মধু পানে চিকিৎসা প্রসঙ্গ - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > মধু পানে চিকিৎসা প্রসঙ্গ

সহিহ মুসলিম ৫৬৬৩

وَحَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، كِلاَهُمَا عَنْ عِيسَى بْنِ، يُونُسَ عَنْ أَبِي حَمْزَةَ الْحِمْصِيِّ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَهَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، - وَاللَّفْظُ لأَبِي الطَّاهِرِ - قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ الأَشْجَعِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى جَنَازَةٍ يَقُولُ ‏ ‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَاعْفُ عَنْهُ وَعَافِهِ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ وَاغْسِلْهُ بِمَاءٍ وَثَلْجٍ وَبَرَدٍ وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ وَأَهْلاً خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهِ وَقِهِ فِتْنَةَ الْقَبْرِ وَعَذَابَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏ قَالَ عَوْفٌ فَتَمَنَّيْتُ أَنْ لَوْ كُنْتُ أَنَا الْمَيِّتَ لِدُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى ذَلِكَ الْمَيِّتِ ‏‏

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদারাময় হচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধুপান করালো। তারপর এসে বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু তার পীড়া আরও বেড়ে গেছে। তিনি এভাবে তিনবার বললেন। অতঃপর লোকটি চতুর্থবার এসে বললে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে মধু পান করাও। লোকটি বলল, মধুপান করিয়েছি কিন্তু উদারাময় ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহই সত্য বলেছেন, তোমার ভাইয়ের পেটের যন্ত্রণাটি মিথ্যা। অতঃপর পুনরায় তাকে পান করালে সুস্থ হয়ে গেল। (ই. ফা. ৫৫৭৯, ই. সে. ৫৬০৫)


সহিহ মুসলিম ৫৬৬৪

وَحَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، كِلاَهُمَا عَنْ عِيسَى بْنِ، يُونُسَ عَنْ أَبِي حَمْزَةَ الْحِمْصِيِّ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَهَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، - وَاللَّفْظُ لأَبِي الطَّاهِرِ - قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ الأَشْجَعِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى جَنَازَةٍ يَقُولُ ‏ ‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَاعْفُ عَنْهُ وَعَافِهِ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ وَاغْسِلْهُ بِمَاءٍ وَثَلْجٍ وَبَرَدٍ وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ وَأَهْلاً خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهِ وَقِهِ فِتْنَةَ الْقَبْرِ وَعَذَابَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏ قَالَ عَوْفٌ فَتَمَنَّيْتُ أَنْ لَوْ كُنْتُ أَنَا الْمَيِّتَ لِدُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى ذَلِكَ الْمَيِّتِ ‏‏

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদারাময় হয়েছে। তিনি বললেন, তাকে মধু পান করাও। ... হাদীসের বাকী অংশটুকু শু‘বাহ্‌ বর্ণিত হাদীসের অর্থেই বর্ণিত হয়েছেন। (ই. ফা. ৫৫৭৯, ই. সে. ৫৬০৬)


সহিহ মুসলিম > প্লেগ, লক্ষণ ও জ্যোতিষীর গণনা ইত্যাদির বিবরণ

সহিহ মুসলিম ৫৬৬৫

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

‘আমির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর আব্বা সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) -কে এ মর্মে প্রশ্ন করতে শুনেছেন যে, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট প্লেগ সম্বন্ধে কি শুনেছেন? তখন উসামাহ্‌ (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্লেগ একটি ‘আযাব যা বানী ইস্‌রাঈল অথবা (বর্ণনা সংশয়) যারা তোমাদের আগে ছিল তাদের উপরে প্রেরণ করা হয়েছিল। অতএব তোমরা কোন মহল্লায় প্লেগের ব্যাপারে শুনলে সেখানে যেও না। আর কোন এলাকায় প্লেগ চোখে পড়লে এবং তোমরা সেখানে অবস্থানরত থাকলে সেখান হতে বের হয়ে যাবে না। বর্ণনাকারী আবূ নায্‌র (রহঃ) বলেছেন, শুধু পলায়নের লক্ষ্যে সে জায়গা ছেড়ে যেও না। (ই.ফা. ৫৫৮০, ই. সে. ৫৬০৭)


