সহিহ বুখারী > বুঝতে না পারার আশঙ্কায় ‘ইলম শিক্ষায় কোন এক গোত্র ছেড়ে আর এক গোত্র বেছে নেয়া।

সহিহ বুখারী ১২৭

حدثنا عبيد الله بن موسى عن معروف بن خربوذ عن أبي الطفيل عن علي بذلك‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

- (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১২৯)

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

- (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১২৯)

حدثنا عبيد الله بن موسى عن معروف بن خربوذ عن أبي الطفيل عن علي بذلك‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৮

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم ومعاذ رديفه على الرحل قال ‏"‏ يا معاذ بن جبل ‏"‏‏.‏ قال لبيك يا رسول الله وسعديك‏.‏ قال ‏"‏ يا معاذ ‏"‏‏.‏ قال لبيك يا رسول الله وسعديك‏.‏ ثلاثا‏.‏ قال ‏"‏ ما من أحد يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صدقا من قلبه إلا حرمه الله على النار ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله، أفلا أخبر به الناس فيستبشروا قال ‏"‏ إذا يتكلوا ‏"‏‏.‏ وأخبر بها معاذ عند موته تأثما

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা মু‘আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে সওয়ারীতে ছিলেন, তখন তিনি তাকে ডাকলেন, হে মু‘আয ইব্‌নু জাবাল! মু‘আয (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল আমি আপনার সার্বিক সহযোগিতা ও খেদমতে হাযির আছি। তিনি ডাকলেন, মু‘আয! মু‘আয (রাঃ) উত্তর দিলেন, আমি হাযির হে আল্লাহর রসূল ও প্রস্তুত। তিনি আবার ডাকলেন, মু‘আয। তিনি উত্তর দিলেন, ‘আমি হাযির এবং প্রস্তুত’। এরূপ তিনবার করলেন। অতঃপর বললেনঃ যে কোন বান্দা আন্তরিকতার সাথে এ সাক্ষ্য দেবে যে, ‘আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল’-তার জন্য আল্লাহ তা’আলা জাহান্নাম হারাম করে দিবেন। মু‘আয বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কি মানুষকে এ খবর দেব না, যাতে তারা সুসংবাদ পেতে পারে?’ তিনি বললেন, ‘তাহলে তারা এর উপরই ভরসা করবে।’ মু‘আয (রাঃ) (জীবন ভর এ হাদীসটি বর্ণনা করেননি) মৃত্যুর সময় এ হাদীসটি বর্ণনা করে গেছেন যাতে (‘ইলম গোপন রাখার) গুনাহ না হয়। (১২৯; মুসলিম ১/১০, হাঃ ৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩০)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা মু‘আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে সওয়ারীতে ছিলেন, তখন তিনি তাকে ডাকলেন, হে মু‘আয ইব্‌নু জাবাল! মু‘আয (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল আমি আপনার সার্বিক সহযোগিতা ও খেদমতে হাযির আছি। তিনি ডাকলেন, মু‘আয! মু‘আয (রাঃ) উত্তর দিলেন, আমি হাযির হে আল্লাহর রসূল ও প্রস্তুত। তিনি আবার ডাকলেন, মু‘আয। তিনি উত্তর দিলেন, ‘আমি হাযির এবং প্রস্তুত’। এরূপ তিনবার করলেন। অতঃপর বললেনঃ যে কোন বান্দা আন্তরিকতার সাথে এ সাক্ষ্য দেবে যে, ‘আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল’-তার জন্য আল্লাহ তা’আলা জাহান্নাম হারাম করে দিবেন। মু‘আয বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কি মানুষকে এ খবর দেব না, যাতে তারা সুসংবাদ পেতে পারে?’ তিনি বললেন, ‘তাহলে তারা এর উপরই ভরসা করবে।’ মু‘আয (রাঃ) (জীবন ভর এ হাদীসটি বর্ণনা করেননি) মৃত্যুর সময় এ হাদীসটি বর্ণনা করে গেছেন যাতে (‘ইলম গোপন রাখার) গুনাহ না হয়। (১২৯; মুসলিম ১/১০, হাঃ ৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩০)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم ومعاذ رديفه على الرحل قال ‏"‏ يا معاذ بن جبل ‏"‏‏.‏ قال لبيك يا رسول الله وسعديك‏.‏ قال ‏"‏ يا معاذ ‏"‏‏.‏ قال لبيك يا رسول الله وسعديك‏.‏ ثلاثا‏.‏ قال ‏"‏ ما من أحد يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صدقا من قلبه إلا حرمه الله على النار ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله، أفلا أخبر به الناس فيستبشروا قال ‏"‏ إذا يتكلوا ‏"‏‏.‏ وأخبر بها معاذ عند موته تأثما


