হুদাইবিয়ার সন্ধি সম্পর্কে - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > হুদাইবিয়ার সন্ধি সম্পর্কে

সহিহ মুসলিম ৪৫২১

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ فِي بَيْتِ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَبَقَيْتُ كَيْفَ يُصَلِّي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَقَامَ فَبَالَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَكَفَّيْهِ ثُمَّ نَامَ ثُمَّ قَامَ إِلَى الْقِرْبَةِ فَأَطْلَقَ شِنَاقَهَا ثُمَّ صَبَّ فِي الْجَفْنَةِ أَوِ الْقَصْعَةِ فَأَكَبَّهُ بِيَدِهِ عَلَيْهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا حَسَنًا بَيْنَ الْوُضُوءَيْنِ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي فَجِئْتُ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ - قَالَ - فَأَخَذَنِي فَأَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ فَتَكَامَلَتْ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً ثُمَّ نَامَ حَتَّى نَفَخَ وَكُنَّا نَعْرِفُهُ إِذَا نَامَ بِنَفْخِهِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ فَصَلَّى فَجَعَلَ يَقُولُ فِي صَلاَتِهِ أَوْ فِي سُجُودِهِ ‏ ‏ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ شِمَالِي نُورًا وَأَمَامِي نُورًا وَخَلْفِي نُورًا وَفَوْقِي نُورًا وَتَحْتِي نُورًا وَاجْعَلْ لِي نُورًا أَوْ قَالَ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏" ‏ ‏‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘হুদাইবিয়াহ দিবসে’ ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকদের মধ্যে সন্ধিপত্র লিপিবদ্ধ করলেন, “এ সন্ধিটি লিখিয়েছেন মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তখন তারা বলল, ‘রসূলুল্লাহ’ কথাটি লেখবেন না। যদি আমরা বিশ্বাস করতাম যে, আপনি আল্লাহর রসূল, তবে তো আপনার সাথে আমরা যুদ্ধ করতাম না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ)–কে বললেন, এ অংশটি কেটে দাও। তখন ‘আলী বললেন, আমি তা কেটে দেয়ার লোক নই। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–ই নিজ হাতে তা কেটে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধির একটি শর্ত এই ছিল যে, তারা মাক্কায় প্রবেশ করে তিন দিন অবস্থান করতে পারবে এবং তখন তারা কোন অস্ত্র নিয়ে ঢুকতে পারবে না। কিন্তু কোষবদ্ধ তলোয়ার নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। আমি আবূ ইসহাককে জিজ্ঞেস করলাম, (আরবি) এর অর্থ কী? তখন তিনি বলেন, এর অর্থ খাপ এবং এর মধ্যে যা থাকে। (ই.ফা. ৪৪৭৮, ই.সে. ৪৪৮০)


সহিহ মুসলিম ৪৫২২

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ فِي بَيْتِ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَبَقَيْتُ كَيْفَ يُصَلِّي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَقَامَ فَبَالَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَكَفَّيْهِ ثُمَّ نَامَ ثُمَّ قَامَ إِلَى الْقِرْبَةِ فَأَطْلَقَ شِنَاقَهَا ثُمَّ صَبَّ فِي الْجَفْنَةِ أَوِ الْقَصْعَةِ فَأَكَبَّهُ بِيَدِهِ عَلَيْهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا حَسَنًا بَيْنَ الْوُضُوءَيْنِ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي فَجِئْتُ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ - قَالَ - فَأَخَذَنِي فَأَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ فَتَكَامَلَتْ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً ثُمَّ نَامَ حَتَّى نَفَخَ وَكُنَّا نَعْرِفُهُ إِذَا نَامَ بِنَفْخِهِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ فَصَلَّى فَجَعَلَ يَقُولُ فِي صَلاَتِهِ أَوْ فِي سُجُودِهِ ‏ ‏ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ شِمَالِي نُورًا وَأَمَامِي نُورًا وَخَلْفِي نُورًا وَفَوْقِي نُورًا وَتَحْتِي نُورًا وَاجْعَلْ لِي نُورًا أَوْ قَالَ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏" ‏ ‏‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদাইবিয়াবাসীদের মধ্যে সন্ধি করলেন, ‘আলী (রাঃ) উভয়ের মধ্যে একটি সন্ধিপত্র লিখলেন। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) লিখলেন, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ, তারপর মু’আয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার হাদীসে (আরবি) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৭৯, ই.সে. ৪৪৮১)