সহিহ মুসলিম ৫৬৬৬

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্লেগ শাস্তির প্রতীক। মহীয়ান গরীয়ান আল্লাহ তা‘আলা তা দ্বারা তাঁর বান্দাদের কথিপয় ব্যক্তিকে পরীক্ষায় ফেলেছেন। তাই কোন অঞ্চলে এর প্রভাবের খবর পেলে তোমরা সেথায় যেও না এবং তোমরা কোন অঞ্চলে অবস্থানকালে সেখানে প্লেগ লক্ষ্য করলে সেখান থেকে পালিয়ে যাবে না। এ বর্ণনা কা‘নাব (রহঃ) -এর। আর কুতাইবাহ্‌ (রহঃ) -এর বর্ণনাও সে রকম। (ই. ফা. ৫৫৮১, ই. সে. ৫৬০৮)


সহিহ মুসলিম ৫৬৬৭

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

উসামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ প্লেগ একটি গযব, যা তোমাদের পূর্বেকার লোকদের উপর অথবা বানী-ইস্রাঈলের উপরে চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। সুতরাং কোন অঞ্চলে তা লক্ষ্য করলে তা থেকে পালানোর জন্য সে অঞ্চল ছেড়ে যেওনা এবং কোন অঞ্চলে প্লেগ লক্ষ্য করলে সেথায় অনুপ্রবেশ ও করো না। (ই.ফা. ৫৫৮২, ই.সে. ৫৬০৯)


সহিহ মুসলিম ৫৬৬৮

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

‘আমির ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক লোক সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) -কে প্লেগ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) বললেন, আমি সে ব্যাপারে তোমাকে সংবাদ দিচ্ছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তা একটি গযব অথবা একটি মহামারী যা আল্লাহ তা‘আলা বানী ইস্‌রাঈলের একটি উপদল কিংবা তোমাদের পূর্বেকার কোন একদল ব্যক্তির উপরে প্রেরণ করেছিলেন। অতএব কোন অঞ্চলে তার কথা তোমরা জানলে সেথায় তোমরা প্রবেশ করো না; তদ্রুপ কোন তোমাদের উপর তা এসে পড়লে সেখান থেকে পালিয়ে যেও না। (ই.ফা. ৫৫৮৩, ই.সে. ৫৬১০)


সহিহ মুসলিম ৫৬৬৯

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ রাবী‘ সুলাইমান ইবনু দাঊদ, কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা‘ঈদ ও আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রাঃ) ‘আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) হতে ইবনু জারায়জ (রহঃ) -এর সূত্রে তাঁর বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৮৪, ই.সে. ৫৬১১)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭০

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ তাহির আহ্‌মাদ ইবনু ‘আম্‌র ও হারমালাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) …..উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেন, এ রোগ একটি মহামারী যা দ্বারা তোমাদের পূর্ববর্তী অনেক উম্মতকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। অতঃপর তা জমিনেই রয়ে গেছে, তাই এক সময় তা চলে যায় ও আরেক সময় তা ফিরে আসে। অতএব যে লোক কোন অঞ্চলে এ রোগের কথা শুনতে পারে সে যেন কোনক্রমেই সেখানে না যায়, আর যে লোক কোথাও থাকা অবস্থায় সেথায় তা এসে পড়ে যেখান হতে যেন সে পালিয়ে না যায়। (ই.ফা. ৫৫৮৫, ই.সে. ৫৬১২)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭১

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ কামিল জাহ্‌দারী (রহঃ) …..যুহরী (রহঃ) হতে ইউনুস (রহঃ) -এর সূত্রে তার বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৫৫৮৬, ই.সে. ৫৬১৩)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭২

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

হাবীব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মদীনায় ছিলাম। তখন আমার নিকট সংবাদ আসলো যে, কূফায় প্লেগের প্রাদুর্ভাব হয়েছে। তখন ‘আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) প্রমুখ সাহাবাগণ আমাকে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম): যখন তুমি কোন অঞ্চলে অবস্থান করবে সেখানে তা প্রকাশ পেলে সেখান থেকে বের হয়ো না। আর যদি তোমার নিকট খবর পৌঁছে যে, তা কোন অঞ্চলে রয়েছে, তাহলে সেখানে গমন করো না। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম- এ বর্ণনা কার পক্ষ হতে? তাঁরা বললেন, ‘আমির ইবনু সা‘দ (রহঃ) হতে-তিনি তা বর্ণনা করে থাকেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম। তারা বলল, তিনি গৃহে নেই। তখন আমি তাঁর ভাই ইব্‌রাহীম ইবনু সা‘দ (রহঃ) -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, উসামাহ্‌ (রাঃ) যখন সা‘দকে হাদীস শুনাচ্ছিলেন, তখন আমি উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, এ রোগ একটি মহামারী অথবা একটি ‘আযাব কিংবা ‘আযাবের অবশিষ্টাংশ-যা দ্বারা তোমাদের পূর্বেকার কতিপয় লোককে শাস্তি দেয়া হয়েছিল। অতএব কোন অঞ্চলে তোমাদের অবস্থানকালে যদি তা থাকে সে সময় সেখান থেকে তোমরা বের হয়ো না। আর যদি তোমাদের নিকট খবর আসে যে, তা কোন অঞ্চলে দেখা দিয়েছে, তবে সেখানে গমন করো না। হাবীব (রহঃ) বলেন, তখন আমি ইব্‌রাহীম (রহঃ) -কে বললাম, আপনি কি শুনেছেন যখন উসামাহ্‌ (রাঃ) সা‘দ (রাঃ) -এর নিকট হাদীস বর্ণনা করেছিলেন, আর তিনি তা অস্বীকার করেননি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা. ৫৫৮৭, ই.সে. ৫৬১৪)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭৩

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

শু‘বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু‘আয (রহঃ) …..শু‘বাহ্‌ (রহঃ)-এর সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি হাদীসের শুরুতে ‘আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) সম্পর্কিত ঘটনা পেশ করেননি। (ই.ফা. ৫৫৮৮, ই.সে. ৫৬১৫)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭৪

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রহঃ) ….সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) খুযাইমাহ্‌ ইবনু সাবিত (রাঃ) ও উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর শু‘বাহ (রহঃ) -এর হাদীসের অনুরুপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৮৯, ই.সে. ৫৬১৬)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭৫

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

ইব্‌রাহীম ইবনু সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) ও সা‘দ (রাঃ) বসে বসে আলাপ করছিলেন। তাঁরা উভয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (পূর্বোল্লেখিত) বর্ণনাকারীদের হাদীসের মতো। (ই.ফা. ৫৫৯০, ই.সে. ৫৬১৭)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭৬

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ، ذَكْوَانَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلَّى عَلَى أُمِّ كَعْبٍ مَاتَتْ وَهِيَ نُفَسَاءُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهَا وَسَطَهَا ‏.‏

ইব্‌রাহীম ইবনু সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ওয়াহ্‌ব ইবনু বাকিয়্যাহ্‌ (রহঃ) …..ইব্‌রাহীম ইবনু সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) তাঁর পিতা (সা‘দ) -এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরোল্লিখিত বর্ণনাকারীদের হাদীসের হুবাহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৯০, ই.সে. ৫৬১৮)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭৭

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ح وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، كُلُّهُمْ عَنْ حُسَيْنٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرُوا أُمَّ كَعْبٍ ‏.‏

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া তামীমী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া তামীমী (রহঃ) …..‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, ‘উমার (রাঃ) শামের (সিরিয়ার) দিকে রওয়ানা হলেন। ‘সার্‌গ’ নামক স্থান পর্যন্ত পৌছালে ‘আজনাদ’ অধিবাসীদের (প্রতিনিধি ও অধিনায়ক) আবূ ‘উবাইদাহ্‌ ইবনু জার্‌রাহ্‌ ও তাঁর সহকর্মী গণ তাঁর সাথে দেখা করলেন। তখন তাঁরা সংবাদ দিলেন যে, শামে মহামারী আরাম্ভ হয়েছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন-প্রাথমিক যুগের মুহাজিরদের আমার নিকট ডেকে আন। আমি তাদেরকে ডেকে নিয়ে আসলে তিনি তাঁদেরকে সংবাদ দিলেন যে, শামে মহামারী আরাম্ভ হয়ে গেছে। এ বিষয়ে তাঁদের কাছে থেকে পরামর্শ চাইলেন। অতঃপর তাঁরা দ্বন্দে পড়ে গেল। তাঁদের কেউ কেউ বলল, আপনি একটি বিশেষ কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন, তাই আমরা আপনার ফিরে যাওয়া যথাযথ মনে করি না। আর কেউ কেউ বললেন, আপনার সঙ্গে অনেক প্রবীণ লোক এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ রয়েছেন। তাই আমরা তাঁদেরকে এ মহামারীর সম্মুখে ছেড়ে দেয়া যুক্তিসঙ্গত মনে করি না। তিনি বললেন, আপনারা উঠুন! তারপর বললেন, আনসারীদের আমার নিকট ডেকে আনো। আমি তাঁদেরকে তাঁর নিকট ডেকে নিয়ে আসলে তিনি তাঁদের কাছেও পরামর্শ চাইলেন। তাঁরা মুহাজিরদের পন্থা অনুকরণ করলেন এবং মুহাজিরগণের মতো তাঁদের মধ্যেও দ্বিমত সৃষ্টি হলো। তিনি বললেন, আপনারা উঠুন! তারপর তিনি বললেন, (মক্কা) বিজয়ের পূর্বে হিজরতকারী কুরায়শের মুরুব্বীদের যারা এখানে আছেন, তাঁদের আমার নিকট পাঠাও। আমি তাঁদেরকে ডেকে আনলাম। তাঁদের দু’জনও কিন্তু ভিন্নমত পোষণ করলেন না। তাঁরা (সকলেই) বললেন, আমরা যুক্তিযুক্ত মনে করি যে, আপনি লোকদের নিয়ে ফিরে যান এবং তাঁদেরকে এ মহামারীর দিকে ঠেলে দিবেন না। তখন ‘উমার(রাঃ) লোকদের মাঝে ঘোষণা দিলেন, আমি ভোরে সাওয়ারীর উপর থাকবো, তোমরাও ভোরে সাওয়ারীর উপর আরোহণ করবে। তখন আবূ ‘উবাইদাহ্‌ ইবুন জার্‌রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র তাকদীর হতে ভেগে যাওয়া ? তখন ‘উমার(রাঃ) বললেন, হে আবূ ‘উবাইদাহ্! তুমি ছাড়া অন্য কেউ এমন করলে, (রাবী বলেন) ‘ উমার (রাঃ) তাঁর বিরুদ্ধাচারণ অপছন্দ করতেন। (তিনি বললেন) হ্যাঁ! আমরা আল্লাহ্‌র তাক্‌দীর হতে আল্লাহ্‌রই তাক্‌দীরের দিকে পলায়ন করছি। তোমার যদি একপাল উট থাকে আর তুমি একটি উপত্যকায় অবতীর্ণ হও যার দু’টি প্রান্তর রয়েছে, যার একটি সবুজ শ্যামল, অপরটি তৃণশূন্য; সে ক্ষেত্রে তুমি যদি সবুজ শ্যামল প্রান্তরে (উট) চরাও, তাহলে আল্লাহ্‌র তাকদীরেই সেখানে চরাবে আর যদি তৃণশূন্য প্রান্তরে চরাও, তাহলেও আল্লাহ্‌র তাকদীরেই সেখানে চরাবে। রাবী বলেন, এ সময়ে ‘আবদুল রহমান ইবনু ‘আওফ(রাঃ) এলেন, তিনি (এতক্ষণ) তাঁর কোন প্রয়োজনে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, এ বিষয়ে আমার নিকট (হাদীসের) ‘ইল্‌ম রয়েছে। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যখন তোমরা কোন এলাকায় সেটার খবর শুনতে পাও, তখন তার উপরে (দুঃসাহস দেখিয়ে) এগিয়ে যাবে না। আর যখন কোন দেশে তোমাদের সেখানে থাকা অবস্থায় তা দেখা যায়, তখন তা হতে পলায়ন করে বেরিয়ে পড়ো না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন ‘উমার(রাঃ) আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলেন। অতঃপর চলে গেলেন। (ই.ফা. ৫৫৯১, ই.সে. ৫৬১৯)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭৮

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ح وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، كُلُّهُمْ عَنْ حُسَيْنٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرُوا أُمَّ كَعْبٍ ‏.‏

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইসহাক্‌ ইবনু ইব্‌রাহীম (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু রাফি‘ ও ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) মা‘মার (রহঃ) উপরোক্ত সূত্রে মালিক (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবুহু বর্ণনা করেছেন। মা‘মার (রহঃ)-এর হাদীসে অতিরিক্ত বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন [‘উমার(রাঃ)] আবূ ‘উবাইদাহ্‌কে আরো বললেন, বলো তো, সে যদি তৃণশূন্য উপত্যকায় চড়ায় আর সবুজ শ্যামল উপত্যকা পরিত্যাগ করে তাহলে তুমি কি তাকে ব্যর্থ সাব্যস্ত করবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ! তিনি বললেন, তাহলে এবার চলো। বর্ণনাকারী বলেন, পরবর্তীতে সফর করে তিনি মদীনায় এসে বললেন, এটি অবস্থান স্থল অথবা তিনি বললেন, ইনশাআল্লাহ, এটি অবতরণ স্থল। (ই. ফা. ৫৫৯২, ই. সে. ৫৬২০)


সহিহ মুসলিম ৫৬৭৯

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ح وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، كُلُّهُمْ عَنْ حُسَيْنٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرُوا أُمَّ كَعْبٍ ‏.‏

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ তাহির (রহঃ) ও হারমালাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানাদে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেননি যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৫৫৯২, ই. সে. ৫৬২১)


সহিহ মুসলিম ৫৬৮০

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ح وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، كُلُّهُمْ عَنْ حُسَيْنٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرُوا أُمَّ كَعْبٍ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রাবী‘আহ্‌ থেকে বর্নিতঃ

‘উমার (রাঃ) শামের দিকে সফরে বের হলেন, ‘সার্‌গ’ পর্যন্ত গমন করলে তাঁর নিকটে (খবর) আসল যে, শামে মহামারী লক্ষ্য করা গেছে। তখন ‘আবদুর রহ্‌মান ইবনু ‘আওফ(রাঃ) তাঁকে সংবাদ দিলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যখন কোন অঞ্চলে মহামারীর (সংবাদ) শুনবে, তখন তার দিকে অগ্রসর হবে না। আর যখন কোন অঞ্চলে সেটা দেখা দিবে, আর তোমরা সেখানে রয়েছো, তাহলে সেখান থেকে পালিয়ে বের হয়ে যেও না। অতঃপর ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) সার্‌গ হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) (রাঃ) হতে ইবনু শিহাব (রহঃ) -এর বর্ণনাতে রয়েছে যে, ‘আবদুর রহ্‌মান ইবনু ‘আওফ(রাঃ) -এর হাদীসের অনুসরণে ‘উমার(রাঃ) লোকদের নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। (ই. ফা. ৫৫৯৩, ই. সে. ৫৬২২)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية