সহিহ মুসলিম > আদাম সন্তানের উপর ব্যভিচার ও অন্যান্য বিষয়ের অংশ পরিমিত
সহিহ মুসলিম ৬৬৪৬
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الأَضْحَى .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) যা বলেছেন ‘লামাম’ (আকর্ষণীয় বড় গুনাহ) বিষয়ে তার চেয়ে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ কোন বিষয় আমি দেখিনি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা আদাম সন্তানের উপর ব্যভিচারের যে ভাগ লিখেছেন, নিঃসন্দেহে তা সে পাবে। দু’চোখের ব্যভিচার দেখা, যবানের ব্যভিচার, পরস্পর কথোপকথনের ব্যভিচার, মনের ব্যভিচার কামন-বাসনা করা। আর লজ্জাস্থান তা সত্যায়িত করে অথবা মিথ্যা সাব্যস্ত করে। ‘আব্দ (রহঃ) তাউস-এর বর্ণনায় বলেছেন যে, তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৬৫১২, ই.সে. ৬৫৬৩)
সহিহ মুসলিম ৬৬৪৭
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الأَضْحَى .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আদাম সন্তানের উপর ব্যভিচারের যে অংশ লিখিত রয়েছে তা অবশ্যই সে প্রাপ্ত হবে। নিঃসন্দেহে দু’চোখের ব্যভিচার হলো তাকানো, দু’কানের ব্যভিচার হলো শোনা, জিহ্বার ব্যভিচার হলো কথোপকথন করা, হাতের ব্যভিচার হলো শক্ত করে ধরা, পায়ের ব্যভিচার হলো হেঁটে যাওয়া, হৃদয়ের ব্যভিচার হচ্ছে কামনা-বাসনা করা। আর লজ্জাস্থান তা সত্যায়িত করে বা মিথ্যা সাব্যস্ত করে। (ই.ফা. ৬৫১৩, ই.সে. ৬৫৬৪)
সহিহ মুসলিম > প্রত্যেক শিশু ইসলামী স্বভাবের উপর জন্মানোর মর্মার্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের মৃত শিশুর বিধান
সহিহ মুসলিম ৬৬৪৮
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রতিটি নবজাতক স্বভাবজাত ইসলাম নিয়ে জন্মলাভ করে। অতঃপর তার বাবা-মা তাকে ইয়াহূদী বানিয়ে দেয়, খ্রীষ্টান বানিয়ে দেয় এবং আগুনপূজারী বানিয়ে দেয়, যেমন চতুষ্পদ প্রাণী পূর্ণাঙ্গ চতুষ্পদ বাচ্চা জন্ম দেয় তোমরা কি তাতে কোন অঙ্গ কর্তিত বাচ্চা উপলব্ধি করছ? তারপর আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পাঠ করতে পারঃ “আল্লাহর ফিত্রাতে যার উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই”- (সূরাহ্ আর্ রূম ৩৩:৩০)৬ (ই.ফা. ৬৫১৪, ই.সে. ৬৫৬৫)
সহিহ মুসলিম ৬৬৪৯
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। মা’মার (রহঃ) বলেন, যেমন চতুষ্পদ প্রাণী চতুষ্পদ বাচ্চা জন্ম দিতে হয় এবং তিনি (আরবি) (পূর্ণাঙ্গ) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৫১৫, ই.সে. ৬৫৬৬)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫০
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি বাচ্চা স্বভাবজাত ইসলামের উপর জন্মলাভ করে। তারপর তিনি বলেছেন, তোমরা পাঠ করঃ “আল্লাহর ফিত্রাত যার উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টিতে কোন পরিবর্তন নেই। এ-ই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন”-(সূরাহ্ আর্ রূম ৩০:৩০)। (ই.ফা. ৬৫১৬, ই.সে. ৬৫৬৭)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫১
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি বাচ্চা স্বভাবজাত ইসলামের উপর জন্মগ্রহণ করছেন। তারপর পিতা-মাতা তাকে ইয়াহূদী বানিয়ে দিয়েছে, খ্রীষ্টান বানিয়ে দিয়েছে এবং মুশরিক বানিয়ে দিয়েছে। অতঃপর জনৈক লোক বলল। হে আল্লাহর রসূল! যদি সে এর পূর্বে ইন্তিকাল করে তার ব্যাপারে আপনার মত কি? তিনি বললেন, তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ ভাল জানেন। (ই.ফা. ৬৫১৭, ই.সে. ৬৫৬৮)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫২
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইবনু নুমায়র বর্ণিত হাদীসে আছে- “প্রতিটি বাচ্চা স্বভাবজাত ইসলামের উপর ভূমিষ্ঠ হয়”। আর আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ)-এর সানাদে আবূ বকর (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, “এ স্বভাবজাতের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে স্পষ্ট করে কথা বলা পর্যন্ত (তার উপর বহাল থাকে)”। এবং আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ)-এর সানাদে আবূ কুরায়ব (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে, “এমন কোন বাচ্চা নেই যা এ স্বভাবজাত ইসলামের উপর জন্মলাভ করে না, যে পর্যন্ত না সে কথা ব্যক্ত করতে পারে”। (ই.ফা. ৬৫১৮, ই.সে. ৬৫৬৯)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫৩
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি তার কিছু সংখ্যক হাদীস আলোচনা করেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি শিশু স্বভাবজাত ইসলামের উপর জন্মলাভ করে তারপর বাবা-মা তাকে ইয়াহূদী বানিয়ে দেয়, না খ্রীষ্টান বানিয়ে দেয়, যেমন উষ্ট্রী চতুষ্পদ জন্ম দিয়ে থাকে। তোমরা কি তাদের মাঝে কানকাটা কোন প্রাণী দেখতে পাও? এমনকি তোমরাই সেগুলোর কর্ণ ছিদ্র করে দাও। সহাবারা বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! যে শিশু ছোট বেলায়ই মারা যাবে, তার ব্যাপারে আপনারা কী মতামত? তিনি বললেন, তাদের কৃতকর্মের ব্যাপারে আল্লাহই ভালো জানেন। (ই.ফা. ৬৫১৯, ই.সে. ৬৫৭০)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫৪
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেকটি মানুষের বাচ্চাকে তার মা ফিতরাতের উপর জন্ম দিয়েছেন। পরে তার পিতামাতাই তাকে ইয়াহূদী বানিয়ে দিয়েছে, খ্রীষ্টান বানিয়ে দিয়েছে এবং অগ্নিপূজ়ারী বানিয়ে দিয়েছে। যদি তার পিতা-মাতা মুসলিম হয় তবে বাচ্চাটিও মুসলিম হবে। প্রত্যেক বাচ্চাকে মা জন্মদানের সময় শাইতান তার দু’পাঁজরে খোঁচা দেয়। কেবলমাত্র মারইয়াম ও তার পুত্র ‘ঈসা (‘আঃ)-কে শাইতান খোঁচা দিতে পারেনি। (ই.ফা. ৬৫২০, ই.সে. ৬৫৭১)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنِي أَبُو قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، قَالَ خَالِدٌ فَلَقِيتُ أَبَا الْمَلِيحِ فَسَأَلْتُهُ فَحَدَّثَنِي بِهِ، فَذَكَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هُشَيْمٍ وَزَادَ فِيهِ وَذِكْرٍ لِلَّهِ "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নিষ্পাপ বাচ্চার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তাদের কর্মের ব্যাপারে আল্লাহই ভালো জানেন। (ই.ফা. ৬৫২১, ই.সে. ৬৫৭২)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنِي أَبُو قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، قَالَ خَالِدٌ فَلَقِيتُ أَبَا الْمَلِيحِ فَسَأَلْتُهُ فَحَدَّثَنِي بِهِ، فَذَكَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هُشَيْمٍ وَزَادَ فِيهِ وَذِكْرٍ لِلَّهِ "
যুহরী (রহঃ) হতে ইউনুস ও ইবনু আবূ যি’ব (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তাদের দু’জনের (শু’আয়ব ও মা’কাল) হাদীসের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া শু’আয়ব ও মা’কাল-এর বর্ণিত হাদীসে আছে।। তথায় (আরবি) এর স্থানে (আরবি) (মুশরিকদের সন্তান-সন্ততি) উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৫২২, ই.সে. ৬৫৭৩)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنِي أَبُو قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، قَالَ خَالِدٌ فَلَقِيتُ أَبَا الْمَلِيحِ فَسَأَلْتُهُ فَحَدَّثَنِي بِهِ، فَذَكَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هُشَيْمٍ وَزَادَ فِيهِ وَذِكْرٍ لِلَّهِ "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুশরিকদের ছোট সন্তান যারা শিশু অবস্থায় ইন্তিকাল করে, তাদের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলো। জবাবে তিনি বললেন তারা কি ‘আমাল করত সে সম্পর্কে আল্লাহই অধিক অবগত। (ই.ফা. ৬৫২৩, ই.সে. ৬৫৭৪)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫৮
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَهُ وَأَوْسَ بْنَ الْحَدَثَانِ أَيَّامَ التَّشْرِيقِ فَنَادَى أَنَّهُ لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلاَّ مُؤْمِنٌ . وَأَيَّامُ مِنًى أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ "
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের বাচ্চাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, তাদের কর্মের ব্যাপারে আল্লাহই অধিক পরিজ্ঞাত। কেননা তিনিই তাদের সৃষ্টি করেছেন। (ই.ফা. ৬৫২৪, ই.সে. ৬৫৭৫)
সহিহ মুসলিম ৬৬৫৯
وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، بْنُ طَهْمَانَ بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَنَادَيَا .
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই যে ছেলেটিকে খাযির (আঃ) (আল্লাহর আদেশে) হত্যা করেছিলেন তাকে কাফিরের স্বভাব দিয়েই সৃষ্টি করা হয়েছিল। যদি সে জীবিত থাকত তাহলে সে তার পিতা-মাতাকে অবাধ্যতা ও কুফরি করতে বাধ্য করত। (ই.ফা. ৬৫২৫, ই.সে. ৬৫৭৬)
সহিহ মুসলিম ৬৬৬০
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقَالَ نَعَمْ وَرَبِّ هَذَا الْبَيْتِ .
মু’মিন জননী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একটি নাবালক ছেলে মারা গেল আমি বললাম, তার জন্যে সৌভাগ্য। সে তো জান্নাতের চড়ুই পাখিদের থেকে এক চড়ুই পাখি (অর্থাৎ-নির্দ্বিধায় চলাচল করবে)। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি জান না যে, আল্লাহ তা’আলা তৈরি করেছেন জান্নাত এবং তৈরি করেছেন জাহান্নাম। এরপর তিনি এ জান্নাতের জন্য যোগ্য নিবাসী এবং জাহান্নামের জন্য যোগ্য নিবাসী তৈরি করেছেন। (ই.ফা. ৬৫২৬, ই.সে. ৬৫৭৭)
সহিহ মুসলিম ৬৬৬১
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقَالَ نَعَمْ وَرَبِّ هَذَا الْبَيْتِ .
উম্মুল মু’মিন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি আনসার নাবালক বাচ্চার জানাযায় উপস্থিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রিত হলেন। এরপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এ নাবালকটি তো সৌভাগ্যবান। সে তো জান্নাতে চড়ুই পাখিদের থেকে একটি চড়ুই পাখি। সে পাপকর্ম করেনি এবং পাপ তাকে স্পর্শ করেনি। তিনি বললেন, এছাড়া আরো কিছু আছে, হে ‘আয়িশাহ্! নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আ’লা জান্নাতের জন্য উপযুক্ত অধিবাসী সৃষ্টি করেছেন তাদেরকে, যাদেরকে সে উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করা করেছে, অথচ তখন তারা বাপ দাদাদের ঔরসে ছিল। আর তিনি সৃষ্টি করেছেন যাদেরকে জাহান্নামদের জন্য তাদের সে উদ্দেশ্যেই পয়দা করেছেন আর তারা তখন তাদের বাপ দাদাদের ঔরসে ছিল। (ই.ফা. ৬৫২৭, ই.সে. ৬৫৭৮)
সহিহ মুসলিম ৬৬৬২
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقَالَ نَعَمْ وَرَبِّ هَذَا الْبَيْتِ .
তালহাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) হতে ওয়াকী’ (রহঃ)-এর সূ থেকে বর্নিতঃ
তালহাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) হতে ওয়াকী’ (রহঃ)-এর সূত্রে তার হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫২৮, ই.সে. ৬৫৭৯)