সহিহ মুসলিম > গুই সাপের গোশ্ত হালাল
সহিহ মুসলিম ৪৯২১
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ . بِمِثْلِهِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে গুইসাপ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ আমি তা খাই না, এবং তা হারামও বলি না। (ই.ফা. ৪৮৭০, ই.সে. ৪৮৭১)
সহিহ মুসলিম ৪৯২২
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ . بِمِثْلِهِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে গুইসাপ খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ আমি তা খাই না এবং তা (খাওয়া) হারামও বলি না। (ই.ফা. ৪৮৭১, ই.সে. ৪৮৭২)
সহিহ মুসলিম ৪৯২৩
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ . بِمِثْلِهِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মিম্বারে বসা অবস্থায় গুইসাপ খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি তা খাই না এবং তা (খাওয়াকে) হারামও বলি না। (ই.ফা. ৪৮৭২, ই.সে. ৪৮৭৩)
সহিহ মুসলিম ৪৯২৪
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ . بِمِثْلِهِ .
‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৪৮৭৩, ই.সে. ৪৮৭৪)
সহিহ মুসলিম ৪৯২৫
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ . بِمِثْلِهِ .
নাফি’ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নাফি’ (রাঃ) সূত্রে ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে গুইসাপ সম্পর্কে লায়স কর্তৃক নাফি’র মাধ্যমে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে আইয়ূব বর্ণিত হাদীসে আরো রয়েছে, ‘রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গুইসাপের গোশ্ত নিয়ে আসা হলো। তিনি তা খাননি এবং হারামও বলেননি’। আর উসামাহ্ (রাঃ)-এর এক হাদীসে রয়েছে, ‘এক লোক মাসজিদে দাঁড়ালো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারে বসা ছিলেন’। (ই.ফা. ৪৮৭৪, ই.সে. ৪৮৭৫)
সহিহ মুসলিম ৪৯২৬
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، . أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، بَيْنَا هُوَ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ دَخَلَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَادَاهُ عُمَرُ أَيَّةُ سَاعَةٍ هَذِهِ فَقَالَ إِنِّي شُغِلْتُ الْيَوْمَ فَلَمْ أَنْقَلِبْ إِلَى أَهْلِي حَتَّى سَمِعْتُ النِّدَاءَ فَلَمْ أَزِدْ عَلَى أَنْ تَوَضَّأْتُ . قَالَ عُمَرُ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا وَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ بِالْغُسْلِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁর কতিপয় সাহাবী ছিলেন। যাদের মধ্যে সা’দ (রাঃ)-ও ছিলেন। তাঁদের সম্মুখে গুইসাপের গোশ্ত আনা হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর এক স্ত্রী উচ্চৈঃস্বরে বললেন, এটা কিন্তু গুইসাপের গোশ্ত! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমরা খেয়ে নাও, কারণ এটা হালাল, তবে এটা আমার খাদ্য নয়। (ই.ফা. ৪৮৭৫, ই.সে. ৪৮৭৬)
সহিহ মুসলিম ৪৯২৭
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، . أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، بَيْنَا هُوَ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ دَخَلَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَادَاهُ عُمَرُ أَيَّةُ سَاعَةٍ هَذِهِ فَقَالَ إِنِّي شُغِلْتُ الْيَوْمَ فَلَمْ أَنْقَلِبْ إِلَى أَهْلِي حَتَّى سَمِعْتُ النِّدَاءَ فَلَمْ أَزِدْ عَلَى أَنْ تَوَضَّأْتُ . قَالَ عُمَرُ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا وَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ بِالْغُسْلِ .
তাওবাহ্ ‘আম্বরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, শা’বী (রহঃ) আমাকে বলেছেনঃ আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত হাসান (রাঃ)-এর হাদীসটি শুনেছেন? আমি তো প্রায় দু’বছর কিংবা দেড় বছর ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, কিন্তু তাঁকে এ হাদীসটি ছাড়া নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অন্য কিছু বর্ণনা করতে শুনিনি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কতিপয় সাহাবীর মধ্যে সা’দ (রাঃ)-ও ছিলেন, অতঃপর (বাকী অংশ) মু’আয (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৮৭৬, ই.সে. ৪৮৭৭)
সহিহ মুসলিম ৪৯২৮
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ دَخَلَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَعَرَّضَ بِهِ عُمَرُ فَقَالَ مَا بَالُ رِجَالٍ يَتَأَخَّرُونَ بَعْدَ النِّدَاءِ . فَقَالَ عُثْمَانُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا زِدْتُ حِينَ سَمِعْتُ النِّدَاءَ أَنْ تَوَضَّأْتُ ثُمَّ أَقْبَلْتُ . فَقَالَ عُمَرُ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا أَلَمْ تَسْمَعُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ "
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এবং খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে মাইমূনাহ্ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন ভুনা গুইসাপ পরিবেশন করা হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা নেয়ার জন্য হাত বাড়ালেন। তখন মাইমূনাহ্ (রাঃ)-এর বাড়িতে উপস্থিত জনৈকা মহিলা বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা খেতে চাইছেন সে সম্বন্ধে তোমরা তাঁকে জানাও। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (খাবার থেকে) তাঁর হাত তুলে নিলেন। আমি বললম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! এটা কি হারাম? তিনি বললেন,না। যেহেতু এটা আমাদের এলাকার প্রাণী নয়, তাই আমি তা অপছন্দ করি। খালিদ (রাঃ) বলেন, এরপর আমি তা টেনে নিয়ে খেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দৃশ্য দেখছিলেন। (ই.ফা. ৪৮৭৭, ই.সে. ৪৮৭৮)
সহিহ মুসলিম ৪৯২৯
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ، بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الْغُسْلُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ "
খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ)- যাঁকে সাইফুল্লাহ বলা হয় থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী মাইমূনাহ্ (রাঃ)-এর ঘরে ঢুকলেন। তিনি ছিলেন তাঁর ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর খালা। এ সময় রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নিকট ভূনা গুইসাপ দেখতে পান, যা তাঁর (মাইমূনাহ্র) বোন হুফাইদাহ্ বিনতু হারিস নাজ্দ থেকে এনেছিল। তিনি গুইসাপটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে পরিবেশন করলেন। তাঁর অভ্যাস ছিল কোন খাদ্যের বিবরণ ও তার নাম উল্লেখ না করা পর্যন্ত তিনি সে দিকে কম-ই হাত বাড়াতেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গুইসাপটির দিকে হাত বাড়ালে উপস্থিত জনৈকা মহিলা বললেন, তোমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সামনে যা পেশ করছো তাঁকে জানিয়ে দাও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! এটা কি গুইসাপ। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাত তুলে নিলেন। খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! এটা কি হারাম? তিনি বললেন, না। তবে যেহেতু এটা আমার এলাকাতে নেই তাই আমি এটা পছন্দ করি না। খালিদ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি ওটা টেনে নিয়ে খাচ্ছিলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা দেখছিলেন। তবে তিনি আমাকে নিষেধ করেননি। (ই.ফা. ৪৮৭৮, ই.সে. ৪৮৭৯)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩০
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ، بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الْغُسْلُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ "
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) তাকে বলেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁর খালা মাইমূনাহ্ বিন্তু হারিস (রাঃ)- এর ঘরে যান। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সামনে গুইসাপের গোশ্ত পরিবেশন করা হয়, যা উম্মু হুফায়দ বিনতু হারিস নাজ্দ থেকে নিয়ে এনেছিলেন। তিনি ছিলেন বানূ জা’ফার গোত্রের এক ব্যক্তির সহধর্মিণী। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন বস্তুর বিবরণ না জানা পর্যন্ত তা খেতের না। বাকী অংশ বর্ণনাকারী ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে হাদীসের শেষাংশে তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, ইবনু আসাম মাইমূনাহ্ (রাঃ) সূত্রে তাঁকে বর্ণনা করেছেন, তিনি (রসূলুল্লাহ) তখন তাঁর ঘরেই ছিলেন। (ই.ফা. ৪৮৭৯, ই.সে. ৪৮৮০)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩১
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ دَخَلَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَعَرَّضَ بِهِ عُمَرُ فَقَالَ مَا بَالُ رِجَالٍ يَتَأَخَّرُونَ بَعْدَ النِّدَاءِ . فَقَالَ عُثْمَانُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا زِدْتُ حِينَ سَمِعْتُ النِّدَاءَ أَنْ تَوَضَّأْتُ ثُمَّ أَقْبَلْتُ . فَقَالَ عُمَرُ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا أَلَمْ تَسْمَعُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ "
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মাইমূনাহ্ (রাঃ)-এর ঘরে ছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সামনে দু’টি ভুনা গুইসাপ পেশ করা হলো। বাকী অংশ উক্ত হাদীসসমূহের অনুরূপ। তবে বর্ণনাকারী (মা’মার) “মাইমূনাহ্ (রাঃ) থেকে ইয়াযীদ ইবনু আসাম (রহঃ)-এর সূত্র” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৮৮০, ই.সে. ৪৮৮১)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩২
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ دَخَلَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَعَرَّضَ بِهِ عُمَرُ فَقَالَ مَا بَالُ رِجَالٍ يَتَأَخَّرُونَ بَعْدَ النِّدَاءِ . فَقَالَ عُثْمَانُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا زِدْتُ حِينَ سَمِعْتُ النِّدَاءَ أَنْ تَوَضَّأْتُ ثُمَّ أَقْبَلْتُ . فَقَالَ عُمَرُ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا أَلَمْ تَسْمَعُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ "
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাইমূনাহ্ (রাঃ)-এর ঘরে থাকা অবস্থায় তাঁর নিকটে গুইসাপের গোশ্ত পরিবেশন করা হয়। তখন খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) তাঁর সাথেই ছিলেন। ইবনু মুন্কাদির বাকী অংশ যুহ্রী (রহঃ)-এর সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৮৮১, ই.সে. ৪৮৮২)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩৩
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ جَعْفَرٍ، حَدَّثَهُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ النَّاسُ يَنْتَابُونَ الْجُمُعَةَ مِنْ مَنَازِلِهِمْ مِنَ الْعَوَالِي فَيَأْتُونَ فِي الْعَبَاءِ وَيُصِيبُهُمُ الْغُبَارُ فَتَخْرُجُ مِنْهُمُ الرِّيحُ فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنْسَانٌ مِنْهُمْ وَهُوَ عِنْدِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَوْ أَنَّكُمْ تَطَهَّرْتُمْ لِيَوْمِكُمْ هَذَا "
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার খালা উম্মু হুফায়দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে কিছু ঘি, পনির এবং কয়েকটি গুইসাপ হাদিয়া স্বরূপ পাঠালেন। তিনি ঘি ও পনির থেকে কিছু খেলেন এবং গুইসাপ নোংরা হওয়ার দরুন খাওয়া বর্জন করলেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হয়। তা হারাম হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হতো না। (ই.ফা. ৪৮৮২, ই.সে. ৪৮৮৩)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩৪
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ النَّاسُ أَهْلَ عَمَلٍ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ كُفَاةٌ فَكَانُوا يَكُونُ لَهُمْ تَفَلٌ فَقِيلَ لَهُمْ لَوِ اغْتَسَلْتُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ .
ইয়াযীদ ইবনু আসাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাদীনার এক নববিবাহিত ব্যক্তি আমাদেরকে দা’ওয়াত করলো এবং আমাদের সামনে তেরটি গুইসাপ পরিবেশন করা হলো। কিছু লোক তা খেল আর কিছু লোক তা বর্জন করলো। পরদিন আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তখন তাঁর পাশের লোকজন নানা উক্তি করতে লাগলো, এমনকি তাদের একজন বললোঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আমি এটি খাইও না, নিষেধও করি না এবং হারামও বলি না। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তোমরা যা বলছ তা সঠিক নয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে হালাল ও হারাম নির্ণয় করার জন্যই পাঠানো হয়েছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা মাইমূনাহ্ (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন। তাঁর সাথে ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস, খালিদ ইবনু ওয়ালিদ ও অন্য এক মহিলা উপস্থিত ছিলেন। তখন তাঁদের কাছে একটি পাত্র পেশ করা হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন খাওয়ার ইচ্ছা করলেন তখন মাইমূনাহ্ (রাঃ) তাঁকে বললেন, এটা গুইসাপের গোশ্ত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাত গুটিয়ে নিয়ে বললেন, এ গোশ্ত আমি কখনোও খাইনি। তিনি তাঁদের বললেন, তোমরা খেতে পারো। ফায্ল, খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) এবং ঐ মহিলা তাত্থেকে খেলেন। মাইমূনাহ্ (রাঃ) বললেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা খান, তাছাড়া অন্য কিছু আমি খাব না। (ই.ফা. ৪৮৮৩, ই.সে. ৪৮৮৪)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩৫
وَحَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ الْعَامِرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ، الْحَارِثِ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ أَبِي هِلاَلٍ، وَبُكَيْرَ بْنَ الأَشَجِّ، حَدَّثَاهُ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عَمْرِو، بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ وَسِوَاكٌ وَيَمَسُّ مِنَ الطِّيبِ مَا قَدَرَ عَلَيْهِ " إِلاَّ أَنَّ بُكَيْرًا لَمْ يَذْكُرْ عَبْدَ الرَّحْمَنِ وَقَالَ فِي الطِّيبِ وَلَوْ مِنْ طِيبِ الْمَرْأَةِ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গুইসাপ আনা হলে তিনি তা খেতে অস্বীকার করে বললেন, জানি না হয়তো এটা ঐসব উম্মাত থেকে হতে পারে, যাদের বিকৃত করা হয়েছিল। (ই.ফা. ৪৮৮৮, ই.সে. ৪৮৮৫)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩৬
حَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ، بْنُ رَافِعٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ ذَكَرَ قَوْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ . قَالَ طَاوُسٌ فَقُلْتُ لاِبْنِ عَبَّاسٍ وَيَمَسُّ طِيبًا أَوْ دُهْنًا إِنْ كَانَ عِنْدَ أَهْلِهِ قَالَ لاَ أَعْلَمُهُ .
আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে গুইসাপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটি তোমরা খেও না। তিনি তা নোংরা হিসেবে অবহিত করলেন। তিনি আরও বলেন, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটিকে হারাম করেননি। মহান আল্লাহ এর দ্বারা অনেক লোককে উপকৃত করেছেন। কেননা, জনসাধারণের খাদ্য এ থেকে আসে। আমার নিকট থাকলে আমিও তা খেতাম। (ই.ফা. ৪৮৮৫, ই.সে. ৪৮৮৬)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩৭
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ، اللَّهِ حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، كِلاَهُمَا عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ .
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমরা এমন এলাকায় থাকি, যেখানে গুইসাপ পাওয়া যায়। সুতরাং এ ব্যাপারে আপনি আমাদের কী আদেশ করেন? অথবা বললেন, আপনি এ ব্যাপারে আমাদের কী ফাতাওয়া দেন? তিনি বললেনঃ আমাকে জানানো হয়েছে যে, বানী ইস্রাঈলের একটি সম্প্রদায়কে বিকৃত করে দেয়া হয়েছিল। এরপর তিনি আদেশও করেননি, নিষেধও করেননি। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, পরবর্তী সময়ে ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর দ্বারা অনেক লোককে উপকৃত করবেন। কারণ এটা এ উম্মাতের অধিকাংশের খাবার। আমার নিকট থাকলে আমি অবশ্যই তা খেতাম। তবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটি কেবল অপছন্দ করেছেন। (ই.ফা. ৪৮৮৬, ই.সে. ৪৮৮৭)
সহিহ মুসলিম ৪৯৩৮
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ، اللَّهِ حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، كِلاَهُمَا عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ .
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এক বেদূইন এসে বলল, আমি এমন নিম্নাঞ্চলে বাস করি যেখানে প্রচুর গুইসাপ পাওয়া যায়। এটা আমার পরিবারের সাধারণ খাদ্য। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কোন জবাব দিলেন না। আমরা তাঁকে বললাম, আবার জিজ্ঞেস করো। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলে তিনি এবারও কোন জবাব দিলেন না। অতঃপর তৃতীয়বারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে বললেনঃ হে বেদূঈন! মহান আল্লাহ বানী ইসরাঈলের একটি সম্প্রদায়ের প্রতি অভিসম্পাত করেন, অথবা ক্রোধান্বিত হয়ে তাদের আকৃতি বিকৃত করে স্থলচর প্রাণীতে রূপান্তরিত করে দেন। আমি অবহিত নই যে, এটা তাদেরই অন্তর্ভূক্ত কিনা। সুতরাং আমি তা খাইও না এবং এ থেকে নিষেধও করি না। (ই.ফা. ৪৮৮৭, ই.সে. ৪৮৮৮)
সহিহ মুসলিম > টিড্ডি খাওয়ার বৈধতা
সহিহ মুসলিম ৪৯৩৯
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ حَقٌّ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ أَنْ يَغْتَسِلَ فِي كُلِّ سَبْعَةِ أَيَّامٍ يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَجَسَدَهُ "
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে সাতটি যুদ্ধে যোগদান করেছি, তখন আমরা টিড্ডি খেয়েছি। (ই.ফা. ৪৮৮৮,, ই.সে. ৪৮৮৯)
সহিহ মুসলিম ৪৯৪০
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ حَقٌّ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ أَنْ يَغْتَسِلَ فِي كُلِّ سَبْعَةِ أَيَّامٍ يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَجَسَدَهُ "
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) সকলেই ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইয়া’ফূর (রহঃ) হতে উল্লিখিত সানাদে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ বকর (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় সাতটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছেন। ইসহাক্ বলেছেন, ছয়টি এবং ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) বলেছেন, ছয়টি কিংবা সাতটি। (ই.ফা. ৪৮৮৯,, ই.সে. ৪৮৯০)
সহিহ মুসলিম ৪৯৪১
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ حَقٌّ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ أَنْ يَغْتَسِلَ فِي كُلِّ سَبْعَةِ أَيَّامٍ يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَجَسَدَهُ "
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশ্শার (রহঃ) আবূ ইয়া’কূব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সাতটি যুদ্ধ। (ই.ফা. ৪৮৯০, ই.সে. ৪৮৯১)