সহিহ বুখারী ১২৯

حدثنا مسدد، قال حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، سمعت أنسا، قال ذكر لي أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لمعاذ ‏"‏ من لقي الله لا يشرك به شيئا دخل الجنة ‏"‏‏.‏ قال ألا أبشر الناس قال ‏"‏ لا، إني أخاف أن يتكلوا

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু‘আয (রাঃ)-কে বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কোনরূপ শির্‌ক না করে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। মু‘আয (রাঃ) বললেন, ‘আমি কি লোকদের সুসংবাদ দেব না?’ তিনি বললেন, ‘না, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা এর উপরই ভরসা করে বসে থাকবে।’ (১২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু‘আয (রাঃ)-কে বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কোনরূপ শির্‌ক না করে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। মু‘আয (রাঃ) বললেন, ‘আমি কি লোকদের সুসংবাদ দেব না?’ তিনি বললেন, ‘না, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা এর উপরই ভরসা করে বসে থাকবে।’ (১২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩১)

حدثنا مسدد، قال حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، سمعت أنسا، قال ذكر لي أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لمعاذ ‏"‏ من لقي الله لا يشرك به شيئا دخل الجنة ‏"‏‏.‏ قال ألا أبشر الناس قال ‏"‏ لا، إني أخاف أن يتكلوا


সহিহ বুখারী > ‘ইল্‌ম শিক্ষা করতে লজ্জাবোধ করা।

সহিহ বুখারী ১৩০

حدثنا محمد بن سلام، قال أخبرنا أبو معاوية، قال حدثنا هشام، عن أبيه، عن زينب ابنة أم سلمة، عن أم سلمة، قالت جاءت أم سليم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحيي من الحق، فهل على المرأة من غسل إذا احتلمت قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا رأت الماء ‏"‏‏.‏ فغطت أم سلمة ـ تعني وجهها ـ وقالت يا رسول الله وتحتلم المرأة قال ‏"‏ نعم تربت يمينك فبم يشبهها ولدها ‏"‏‏.‏

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উম্মু সুলায়ম (রাঃ) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ হক কথা প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলে কি গোসল করতে হবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘হ্যাঁ, যখন সে বীর্য দেখতে পাবে।’ তখন উম্মু সালামা (লজ্জায়) তার মুখ ঢেকে নিয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! মহিলাদেরও স্বপ্নদোষ হয় কি?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার ডান হাতে মাটি পড়ুক! [১] (তা না হলে) তাদের সন্তান তাদের আকৃতি পায় কীভাবে? (২৮২, ৩৩২৮, ৬০৯১, ৬১২১; মুসলিম ৩/৭, হাঃ ৩১৩, আহমাদ ২৬৬৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩২)

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উম্মু সুলায়ম (রাঃ) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ হক কথা প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলে কি গোসল করতে হবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘হ্যাঁ, যখন সে বীর্য দেখতে পাবে।’ তখন উম্মু সালামা (লজ্জায়) তার মুখ ঢেকে নিয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! মহিলাদেরও স্বপ্নদোষ হয় কি?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার ডান হাতে মাটি পড়ুক! [১] (তা না হলে) তাদের সন্তান তাদের আকৃতি পায় কীভাবে? (২৮২, ৩৩২৮, ৬০৯১, ৬১২১; মুসলিম ৩/৭, হাঃ ৩১৩, আহমাদ ২৬৬৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩২)

حدثنا محمد بن سلام، قال أخبرنا أبو معاوية، قال حدثنا هشام، عن أبيه، عن زينب ابنة أم سلمة، عن أم سلمة، قالت جاءت أم سليم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحيي من الحق، فهل على المرأة من غسل إذا احتلمت قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا رأت الماء ‏"‏‏.‏ فغطت أم سلمة ـ تعني وجهها ـ وقالت يا رسول الله وتحتلم المرأة قال ‏"‏ نعم تربت يمينك فبم يشبهها ولدها ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩১

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن من الشجر شجرة لا يسقط ورقها، وهي مثل المسلم، حدثوني ما هي ‏"‏‏.‏ فوقع الناس في شجر البادية، ووقع في نفسي أنها النخلة‏.‏ قال عبد الله فاستحييت‏.‏ فقالوا يا رسول الله، أخبرنا بها‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هي النخلة ‏"‏‏.‏ قال عبد الله فحدثت أبي بما وقع في نفسي فقال لأن تكون قلتها أحب إلى من أن يكون لي كذا وكذا‏.‏

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ গাছের মধ্যে এমন একটি গাছ রয়েছে যার পাতা ঝরে পড়ে না এবং তা হ’ল মুসলিমের দৃষ্টান্ত। তোমরা আমাকে বল তো সেটা কোন গাছ? তখন লকজনের খেয়াল জঙ্গলের গাছপালার প্রতি গেল। আর আমার মনে হতে লাগল যে, সেটি খেজুর গাছ। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ‘কিন্তু আমি লজ্জাবোধ করলাম।‘ সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনিই আমাদের তা বলে দিন।’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ‘তা হ’ল খেজুর গাছ।’ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ‘তারপর আমি আমার পিতাকে আমার মনে যা এসেছিল তা বললাম।’ তিনি বললেন, ‘তুমি তখন তা বলে দিলে তা আমার নিকট এরূপ এরূপ জিনিস লাভ করার চেয়ে অধিক প্রিয় হতো।’ (৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৩)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ গাছের মধ্যে এমন একটি গাছ রয়েছে যার পাতা ঝরে পড়ে না এবং তা হ’ল মুসলিমের দৃষ্টান্ত। তোমরা আমাকে বল তো সেটা কোন গাছ? তখন লকজনের খেয়াল জঙ্গলের গাছপালার প্রতি গেল। আর আমার মনে হতে লাগল যে, সেটি খেজুর গাছ। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ‘কিন্তু আমি লজ্জাবোধ করলাম।‘ সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনিই আমাদের তা বলে দিন।’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ‘তা হ’ল খেজুর গাছ।’ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ‘তারপর আমি আমার পিতাকে আমার মনে যা এসেছিল তা বললাম।’ তিনি বললেন, ‘তুমি তখন তা বলে দিলে তা আমার নিকট এরূপ এরূপ জিনিস লাভ করার চেয়ে অধিক প্রিয় হতো।’ (৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৩)

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن من الشجر شجرة لا يسقط ورقها، وهي مثل المسلم، حدثوني ما هي ‏"‏‏.‏ فوقع الناس في شجر البادية، ووقع في نفسي أنها النخلة‏.‏ قال عبد الله فاستحييت‏.‏ فقالوا يا رسول الله، أخبرنا بها‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هي النخلة ‏"‏‏.‏ قال عبد الله فحدثت أبي بما وقع في نفسي فقال لأن تكون قلتها أحب إلى من أن يكون لي كذا وكذا‏.‏


সহিহ বুখারী > নিজে লজ্জা করলে অন্যকে দিয়ে প্রশ্ন করানো।

সহিহ বুখারী ১৩২

حدثنا مسدد، قال حدثنا عبد الله بن داود، عن الأعمش، عن منذر الثوري، عن محمد ابن الحنفية، عن علي، قال كنت رجلا مذاء فأمرت المقداد أن يسأل النبي صلى الله عليه وسلم فسأله فقال ‏"‏ فيه الوضوء

‘আলী ইব্‌নু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার অধিক পরিমাণে ‘মযী’ বের হত। তাই এ ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করার জন্য মিকদাদকে বললাম। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘এতে কেবল উযূ করতে হয়।’ (১৭৮,২৬৯; মুসলিম ৩/৪, হাঃ ৩০৩, আহমাদ ৬০৬, ১০০৯, ১০৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৪)

‘আলী ইব্‌নু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার অধিক পরিমাণে ‘মযী’ বের হত। তাই এ ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করার জন্য মিকদাদকে বললাম। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘এতে কেবল উযূ করতে হয়।’ (১৭৮,২৬৯; মুসলিম ৩/৪, হাঃ ৩০৩, আহমাদ ৬০৬, ১০০৯, ১০৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৪)

حدثنا مسدد، قال حدثنا عبد الله بن داود، عن الأعمش، عن منذر الثوري، عن محمد ابن الحنفية، عن علي، قال كنت رجلا مذاء فأمرت المقداد أن يسأل النبي صلى الله عليه وسلم فسأله فقال ‏"‏ فيه الوضوء


সহিহ বুখারী > মসজিদে ‘ইলম ও ফতোয়া আলোচনা করা।

সহিহ বুখারী ১৩৩

حدثني قتيبة بن سعيد، قال حدثنا الليث بن سعد، قال حدثنا نافع، مولى عبد الله بن عمر بن الخطاب عن عبد الله بن عمر،‏.‏ أن رجلا، قام في المسجد فقال يا رسول الله، من أين تأمرنا أن نهل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يهل أهل المدينة من ذي الحليفة، ويهل أهل الشأم من الجحفة، ويهل أهل نجد من قرن ‏"‏‏.‏ وقال ابن عمر ويزعمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ويهل أهل اليمن من يلملم ‏"‏‏.‏ وكان ابن عمر يقول لم أفقه هذه من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে দাঁড়িয়ে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদের কোন স্থান হতে ইহ্‌রাম বাঁধার নির্দেশ দেন?’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মদীনাবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘যু’ল-হুলাইফাহ’ হতে, সিরিয়াবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘জুহফা’ হতে এবং নাজদবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘কর্‌ন’ হতে। ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলেন, সাহাবীগণ বলেন যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এও বলেছেনঃ ‘এবং ইয়ামানবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘ইয়ালামলাম’ হতে।’ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, ‘এ কথাটি আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বুঝে নেইনি।’ (১৫২২, ১৫২৫, ১৫২৭, ১৫২৮, ৭৩৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৫)

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে দাঁড়িয়ে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদের কোন স্থান হতে ইহ্‌রাম বাঁধার নির্দেশ দেন?’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মদীনাবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘যু’ল-হুলাইফাহ’ হতে, সিরিয়াবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘জুহফা’ হতে এবং নাজদবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘কর্‌ন’ হতে। ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলেন, সাহাবীগণ বলেন যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এও বলেছেনঃ ‘এবং ইয়ামানবাসী ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘ইয়ালামলাম’ হতে।’ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, ‘এ কথাটি আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বুঝে নেইনি।’ (১৫২২, ১৫২৫, ১৫২৭, ১৫২৮, ৭৩৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৫)

حدثني قتيبة بن سعيد، قال حدثنا الليث بن سعد، قال حدثنا نافع، مولى عبد الله بن عمر بن الخطاب عن عبد الله بن عمر،‏.‏ أن رجلا، قام في المسجد فقال يا رسول الله، من أين تأمرنا أن نهل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يهل أهل المدينة من ذي الحليفة، ويهل أهل الشأم من الجحفة، ويهل أهل نجد من قرن ‏"‏‏.‏ وقال ابن عمر ويزعمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ويهل أهل اليمن من يلملم ‏"‏‏.‏ وكان ابن عمر يقول لم أفقه هذه من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00