكافر عذابا ببكاء أهله عليه ‏"‏‏.‏ وقالت حسبكم القرآن ‏{‏ولا تزر وازرة وزر أخرى‏}‏‏.‏ قال ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عند ذلك والله هو أضحك وأبكى‏.‏ قال ابن أبي مليكة والله ما قال ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ شيئا‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ মুলাইকা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মক্কায় উসমান (রাঃ)-এর জনৈকা কন্যার মৃত্যু হল। আমরা সেখানে (জানাযায়) অংশগ্রহন করার জন্য গেলাম। ইব্‌নু ‘উমর এবং ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) -ও সেখানে উপস্থিত হলেন। আমি তাঁদের দু’জনের মধ্যে উপবিষ্ট ছিলাম, অথবা তিনি বলেছেন, আমি তাঁদের একজনের পার্শ্বে গিয়ে উপবেশন করলাম, পরে অন্যজন আগমন করে আমার পার্শ্বে উপবেশন করলেন। (ক্রন্দনের শব্দ শুনে) ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) ‘আমর ইব্‌নু ‘উসমানকে বললেন, তুমি কেন ক্রন্দন করতে নিষেধ করছ না? কেননা, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘মৃত ব্যক্তিকে তার পরিজনদের কান্নার কারণে ‘আযাব দেয়া হয়।’

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ মুলাইকা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মক্কায় উসমান (রাঃ)-এর জনৈকা কন্যার মৃত্যু হল। আমরা সেখানে (জানাযায়) অংশগ্রহন করার জন্য গেলাম। ইব্‌নু ‘উমর এবং ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) -ও সেখানে উপস্থিত হলেন। আমি তাঁদের দু’জনের মধ্যে উপবিষ্ট ছিলাম, অথবা তিনি বলেছেন, আমি তাঁদের একজনের পার্শ্বে গিয়ে উপবেশন করলাম, পরে অন্যজন আগমন করে আমার পার্শ্বে উপবেশন করলেন। (ক্রন্দনের শব্দ শুনে) ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) ‘আমর ইব্‌নু ‘উসমানকে বললেন, তুমি কেন ক্রন্দন করতে নিষেধ করছ না? কেননা, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘মৃত ব্যক্তিকে তার পরিজনদের কান্নার কারণে ‘আযাব দেয়া হয়।’

حدثنا عبدان، حدثنا عبد الله، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني عبد الله بن عبيد الله بن أبي مليكة، قال توفيت ابنة لعثمان ـ رضى الله عنه ـ بمكة وجئنا لنشهدها، وحضرها ابن عمر وابن عباس ـ رضى الله عنهم ـ وإني لجالس بينهما ـ أو قال جلست إلى أحدهما‏.‏ ثم جاء الآخر، فجلس إلى جنبي فقال عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ لعمرو بن عثمان ألا تنهى عن البكاء، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن الميت ليعذب ببكاء أهله عليه ‏"‏‏.‏ فقال ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قد كان عمر ـ رضى الله عنه ـ يقول بعض ذلك، ثم حدث قال صدرت مع عمر ـ رضى الله عنه ـ من مكة حتى إذا كنا بالبيداء، إذا هو بركب تحت ظل سمرة فقال اذهب، فانظر من هؤلاء الركب قال فنظرت فإذا صهيب، فأخبرته فقال ادعه لي‏.‏ فرجعت إلى صهيب فقلت ارتحل فالحق أمير المؤمنين‏.‏ فلما أصيب عمر دخل صهيب يبكي يقول واأخاه، واصاحباه‏.‏ فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ يا صهيب أتبكي على وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الميت يعذب ببعض بكاء أهله عليه ‏"‏‏.‏ قال ابن عباس ـ رضى الله عنهما فلما مات عمر ـ رضى الله عنه ـ ذكرت ذلك لعائشة ـ رضى الله عنها ـ فقالت رحم الله عمر، والله ما حدث رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله ليعذب المؤمن ببكاء أهله عليه‏.‏ ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن الله ليزيد الكافر عذابا ببكاء أهله عليه ‏"‏‏.‏ وقالت حسبكم القرآن ‏{‏ولا تزر وازرة وزر أخرى‏}‏‏.‏ قال ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عند ذلك والله هو أضحك وأبكى‏.‏ قال ابن أبي مليكة والله ما قال ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ شيئا‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৮৯

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن عبد الله بن أبي بكر، عن أبيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، أنها أخبرته أنها، سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم على يهودية يبكي عليها أهلها فقال ‏ "‏ إنهم ليبكون عليها، وإنها لتعذب في قبرها ‏"‏‏.‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহুদী স্ত্রীলোকের (কবরের) পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, যার পরিবারের লোকেরা তার জন্য ক্রন্দন করছিল। তখন তিনি বললেনঃ তারা তো তার জন্য ক্রন্দন করছে। অথচ তাকে কবরে ‘আযাব দেয়া হচ্ছে।

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহুদী স্ত্রীলোকের (কবরের) পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, যার পরিবারের লোকেরা তার জন্য ক্রন্দন করছিল। তখন তিনি বললেনঃ তারা তো তার জন্য ক্রন্দন করছে। অথচ তাকে কবরে ‘আযাব দেয়া হচ্ছে।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن عبد الله بن أبي بكر، عن أبيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، أنها أخبرته أنها، سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم على يهودية يبكي عليها أهلها فقال ‏ "‏ إنهم ليبكون عليها، وإنها لتعذب في قبرها ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৯০

حدثنا إسماعيل بن خليل، حدثنا علي بن مسهر، حدثنا أبو إسحاق ـ وهو الشيباني ـ عن أبي بردة، عن أبيه، قال لما أصيب عمر ـ رضى الله عنه ـ جعل صهيب يقول واأخاه‏.‏ فقال عمر أما علمت أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الميت ليعذب ببكاء الحى ‏"‏‏.‏

আবূ বুরদার পিতা (আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন ‘উমর (রাঃ) আহত হলেন, তখন সুহাইব (রাঃ) হায়! আমার ভাই! বলতে লাগলেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তুমি কি অবহিত নও যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জীবিতদের কান্নার কারণে অবশ্যই মৃতদের ‘আযাব দেয়া হয়?

আবূ বুরদার পিতা (আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন ‘উমর (রাঃ) আহত হলেন, তখন সুহাইব (রাঃ) হায়! আমার ভাই! বলতে লাগলেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তুমি কি অবহিত নও যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জীবিতদের কান্নার কারণে অবশ্যই মৃতদের ‘আযাব দেয়া হয়?

حدثنا إسماعيل بن خليل، حدثنا علي بن مسهر، حدثنا أبو إسحاق ـ وهو الشيباني ـ عن أبي بردة، عن أبيه، قال لما أصيب عمر ـ رضى الله عنه ـ جعل صهيب يقول واأخاه‏.‏ فقال عمر أما علمت أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الميت ليعذب ببكاء الحى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মৃতের জন্য বিলাপ করা মাকরূহ। [১৪]

সহিহ বুখারী ১২৯১

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سعيد بن عبيد، عن علي بن ربيعة، عن المغيرة ـ رضى الله عنه ـ قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن كذبا على ليس ككذب على أحد، من كذب على متعمدا فليتبوأ مقعده من النار ‏"‏‏.‏ سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من نيح عليه يعذب بما نيح عليه ‏"‏‏.‏

মুগীরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, আমার প্রতি মিথ্যারোপ করা অন্য কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মত নয়। যে ব্যক্তি আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে সে যেন অবশ্যই তার ঠিকানা জাহান্নামে করে নেয়। [মুগীরা (রাঃ) আরও বলেছেন,] আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরও বলতে শুনেছি, যে (মৃত) ব্যক্তির জন্য বিলাপ করা হয়, তাকে বিলাপকৃত বিষয়ের উপর ‘আযাব দেয়া হবে।

মুগীরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, আমার প্রতি মিথ্যারোপ করা অন্য কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মত নয়। যে ব্যক্তি আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে সে যেন অবশ্যই তার ঠিকানা জাহান্নামে করে নেয়। [মুগীরা (রাঃ) আরও বলেছেন,] আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরও বলতে শুনেছি, যে (মৃত) ব্যক্তির জন্য বিলাপ করা হয়, তাকে বিলাপকৃত বিষয়ের উপর ‘আযাব দেয়া হবে।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سعيد بن عبيد، عن علي بن ربيعة، عن المغيرة ـ رضى الله عنه ـ قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن كذبا على ليس ككذب على أحد، من كذب على متعمدا فليتبوأ مقعده من النار ‏"‏‏.‏ سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من نيح عليه يعذب بما نيح عليه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৯২

حدثنا عبدان، قال أخبرني أبي، عن شعبة، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، عن ابن عمر، عن أبيه ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ الميت يعذب في قبره بما نيح عليه ‏"‏‏.‏ تابعه عبد الأعلى حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد حدثنا قتادة‏.‏ وقال آدم عن شعبة ‏"‏ الميت يعذب ببكاء الحى عليه ‏"‏‏.‏

‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য কৃত বিলাপের বিষয়ের উপর কবরে শাস্তি দেয়া হয়। আবদুল আ‘লা (রহঃ) ......কাতাদা (রহঃ) হতে বর্ণনায় আবদান (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। আদম (রহঃ) শু’বাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য জীবিতদের কান্নার কারণে ‘আযাব দেয়া হয়।

‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য কৃত বিলাপের বিষয়ের উপর কবরে শাস্তি দেয়া হয়। আবদুল আ‘লা (রহঃ) ......কাতাদা (রহঃ) হতে বর্ণনায় আবদান (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। আদম (রহঃ) শু’বাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য জীবিতদের কান্নার কারণে ‘আযাব দেয়া হয়।

حدثنا عبدان، قال أخبرني أبي، عن شعبة، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، عن ابن عمر، عن أبيه ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ الميت يعذب في قبره بما نيح عليه ‏"‏‏.‏ تابعه عبد الأعلى حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد حدثنا قتادة‏.‏ وقال آدم عن شعبة ‏"‏ الميت يعذب ببكاء الحى عليه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > ২৩/৩৪. অধ্যায়ঃ

সহিহ বুখারী ১২৯৩

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا ابن المنكدر، قال سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال جيء بأبي يوم أحد، قد مثل به حتى وضع بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد سجي ثوبا فذهبت أريد أن أكشف عنه فنهاني قومي، ثم ذهبت أكشف عنه فنهاني قومي، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع فسمع صوت صائحة فقال ‏"‏ من هذه ‏"‏‏.‏ فقالوا ابنة عمرو أو أخت عمرو‏.‏ قال ‏"‏ فلم تبكي أو لا تبكي فما زالت الملائكة تظله بأجنحتها حتى رفع ‏"‏‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহুদের দিন আমার পিতাকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তিত অবস্থায় নিয়ে এসে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে রাখা হল। তখন একখানি বস্ত্র দ্বারা তাঁকে আবৃত রাখা হয়েছিল। আমি তাঁর উপর হতে আবরণ উন্মোচন করেতে আসলে আমার কওমের লোকেরা আমাকে নিষেধ করল। পুনরায় আমি আবরণ উন্মুক্ত করতে থাকলে আমার কওমের লোকেরা (আবার) আমাকে নিষেধ করল। পরে আল্লাহর রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশে তাঁকে উঠিয়ে নেয়া হল। তখন তিনি (রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) এক ক্রন্দনকারিণীর শব্দ শুনে জিজ্ঞেস করলেন, এ কে? লোকেরা বলল, ‘আমরের মেয়ে অথবা (তারা বলল,) ‘আমরের বোন। তিনি বললেন, ক্রন্দন করছো কেন? অথবা বললেন, ক্রন্দন করো না। কেননা, তাঁকে উঠিয়ে নেয়া পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তাঁদের পক্ষ বিস্তার করে তাঁকে ছায়া দিয়ে রেখেছিলেন।

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহুদের দিন আমার পিতাকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তিত অবস্থায় নিয়ে এসে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে রাখা হল। তখন একখানি বস্ত্র দ্বারা তাঁকে আবৃত রাখা হয়েছিল। আমি তাঁর উপর হতে আবরণ উন্মোচন করেতে আসলে আমার কওমের লোকেরা আমাকে নিষেধ করল। পুনরায় আমি আবরণ উন্মুক্ত করতে থাকলে আমার কওমের লোকেরা (আবার) আমাকে নিষেধ করল। পরে আল্লাহর রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশে তাঁকে উঠিয়ে নেয়া হল। তখন তিনি (রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) এক ক্রন্দনকারিণীর শব্দ শুনে জিজ্ঞেস করলেন, এ কে? লোকেরা বলল, ‘আমরের মেয়ে অথবা (তারা বলল,) ‘আমরের বোন। তিনি বললেন, ক্রন্দন করছো কেন? অথবা বললেন, ক্রন্দন করো না। কেননা, তাঁকে উঠিয়ে নেয়া পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তাঁদের পক্ষ বিস্তার করে তাঁকে ছায়া দিয়ে রেখেছিলেন।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا ابن المنكدر، قال سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال جيء بأبي يوم أحد، قد مثل به حتى وضع بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد سجي ثوبا فذهبت أريد أن أكشف عنه فنهاني قومي، ثم ذهبت أكشف عنه فنهاني قومي، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع فسمع صوت صائحة فقال ‏"‏ من هذه ‏"‏‏.‏ فقالوا ابنة عمرو أو أخت عمرو‏.‏ قال ‏"‏ فلم تبكي أو لا تبكي فما زالت الملائكة تظله بأجنحتها حتى رفع ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > যারা জামার বুক ছিঁড়ে ফেলে তারা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

সহিহ বুখারী ১২৯৪

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، حدثنا زبيد اليامي، عن إبراهيم، عن مسروق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس منا من لطم الخدود، وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা (মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রকাশে) গন্ডে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে বং জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা (মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রকাশে) গন্ডে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে বং জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، حدثنا زبيد اليامي، عن إبراهيم، عن مسروق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس منا من لطم الخدود، وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00