রসনার সংযম (অর্থাৎ এমন কথা আলোচনা করা যার কারণে জাহান্নামে পতিত হবে) এবং অন্য নুসখায় রয়েছে বাকশক্তি নিয়ন্ত্রণ করা - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > রসনার সংযম (অর্থাৎ এমন কথা আলোচনা করা যার কারণে জাহান্নামে পতিত হবে) এবং অন্য নুসখায় রয়েছে বাকশক্তি নিয়ন্ত্রণ করা

সহিহ মুসলিম ৭৩৭১

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ كَانُوا يَرَوْنَ أَنَّ الْعُمْرَةَ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ مِنْ أَفْجَرِ الْفُجُورِ فِي الأَرْضِ وَيَجْعَلُونَ الْمُحَرَّمَ صَفَرً وَيَقُولُونَ إِذَا بَرَأَ الدَّبَرْ وَعَفَا الأَثَرْ وَانْسَلَخَ صَفَرْ حَلَّتِ الْعُمْرَةُ لِمَنِ اعْتَمَرْ ‏.‏ فَقَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ صَبِيحَةَ رَابِعَةٍ مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً فَتَعَاظَمَ ذَلِكَ عِنْدَهُمْ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الْحِلِّ قَالَ ‏ ‏ الْحِلُّ كُلُّهُ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, বান্দা এমন কথা বলে, যার কারণে সে জাহান্নামের মধ্যে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও বেশি দূরে গিয়ে নিপতিত হবে। (ই.ফা. ৭২১১, ই.সে. ৭২৬৩)


সহিহ মুসলিম ৭৩৭২

وحدثناه محمد بن أبي عمر المكي، حدثنا عبد العزيز الدراوردي، عن يزيد بن، الهاد عن محمد بن إبراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن العبد ليتكلم بالكلمة ما يتبين ما فيها يهوي بها في النار أبعد ما بين المشرق والمغرب ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বান্দা এমন কথা বলে, যার ক্ষতির ব্যাপারে সে অবহিত নয়, পরিশেষে সে জাহান্নামে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও অধিক দূরে গিয়ে সে নিপতিত হয়। (ই.ফা. ৭২১২, ই.সে. ৭২৬৪)


সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি নেক কাজের আদেশ দেয়, কিন্তু নিজে করে না এবং খারাপ কাজে বাধা দেয়, কিন্তু স্বয়ং তা থেকে দূরে থাকে না, তার শাস্তি

সহিহ মুসলিম ৭৩৭৩

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، الْبَرَّاءِ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ فَقَدِمَ لأَرْبَعٍ مَضَيْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ فَصَلَّى الصُّبْحَ وَقَالَ لَمَّا صَلَّى الصُّبْحَ ‏ ‏ مَنْ شَاءَ أَنْ يَجْعَلَهَا عُمْرَةً فَلْيَجْعَلْهَا عُمْرَةً ‏" ‏ ‏‏

উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি ‘উসমান (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে আলোচনা করেন না কেন? উত্তরে তিনি বলেন, তোমরা কি এটা মনে করছ যে, শুধু আমি তোমাদেরকে নিয়েই তার সাথে কথা বলি? আল্লাহর শপথ! আমার ও তাঁর মধ্যকার যে কথা বলবার, আমি তাকে তা বলেছি। তবে আমি এসব বিষয়ে মুখ খুলতে চাইনা, যে ব্যাপারে কথা বললে আমিই হব এর প্রথম ব্যক্তি। আর যে লোক আমার আমীর বা নেতা তাদের কারো ব্যাপারে আমি এ কথাও বলতে চাইনা যে, তিনিই সর্বোত্তম ব্যক্তি। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাত দিবসে এক লোককে উপস্থিত করা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে ফেলে দেয়া হবে। ফলে তার পেটের নাড়ি-ভূড়ি বের হয়ে যাবে। এরপর গাধা যেমন চাক্কীর চারপাশে ঘুরে অনুরূপ ভাবে সেও এগুলো নিয়ে ঘুরতে থাকবে। এ দেখে জাহান্নামীরা তার চারপাশে এসে একত্রিত হবে এবং তাকে বলবে, হে অমুক! তোমার কি হয়েছে? তুমি কি ভালো কাজের আদেশ দিতে না এবং মন্দ কাজ হতে দূরে থাকতে বলতেনা? জবাবে সে বলবে, হ্যাঁ, তবে আমি ভালো কাজের আদেশ দিতাম; কিন্তু স্বয়ং তা পালন করতাম না এবং মন্দ কাজে বাধা দিতাম কিন্তু নিজেই আবার তা কাজ করতাম। (ই.ফা. ৭২১৩, ই.সে. ৭২৬৫)


সহিহ মুসলিম ৭৩৭৪

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، قال كنا عند أسامة بن زيد فقال رجل ما يمنعك أن تدخل على عثمان فتكلمه فيما يصنع وساق الحديث بمثله ‏.‏

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। এমতাবস্থায় এক লোক তাকে বললেন, আমীরুল মু’মিনীন ‘উসমান (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাঁর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে কথোপকথন করতে আপনাকে বাধা দিচ্ছে কিসে? ….. অতঃপর জারীর (রহঃ) অবিকল হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ৭২১৪, ই.সে. ৭২৬৬)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية