সহিহ মুসলিম > শার‘ঈ ওযর ব্যতিরেকে কোন মুসলিমের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্কচ্ছেদ করা হারাম
সহিহ মুসলিম ৬৪২৬
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ انْطَلَقْتُ أَنَا وَمَسْرُوقٌ، إِلَى عَائِشَةَ - رضى الله عنها - فَقُلْنَا لَهَا أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُبَاشِرُ وَهُوَ صَائِمٌ قَالَتْ نَعَمْ وَلَكِنَّهُ كَانَ أَمْلَكَكُمْ لإِرْبِهِ أَوْ مِنْ أَمْلَكِكُمْ لإِرْبِهِ . شَكَّ أَبُو عَاصِمٍ .
আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কোন মুসলিমের জন্য তার ভাই এর সঙ্গে তিন দিনের অধিক সময় সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়। দু’জনের সাক্ষাৎ ঘটলে একজন এদিকে মুখ ফিরিয়ে, অন্যজন ঐদিকে ঘাড় বাঁকিয়ে থাকে। তবে তাদের মধ্যে সে-ই উত্তম, যে প্রথমে সালাম করে। (ই.ফা. ৬৩০০, ই.সে. ৬৩৫০)
সহিহ মুসলিম ৬৪২৭
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ انْطَلَقْتُ أَنَا وَمَسْرُوقٌ، إِلَى عَائِشَةَ - رضى الله عنها - فَقُلْنَا لَهَا أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُبَاشِرُ وَهُوَ صَائِمٌ قَالَتْ نَعَمْ وَلَكِنَّهُ كَانَ أَمْلَكَكُمْ لإِرْبِهِ أَوْ مِنْ أَمْلَكِكُمْ لإِرْبِهِ . شَكَّ أَبُو عَاصِمٍ .
যুহরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রাঃ) থেকে সকলেই মালিক-এর সানাদে ও তাঁর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তাঁর বক্তব্য (আরবী) (সেও মুখ ফিরিয়ে নিল এবং তিনিও মুখ ফিরিয়ে নিলেন) এর পরিবর্তে মালিক ব্যতীত তাঁদের সকলেই বর্ণনা করেন (আরবী) (তিনিও বিরত থাকলেন, সেও বিরত থাকল) (ই.ফা. ৬৩০১, ই.সে. ৬৩৫১)
সহিহ মুসলিম ৬৪২৮
وَحَدَّثَنِيهِ يَعْقُوبُ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، وَمَسْرُوقٍ أَنَّهُمَا دَخَلاَ عَلَى أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ يَسْأَلاَنِهَا . فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ঈমানদারের জন্য তার ভাইকে তিন দিনের বেশি পরিত্যাগ করা জায়িয নয়। (ই.ফা. ৬৩০২, ই.সে. ৬৩৫১[ক])
সহিহ মুসলিম ৬৪২৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ - رضى الله عنها - أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন দিনের পরও হিজরত (কথাবার্তা পরিত্যাগ) বৈধ নয়। (ই.ফা. ৬৩০৩, ই.সে. ৬৩৫২)
সহিহ মুসলিম > খারাপ ধারণা, দোষ খোঁজা, লিপ্সা, ধোঁকাবাজি ইত্যাদি হারাম
সহিহ মুসলিম ৬৪৩০
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ يَحْيَى، بْنِ أَبِي كَثِيرٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা খারাপ ধারণা করা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা, খারাপ ধারণা প্রসূত বিষয় সর্বাপেক্ষা মিথ্যা। আর তোমরা ছিদ্রান্বেষণ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, সুপ্তদোষ অনুসন্ধান করো না, তোমরা পরস্পর লিপ্সা করো না, পরস্পর পরস্পরের প্রতি শত্রুতা করো না, হিংসা করো না; একে অন্যের পিছনে লেগে থেকো না বরং তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে যাও। (ই.ফা. ৬৩০৪, ই.সে. ৬৩৫৩)
সহিহ মুসলিম ৬৪৩১
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ يَحْيَى، بْنِ أَبِي كَثِيرٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা পরস্পর সম্পর্ক ছিন্ন করো না। একে অন্যের পেছনে শত্রুতা করো না, একে অন্যের ছিদ্রান্বেষণ করো না, অন্যের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর তুমি ক্রয়-বিক্রয়ের চেষ্টা করো না; বরং তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে বসবাস করতে থাকো। (ই.ফা. ৬৩০৫, ই.সে. ৬৩৫৪)
সহিহ মুসলিম ৬৪৩২
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ يَحْيَى، بْنِ أَبِي كَثِيرٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা পরস্পরকে হিংসা করবে না, একে অপরের সাথে শত্রুতা পোষণ করবে না, সুপ্তদোষ সন্ধান করবে না, গুপ্ত ভুল-ভ্রান্তি অনুসন্ধান করো না এবং পরস্পরকে ধোঁকায় ফেলবে না। আর তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভ্রাতৃ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকো। (ই.ফা. ৬৩০৬, ই.সে. ৬৩৫৫)
সহিহ মুসলিম ৬৪৩৩
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ يَحْيَى، بْنِ أَبِي كَثِيرٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণিত যে, তোমরা একে অপরের সাথে আত্মীয়তা সম্পর্কচ্ছেদ করো না, একে অপরের পেছনে দুশমনি করো না, পরস্পরে বিদ্বেষ পোষণ করো না, পরস্পরে হিংসা করো না। আর তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই পরিণত হয়ে যাও, যেমন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৩০৭, ই.সে. ৬৩৫৬)
সহিহ মুসলিম ৬৪৩৪
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ يَحْيَى، بْنِ أَبِي كَثِيرٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা পরস্পরে বিদ্বেষ করবে না, একে অন্যের পেছনে শত্রুতায় আবদ্ধ হয়ো না, পরস্পরে লিপ্সা করবে না বরং তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে থাকো। (ই.ফা. ৬৩০৮, ই.সে. ৬৩৫৭)