সহিহ মুসলিম ৪৫২৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ فِي بَيْتِ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَبَقَيْتُ كَيْفَ يُصَلِّي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَقَامَ فَبَالَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَكَفَّيْهِ ثُمَّ نَامَ ثُمَّ قَامَ إِلَى الْقِرْبَةِ فَأَطْلَقَ شِنَاقَهَا ثُمَّ صَبَّ فِي الْجَفْنَةِ أَوِ الْقَصْعَةِ فَأَكَبَّهُ بِيَدِهِ عَلَيْهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا حَسَنًا بَيْنَ الْوُضُوءَيْنِ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي فَجِئْتُ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ - قَالَ - فَأَخَذَنِي فَأَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ فَتَكَامَلَتْ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً ثُمَّ نَامَ حَتَّى نَفَخَ وَكُنَّا نَعْرِفُهُ إِذَا نَامَ بِنَفْخِهِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ فَصَلَّى فَجَعَلَ يَقُولُ فِي صَلاَتِهِ أَوْ فِي سُجُودِهِ ‏ ‏ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ شِمَالِي نُورًا وَأَمَامِي نُورًا وَخَلْفِي نُورًا وَفَوْقِي نُورًا وَتَحْتِي نُورًا وَاجْعَلْ لِي نُورًا أَوْ قَالَ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏" ‏ ‏‏

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বাইতুল্লাহ শারীফের নিকট বাধাগ্রস্ত হলেন, তখন মাক্কাবাসীরা এ মর্মে তাঁর সঙ্গে সন্ধি করলো যে, (পরবর্তী বছর) তিনি মাক্কায় প্রবেশ করবেন এবং সেখানে তিনদিন অবস্থান করবেন এবং কোষবদ্ধ তরবারি ছাড়া আর কিছু নিয়ে সেখানে প্রবেশ করবেন না এবং কোন মাক্কাবাসী কাউকে নিয়ে মাক্কাহ থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন না। পক্ষান্তরে তাঁর সাথীদের কেউ যদি সেখানে থেকে যেতে চায়, তবে তাকে বারণ করবেন না। তখন তিনি ‘আলী (রাঃ)–কে বললেনঃ আমাদের মধ্যকার শর্তগুলো এভাবে লিখে নাওঃ বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম ..... এ হচ্ছে সেই সন্ধি যা মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চূড়ান্ত করেছেন। তখন মুশরিকরা তাঁকে বলল, আমরা যদি আপনাকে আল্লাহর রসূলই জানতাম তবে আপনার অনুসরণই করতাম, বরং লিখুন, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। তখন তিনি ‘আলী (রাঃ) –কে তা মুছে ফেলতে নির্দেশ দিলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তা মুছতে পারব না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে আমাকেই সে স্থান দেখিয়ে দাও। তিনি সে স্থান দেখিয়ে দিলেন আর তিনি তা (স্বহস্তে) মুছে ফেললেন এবং লিখালেন মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। তারপর (পরের বছর তিনি সাহাবাদের নিয়ে তাশরীফ আনলেন) সেখানে তিনি তিনদিন অবস্থান করলেন। যখন তৃতীয়দিন সমাগত হলো, তখন তারা ‘আলী (রাঃ) –কে বললেন এটা হচ্ছে তোমার সাথীর শর্তের স্থিরীকৃত শেষ দিবস। তাঁকে বেরিয়ে যেতে বলে দাও। তখন তিনি তাঁকে এ সম্পর্কে অবহিত করলেন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি বেরিয়ে গেলেন। ইবনু জানাব (আরবি) স্থলে (আরবি) বলে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৮০, ই.সে. ৪৪৮২)


সহিহ মুসলিম ৪৫২৪

وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ، عَنْ بُكَيْرٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، ‏.‏ قَالَ سَلَمَةُ فَلَقِيتُ كُرَيْبًا فَقَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ كُنْتُ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ غُنْدَرٍ ‏.‏ وَقَالَ ‏ ‏ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏" ‏ ‏‏ وَلَمْ يَشُكَّ ‏‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কুরায়শরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে সন্ধি করল। তাদের মধ্যে সুহায়ল ইবনু ‘আমরও ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) –কে বললেনঃ লিখ ‘বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’। সুহায়ল বলল, কি বিসমিল্লা-হ্‌? আমরা তো জানি না বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম কী? তবে আমরা জানি বি ইসমিকা আল্লাহুমা, তাই লিখ। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লিখ, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর পক্ষ থেকে। তখন তারা বলে উঠলো, আমরা যদি আপনাকে আল্লাহর রসূলই জানতাম, তাহলে তো আমরা আপনার অনুসরণই করতাম। বরং আপনি আপনার নাম এবং আপনার পিতার নাম লিখুন।” তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লিখ, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর উপর এ মর্মে শর্ত আরোপ করলো যে, যারা আপনাদের নিকট থেকে চলে আসবে, আমরা তাকে ফেরত পাঠাবো না, কিন্তু আমাদের কেউ যদি আপনাদের নিকট চলে যায়, তবে আপনারা তাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দেবেন। তখন সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি এরূপ লিখবো? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি তাদের কাছে যায় তবে আল্লাহ্‌ই তাকে (রহমাত থেকে) সরিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের মধ্য থেকে যে আমাদের কাছে আসবে (তাকে ফেরত দিলেও) আল্লাহ্‌ অচিরেই তার কোন ব্যবস্থা ও পথ বের করে দেবেন। (ই.ফা. ৪৪৮১, ই.সে. ৪৪৮৩)


