সহিহ মুসলিম > মদ পানকারী লোক যদি তাওবাহ না করে তবে শাস্তিস্বরূপ আখিরাতে তাকে মদ হতে বিরত রাখা হবে
সহিহ মুসলিম ৫১১৭
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْنٍ عَنْ بِنْتٍ لِحَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ مَا حَفِظْتُ { ق} إِلاَّ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ بِهَا كُلَّ جُمُعَةٍ . قَالَتْ وَكَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক পৃথিবীতে মদ পান করবে, পরকালে তাকে তা থেকে বঞ্চিত থাকবে।(ই.ফা. ৫০৫২, ই.সে. ৫০৬২)
সহিহ মুসলিম ৫১১৮
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْنٍ عَنْ بِنْتٍ لِحَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ مَا حَفِظْتُ { ق} إِلاَّ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ بِهَا كُلَّ جُمُعَةٍ . قَالَتْ وَكَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে লোক দুনিয়াতে মদ পান করবে এবং তাওবাহ্ করবে না পরকালে তাকে তা থেকে বঞ্চিত করা হবে। তাকে তা পান করতে দেয়া হবে না। মালিক (রহঃ)-কে বলা হলো- হাদীসটি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে? তিনি জবাবে বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা. ৫০৫৩, ই.সে. ৫০৬৩)
সহিহ মুসলিম ৫১১৯
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْنٍ عَنْ بِنْتٍ لِحَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ مَا حَفِظْتُ { ق} إِلاَّ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ بِهَا كُلَّ جُمُعَةٍ . قَالَتْ وَكَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক পৃথিবীতে মদ পান করবে, পরকালে সে তা পান করতে পারবে না। তবে যদি তাওবাহ্ করে। (ই.ফা. ৫০৫৪, ই.সে. ৫০৬৪)
সহিহ মুসলিম ৫১২০
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْنٍ عَنْ بِنْتٍ لِحَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ مَا حَفِظْتُ { ق} إِلاَّ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ بِهَا كُلَّ جُمُعَةٍ . قَالَتْ وَكَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا .
ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু বর্ণিত রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫০৫৫, ইসলামিক সেন্টার ৫০৬৫)
সহিহ মুসলিম > যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ
সহিহ মুসলিম ৫১২১
وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ لَقَدْ كَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةً وَبَعْضَ سَنَةٍ وَمَا أَخَذْتُ { ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} إِلاَّ عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَؤُهَا كُلَّ يَوْمِ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য রাতের প্রথম ভাগে নাবীয প্রস্তত করা হতো। তিনি তা পান করতেন, সেদিন সকালে, আগামী রাতে, পরবর্তী দিনে, এর পরের রাতে এবং পরদিন ‘আস্র পর্যন্ত। তবে যদি কিছু পরিশিষ্ট থেকে যেত, তা তিনি তাঁর সেবাদানকারীকে পান করাতেন, কিংবা ফেলে দিতে নির্দেশ দিতেন।(ই.ফা. ৫০৫৬, ই.সে. ৫০৬৬)
সহিহ মুসলিম ৫১২২
وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ لَقَدْ كَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةً وَبَعْضَ سَنَةٍ وَمَا أَخَذْتُ { ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} إِلاَّ عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَؤُهَا كُلَّ يَوْمِ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ .
ইয়াহ্ইয়া বাহরানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মানুষেরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে নাবীযের ব্যাপারে আলোচনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর জন্য মশকে নাবীয প্রস্তত করা হতো। শু‘বাহ্ বলেন, সোমবারের রজনীতে (অর্থাৎ রোববার দিবাগত রাতে) তিনি তা সোমবার দিন ও মঙ্গলবার ‘আস্র পর্যন্ত পান করতেন। এরপরও কিছু বাকী থাকলে তিনি সেটা খাদিমকে পান করাতেন বা ফেলে দিতেন।(ই.ফা. ৫০৫৭, ই.সে. ৫০৬৭)
সহিহ মুসলিম ৫১২৩
وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ لَقَدْ كَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةً وَبَعْضَ سَنَةٍ وَمَا أَخَذْتُ { ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} إِلاَّ عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَؤُهَا كُلَّ يَوْمِ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য কিসমিস পানিতে ডুবিয়ে রাখা হতো। তিনি সেদিন, তার পরের দিন এবং তৃতীয় দিন বিকালে পর্যন্ত তা পান করতেন। অতঃপর তাঁর নির্দেশে কোন লোককে পান করানো হতো কিংবা ফেলে দেয়া হতো। (ই.ফা. ৫০৫৮, ই.সে. ৫০৬৮)
সহিহ মুসলিম ৫১২৪
وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ لَقَدْ كَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةً وَبَعْضَ سَنَةٍ وَمَا أَخَذْتُ { ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} إِلاَّ عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَؤُهَا كُلَّ يَوْمِ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য মশকের ভিতরে কিসমিসের নাবীয প্রস্তুত করা হতো। তিনি ঐদিন, তার পরবর্তী দিন এবং পরশু দিন পর্যন্ত তা পান করতেন। তৃতীয় দিনের বিকাল হলে তিনি নিজে তা পান করতেন এবং অপরকে পান করাতেন। তারপরও যদি কিছু বাকী থাকত তিনি তা ঢেলে দিতেন। (ই.ফা. ৫০৫৯, ই.সে. ৫০৬৯)
সহিহ মুসলিম ৫১২৫
وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَتْ لَقَدْ كَانَ تَنُّورُنَا وَتَنُّورُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحِدًا سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةً وَبَعْضَ سَنَةٍ وَمَا أَخَذْتُ { ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} إِلاَّ عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَؤُهَا كُلَّ يَوْمِ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ .
ইয়াহ্ইয়া নাখ্‘ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কতিপয় লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে মদ কেনা-বেচা এবং এর ব্যবসা সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তিনি বললেন, তোমরা কি মুসলিম? তারা বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে এর কেনা-বেচা ও ব্যবসা জায়িয হবে না। রাবী বলেন, অতঃপর তারা তাঁকে নাবীয সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার ভ্রমণে গিয়ে যখন ফিরে আসলেন, তখন তাঁর সাহাবীদের থেকে কতিপয় লোক হানতাম, নাকীর ও দুব্বার মাঝে নাবীয প্রস্তুত করছিল। তিনি নির্দেশ দিলেন তা ঢেলে ফেলা হয়। অতঃপর তিনি মশ্ক আনতে নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তার মধ্যে কিসমিস ও পানি দিয়ে সারারাত রাখা হলো। সেদিন সকালে এবং আগামী রাত ও তার পরবর্তী বিকাল পর্যন্ত তিনি তা হতে পান করেন, আর অন্যদের পান করতে দেন। রাত পার হলে তিনি বাকী অংশের ব্যাপারে আদেশ দিলে, তা ঢেলে ফেলা হলো। (ই.ফা. ৫০৬০, ই.সে. ৫০৭০)
সহিহ মুসলিম ৫১২৬
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ عُمَارَةَ، بْنِ رُؤَيْبَةَ قَالَ رَأَى بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ عَلَى الْمِنْبَرِ رَافِعًا يَدَيْهِ فَقَالَ قَبَّحَ اللَّهُ هَاتَيْنِ الْيَدَيْنِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَزِيدُ عَلَى أَنْ يَقُولَ بِيَدِهِ هَكَذَا . وَأَشَارَ بِإِصْبَعِهِ الْمُسَبِّحَةِ .
সুমামাহ্ ইবনু হায্ন কুশাইরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে নাবীয সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। ‘আয়িশা (রাঃ) এক হাবশী ক্রীতদাসীকে ডেকে বললেন, একে প্রশ্ন করো- রসূলুল্লাহ –এর জন্য সে নাবীয প্রস্তুত করতো। অতঃপর হাবশী মেয়েটি বলল, রাতে আমি তাঁর জন্য মশকের ভিতরে নাবীয প্রস্তুত করতাম এবং সেটি মুখ বন্ধ করে লটকিয়ে রাখতাম। ভোর হলে তিনি এ থেকে পান করতেন। (ই.ফা. ৫০৬১, ই.সে. ৫০৭১)
সহিহ মুসলিম ৫১২৭
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ عُمَارَةَ، بْنِ رُؤَيْبَةَ قَالَ رَأَى بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ عَلَى الْمِنْبَرِ رَافِعًا يَدَيْهِ فَقَالَ قَبَّحَ اللَّهُ هَاتَيْنِ الْيَدَيْنِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَزِيدُ عَلَى أَنْ يَقُولَ بِيَدِهِ هَكَذَا . وَأَشَارَ بِإِصْبَعِهِ الْمُسَبِّحَةِ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর জন্য নাবীয তৈরি করতাম এমন মশকে যার প্রবেশদ্বার উপরের দিকে এবং যেটির (নিচের দিকে) বহু ছিদ্র ছিল। আমরা ভোরে নাবীয প্রস্তুত করলে রাত্রেই তিনি পান করতেন। পুনরায় রাতে করলে ভোরেই তিনি পান করতেন। (ই.ফা. ৫০৬২, ই.সে. ৫০৭২)
সহিহ মুসলিম ৫১২৮
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ رَأَيْتُ بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ يَوْمَ جُمُعَةٍ يَرْفَعُ يَدَيْهِ . فَقَالَ عُمَارَةُ بْنُ رُؤَيْبَةَ . فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ উসায়দ সা‘ইদী (রাঃ) তাঁর বিবাহে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে দা‘ওয়াত করলেন। তাঁর সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীই সেদিন তাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। সাহ্ল (রাঃ) বললেন, তোমরা কি জান, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কী পান করতে দিয়েছিলেন? তিনি রাতে কিছু খেজুর একটি পাথরের পাত্রে ভিজিয়ে রেখেছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার শেষ করলে তিনি তাঁকে তা পান করিয়েছিলেন। (ই.ফা. ৫০৬৩, ই.সে. ৫০৭৩)
সহিহ মুসলিম ৫১২৯
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ رَأَيْتُ بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ يَوْمَ جُمُعَةٍ يَرْفَعُ يَدَيْهِ . فَقَالَ عُمَارَةُ بْنُ رُؤَيْبَةَ . فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহ্ল (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আবু উসায়দ সা‘ইদী (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দা’ওয়াত করলেন। তারপর রাবী উপরোল্লিখিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ কথা বলেননি যে, “খাওয়া শেষ হলে সে নাবীযটুকু তিনি তাঁকে পান করান”।(ই.ফা. ৫০৬৪, ই.সে. ৫০৭৪)
সহিহ মুসলিম ৫১৩০
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ رَأَيْتُ بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ يَوْمَ جُمُعَةٍ يَرْفَعُ يَدَيْهِ . فَقَالَ عُمَارَةُ بْنُ رُؤَيْبَةَ . فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলছেন, ‘পাথর দিয়ে তৈরি বাসনে (নাবীয বানানো হয়েছিল), এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার শেষ করলে তিনি তা হালকা করে একমাত্র তাঁকেই পান করতে দিয়েছিলেন। (ই.ফা. ৫০৬৫, ই.সে. ৫০৭৫)
সহিহ মুসলিম ৫১৩১
وَحَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - وَ هُوَ ابْنُ زَيْدٍ - عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَصَلَّيْتَ يَا فُلاَنُ " . قَالَ لاَ . قَالَ " قُمْ فَارْكَعْ " ."
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে আরবের জনৈকা মহিলার ব্যাপারে আলোচনা করা হলে, তিনি আবূ উসায়দ (রাঃ)-কে তার কাছে লোক প্রেরনের জন্য নির্দেশ দিলেন। তিনি লোক (দুত) পাঠালে উক্ত মহিলা আসলো এবং বানূ সা‘ইদাহ্ সম্প্রাদায়ের দুর্গে অবস্থান গ্রহণ করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে তার কাছে আসলেন। তিনি যখন তার কাছে পোঁছলেন,তখন মহিলা মাথা নীচু করে বসেছিল। তিনি তার সঙ্গে আলাপ করলে সে বলল, আমি আপনার থেকে আল্লাহ্র কাছে আশ্রয় চাই। তিনি বললেন, আমিও তোমাকে পরিত্রাণ দিলাম। লোকেরা মহিলাকে বলল, তুমি জান ইনি কে? সে বলল, না। তাঁরা বলল, ইনি তো আল্লাহ্র রসূল। তিনি তোমাকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে এসেছিলেন। তখন সে বলল আমি তো এর অযোগ্য! সাহ্ল (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেদিন প্রত্যাবর্তন করে তিনি ও তাঁর সাহাবীগণ বানূ সা‘ইদার সাকীফায় (বাগানে) নিজেকে উপবেশন করেন। অতঃপর তিনি সাহ্লকে বললেন, আমাদেরকে কিছু পান করাও। সাহ্ল বলেন, পরে আমি এক পেয়ালাটি বের করে তাদের সকলকেই তা হতে পান করিয়েছিলাম। আবূ হাযিম (রহঃ) বলেন, সাহ্ল (রাঃ) আমাদের সম্মুখে বাটিটি বের করলে আমরা তা হতে পান করলাম। অতঃপর ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) তা চাইলে, তিনি তাঁকে সেটি দান করেন। আবূ বক্র ইবনু ইসহাক্ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছে, তিনি বললেন, হে সাহ্ল! তুমি আমাদেরকে পান করাও।(ই.ফা. ৫০৬৬, ই.সে. ৫০৭৬)
সহিহ মুসলিম ৫১৩২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَيَعْقُوبُ الدَّوْرَقِيُّ، عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَمَا قَالَ حَمَّادٌ وَلَمْ يَذْكُرِ الرَّكْعَتَيْنِ .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার এ পেয়ালাটি দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মধু, নাবীয, পানি, দুধ ইত্যাদি সকল প্রকার পানীয় (দ্রব্য) পান করিয়েছি। (ই.ফা. ৫০৬৭, ই.সে. ৫০৭৭)