সহিহ বুখারী > দু’ দু’বার আযানের শব্দ বলা ।
সহিহ বুখারী ৬০৫
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن سماك بن عطية، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، قال أمر بلال أن يشفع، الأذان وأن يوتر الإقامة إلا الإقامة.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দ দু’ দু’বার এবং قَدْقَامَتِ الصَّلاَةُ ব্যতীত ইক্বামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। (৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দ দু’ দু’বার এবং قَدْقَامَتِ الصَّلاَةُ ব্যতীত ইক্বামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। (৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৮)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن سماك بن عطية، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، قال أمر بلال أن يشفع، الأذان وأن يوتر الإقامة إلا الإقامة.
সহিহ বুখারী ৬০৬
حدثنا محمد، قال أخبرنا عبد الوهاب، قال أخبرنا خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، قال لما كثر الناس قال ـ ذكروا ـ أن يعلموا وقت الصلاة بشىء يعرفونه، فذكروا أن يوروا نارا أو يضربوا ناقوسا، فأمر بلال أن يشفع الأذان وأن يوتر الإقامة.
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাঁরা সালাতের সময়ের জন্য এমন কোন সংকেত নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিলেন, যার সাহায্যে সালাতের সময় উপস্থিত এ কথা বুঝা যায়। কেউ কেউ বলেলেন, আগুন জ্বালানো হোক, কিংবা ঘণ্টা বাজানো হোক। তখন বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হলো। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৯)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাঁরা সালাতের সময়ের জন্য এমন কোন সংকেত নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিলেন, যার সাহায্যে সালাতের সময় উপস্থিত এ কথা বুঝা যায়। কেউ কেউ বলেলেন, আগুন জ্বালানো হোক, কিংবা ঘণ্টা বাজানো হোক। তখন বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হলো। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৯)
حدثنا محمد، قال أخبرنا عبد الوهاب، قال أخبرنا خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، قال لما كثر الناس قال ـ ذكروا ـ أن يعلموا وقت الصلاة بشىء يعرفونه، فذكروا أن يوروا نارا أو يضربوا ناقوسا، فأمر بلال أن يشفع الأذان وأن يوتر الإقامة.
সহিহ বুখারী > “কাদ কামাতিস্-সালাহ” ব্যতীত ইক্বামাতের শব্দগুলো একবার করে বলা ।
সহিহ বুখারী ৬০৭
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، حدثنا خالد، عن أبي قلابة، عن أنس، قال أمر بلال أن يشفع، الأذان، وأن يوتر الإقامة. قال إسماعيل فذكرت لأيوب فقال إلا الإقامة.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের বাক্যগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাতের বাক্যগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীস আইয়ূবের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, তবে ‘কাদ্কামাতিস্ সলাতু’ ছাড়া।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের বাক্যগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাতের বাক্যগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীস আইয়ূবের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, তবে ‘কাদ্কামাতিস্ সলাতু’ ছাড়া।
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، حدثنا خالد، عن أبي قلابة، عن أنس، قال أمر بلال أن يشفع، الأذان، وأن يوتر الإقامة. قال إسماعيل فذكرت لأيوب فقال إلا الإقامة.
সহিহ বুখারী > আযানের মর্যাদা ।
সহিহ বুখারী ৬০৮
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال أخبرنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا نودي للصلاة أدبر الشيطان وله ضراط حتى لا يسمع التأذين، فإذا قضى النداء أقبل، حتى إذا ثوب بالصلاة أدبر، حتى إذا قضى التثويب أقبل حتى يخطر بين المرء ونفسه، يقول اذكر كذا، اذكر كذا. لما لم يكن يذكر، حتى يظل الرجل لا يدري كم صلى ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযানের শব্দ না শুনে। যখন আযান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন সালাতের জন্য ইক্বামাত বলা হয়, তখন আবার দূরে সরে যায়। ইক্বামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে এসে লোকের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং বলে এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর, বিস্মৃত বিষয়গুলো সে মনে করিয়ে দেয়। এভাবে লোকটি এমন পর্যায়ে পোঁছে যে, সে কয় রাক’আত সালাত আদায় করেছে তা মনে করতে পারে না।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযানের শব্দ না শুনে। যখন আযান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন সালাতের জন্য ইক্বামাত বলা হয়, তখন আবার দূরে সরে যায়। ইক্বামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে এসে লোকের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং বলে এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর, বিস্মৃত বিষয়গুলো সে মনে করিয়ে দেয়। এভাবে লোকটি এমন পর্যায়ে পোঁছে যে, সে কয় রাক’আত সালাত আদায় করেছে তা মনে করতে পারে না।
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال أخبرنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا نودي للصلاة أدبر الشيطان وله ضراط حتى لا يسمع التأذين، فإذا قضى النداء أقبل، حتى إذا ثوب بالصلاة أدبر، حتى إذا قضى التثويب أقبل حتى يخطر بين المرء ونفسه، يقول اذكر كذا، اذكر كذا. لما لم يكن يذكر، حتى يظل الرجل لا يدري كم صلى ".
সহিহ বুখারী > আযানের আওয়াজ উচ্চ করা ।
সহিহ বুখারী ৬০৯
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال أخبرنا مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة الأنصاري، ثم المازني عن أبيه، أنه أخبره أن أبا سعيد الخدري قال له " إني أراك تحب الغنم والبادية، فإذا كنت في غنمك أو باديتك فأذنت بالصلاة فارفع صوتك بالنداء، فإنه لا يسمع مدى صوت المؤذن جن ولا إنس ولا شىء إلا شهد له يوم القيامة ". قال أبو سعيد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আবদুর রহমান আনসারী মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাকে তার পিতা সংবাদ দিয়েছেন যে, আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমি দেখছি তুমি বক্রী চরানো এবং বন-জঙ্গলকে ভালোবাসো। তাই তুমি যখন বক্রী নিয়ে থাকো, বা বন-জঙ্গলে থাকো এবং সালাতের জন্য আযান দাও, তখন উচ্চকণ্ঠে আযান দাও। কেননা, জিন্, ইনসান বা যে কোন বস্তুই যতদূর পর্যন্ত মুয়ায্যিনের আওয়াজ শুনবে, সে কিয়ামাতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, এ কথা আমি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি।
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আবদুর রহমান আনসারী মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাকে তার পিতা সংবাদ দিয়েছেন যে, আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমি দেখছি তুমি বক্রী চরানো এবং বন-জঙ্গলকে ভালোবাসো। তাই তুমি যখন বক্রী নিয়ে থাকো, বা বন-জঙ্গলে থাকো এবং সালাতের জন্য আযান দাও, তখন উচ্চকণ্ঠে আযান দাও। কেননা, জিন্, ইনসান বা যে কোন বস্তুই যতদূর পর্যন্ত মুয়ায্যিনের আওয়াজ শুনবে, সে কিয়ামাতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, এ কথা আমি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি।
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال أخبرنا مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة الأنصاري، ثم المازني عن أبيه، أنه أخبره أن أبا سعيد الخدري قال له " إني أراك تحب الغنم والبادية، فإذا كنت في غنمك أو باديتك فأذنت بالصلاة فارفع صوتك بالنداء، فإنه لا يسمع مدى صوت المؤذن جن ولا إنس ولا شىء إلا شهد له يوم القيامة ". قال أبو سعيد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.