জাহান্নামের আগুনের প্রবল উত্তাপ ও গভীর তলদেশ এবং শাস্তিপ্রাপ্তদের যা স্পর্শ করবে - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > জাহান্নামের আগুনের প্রবল উত্তাপ ও গভীর তলদেশ এবং শাস্তিপ্রাপ্তদের যা স্পর্শ করবে

সহিহ মুসলিম ৭০৫৬

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ مِقْسَمٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ أَرْبَعٌ كُلُّهُنَّ فَاسِقٌ يُقْتَلْنَ فِي الْحِلِّ وَالْحَرَمِ الْحِدَأَةُ وَالْغُرَابُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏ قَالَ فَقُلْتُ لِلْقَاسِمِ أَفَرَأَيْتَ الْحَيَّةَ قَالَ تُقْتَلُ بِصُغْرٍ لَهَا ‏‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামকে এভাবে উপস্থিত করা হবে। সেদিন তাতে সত্তর হাজার লাগাম লাগানো থাকবে। প্রতিটি লাগামের সাথে সত্তর হাজার ফেরেশ্‌তা থাকবে তাঁরা তাকে টেনে নিয়ে যাবে। (ই.ফা. ৬৯০১, ই.সে. ৬৯৫৮)


সহিহ মুসলিম ৭০৫৭

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ، بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحِلِّ وَالْحَرَمِ الْحَيَّةُ وَالْغُرَابُ الأَبْقَعُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْحُدَيَّا ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের এ অগ্নি যা আদাম সন্তানগণ জ্বালিয়ে থাকে তা জাহান্নামের অগ্নির উত্তাপের সত্তর ভাগের একভাগ। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! এ আগুনই তো যথেষ্ট ছিল? তিনি বললেন, সে আগুন তো এ আগুনের তুলনায় উনসত্তর গুণ অধিক তাপমাত্রা সম্পন্ন। এ উনসত্তরের প্রতিটি তাপমাত্রাই দুনিয়ার আগুনের তাপমাত্রার সমতুল্য। (ই.ফা. ৬৯০২, ই.সে. ৬৯৫৯)


সহিহ মুসলিম ৭০৫৮

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ، بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحِلِّ وَالْحَرَمِ الْحَيَّةُ وَالْغُرَابُ الأَبْقَعُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْحُدَيَّا ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ যিনাদ-এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে হাম্মাম (রহঃ) (আরবী) (প্রতিটি)-এর স্থলে (আরবী) (সবগুলোই তার তাপমাত্রার সমতুল্য) বলেছেন। (ই.ফা. ৬৯০৩ই.সে. ৬৯৬০)


সহিহ মুসলিম ৭০৫৯

حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - وَهُوَ ابْنُ زَيْدٍ - حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ، عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ الْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْحُدَيَّا وَالْغُرَابُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা কি জান, এটা কিসের আওয়াজ? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, এ একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তারপর তা কেবল নিম্নে পতিত হতে হতে এখন সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছেছে। (ই.ফা. ৬৯০৪, ই.সে. ৬৯৬১)


সহিহ মুসলিম ৭০৬০

حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - وَهُوَ ابْنُ زَيْدٍ - حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ، عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ الْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْحُدَيَّا وَالْغُرَابُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এ পাথরটি এখন জাহান্নামের অতল গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে, তাই তোমরা বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়েছো। (ই.ফা. ৬৯০৫, ই.সে৬৯৬২)


সহিহ মুসলিম ৭০৬১

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তো তার উভয় গোড়ালি পর্যন্ত স্পর্শ করবে; আবার কাউকে তার কোমর পর্যন্ত এবং কাউকে তার গর্দান পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা. ৬৯০৬, ই.সে. ৬৯৬৩)


সহিহ মুসলিম ৭০৬২

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তার উভয় টাখনু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার উভয় হাঁটু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার কোমর পর্যন্ত, আবার কাউকে তার গলা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা. ৬৯০৭, ই.সে. ৬৯৬৪)


সহিহ মুসলিম ৭০৬৩

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে (আরবী) পরিবর্তে (আরবী) (উভয় শব্দের অর্থ একই, অর্থাৎ কোমর) শব্দটি বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৬৯০৮, ই.সে. ৬৯৬৫)


সহিহ মুসলিম > দুর্দান্ত প্রতাপশালীরা জাহান্নামে এবং দুর্বলেরা যাবে জান্নাতে

সহিহ মুসলিম ৭০৬৪

وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ الْفَارَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحُدَيَّا وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম ও জান্নাত পরস্পর বাক-বিতন্ডা করল। অতঃপর জাহান্নাম বলল, প্রতিপত্তি সম্পন্ন অহংকারী লোকেরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, দুর্বল ও নিঃস্ব লোকেরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার ‘আযাব, যাকে ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা ‘আযাব দিব। কোন কোন সময় তিনি বলেছেন, যাকে ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা বিপদে ফেলব। তারপর তিনি জান্নাতকে বললেন, তুমি আমার রহমত, আমি যাকে ইচ্ছা তোমার দ্বারা রহমত করব। তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পেট ভর্তির ব্যবস্থা থাকবে। (ই.ফা. ৬৯০৯, ই.সে. ৬৯৬৬)


সহিহ মুসলিম ৭০৬৫

وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ الْفَارَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحُدَيَّا وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, একদা জাহান্নাম ও জান্নাত বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়লো। জাহান্নাম বলল, অহংকারী এবং প্রভাব প্রতিপত্তি সম্পন্ন লোকেরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, আমার কি হলো, মানুষের মাঝে যারা দুর্বল, নীচু স্তরের এবং অক্ষম, তারাই আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। এ কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতকে বললেন, তুমি আমার রহ্মাত, আমার বান্দাদের যার প্রতি ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা রহ্মাত বর্ষণ করব। তারপর তিনি জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাব, আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা ‘আযাব দিব। তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পেট ভর্তির ব্যবস্থা থাকবে। এতদ্সত্ত্বেও জাহান্নাম পূর্ণ হবে না। তাই আল্লাহ্ তা‘আলা এর উপরে স্বীয় পা মুবারাক রাখবেন। তখন জাহান্নাম বলবে, যথেষ্ট হয়ে গেছে। এ সময়ই জাহান্নাম পরিপূর্ণ হবে এবং একাংশ অপরাংশের সাথে মিলে যাবে অর্থাৎ সঙ্কুচিত হয়ে যাবে। (ই.ফা. ৬৯১০, ই.সে. ৬৯৬৭)


সহিহ মুসলিম ৭০৬৬

وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ الْفَارَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحُدَيَّا وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ একদা জান্নাত ও জাহান্নাম বিতর্ক যুদ্ধে লিপ্ত হলো। অতঃপর ইবনু সীরীন (রহঃ) আবূ যিনাদ-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬৯১১, ই.সে. ৬৯৬৮)


সহিহ মুসলিম ৭০৬৭

وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ الْفَارَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحُدَيَّا وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কতিপয় হাদীস উল্লেখ করেছেন। তন্মধ্যে একটি হাদীস হলো এইযে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাত ও জাহান্নাম পরস্পর তর্কে লিপ্ত হয়েছে। জাহান্নাম বলল, প্রভাব-প্রতিপত্তি ও অহংকারীদের জন্য আমাকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। জান্নাত বলল, আমার কি হলো, আমার মাঝে কেবল দুর্বল ও নগণ্য লোকেরাই প্রবেশ করবে। এ কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতকে বললেন, তুমি আমার রহ্মাত। তোমার দ্বারা আমার বান্দাদের যাকে চাই তার প্রতি আমি রহ্মাত নাযিল করব এবং তিনি জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাব। তোমার দ্বারা আমি আমার বান্দাদের যাকে ইচ্ছা ‘আযাব দিব। বস্তুতঃ তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পেট ভরপুর করার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু জাহান্নাম কিছুতেই পরিপূর্ণ হবে না। পরিশেষে তিনি স্বীয় পা মুবারাক তার উপরে রাখলে তখন জাহান্নাম বলবে, হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। তখনই জাহান্নাম পরিপূর্ণ হবে এবং এর একাংশ অন্য অংশের সাথে মিলে গিয়ে সংকুচিত হয়ে আসবে। আল্লাহ তা‘আলা তার সৃষ্টির কারো উপর অবিচার করবেন না। আর জান্নাত পরিপূর্ণ করার জন্য আল্লাহ তা‘আলা অন্য মাখলূক সৃষ্টি করবেন। (ই.ফা. ৬৯১২, ই.সে. ৬৯৬৯)


সহিহ মুসলিম ৭০৬৮

وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَتْ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقَتْلِ خَمْسِ فَوَاسِقَ فِي الْحِلِّ وَالْحَرَمِ ‏.‏ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একদা জান্নাত ও জাহান্নাম তর্কে লিপ্ত হলো। অতঃপর তিনি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে (আরবি) -এর পরিবর্তে (আরবি) (অর্থাৎ- তোমাদের প্রত্যেককে পরিপূর্ণ অংশ প্রদান করা আমার দায়িত্ব) কথাটি বর্ণিত আছে। তবে এর পরবর্তী অংশটুকু এখানে বর্ধিত বিবৃত হয়নি। (ই.ফা. ৬৯১৩, ই.সে. ৬৯৭০)


সহিহ মুসলিম ৭০৬৯

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ كُلُّهَا فَوَاسِقُ تُقْتَلُ فِي الْحَرَمِ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ ‏" ‏ ‏‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জাহান্নাম সবসময় বলতে থাকবে, আরো বেশি আছে কি? শেষ অবধি আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন আপন পা মুবারাক তাতে স্থাপন করবেন। তখন সে বলবে, আপনার ইয্যতের কসম! হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। তখন এর এক অংশ অন্য অংশের সাথে মিলে গিয়ে পরিপূর্ণ হয়ে থাকবে। (ই.ফা. ৬৯১৪, ই.সে. ৬৯৭১)


সহিহ মুসলিম ৭০৭০

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ كُلُّهَا فَوَاسِقُ تُقْتَلُ فِي الْحَرَمِ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ ‏" ‏ ‏‏

আনাস (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শাইবান-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯১৫, ই.সে. ৬৯৭২)


সহিহ মুসলিম ৭০৭১

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ كُلُّهَا فَوَاسِقُ تُقْتَلُ فِي الْحَرَمِ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ ‏" ‏ ‏‏

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আর্ রুয্‌যী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহান আল্লাহর বানী: (আরবি) –এর ব্যাখ্যায় আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে উল্লেখ করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: অনবরত (জাহান্নামীদেরকে) জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তবুও জাহান্নাম বলবে, আরো বেশি আছে কি? অবশেষে আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন এতে আপন পা মুবারাক স্থাপন করবেন। তখন এর একাংশ অপরাংশের সাথে মিলে গিয়ে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে এবং বলবে, তোমার ইয্যত ও অনুগ্রহের কসম! হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। পক্ষান্তরে জান্নাতের মধ্যস্থলে কিছু জায়গা অব্যাহতভাবে খালি পরে থাকবে। পরিশেষে আল্লাহ তা‘আলা এর জন্য অন্য মাখলূক সৃষ্টি করবেন এবং শূন্যস্থানে তাদেরকে আবাসের ব্যবস্থা করবেন। (ই.ফা. ৬৯১৬, ই.সে. ৬৯৭৩)


সহিহ মুসলিম ৭০৭২

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ كُلُّهَا فَوَاسِقُ تُقْتَلُ فِي الْحَرَمِ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ ‏" ‏ ‏‏

আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর যে পরিমাণ ইচ্ছা সে পরিমাণ স্থান জান্নাতে শূন্য থাকবে। পরিশেষে আল্লাহ তা‘আলা নিজ ইচ্ছানুযায়ী এর জন্য অন্য মাখলূক সৃষ্টি করবেন। (ই.ফা. ৬৯১৭, ই.সে. ৬৯৭৪)


সহিহ মুসলিম ৭০৭৩

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ خَمْسٌ لاَ جُنَاحَ عَلَى مَنْ قَتَلَهُنَّ فِي الْحَرَمِ وَالإِحْرَامِ الْفَارَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ فِي رِوَايَتِهِ ‏"‏ فِي الْحُرُمِ وَالإِحْرَامِ ‏"‏ ‏.‏"

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের দিন মৃত্যুকে একটি সাদা মেষের আকৃতিতে উপস্থিত করা হবে। আবূ কুরায়ব বর্ধিত বর্ণনা করে বলেন, তারপর তাকে জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যস্থলে দাঁড় করানো হবে। এরপর উভয়ই অবশিষ্ট হাদীস একই রকম বর্ণনা করেছেন। তখন বলা হবে, হে জান্নাতীগণ! তোমরা কি একে চিনো? এ কথা শুনে তারা মাথা উঠিয়ে দেখবে এবং বলবে, হ্যাঁ, এ তো মৃত্যু। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর বলা হবে, হে জাহান্নামীগণ! তোমরা কি একে চিনো? তখন তারা মাথা তুলে দেখবে এবং বলবে, হ্যাঁ! এতো মৃত্যু। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে এবং সেটাকে যবাহ্ করা হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর বলা হবে, হে জান্নাতীগণ! মৃত্যু নেই, তোমরা অনন্তকাল এখানে থাকবে। হে জাহান্নামীরা! মৃত্যু নেই, তোমরা অনন্তকাল এখানেই থাকবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঠ করলেন, “তুমি তাদেরকে সাবধান করে দাও-অনুশোচনার দিন সম্পর্কে, যখন সকল বিষয়ে ফায়সালা করা হবে। অথচ তারা গাফিলতির মাঝে নিপতিত হয়ে আছে এবং ঈমান গ্রহণ করছে না।” এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় হাত দ্বারা দুনিয়ার প্রতি ইশারা করলেন। (ই.ফা. ৬৯১৮, ই.সে. ৬৯৭৫)


সহিহ মুসলিম ৭০৭৪

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ خَمْسٌ لاَ جُنَاحَ عَلَى مَنْ قَتَلَهُنَّ فِي الْحَرَمِ وَالإِحْرَامِ الْفَارَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ فِي رِوَايَتِهِ ‏"‏ فِي الْحُرُمِ وَالإِحْرَامِ ‏"‏ ‏.‏"

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন জান্নাতী লোকেদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে এবং জাহান্নামী লোকেদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে, তখন বলা হবে, হে জান্নাতবাসীগণ! তারপর জারীর (রহঃ) আবূ মু‘আবিয়াহ্ (রহঃ)-এর অবিকল হাদীস উল্লেখ করেন। কিন্তু তাতে (আরবি) –এর স্থলে (আরবি) –কথাটি বর্ণনা করেছেন। আর এতে ‘অতঃপর তিনি স্বীয় হাত দ্বারা পৃথিবীর দিকে ইশারা করেছেন’-এ কথাটিও তিনি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৯১৯, ই.সে. ৬৯৭৬)


সহিহ মুসলিম ৭০৭৫

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ قَالَتْ حَفْصَةُ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ كُلُّهَا فَاسِقٌ لاَ حَرَجَ عَلَى مَنْ قَتَلَهُنَّ الْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতবাসীদেরকে জান্নাতে আর জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে দাখিল করানোর পর জনৈক ঘোষণাকারী তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করবে, হে জান্নাতবাসীগণ! এখন মৃত্যু নেই, হে জাহান্নামীরা! এখর আর মৃত্যু নেই। প্রত্যেকে চিরকাল নির্ধারিত স্থানে থাকবে। (ই.ফা. ৬৯২০, ই.সে. ৬৯৭৭)


সহিহ মুসলিম ৭০৭৬

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ قَالَتْ حَفْصَةُ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ كُلُّهَا فَاسِقٌ لاَ حَرَجَ عَلَى مَنْ قَتَلَهُنَّ الْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন মৃত্যুকে আনা হবে এবং তাকে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে যবেহ্ করে দেয়া হবে। অতঃপর একজন ঘোষক ঘোষণা করবে, হে জান্নাতবাসীগণ! এখানে আর তোমাদের মৃত্যু নেই। অনুরূপভাবে জাহান্নামীদেরকেও বলা হবে, হে জাহান্নামীরা! আর তোমাদের মৃত্যু নেই। এতে জান্নাতীদের আনন্দের সাথে আরো আনন্দ বেড়ে যাবে এবং জাহান্নামীদের শোকের সাথে আরো শোক বহুগুণ বেড়ে যাবে। (ই.ফা. ৬৯২১, ই.সে. ৬৯৭৮)


সহিহ মুসলিম ৭০৭৭

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ جُبَيْرٍ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ مَا يَقْتُلُ الْمُحْرِمُ مِنَ الدَّوَابِّ فَقَالَ أَخْبَرَتْنِي إِحْدَى نِسْوَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ أَمَرَ - أَوْ أُمِرَ - أَنْ تُقْتَلَ الْفَارَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْغُرَابُ ‏.‏

আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কাফিরদের দাঁত উহুদ পাহাড়েন ন্যায় বড় হবে এবং তাদের চামড়া তিন দিনের দূরত্ব পরিমাণ মোটা হবে। (ই.ফা. ৬৯২২, ই.সে. ৬৯৭৯)


সহিহ মুসলিম ৭০৭৮

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ مَا يَقْتُلُ الرَّجُلُ مِنَ الدَّوَابِّ وَهُوَ مُحْرِمٌ قَالَ حَدَّثَتْنِي إِحْدَى نِسْوَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ بِقَتْلِ الْكَلْبِ الْعَقُورِ وَالْفَارَةِ وَالْعَقْرَبِ وَالْحُدَيَّا وَالْغُرَابِ وَالْحَيَّةِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الصَّلاَةِ أَيْضًا ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে মারফূ’ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জাহান্নামে কাফিরদের দু‘ কাঁধের মাঝখানে দ্রুতগামী আরোহী ব্যক্তির তিন দিনের দূরত্বের পথ হবে। তবে ওয়াকী‘ঈ (রহঃ) (আরবি) (জাহান্নামে) কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৯২৩, ই.সে. ৬৯৮০)


সহিহ মুসলিম ৭০৭৯

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ لَيْسَ عَلَى الْمُحْرِمِ فِي قَتْلِهِنَّ جُنَاحٌ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

হারিসাহ্ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতবাসীর পরিচয় বলব না? সহাবাগণ বললেন, হ্যাঁ! অবশ্যই। তিনি বলেলেন, তারা হবে দুর্বল লোক তাদের (দুনিয়া) দুর্বলই মনে করা হতো। যারা আল্লাহর নামে শপথ করলে আল্লাহ তা পূরণ করেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদেরকে জাহান্নামবাসীর পরিচয় জানাব না? সহাবাগণ বললেন, হ্যাঁ, জানাবেন। তিনি বললেন, তারা হবে নিষ্ঠুর, দাম্ভিক ও অহংকারী লোক। (ই.ফা. ৬৯২৪, ই.সে. ৬৯৮১)


সহিহ মুসলিম ৭০৮০

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ لَيْسَ عَلَى الْمُحْرِمِ فِي قَتْلِهِنَّ جُنَاحٌ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

শু‘বাহ্ (রহঃ) এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে পার্থক্য এই যে, তিনি (আরবি) স্থলে (আরবি) শব্দ উল্লেখ করেছেন, অর্থ একই (আমি কি তোমাদেরকে জানিয়ে দিব না)। (ই.ফা. ৬৯২৪, ই.সে. ৬৯৮২)


সহিহ মুসলিম ৭০৮১

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ لَيْسَ عَلَى الْمُحْرِمِ فِي قَتْلِهِنَّ جُنَاحٌ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

হারিসাহ্ ইবনু ওয়াহ্ব আল খুযা‘ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতবাসীগণের পরিচয় আমি কি তোমাদেরকে জানাব না? তারা হবে দুর্বল কোমল হৃদয় বিনয়ী লোক। যারা আল্লাহর উপর ভরসা করে কসম করলে আল্লাহ তা পূর্ণ করান। তিনি আবার বললেন, আমি কি তোমাদেরকে জাহান্নামীদের পরিচয় বলব না? তারা হবে দাম্ভিক, হীন বা নীচ এবং অহংকারী লোক। (ই.ফা. ৬৯২৫, ই.সে. ৬৯৮৩)


সহিহ মুসলিম ৭০৮২

وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ قُلْتُ لِنَافِعٍ مَاذَا سَمِعْتَ ابْنَ عُمَرَ، يُحِلُّ لِلْحَرَامِ قَتْلَهُ مِنَ الدَّوَابِّ فَقَالَ لِي نَافِعٌ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ لاَ جُنَاحَ عَلَى مَنْ قَتَلَهُنَّ فِي قَتْلِهِنَّ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিছু সংখ্যক এমন জীর্ণশীর্ণ লোক আছে, যাদেরকে মানুষের দ্বার হতে বিতাড়িত করা হয়। (অথচ তারা আল্লাহর নিকট এত প্রিয় যে,) তারা যদি আল্লাহর নামে কোন কসম করে তবে আল্লাহ তা‘আলা তা পূর্ণ করে দেন। (ই.ফা. ৬৯২৬, ই.সে. ৬৯৮৪)


সহিহ মুসলিম ৭০৮৩

وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ، وَابْنُ، رُمْحٍ عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، - يَعْنِي ابْنَ حَازِمٍ - جَمِيعًا عَنْ نَافِعٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ، بْنُ مُسْهِرٍ ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي جَمِيعًا، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ وَابْنِ جُرَيْجٍ وَلَمْ يَقُلْ أَحَدٌ مِنْهُمْ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ - رضى الله عنهما - سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ إِلاَّ ابْنُ جُرَيْجٍ وَحْدَهُ وَقَدْ تَابَعَ ابْنَ جُرَيْجٍ عَلَى ذَلِكَ ابْنُ إِسْحَاقَ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবাহ্ প্রদানকালে [সালিহ (‘আঃ)-এর] উষ্ট্রী সম্পর্কে এবং যে লোক সেটার পা কেটেছিল তার সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, যখন ঐ উষ্ট্রীকে হত্যা করার জন্য তাদের কাওমের সবচেয়ে হতভাগ্য লোকটি উদ্যত হল, তখন এ কাজের জন্য ঐ কাওমের মধ্যে আবূ যাম’আর ন্যায় সবচেয়ে শক্তিশালী, নিষ্ঠুর, অসভ্য ও হতভাগ্য লোক ছিল। এ খুতবায় তিনি মহিলাদের বিষয়ে আলোচনা করলেন এবং তাদের নাসীহাত করলেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন লোকও আছে, যে তার স্ত্রীকে অযথা প্রহার করে। আবূ বকর-এর বর্ণনায় আছে, ক্রীতদাসীর ন্যায় প্রহার করে। আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনায় আছে, ক্রীতদাসের ন্যায় প্রহার করে। কিন্তু আবার দিন শেষে রাতের বেলা তার সঙ্গে মিলিত হয়। এরপর তিনি বায়ু নিঃসরণ করে হাসি দেয়া সম্বন্ধে উপদেশ করলেন এবং বললেন, যে কাজ তোমরা স্বয়ং করবে সে ব্যাপারে তোমরা কি করে হাসতে পার? (ই.ফা. ৬৯২৭, ই.সে. ৬৯৮৫)


সহিহ মুসলিম ৭০৮৪

وَحَدَّثَنِيهِ فَضْلُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ نَافِعٍ، وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ خَمْسٌ لاَ جُنَاحَ فِي قَتْلِ مَا قُتِلَ مِنْهُنَّ فِي الْحَرَمِ ‏" ‏ ‏‏ فَذَكَرَ بِمِثْلِهِ‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি বানী কা‘ব-এর বাবা ‘আম্‌র ইবনু লুহাই ইবনু কামা‘আহ্ ইবনু খিন্দিফকে জাহান্নামের মাঝে দেখেছি সে তার পেট হতে সব নাড়ী-ভুড়ি টেনে বের করছে। (ই.ফা. ৬৯২৮, ই.সে. ৬৯৮৬)


সহিহ মুসলিম ৭০৮৫

وَحَدَّثَنِيهِ فَضْلُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ نَافِعٍ، وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ خَمْسٌ لاَ جُنَاحَ فِي قَتْلِ مَا قُتِلَ مِنْهُنَّ فِي الْحَرَمِ ‏" ‏ ‏‏ فَذَكَرَ بِمِثْلِهِ‏

সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘বাহীরাহ্’ বলা হয় এমন উষ্ট্রীকে, যা কোন দেবতার নামে মানৎ করে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দেয়া হয়। তাকে আর কেউ দোহন করে না। আর ‘সায়িবাহ্’ বলা হয় এমন উটকে, মুশরিকগণ তাদের দেবতার নামে ছেড়ে দিত। এভাবে ছেড়ে দেয়ার পর এর পিঠে কোন বোঝা বহন করা হত না। ইবনু মুসাইয়্যাব (রাঃ) আরো বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি জাহান্নামের মাঝে ‘আমির আল খুযা‘ঈকে দেখেছি, সে তার নাড়ী-ভুড়ি টেনে বের করছে। কেননা সে-ই সর্বপ্রথম দেব-দেবীর নামে সায়িবাহ্ (উটের) জন্তুর প্রথা চালু করেছিল। (ই.ফা. ৬৯২৯, ই.সে. ৬৯৮৭)


সহিহ মুসলিম ৭০৮৬

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ، بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ فِي قَبْرِهِ بِمَا نِيحَ عَلَيْهِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’ প্রকার লোক জাহান্নামী হবে। আমি তাদেরকে দেখিনি। এক প্রকার ঐ সব লোক যাদের কাছে গরুর লেজের ন্যায় ছড়ি থাকবে। তারা এর দ্বারা লোকেদের পিটাবে। দ্বিতীয় প্রকার ঐ শ্রেণীর মহিলা, যারা কাপড় পরিহিতা কিন্তু উলঙ্গ প্রায়, মানুষকে আকৃষ্টকারিণী ও স্বয়ং বিচ্যুত। যাদের মাথার খোপা বুখতী উটের পিঠের উঁচু কুজোর ন্যায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং জান্নাতের গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধি অনেক দূর থেকে পাওয়া যায়। (ই.ফা. ৬৯৩০, ই.সে. ৬৯৮৮)


সহিহ মুসলিম ৭০৮৭

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَيَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالَ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ، اللَّهِ بْنَ عُمَرَ - رضى الله عنهما - يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مَنْ قَتَلَهُنَّ وَهُوَ حَرَامٌ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ فِيهِنَّ الْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْغُرَابُ وَالْحُدَيَّا ‏" ‏ ‏‏ وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى بْنِ يَحْيَى ‏‏

উম্মু সালামার মুক্তদাস ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয়, অচিরেই তোমরা এক সম্প্রদায় দেখতে পাবে, যাদের হাতে থাকবে গরুর লেজের মতো চাবুক। সকাল অতিবাহিত হবে তাদের আল্লাহর গযবের মধ্যে এবং সন্ধ্যা যাপন হবে আল্লাহর অভিশাপের মধ্যে। (ই.ফা. ৬৯৩১, ই.সে. ৬৯৮৯)


সহিহ মুসলিম ৭০৮৮

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَيَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالَ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ، اللَّهِ بْنَ عُمَرَ - رضى الله عنهما - يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ خَمْسٌ مَنْ قَتَلَهُنَّ وَهُوَ حَرَامٌ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ فِيهِنَّ الْعَقْرَبُ وَالْفَارَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْغُرَابُ وَالْحُدَيَّا ‏" ‏ ‏‏ وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى بْنِ يَحْيَى ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি, তুমি যদি দীর্ঘজীবি হও তাহলে অচিরেই তোমরা এমন এক সম্প্রদায় দেখতে পাবে, যাদের সকাল হবে আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভিতর এবং সন্ধ্যা হবে আল্লাহর অভিসম্পাতের মাঝে। তাদের হাতে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে। (ই.ফা. ৬৯৩২, ই.সে. ৬৯৯০)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية