প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কুকুর দ্বারা শিকার - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কুকুর দ্বারা শিকার

সহিহ মুসলিম ৪৮৬৬

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

'আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমি শিকারের উদ্দেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ছেড়ে দেই এবং সেগুলো শিকার ধরে আমার জন্য রেখে দেয়, (নিজেরা খায় না) আমি কুকুরগুলোকে ছাড়ার সময় 'বিসমিল্লাহ' বলে ছাড়ি। তিনি বললেনঃ যখন তুমি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর আল্লাহর নাম নিয়ে ছেড়ে থাকো তাহলে তুমি তা খেতে পার। আমি বললাম, যদি এরা শিকারকে হত্যা করে? তিনি বললেনঃ যদিও হত্যা করে ফেলে তবে তার সাথে যদি অন্য কুকুর শারীক না হয়। আমি তাঁকে বললাম, আমি শিকারের উদ্দেশে 'মি'রায' (কাঠ বা তীক্ষ্ণ ছড়ি) নিক্ষেপ করে থাকি এবং শিকার পেয়েও থাকি? তিনি বললেনঃ তুমি মি'রায নিক্ষেপ করার পর তাতে শিকারের সম্মুখভাগ প্রবিষ্ট হয়ে শিকার মারা গেলে তবে তুমি তা খেতে পারো। আর যদি নিক্ষিপ্ত ফলকের চ্যাপ্টা (বিপরীত) দিকের আঘাতে শিকার মারা যায়, তবে তুমি তা খেও না। (ই.ফা. ৫ম খণ্ড-৪৮১৯, ই.সে. ৬ষ্ঠ খণ্ড -৪৮২০)


সহিহ মুসলিম ৪৮৬৭

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

'আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, আমরা এমন এক সম্প্রদায় যারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দ্বারা শিকার করে থাকি। তখন তিনি বললেনঃ তুমি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর আল্লাহর নাম নিয়ে ছাড়লে তাদের শিকার করা পশু খেতে পারো, যদিও তারা তা মেরে ফেলে। তবে কুকুর তার কিছু অংশ খেয়ে ফেললে তা খাবে না। কেননা আমার আশঙ্কা হচ্ছে,সে হয়তো এ শিকার নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি এ শিকারে অন্য কুকুর শারীক হয়ে থাকে তাহলে তুমি তা খাবে না। (ই.ফা. ৪৮২০, ই.সে. ৪৮২১)


সহিহ মুসলিম ৪৮৬৮

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

'আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে মি'রায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ এর ধারালো অংশ দ্বারা শিকার মারা গেলে তুমি তা খেতে পারবে, আর যদি এর পাশের অংশের আঘাতে শিকার মারা যায় তবে তা (কুরআনে বর্ণিত) 'ওয়াকীয' বা পিটিয়ে নিহত করার অন্তর্ভুক্ত। কাজেই তুমি তা খাবে না। আমি রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে কুকুর সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ তুমি আল্লাহর নাম নিয়ে তোমার কুকুর ছেড়ে থাকলে তুমি তা খেতে পারো। যদি কুকুর শিকারের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে তবে তুমি তা খাবে না। কেননা সেটা সে তার নিজের জন্যই ধরেছে। আমি বললাম, যদি আমার কুকুরের সাথে অন্য কুকুর দেখি এবং কে শিকার ধরেছে তা ঠিক করতে না পারি? তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি তা খাবে না। কেননা তুমি শুধু তোমার কুকুর ছাড়ার সময় আল্লাহ্‌র নাম নিয়েছ, অন্যটির উপর নাওনি। (ই.ফা. ৪৮২১, ই.সে. ৪৮২২)


সহিহ মুসলিম ৪৮৬৯

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

'আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মি'রায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেন। ( ই.ফা. ৪৮২২, ই.সে. ৪৮২৩)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭০

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

'আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে মি'রায সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম...... (অবশিষ্ট অংশ) পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৮২৩, ই.সে. ৪৮২৪)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭১

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ‘মি’রায’ দ্বারা শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি, তখন তিনি বললেনঃ ধারালো অংশ দ্বারা নিহত হলে খেতে পারো। আর যদি তীরের পার্শ্ব ভাগ লেগে নিহত হয় তাহলে সেটা ‘ওয়াকীয’ শ্রেণীভুক্ত। আমি তাঁকে কুকুরের শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ সে তোমার জন্য যে শিকার ধরে রাখবে এবং তা থেকে সে না খায়, তাহলে তুমি তা খেতে পার। কারণ তার শিকার করাই ছিল যাবাহ গণ্য হবে। তবে যদি তুমি তার পাশে অন্য কুকুর দেখ এবং তোমার আশঙ্কা হয় যে, শিকার ধরায় সেটাও শামিল ছিল এবং সে কুকুরই হয়তো শিকার হত্যা করেছে, তবে তুমি তা খেও না। কেননা তুমি তো শুধু তোমার কুকুর ছাড়ার সময় ‘বিস্মিল্লা-হ’ বলেছ, অন্য কুকুরের উপর তা বলনি। (ই.ফা. ৪৮২৪, ই.সে. ৪৮২৫)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭২

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

যাকারিয়্যা ইবনু আবূ যায়িদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৮২৫, ই.সে. ৪৮২৬)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭৩

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) ছিলেন আমাদের প্রতিবেশী, ব্যবসায়ের অংশীদার এবং ‘নাহ্রাইন’-এ আমাদের সহকর্মী। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রশ্ন করেছিলেন যে, আমি আমার কুকুরকে (শিকারের উদ্দেশে) ছেড়ে থাকি এবং পরে আমার কুকুরের সাথে অন্য কুকুরও দেখতে পাই, সেটির সাথে শিকারও দেখতে পাই। আমি অবহিত নই কোন্ কুকুরটি শিকার ধরেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি তা খাবে না। কেননা তুমি কেবল তোমার কুকুর ছাড়ার সময়ই আল্লাহ্‌র নাম নিয়েছ; অন্যটির উপরে আল্লাহ্‌র নাম নাওনি। (ই.ফা. ৪৮২৬, ই.সে. ৪৮২৭)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭৪

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৪৮২৭, ই.সে. ৪৮২৮)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭৫

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ তুমি তোমার কুকুর ছাড়ার সময় আল্লাহ্‌র নাম নেবে। তারপর যদি সে তোমার জন্য শিকার ধরে রাখে এবং তুমি তা জীবিত পাও, তবে তুমি তাকে যবহ করবে। আর যদি মৃত পাও অথচ সে এর কোন অংশ খায়নি, তাহলে তুমি তা খেতে পার। আর যদি তোমার কুকুরের সাথে অন্য কুকুর দেখ আর শিকারও মৃত, তবে তা খাবে না। কেননা তুমি তো অবহিত নও, কোন্‌ কুকুরটি শিকার হত্যা করেছে। আর তুমি তীর ছোঁড়ার সময় আল্লাহ্‌র নাম নিয়েই ছুঁড়বে। অতঃপর শিকার একদিন পর্যন্ত নিরুদ্দেশ থাকার পর তা পেলে, তাতে যদি তোমার তীরের ক্ষত আঘাত ব্যতীত অন্য চিহ্ন না দেখ, তবে ইচ্ছে হলে তা খেতে পারো। তবে পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় পেলে তা খেও না। (ই.ফা. ৪৮২৮, ই.সে. ৪৮২৯)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭৬

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ - قَالَهَا ثَلاَثًا قَالَ فِي الثَّالِثَةِ - لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে শিকার সম্পর্কে প্রশ্ন করলে জবাবে তিনি বললেনঃ যখন তুমি তোমার তীর নিক্ষেপ করবে তখন ‘বিসমিল্লা-হ’ বলবে। যদি শিকার মৃত পাও, তবে তা খেতে পার। কিন্তু যদি তা পানিতে পাও তবে খেও না। কারণ তুমি তো অবহিত নও যে, পানিই তাকে হত্যা করেছে, নাকি তোমার তীর। (ই.ফা. ৪৮২৯, ই.সে. ৪৮৩০)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭৭

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ مِثْلَهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ فِي الرَّابِعَةِ ‏ ‏ لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

আবূ সা’লাবাহ্‌ খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলি, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমরা আহ্‌লে কিতাবের এলাকায় থাকি, আমরা তাদের পাত্রে আহার করে থাকি এবং আমরা শিকারের এলাকায় থাকি। আমি আমার ধনুক ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দ্বারা শিকার করি, পাশাপাশি অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দ্বারাও শিকার করে থাকি। অতএব আমার জন্য কোন্‌টি হালাল তা আমাকে বলে দিন। তিনি বললেনঃ তুমি যে বললে তোমরা কিতাবধারীদের এলাকায় বাস করো এবং তাদের পাত্রে আহার করো; যদি তাদের পাত্র ছাড়া অন্য পাত্র পাও তবে তাদের পাত্রে আহার করো না। আর যদি অন্য পাত্র না পাও, তবে তা ধুয়ে নেয়ার পর খাবে। তুমি যে বললে, তোমরা শিকারের এলাকায় বসবাস করো। এর বিধান হলো, তোমার ধনুক দ্বারা শিকার হত্যা করার সময় আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে ধনুক ছুঁড়বে, তারপর তা খাবে। আর তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দ্বারা যা শিকার করবে তাও প্রেরেণের সময় আল্লাহ্‌র নাম নিবে, অতঃপর তা খাবে। আর তোমার অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দ্বারা শিকার করবে তা যাবাহ করার সুযোগ পেলে তা খাবে। (ই.ফা. ৪৮৩০, ই.সে. ৪৮৩১)


সহিহ মুসলিম ৪৮৭৮

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ مِثْلَهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ فِي الرَّابِعَةِ ‏ ‏ لِمَنْ شَاءَ ‏" ‏ ‏‏

হাইওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে এ হাদীসটি ইবনু মুবারাক (রহঃ)– এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু ওয়াহ্ব তার হাদীসে ধনুক দ্বারা শিকারের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৮৩২, ই.সে.)


সহিহ মুসলিম > হারিয়ে যাওয়া শিকার পাওয়া গেলে

সহিহ মুসলিম ৪৮৭৯

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ بِإِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ رَكْعَةً وَالطَّائِفَةُ الأُخْرَى مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ ثُمَّ انْصَرَفُوا وَقَامُوا فِي مَقَامِ أَصْحَابِهِمْ مُقْبِلِينَ عَلَى الْعَدُوِّ وَجَاءَ أُولَئِكَ ثُمَّ صَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَضَى هَؤُلاَءِ رَكْعَةً وَهَؤُلاَءِ رَكْعَةً ‏.‏

আবূ সা’লাবাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ তুমি তীর নিক্ষেপের পর শিকার যদি নিরুদ্দেশ হয়ে যায় এবং পরে তা পেয়ে যাও, তাহলে শিকার দুর্গন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তুমি তা খেতে পারো। (ই.ফা. ৪৮৩২, ই.সে. ৪৮৩৩)


সহিহ মুসলিম ৪৮৮০

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ بِإِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ رَكْعَةً وَالطَّائِفَةُ الأُخْرَى مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ ثُمَّ انْصَرَفُوا وَقَامُوا فِي مَقَامِ أَصْحَابِهِمْ مُقْبِلِينَ عَلَى الْعَدُوِّ وَجَاءَ أُولَئِكَ ثُمَّ صَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَضَى هَؤُلاَءِ رَكْعَةً وَهَؤُلاَءِ رَكْعَةً ‏.‏

আবূ সা’লাবাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যে কেউ তার শিকার তিনদিন পরে পেলে তা দুর্গন্ধ না হওয়া পর্যন্ত খেতে পারবে। (ই.ফা. ৪৮৩৩, ই.সে. ৪৮৩৪)


সহিহ মুসলিম ৪৮৮১

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ بِإِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ رَكْعَةً وَالطَّائِفَةُ الأُخْرَى مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ ثُمَّ انْصَرَفُوا وَقَامُوا فِي مَقَامِ أَصْحَابِهِمْ مُقْبِلِينَ عَلَى الْعَدُوِّ وَجَاءَ أُولَئِكَ ثُمَّ صَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَضَى هَؤُلاَءِ رَكْعَةً وَهَؤُلاَءِ رَكْعَةً ‏.‏

আবূ সা’লাবাহ্ খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ তাতে তিনি দুর্গন্ধ হওয়ার কথা উল্লেখ করেননি। আর তিনি কুকুর (এর শিকার) সম্পর্কে বলেছেনঃ তিন দিন পরেও তা খেতে পারবে- তবে পচে গেলে তা ফেলে দাও। (ই.ফা. ৪৮৩৪, ই.সে. ৪৮৩৫)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية