সন্তানের মৃত্যুতে যে লোক সাওয়াবের আশা করে তার মর্যাদা - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > সন্তানের মৃত্যুতে যে লোক সাওয়াবের আশা করে তার মর্যাদা

সহিহ মুসলিম ৬৫৯০

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ عَلَى ابْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ يَأْكُلُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الْيَوْمَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ ‏.‏ فَقَالَ قَدْ كَانَ يُصَامُ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ رَمَضَانُ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تُرِكَ فَإِنْ كُنْتَ مُفْطِرًا فَاطْعَمْ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন মুসলিমের তিনটি সন্তান মৃত্যুবরণ করলে তাকে জাহান্নামের আগুন ছুইবে না, শপথ কার্যকরের জন্যে যা দরকার তা ব্যতীত। (ই.ফা, ৬৪৫৭, ই.সে ৬৫০৮)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯১

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ عَلَى ابْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ يَأْكُلُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الْيَوْمَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ ‏.‏ فَقَالَ قَدْ كَانَ يُصَامُ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ رَمَضَانُ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تُرِكَ فَإِنْ كُنْتَ مُفْطِرًا فَاطْعَمْ ‏.‏

যুহরী মালিক-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

যুহরী মালিক-এর সূত্রে তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া সুফইয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে আরো আছে- সে জাহান্নামে গমন করবে না, শপথ কার্যকরী ব্যতীত। (ই.ফা, ৬৪৫৮, ই.সে. ৬৫০৯)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯২

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ عَلَى ابْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ يَأْكُلُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الْيَوْمَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ ‏.‏ فَقَالَ قَدْ كَانَ يُصَامُ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ رَمَضَانُ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تُرِكَ فَإِنْ كُنْتَ مُفْطِرًا فَاطْعَمْ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু আনসারী নারীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তোমাদের মধ্যে কারো তিনটি সন্তান মৃত্যুবরণ করার পরও সে আল্লাহর প্রতিদানের আশা করে ধৈর্য ধারণ করলে সে জান্নাতে গমন করবে। অতঃপর এক স্ত্রী বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'জন সন্তান মৃত্যুবরণ করলে? তিনি বললেন, দু'জনেও তাই। (ই.ফা. ৬৪৫৯, ই.সে.৬৫১০)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا شَيْبَانُ، عَنْ أَشْعَثَ، بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا بِصِيَامِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ وَيَحُثُّنَا عَلَيْهِ وَيَتَعَاهَدُنَا عِنْدَهُ فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ لَمْ يَأْمُرْنَا وَلَمْ يَنْهَنَا وَلَمْ يَتَعَاهَدْنَا عِنْدَهُ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক নারী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুরুষ লোকজন আপনার হাদীস শুনতে পায়। কাজেই আপনি আপনার নিকট হতে আমাদের (নারী সমাজের) জন্যে একটি দিন ঠিক করে দিন (যেদিন আমরা আপনার নিকট একত্র হই)। আর আল্লাহ আপনাকে যা শিক্ষা দান করেন তা হতে আমাদেরকে শিক্ষা দিন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বেশ ভালো তো, অমুক অমুক দিন তোমরা সমবেত হবে। তারা (নির্দিষ্ট দিনে) একত্র হলো। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সমীপে আসলেন এবং আল্লাহ তাকে যা শিখিয়েছেন তা হতে তাদেরকে শিখালেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে যে কোন মহিলা তার জীবিত থাকতে সন্তান থেকে তিনটি সন্তান পাঠালেন (অর্থাৎ- তিনটি সন্তান মারা গেল)। সে সন্তানরা বিচার দিবসে তার জন্যে আড়াল হবে। তখন এক স্ত্রী বলল, দু’জন, দু’জন, দু’জন হলে (কি বিধান)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যা, দু’জন, দু’জন, দু'জনেও এ বিধান। (ই.ফা. ৬৪৬০, ই.সে.৬৫১১)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯৪

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ، خَطِيبًا بِالْمَدِينَةِ - يَعْنِي فِي قَدْمَةٍ قَدِمَهَا - خَطَبَهُمْ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ أَيْنَ عُلَمَاؤُكُمْ يَا أَهْلَ الْمَدِينَةِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِهَذَا الْيَوْمِ ‏ ‏ هَذَا يَوْمُ عَاشُورَاءَ وَلَمْ يَكْتُبِ اللَّهُ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ وَأَنَا صَائِمٌ فَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يَصُومَ فَلْيَصُمْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُفْطِرَ فَلْيُفْطِرْ ‏" ‏ ‏‏

