সহিহ মুসলিম > মন্দ নাম এবং নাফি’ ইত্যাদি শব্দে নাম রাখা মাকরূহ
সহিহ মুসলিম ৫৪৯২
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَّحَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ الْمَيِّتَ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ الْحَىِّ "
সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের গোলামদের চারটি নাম দ্বারা নামকরণ করতে বারণ করেছেনঃ আফ্লাহ্, রাবাহ্, ইয়াসার ও নাফি’।(ই.ফা. ৫৪১৪, ই.সে. ৫৪৩৬)
সহিহ মুসলিম ৫৪৯৩
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَّحَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ الْمَيِّتَ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ الْحَىِّ "
সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমার ক্রীতদাসের নাম রাবাহ্, ইয়াসার, আফ্লাহ্ ও নাফি’ রেখো না। (ই.ফা. ৫৪১৫, ই.সে. ৫৪৩৭)
সহিহ মুসলিম ৫৪৯৪
وَحَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، جَمِيعًا عَنْ حَمَّادٍ، - قَالَ خَلَفٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، - عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ ذُكِرَ عِنْدَ عَائِشَةَ قَوْلُ ابْنِ عُمَرَ الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ . فَقَالَتْ رَحِمَ اللَّهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ سَمِعَ شَيْئًا فَلَمْ يَحْفَظْهُ إِنَّمَا مَرَّتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَنَازَةُ يَهُودِيٍّ وَهُمْ يَبْكُونَ عَلَيْهِ فَقَالَ أَنْتُمْ تَبْكُونَ وَإِنَّهُ لَيُعَذَّبُ "
সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্র নিকট বেশি পছন্দনীয় কালাম চারটি। আল্লাহ্র পবিত্রতা ঘোষণা করছি, যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর, (এক) আল্লাহ্ ছাড়া আর উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। এগুলোর যে কোন শব্দ দ্বারা তুমি আরাম্ভ কর, এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই এবং কক্ষনো তোমার ক্রীতদাসের নাম ইয়াসার, রাবাহ্, নাজীহ্ ও আফ্লাহ্ রাখবে না। কেননা, তুমি হয়তো বা ডাকবে ‘ওখানে সে আছে কি?’ আর সে (তখন) সেখানে নাও থাকতে পারে। তখন কেউ বলবে- ‘না’ এখানে নেই। (এ জবাবে কু-ধারণা তৈরি হতে পারে)। (বর্ণনাকারী বলেন), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল এ চারটি নাম বলেছেন। অতঃপর কেউ যেন আমার চাইতে অধিক সংযোজন না করে। (ই.ফা . ৫৪১৬, ই.সে. ৫৪৩৮)
সহিহ মুসলিম ৫৪৯৫
وَحَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، جَمِيعًا عَنْ حَمَّادٍ، - قَالَ خَلَفٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، - عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ ذُكِرَ عِنْدَ عَائِشَةَ قَوْلُ ابْنِ عُمَرَ الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ . فَقَالَتْ رَحِمَ اللَّهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ سَمِعَ شَيْئًا فَلَمْ يَحْفَظْهُ إِنَّمَا مَرَّتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَنَازَةُ يَهُودِيٍّ وَهُمْ يَبْكُونَ عَلَيْهِ فَقَالَ أَنْتُمْ تَبْكُونَ وَإِنَّهُ لَيُعَذَّبُ "
যুহায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, উমাইয়াহ্ ইবনু বিস্তাম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশ্শার (রহঃ) হতে মানসুর (রহঃ) হতে যুহায়র (রহঃ) এর সানাদানুসারে হাদীসে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর (রহঃ) ও রাওহ (রহঃ) উল্লিখিত হাদীস যুহায়র (রহঃ) বর্ণিত সম্পূর্ণ ঘটনার বর্ণনা সম্বলিত হাদীসের অবিকল। তবে শু’বাহ্ (রহঃ) এর হাদীসে শুধু সন্তানের নাম রাখার বর্ণনা আছে। তিনি (চার) এর কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৪১৭, ই.সে. ৫৪৩৯)
সহিহ মুসলিম ৫৪৯৬
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ ذُكِرَ عِنْدَ عَائِشَةَ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، يَرْفَعُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِنَّ الْمَيِّتَ يُعَذَّبُ فِي قَبْرِهِ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ " . فَقَالَتْ وَهَلَ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّهُ لَيُعَذَّبُ بِخَطِيئَتِهِ أَوْ بِذَنْبِهِ وَإِنَّ أَهْلَهُ لَيَبْكُونَ عَلَيْهِ الآنَ " . وَذَاكَ مِثْلُ قَوْلِهِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ عَلَى الْقَلِيبِ يَوْمَ بَدْرٍ وَفِيهِ قَتْلَى بَدْرٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ فَقَالَ لَهُمْ مَا قَالَ " إِنَّهُمْ لَيَسْمَعُونَ مَا أَقُولُ " . وَقَدْ وَهَلَ إِنَّمَا قَالَ " إِنَّهُمْ لَيَعْلَمُونَ أَنَّ مَا كُنْتُ أَقُولُ لَهُمْ حَقٌّ " . ثُمَّ قَرَأَتْ { إِنَّكَ لاَ تُسْمِعُ الْمَوْتَى} { وَمَا أَنْتَ بِمُسْمِعٍ مَنْ فِي الْقُبُورِ} يَقُولُ حِينَ تَبَوَّءُوا مَقَاعِدَهُمْ مِنَ النَّارِ ."
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়া’লা, বারাকাহ্, আফলাহ, ইয়াসার ও নাফি’ ইত্যাদি এ রকম নাম রাখা বারণ করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। অতঃপর তাঁকে আমি লক্ষ্য করলাম যে, এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চুপ রইলেন, কিছু বললেন না। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উঠিয়ে নেয়া হলো এবং তিনিই তা (শক্তভাবে) বারণ করেননি। পরে ‘উমার (রাঃ) তা বারণ করার ইচ্ছা পোষণ করলেন, তারপর তিনিও তা পরিত্যাগ করেন। (ই.ফা. ৫৪১৮, ই.সে. ৫৪৪০)
সহিহ মুসলিম > উত্তম নামে মন্দ নামের পরিবর্তন এবং ‘বার্রাহ’ নামকে যাইনাব, জুওয়াইরিয়াহ্ ও অনুরূপ নামে পরিবর্তন করা
সহিহ মুসলিম ৫৪৯৭
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ بِمَعْنَى حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ وَحَدِيثُ أَبِي أُسَامَةَ أَتَمُّ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আছিয়া (অমান্যকারী) এর নাম পরিবর্তন করে দিলেন এবং বললেন, তুমি জামিলা (সুন্দরী)। বর্ণনাকারী আহ্মাদ (রহঃ) এর সানাদে --- এর স্থানে ----- দিয়ে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৫৪১৯, ই. সে. ৫৪৪১)
সহিহ মুসলিম ৫৪৯৮
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ بِمَعْنَى حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ وَحَدِيثُ أَبِي أُسَامَةَ أَتَمُّ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার (রাঃ) এর এক মেয়েকে (‘আসিয়াহ্) নামে ডাকা হত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নাম রাখলেন, ‘জামীলাহ্’। (ই. ফা. ৫৪২০, ই. সে. ৫৪৪২)
সহিহ মুসলিম ৫৪৯৯
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ، أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا، سَمِعَتْ عَائِشَةَ، وَذُكِرَ، لَهَا أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، يَقُولُ إِنَّ الْمَيِّتَ لَيُعَذَّبُ بِبُكَاءِ الْحَىِّ . فَقَالَتْ عَائِشَةُ يَغْفِرُ اللَّهُ لأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَمَا إِنَّهُ لَمْ يَكْذِبْ وَلَكِنَّهُ نَسِيَ أَوْ أَخْطَأَ إِنَّمَا مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى يَهُودِيَّةٍ يُبْكَى عَلَيْهَا فَقَالَ إِنَّهُمْ لَيَبْكُونَ عَلَيْهَا وَإِنَّهَا لَتُعَذَّبُ فِي قَبْرِهَا "
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (উম্মুল মু’মিনীন) ‘জুওয়াইরিয়াহ্’ (রাঃ) এর আসল নাম ছিল ‘বার্রাহ’ (পুণ্যবতী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নাম পরিবর্তন করে রাখলেন ‘জুওয়াইরিইয়াহ (স্নেহময়ী কিশোরী)। কেননা ‘বার্রাহ’ (পুণ্যবতী) এর নিকট হতে বের হয়ে এসেছেন- এমন বাক্য তিনি পছন্দ করতেন না। ইবনু আবূ ‘উমার (রাঃ) এর হাদিসে কুরায়ব (রহঃ) সূত্রে --- এর স্থানে ---- বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৫৪২১, ই. সে. ৫৪৪৩)
সহিহ মুসলিম ৫৫০০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُبَيْدٍ الطَّائِيِّ، وَمُحَمَّدِ، بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ، قَالَ أَوَّلُ مَنْ نِيحَ عَلَيْهِ بِالْكُوفَةِ قَرَظَةُ بْنُ كَعْبٍ فَقَالَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَنْ نِيحَ عَلَيْهِ فَإِنَّهُ يُعَذَّبُ بِمَا نِيحَ عَلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যাইনাব (রাঃ) এর আসল নাম ছিল ‘বার্রাহ’। তাই বলা হলো, তিনি আত্নশুদ্ধি করেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নামকরণ করলেন ‘যাইনাব’। ইবনু বাশ্শার ছাড়া উপরোল্লিখিত রাবীদের বর্ণিত হাদীসের হুবুহু শব্দ বর্ণিত হয়েছে। তবে ইবনু আবী শাইবাহ --- এর স্থলে ---- বলেছেন। (ই.ফা. ৫৪২২, ই. সে. ৫৪৪৪)
সহিহ মুসলিম ৫৫০১
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قَيْسٍ، الأَسْدِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ الأَسْدِيِّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
যাইনাব বিনতু উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পূর্বে আমার নাম ‘বার্রাহ্’ ছিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নাম রাখলেন ‘যাইনাব’। তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ) নিকট আসলো। তাঁর (ও) নাম ছিল ‘বাররাহ্’ তাঁর নামও তিনি ‘যাইনাব’রেখে দিলেন। (ই.ফা. ৫৪২৩, ই. সে. ৫৪৪৫)
সহিহ মুসলিম ৫৫০২
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قَيْسٍ، الأَسْدِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ الأَسْدِيِّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্র ইবনু ‘আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার কন্যার নাম রাখলাম ‘বার্রাহ’। সে সময় যাইনাব বিনতু আবূ সালামাহ্ (রাঃ) আমাকে বললেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ নাম রাখতে বারণ করেছেন। আমার নাম ‘বার্রাহ্’- (পূণ্যবতী) রাখা হয়েছিল। তাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা স্বয়ং আত্মা পরিশুদ্ধ বলে দাবি করো না। আল্লাহ তা’আলাই অধিকতর জানেন তোমাদের মাঝে পুণ্যবানদের সম্পর্কে। অতঃপর তাঁরা বলল, তবে আমরা তাঁর কি নামকরণ করবো? তিনি বললেন, তার নাম রাখো ‘যাইনাব’। (ই.ফা. ৫৪২৪, ই. সে. ৫৪৪৬)