সহিহ মুসলিম > বিষ
সহিহ মুসলিম ৫৫৯৮
وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَحَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - وَهُوَ ابْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ - حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، كَرِوَايَةِ عُقَيْلٍ بِالإِسْنَادَيْنِ جَمِيعًا .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী নারী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বিষ মেশানো ছাগলের গোশ্ত নিয়ে আসলো। তিনি সেখান হতে (কিয়দংশ) খেলেন। অতঃপর তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে আসা হলো। তিনি তার কাছে (সে কেন এমন করলো) এ বিষয়ে জানতে চাইলে সে বলল, আমি আপনাকে হত্যা করার ইচ্ছা করছিলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ এ বিষয়ে তোমাকে ক্ষমতা দিবেন না অথবা তিনি বললেনঃ আমার উপরে ক্ষমতা দিবেন এমন নয়। বর্ণনাকারী বলেন, তারা (সাহাবীগণ) বললেন, আমরা কি তাকে ‘হত্যা’ করবো না? তিনি বললেন, না। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আল্জিভ ও তালুতে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আমি সর্বদা লক্ষ্য করতাম। (ই.ফা. ৫৫১৭, ই.সে. ৫৫৪২)
সহিহ মুসলিম ৫৫৯৯
وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَحَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - وَهُوَ ابْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ - حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، كَرِوَايَةِ عُقَيْلٍ بِالإِسْنَادَيْنِ جَمِيعًا .
হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যে, একজন ইয়াহূদী নারী গোশতে বিষ মিশিয়ে তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে আসলো। ...... (উপরোক্ত রিওয়ায়াতের) বর্ণনাকারী খালিদ (রহঃ) -এর বর্ণিত হাদীসের অর্থানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫১৮, ই.সে. ৫৫৪৩)
সহিহ মুসলিম > রোগীকে ঝাড়ফুঁক , মন্ত্র করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৫৬০০
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের কোন মানুষ পীড়িত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ডান হাত দ্বারা তাকে মুছে দিতেন, তারপর বলতেনঃ (আরবী) সমস্যা বিদূরিত করে দিন, হে জনগণের পালনকর্তা! আর সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনার সুস্থতা ও মুক্তি ছাড়া আর কোন (প্রকৃতপক্ষে নির্ভরযোগ্য) শিফা নেই। এমন নিরাময় করুন যার পর কোন রোগ-ব্যাধি বাকী না থাকে। পরবর্তীতে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পীড়িত হলেন তখন অসুখে অতি দূর্বল হয়ে পড়লেন, সে সময় আমি তাঁর হাত তুলে ধরলাম- যাতে আমিও তেমন করে (মুছে) দিতে পারি তিঁনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেমন করে (মুছে) দিতেন। কিন্তু তিঁনি আমার হাত থেকে তাঁর হাত টেনে (ছাড়িয়ে) নিলেন। অতঃপর বললেনঃ হে আল্লাহ! আমাকে মাফ করুন এবং আমাকে মহান সঙ্গীর সাথে সাক্ষাৎ করিয়ে দিন! তিনি [‘আয়িশা (রাঃ) ] বলেন, হঠাৎ আমি দেখলাম যে, তাকে উঠিয়ে নিয়েছেন (ইন্তেকাল করেছেন)। (ই.ফা. ৫৫১৯, ই.সে. ৫৫৪৪)
সহিহ মুসলিম ৫৬০১
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
আ’মাশ (রহঃ) হতে জারীর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
কিন্তু হুশায়ম ও শুবাহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে- তিনি তাঁর হস্ত দ্বারা তাকে (রোগীকে) মুছে দিলেন। আর (সুফ্ইয়ান) সাওরী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে-তিনি তাঁর ‘ডান’ হস্ত দ্বারা তাকে মুছে দিলেন। আর সুফ্ইয়ান (রহঃ) -এর সূত্রে আ’মাশ (রহঃ) হতে ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবশিষ্টাংশে বর্ণনাকারী বলেছেন- পরে আমি এ হাদীস মানসূর (রহঃ) -কে শুনালে তিনি ইব্রাহীম (রহঃ) মাসরূক (রহঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করে আমাকে শুনালেন। (ই.ফা. ৫৫২০, ই.সে. ৫৫৪৫)
সহিহ মুসলিম ৫৬০২
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন রোগগ্রস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে বলতেনঃ (আরবী) “সমস্যা বিদূরিত করে দিন হে লোকেদের প্রতিপালনকারী! তাঁকে সুস্থ করে দিন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনার শিফা ব্যাতিত কোন শিফা নেই- এমন শিফা, যার পরে কোন রোগ-ব্যাধি বাকী থাকে না। ” (ই.ফা. ৫৫২১, ই.সে. ৫৫৪৬)
সহিহ মুসলিম ৫৬০৩
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন রোগগ্রস্থ ব্যক্তির নিকট গেলে তার জন্য দু’আ করতেন। তিনি বলতেনঃ (আরবী) “বিপদাপদ সমস্যা বিদূরিত করে দিন হে মানুষের প্রতিপালক! আর আরোগ্য দান করুন। আপনিই আরোগ্য দানকারী, আপনার শিফা ছাড়া কোন শিফা নেই; এমন সুস্থতা দিন, যার পরে কোন রোগ-ব্যাধি বাকী না থাকে। ” কিন্তু আবূ বাক্র (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে- তার জন্যে দু’আ করতেন এবং বলতেন (আরবী)। এছাড়া তিনি বলেছেন, আর আপনিই সুস্থতা দানকারী। (ই.ফা. ৫৫২২, ই.সে. ৫৫৪৭)
সহিহ মুসলিম ৫৬০৪
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বর্ণনা (উপরোল্লিখিত) আবূ ‘আওয়ানাহ্ এবং জারীর (রহঃ) -এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৫৫২৩, ই.সে. ৫৫৪৮)
সহিহ মুসলিম ৫৬০৫
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’আ দিয়ে ঝাড়ফুঁক করতেন- (আরবী) “হে জনগণের প্রতিপালক! বিপদাপদ সমস্যা বিদূরিত করুন; আপনার কাছেই রয়েছে উপশম। আপনি ছাড়া আর কেউ-ই (বিপদ) দূরকারী নেই। ” (ই.ফা. ৫৫২৪, ই.সে. ৫৫৪৯)
সহিহ মুসলিম ৫৬০৬
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى
আবূ কুবায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুবায়ব (রহঃ) ও ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) হিশাম (রহঃ) -এর সানাদে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫২৫, ই.সে. ৫৫৫০)