আবদুর রহমান ইবনুল আসবাহানী (রাঃ) এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনুল আসবাহানী (রাঃ) এ সূত্রে তার সমার্থ হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তারা সকলে আবদুর রহমান ইবনু আসবাহানী (রাঃ) হতে এটুকু বেশি বর্ণনা করেছেন যে, “তিনি বলেন, আমি আবূ হযিমকে আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বলতে শুনেছি"। তিনি বলেন, এমন তিনটি সন্তান যারা সাবালক হয়নি। (ই.ফা, ৬৪৬১, ই.সে ৬৫১২)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯৫

حدثنا سويد بن سعيد، ومحمد بن عبد الأعلى، - وتقاربا في اللفظ - قالا حدثنا المعتمر، عن أبيه، عن أبي السليل، عن أبي حسان، قال قلت لأبي هريرة إنه قد مات لي ابنان فما أنت محدثي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بحديث تطيب به أنفسنا عن موتانا قال قال نعم ‏ "‏ صغارهم دعاميص الجنة يتلقى أحدهم أباه - أو قال أبويه - فيأخذ بثوبه - أو قال بيده - كما آخذ أنا بصنفة ثوبك هذا فلا يتناهى - أو قال فلا ينتهي - حتى يدخله الله وأباه الجنة ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية سويد قال حدثنا أبو السليل وحدثنيه عبيد الله بن سعيد حدثنا يحيى - يعني ابن سعيد - عن التيمي بهذا الإسناد وقال فهل سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا تطيب به أنفسنا عن موتانا قال نعم ‏.‏

আবূ হাসসান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বললাম, আমার দুটি ছেলে সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে একটি হাদীস উল্লেখ করবেন, যাতে আমাদের মৃতদের ক্ষেত্রে আপনি আমাদের মনে শান্তি দিতে পারেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি বললেন, হ্যা, তাদের জন্যে তার ছোটশিশুরা জান্নাতের প্রজাপতি তুল্য। তাদের মাঝে কেউ তার পিতার সাথে মিলিত হবে, অথবা তিনি বলেছেন বাবা-মা দুজনের সাথে মিলিত হবে। অতঃপর তিনি তার পরিধানের কাপড় কিংবা বলেছেন, হাত ধরবে, যেমনটি আমি তোমার কাপড়ের আঁচল ধরছি। এরপর আর তারা তাদের ছাড়বে না, কিংবা রাবী বলেছেন, ধরে থাকা শেষ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহ তার বাবা-মাকে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। সুওয়াইদ (রাঃ)-এর বর্ণনায় আরো রয়েছে, আবূ সালীল আমাদেরকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই ফা.৬৪৬২,ই-সে,৬৫১৩) উবাইদুল্লাহ ইবনু সা’ঈদ (রাঃ) ... আত তাইমী (রাঃ) হতে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এমন কিছু শুনেছেন, যা আমাদের মৃতদের সম্পর্কে আমাদের হৃদয়কে খুশি করে দেয়? তিনি বললেন, হ্যা। (ই.ফা. ৬৪৬২, ই.সে,৬৫১৪)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯৬

وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي مِثْلِ هَذَا الْيَوْمِ ‏ ‏ إِنِّي صَائِمٌ فَمَنْ شَاءَ أَنْ يَصُومَ فَلْيَصُمْ " ‏ ‏‏ وَلَمْ يَذْكُرْ بَاقِيَ حَدِيثِ مَالِكٍ وَيُونُسَ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক মহিলা একটি ছেলে সন্তান নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আপনি তার জন্যে আল্লাহর নিকট দুআ করুন। আমি তিনটি সন্তান কবরস্থ করেছি। তিনি বললেন, তুমি তিনটি সন্তান দাফন করেছ? মহিলা বলল, হ্যা। তিনি বললেন, তুমি তো অবশ্যই জাহান্নাম হতে একটি শক্ত প্রাচীর তৈরি করেছ। তাদের মাঝ থেকে উমার তার দাদার সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, অবশিষ্টরা তালুক (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করেছেন। তারা , দাদার শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা, ৬৪৬৩, ই.সে, ৬৫১৫)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯৭

وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي مِثْلِ هَذَا الْيَوْمِ ‏ ‏ إِنِّي صَائِمٌ فَمَنْ شَاءَ أَنْ يَصُومَ فَلْيَصُمْ " ‏ ‏‏ وَلَمْ يَذْكُرْ بَاقِيَ حَدِيثِ مَالِكٍ وَيُونُسَ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা তার একটি ছেলে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সমীপে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! নিশ্চয়ই সে অসুস্থ এবং তার ব্যাপারে আমি ভয় করছি। আর আমি তিনটি সন্তান কবরস্থ করেছি। তিনি বললেন, তুমি জাহান্নাম হতে বাঁচার জন্যে একটি শক্ত দেয়াল তৈরি করেছ। যুহায়র (রহঃ) তাল্ক হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি কুন্ইয়াত (উপনাম) উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৪৬৪, ই.সে. ৬৫১৬)


সহিহ মুসলিম > আল্লাহ তা‘আলা যখন কোন বান্দাকে মুহাব্বাত করেন তখন তাকে তার সকল বান্দাদের কাছেও প্রিয় করিয়ে দেন

সহিহ মুসলিম ৬৫৯৮

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ، عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - قَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَوَجَدَ الْيَهُودَ يَصُومُونَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَسُئِلُوا عَنْ ذَلِكَ فَقَالُوا هَذَا الْيَوْمُ الَّذِي أَظْهَرَ اللَّهُ فِيهِ مُوسَى وَبَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَى فِرْعَوْنَ فَنَحْنُ نَصُومُهُ تَعْظِيمًا لَهُ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ نَحْنُ أَوْلَى بِمُوسَى مِنْكُمْ ‏" ‏ ‏‏ فَأَمَرَ بِصَوْمِهِ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা যদি কোন বান্দাকে পছন্দ করেন তখন জিব্রীল (‘আঃ)-কে ডাক দেন এবং বলেন, নিশ্চয়ই আমি অমুক লোককে পছন্দ করি, তুমিও তাকে পছন্দ কর। তিনি বলেন, তখন জিব্রীল (‘আঃ) তাকে পছন্দ করেন। অতঃপর তিনি আকাশমণ্ডলীতে ঘোষণা দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ অমুক লোককে পছন্দ করেন, সুতরাং আপনারাও তাকে পছন্দ করুন। তখন আকাশবাসীরা তাকে পছন্দ করে। তিনি বলেন, এরপর দুনিয়াতে তাকে নন্দিত, সমাদৃত করা হয়। আর আল্লাহ যদি কোন লোকের উপর রাগ করেন তখন জিব্রীল (‘আঃ)-কে ডাক দেন এবং বলেন, আমি অমুক বান্দার উপর রাগ করেছি, তুমিও তার প্রতি নারাজ হও। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তখন জিব্রীল (‘আঃ) তার উপর রাগান্বিত হন। তারপর তিনি আকাশবাসীদেরকে ডাক দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা অমুকের উপর রাগান্বিত। কাজেই আপনারাও তার উপর ক্রোধান্বিত হোন। তিনি বলেন, তখন লোকেরা তার উপর দুশমনি পোষণ করে। তারপর তার জন্য পৃথিবীতে শত্রু বানিয়ে দেয়া হয়। (ই.ফা. ৬৪৬০৫, ই.সে. ৬৫১৭)


সহিহ মুসলিম ৬৫৯৯

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ، عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - قَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَوَجَدَ الْيَهُودَ يَصُومُونَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَسُئِلُوا عَنْ ذَلِكَ فَقَالُوا هَذَا الْيَوْمُ الَّذِي أَظْهَرَ اللَّهُ فِيهِ مُوسَى وَبَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَى فِرْعَوْنَ فَنَحْنُ نَصُومُهُ تَعْظِيمًا لَهُ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ نَحْنُ أَوْلَى بِمُوسَى مِنْكُمْ ‏" ‏ ‏‏ فَأَمَرَ بِصَوْمِهِ ‏‏

সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সুহায়ল (রাঃ) এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। তাছাড়া ‘আলা ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)-এর হাদীসে (আরবি) (শত্রুতা) শব্দটির উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬৪৬৬, ই.সে. ৬৫১৮)


সহিহ মুসলিম ৬৬০০

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ، عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - قَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَوَجَدَ الْيَهُودَ يَصُومُونَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَسُئِلُوا عَنْ ذَلِكَ فَقَالُوا هَذَا الْيَوْمُ الَّذِي أَظْهَرَ اللَّهُ فِيهِ مُوسَى وَبَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَى فِرْعَوْنَ فَنَحْنُ نَصُومُهُ تَعْظِيمًا لَهُ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ نَحْنُ أَوْلَى بِمُوسَى مِنْكُمْ ‏" ‏ ‏‏ فَأَمَرَ بِصَوْمِهِ ‏‏

আবূ সালিহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করছিলাম। তখন ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) গমন করলেন। সে সময় হাজ্জের মৌসুম, লোকেরা তাঁকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন আমি আমার পিতাকে বললাম, হে আব্বাজান! আমার মনে হয়, আল্লাহ তা‘আলা ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ)-কে পছন্দ করেন। তিনি বলেন, সে কি? অর্থাৎ- তুমি কিভাবে বুঝলে? আমি বললাম, এ কারণে যে, মানুষের হৃদয়ে তার ভালবাসা বদ্ধমূল হয়ে আছে। তিনি বললেন, তোমার পিতার শপথ! তুমি শুনেছ আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস বর্ণনা করতে। তারপর তিনি সুহায়ল (রাঃ) হতে জারীর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬৪৬৭, ই.সে. ৬৫১৯)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية