সহিহ বুখারী > কারো মৃত্যু বা জন্মের জন্যে সূর্যগ্রহণ হয় না।

সহিহ বুখারী ১০৫৭

حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس، عن أبي مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا رأيتموهما فصلوا ‏"‏‏.‏

আবু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কারো জন্মের ও মৃত্যুর কারণে সুর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। এগুলো আল্লাহ্‌র নিদর্শনগুলোর মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে তখন সালাত আদায় করবে।

আবু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কারো জন্মের ও মৃত্যুর কারণে সুর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। এগুলো আল্লাহ্‌র নিদর্শনগুলোর মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে তখন সালাত আদায় করবে।

حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس، عن أبي مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا رأيتموهما فصلوا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১০৫৮

حدثنا عبد الله بن محمد، قال حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، وهشام بن عروة، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام النبي صلى الله عليه وسلم فصلى بالناس، فأطال القراءة، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع رأسه فأطال القراءة، وهى دون قراءته الأولى، ثم ركع فأطال الركوع دون ركوعه الأول، ثم رفع رأسه فسجد سجدتين، ثم قام فصنع في الركعة الثانية مثل ذلك، ثم قام فقال ‏ "‏ إن الشمس والقمر لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله يريهما عباده، فإذا رأيتم ذلك فافزعوا إلى الصلاة ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় সুর্যগ্রহণ হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন দাঁড়ালেন এবং লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি কির’আত দীর্ঘ করেন। অতঃপর তিনি দীর্ঘ রুকু’ করেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলেন এবং দীর্ঘ কির’আত পড়েন। তবে তা প্রথম কির’আতের চেয়ে স্বল্পস্থায়ী ছিল। আবার তিনি রুকু’ করেন এবং রুকু’ দীর্ঘ করেন। তবে এ রুকু’ প্রথম রুকু’র চেয়ে অল্পস্থায়ী ছিল। অতঃপর তিনি মাথা তুলেন এবং দু’টি সিজদা করেন। অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন এবং দ্বিতীয় রাক’আতেও অনুরুপ করেন। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে বললেনঃ সুর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে হয় না। আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমুহের মধ্যে এ হল দু’টি নিদর্শন; যা আল্লাহ্‌ তাঁর বান্দাদের দেখিয়ে থাকেন। কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে ভীত অবস্থায় সালাতের দিকে আসবে।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় সুর্যগ্রহণ হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন দাঁড়ালেন এবং লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি কির’আত দীর্ঘ করেন। অতঃপর তিনি দীর্ঘ রুকু’ করেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলেন এবং দীর্ঘ কির’আত পড়েন। তবে তা প্রথম কির’আতের চেয়ে স্বল্পস্থায়ী ছিল। আবার তিনি রুকু’ করেন এবং রুকু’ দীর্ঘ করেন। তবে এ রুকু’ প্রথম রুকু’র চেয়ে অল্পস্থায়ী ছিল। অতঃপর তিনি মাথা তুলেন এবং দু’টি সিজদা করেন। অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন এবং দ্বিতীয় রাক’আতেও অনুরুপ করেন। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে বললেনঃ সুর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে হয় না। আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমুহের মধ্যে এ হল দু’টি নিদর্শন; যা আল্লাহ্‌ তাঁর বান্দাদের দেখিয়ে থাকেন। কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে ভীত অবস্থায় সালাতের দিকে আসবে।

حدثنا عبد الله بن محمد، قال حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، وهشام بن عروة، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام النبي صلى الله عليه وسلم فصلى بالناس، فأطال القراءة، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع رأسه فأطال القراءة، وهى دون قراءته الأولى، ثم ركع فأطال الركوع دون ركوعه الأول، ثم رفع رأسه فسجد سجدتين، ثم قام فصنع في الركعة الثانية مثل ذلك، ثم قام فقال ‏ "‏ إن الشمس والقمر لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله يريهما عباده، فإذا رأيتم ذلك فافزعوا إلى الصلاة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > সুর্যগ্রহনের সময় আল্লাহ্‌র যিকর।

সহিহ বুখারী ১০৫৯

حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال خسفت الشمس، فقام النبي صلى الله عليه وسلم فزعا، يخشى أن تكون الساعة، فأتى المسجد، فصلى بأطول قيام وركوع وسجود رأيته قط يفعله وقال ‏ "‏ هذه الآيات التي يرسل الله لا تكون لموت أحد ولا لحياته، ولكن يخوف الله به عباده، فإذا رأيتم شيئا من ذلك فافزعوا إلى ذكره ودعائه واستغفاره ‏"‏‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সুর্যগ্রহণ হল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভীত অবস্থায় উঠলেন এবং ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবার ভয় করছিলেন। অতঃপর তিনি মসজিদে আসেন এবং এর পূর্বে আমি তাঁকে যেমন করতে দেখেছি, তার চেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কিয়াম, রুকু’ এবং সিজদা সহকারে সালাত আদায় করলেন। আর তিনি বললেনঃ এগুলো হল নিদর্শন যা আল্লাহ্‌ পাঠিয়ে থাকেন, তা কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে হয় না। বরং আল্লাহ্‌ তা’আলা এর মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন। কাজেই যখন তোমরা এর কিছু দেখতে পাবে, তখন ভীত অবস্থায় আল্লাহ্‌র যিকর, দু’আ এবং ইস্‌তিগ্‌ফারের দিকে ধাবিত হবে।

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সুর্যগ্রহণ হল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভীত অবস্থায় উঠলেন এবং ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবার ভয় করছিলেন। অতঃপর তিনি মসজিদে আসেন এবং এর পূর্বে আমি তাঁকে যেমন করতে দেখেছি, তার চেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কিয়াম, রুকু’ এবং সিজদা সহকারে সালাত আদায় করলেন। আর তিনি বললেনঃ এগুলো হল নিদর্শন যা আল্লাহ্‌ পাঠিয়ে থাকেন, তা কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে হয় না। বরং আল্লাহ্‌ তা’আলা এর মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন। কাজেই যখন তোমরা এর কিছু দেখতে পাবে, তখন ভীত অবস্থায় আল্লাহ্‌র যিকর, দু’আ এবং ইস্‌তিগ্‌ফারের দিকে ধাবিত হবে।

حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال خسفت الشمس، فقام النبي صلى الله عليه وسلم فزعا، يخشى أن تكون الساعة، فأتى المسجد، فصلى بأطول قيام وركوع وسجود رأيته قط يفعله وقال ‏ "‏ هذه الآيات التي يرسل الله لا تكون لموت أحد ولا لحياته، ولكن يخوف الله به عباده، فإذا رأيتم شيئا من ذلك فافزعوا إلى ذكره ودعائه واستغفاره ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > সুর্যগ্রহনের সময় দু’আ।

সহিহ বুখারী ১০৬০

حدثنا أبو الوليد، قال حدثنا زائدة، قال حدثنا زياد بن علاقة، قال سمعت المغيرة بن شعبة، يقول انكسفت الشمس يوم مات إبراهيم، فقال الناس انكسفت لموت إبراهيم‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله، لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتموهما فادعوا الله وصلوا حتى ينجلي ‏"‏‏.

মুগীরা ইব্‌নু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –(এর পুত্র) ইব্‌রাহীম (রাঃ) যেদিন ইন্‌তিকাল করেন, সেদিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। লোকেরা বলল ইব্‌রাহীম (রাঃ) এর মৃত্যুর কারণেই সূর্যগ্রহণ হয়েছে। আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেনঃ নিশ্চয়ই সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে এ দু’টোর গ্রহণ হয় না। কাজেই যখন তোমরা এদের গ্রহণ হতে দেখবে, তখন তাদের গ্রহণ মুক্ত হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ্‌র নিকট দু’আ করবে এবং সালাত আদায় করতে থাকবে।

মুগীরা ইব্‌নু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –(এর পুত্র) ইব্‌রাহীম (রাঃ) যেদিন ইন্‌তিকাল করেন, সেদিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। লোকেরা বলল ইব্‌রাহীম (রাঃ) এর মৃত্যুর কারণেই সূর্যগ্রহণ হয়েছে। আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেনঃ নিশ্চয়ই সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে এ দু’টোর গ্রহণ হয় না। কাজেই যখন তোমরা এদের গ্রহণ হতে দেখবে, তখন তাদের গ্রহণ মুক্ত হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ্‌র নিকট দু’আ করবে এবং সালাত আদায় করতে থাকবে।

حدثنا أبو الوليد، قال حدثنا زائدة، قال حدثنا زياد بن علاقة، قال سمعت المغيرة بن شعبة، يقول انكسفت الشمس يوم مات إبراهيم، فقال الناس انكسفت لموت إبراهيم‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله، لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتموهما فادعوا الله وصلوا حتى ينجلي ‏"‏‏.


সহিহ বুখারী > সুর্যগ্রহনের খুত্‌বায় ইমামের “আমমা-বাদু” বলা।

সহিহ বুখারী ১০৬১

وقال أبو أسامة حدثنا هشام، قال أخبرتني فاطمة بنت المنذر، عن أسماء، قالت فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد تجلت الشمس فخطب، فحمد الله بما هو أهله ثم قال ‏ "‏ أما بعد ‏"‏‏.‏

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত শেষ করলেন আর এদিকে সূর্যগ্রহণ মুক্ত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি খুত্‌বা দিলেন। এতে তিনি প্রথমে আল্লাহ্‌র যথাযথ প্রশংসা করলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ ‘আম্‌মা বা’দ’।

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত শেষ করলেন আর এদিকে সূর্যগ্রহণ মুক্ত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি খুত্‌বা দিলেন। এতে তিনি প্রথমে আল্লাহ্‌র যথাযথ প্রশংসা করলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ ‘আম্‌মা বা’দ’।

وقال أبو أسامة حدثنا هشام، قال أخبرتني فاطمة بنت المنذر، عن أسماء، قالت فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد تجلت الشمس فخطب، فحمد الله بما هو أهله ثم قال ‏ "‏ أما بعد ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00