সহিহ মুসলিম ৪৫২৫

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي رِشْدِينٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ ‏.‏ وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ وَلَمْ يَذْكُرْ غَسْلَ الْوَجْهِ وَالْكَفَّيْنِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ثُمَّ أَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا فَتَوَضَّأَ وُضُوءًا بَيْنَ الْوُضُوءَيْنِ ثُمَّ أَتَى فِرَاشَهُ فَنَامَ ثُمَّ قَامَ قَوْمَةً أُخْرَى فَأَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا هُوَ الْوُضُوءُ وَقَالَ ‏‏ أَعْظِمْ لِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏"

আবুল ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) সিফফীন দিবসে উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন, “হে লোক সকল! তোমরা নিজেদের অভিযুক্ত মনে করবে। আমরা হুদাইবিয়ার দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে ছিলাম। আমরা এটিকে যুদ্ধ মনে করলে সেদিন অবশ্যই আমরা যুদ্ধ করতাম। এটি হচ্ছে সেই সন্ধির কথা যা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকদের মধ্যে হয়েছিল। তখন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট এসে বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি সত্যের উপর নই, আর তারা বাতিলের উপর নয়”? তিনি বললেনঃ “হ্যাঁ, তাই।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের নিহতরা কি জান্নাতী এবং তাদের নিহতরা কি জাহান্নামী নয়?” তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তাহলে কী কারণে আমরা দ্বীনের ব্যাপারে লাঞ্ছনা মেনে নিয়ে ফিরে যাবো, অথচ এখনো এ ব্যাপারে তাদের ও আমাদের মধ্যে আল্লাহর কোন ফায়সালা আসেনি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে খাত্তাব পুত্র! নিঃসন্দেহে আমি আল্লাহর রসূল। আর তিনি অবশ্যই কখনো আমাকে ধ্বংস করবেন না। রাবী বলেন, তখন ‘উমার (রাঃ) চলে গেলেন। তিনি ক্রোধে ধৈর্যধারণ করতে পারছিলেন না। তাই তিনি আবূ বাকরের কাছে এলেন এবং তাঁকে বললেন, হে আবূ বাকর! আমরা কি হকের উপর এবং তারা কি বাতিলের উপর নয়? তিনি বললেন, অবশ্যই। আবার তিনি বললেন, “আমাদের নিহতরা কি জান্নাতী এবং তাদের নিহতরা কি জাহান্নামী নয়? তিনি বললেন, নিশ্চয়ই। তখন তিনি বললেন, “তাহলে কী কারণে আমরা দ্বীনের ব্যাপারে লাঞ্ছনা মেনে নিয়ে ফিরে যাবো, অথচ এখনো এ ব্যাপারে আমাদের এবং তাদের মধ্যে আল্লাহ কোন ফায়সালা দেননি? তখন তিনি বললেন, হে খাত্তাব তনয়! নিশ্চয়ই তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আল্লাহ্‌ কখনও তাঁর বিনাশ করবেন না। রাবী বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর প্রতি বিজয়ের সুসংবাদ নিয়ে কুরআন অবতীর্ণ হলো। তখন তিনি ‘উমারকে ডেকে পাঠালেন এবং তাঁর সম্মুখে তা পাঠ করলে তখন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! এ কি বিজয়?” তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন তাঁর অন্তর শান্ত হলো এবং তিনি ফিরে গেলেন। (ই.ফা. ৪৪৮২, ই.সে. ৪৪৮৪)


সহিহ মুসলিম ৪৫২৬

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي رِشْدِينٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ ‏.‏ وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ وَلَمْ يَذْكُرْ غَسْلَ الْوَجْهِ وَالْكَفَّيْنِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ثُمَّ أَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا فَتَوَضَّأَ وُضُوءًا بَيْنَ الْوُضُوءَيْنِ ثُمَّ أَتَى فِرَاشَهُ فَنَامَ ثُمَّ قَامَ قَوْمَةً أُخْرَى فَأَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا هُوَ الْوُضُوءُ وَقَالَ ‏‏ أَعْظِمْ لِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏"

শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সিফফীন দিবসে সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) –কে আমি বলতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের নিজেদের অভিমতকে অভিযুক্ত মনে করবে। আল্লাহর কসম! আমি আবূ জান্দালের সে দিনটি দেখেছি। যদি আমার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর আদেশ প্রত্যাখ্যান করার সাধ্য থাকতো, তবে অবশ্যই তা প্রত্যাখ্যান করতাম। আল্লাহর কসম! আমরা আমাদের তরবারি স্বীয় গর্দানে উঠাতাম না যতক্ষণ না আমাদের কোন বিষয় বোধগম্য ছিল। কিন্তু তোমাদের এ ব্যাপারটির কথা তার বিপরীত। ইবনু নুমায়র তাঁর বর্ণনায় (আরবি) (কোন ব্যাপারে) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৮৩, ই.সে. ৪৪৮৫)


সহিহ মুসলিম ৪৫২৭

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي رِشْدِينٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ ‏.‏ وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ وَلَمْ يَذْكُرْ غَسْلَ الْوَجْهِ وَالْكَفَّيْنِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ثُمَّ أَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا فَتَوَضَّأَ وُضُوءًا بَيْنَ الْوُضُوءَيْنِ ثُمَّ أَتَى فِرَاشَهُ فَنَامَ ثُمَّ قَامَ قَوْمَةً أُخْرَى فَأَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا هُوَ الْوُضُوءُ وَقَالَ ‏‏ أَعْظِمْ لِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏"

আ’মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তবে তাদের হাদীসে (আরবী) (আমাদের ঘাবড়িয়ে দেয়) উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৮৪, ই.সে. ৪৪৮৬)


সহিহ মুসলিম ৪৫২৮

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي رِشْدِينٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ ‏.‏ وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ وَلَمْ يَذْكُرْ غَسْلَ الْوَجْهِ وَالْكَفَّيْنِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ثُمَّ أَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا فَتَوَضَّأَ وُضُوءًا بَيْنَ الْوُضُوءَيْنِ ثُمَّ أَتَى فِرَاشَهُ فَنَامَ ثُمَّ قَامَ قَوْمَةً أُخْرَى فَأَتَى الْقِرْبَةَ فَحَلَّ شِنَاقَهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا هُوَ الْوُضُوءُ وَقَالَ ‏‏ أَعْظِمْ لِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ وَاجْعَلْنِي نُورًا ‏"‏ ‏.‏"

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ)-কে সিফ্‌ফীনে বলতে শুনেছি, “তোমরা তোমাদের নিজেদের মতকে তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে অভিযুক্ত মনে করবে। কারণ আমি আবূ জান্দালের দিনটি প্রত্যক্ষ করেছি। যদি আমার সেদিন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করার সামর্থ্য থাকত (তবে তাই করতাম, এখন ব্যপার এত সঙ্গীন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে,) আমরা এক দিকের ছিদ্র বন্ধ করলে ওপর দিকের ছিদ্র খুলে যায়। (ই.ফা. ৪৪৮৫, ই.সে. ৪৪৮৭)


সহিহ মুসলিম ৪৫২৯

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَلْمَانَ الْحَجْرِيِّ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، أَنَّ سَلَمَةَ بْنَ كُهَيْلٍ، حَدَّثَهُ أَنَّ كُرَيْبًا حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ بَاتَ لَيْلَةً عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْقِرْبَةِ فَسَكَبَ مِنْهَا فَتَوَضَّأَ وَلَمْ يُكْثِرْ مِنَ الْمَاءِ وَلَمْ يُقَصِّرْ فِي الْوُضُوءِ ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ وَفِيهِ قَالَ وَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَتَئِذٍ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً ‏.‏ قَالَ سَلَمَةُ حَدَّثَنِيهَا كُرَيْبٌ فَحَفِظْتُ مِنْهَا ثِنْتَىْ عَشْرَةَ وَنَسِيتُ مَا بَقِيَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ اللَّهُمَّ اجْعَلْ لِي فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي لِسَانِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَمِنْ فَوْقِي نُورًا وَمِنْ تَحْتِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ شِمَالِي نُورًا وَمِنْ بَيْنِ يَدَىَّ نُورًا وَمِنْ خَلْفِي نُورًا وَاجْعَلْ فِي نَفْسِي نُورًا وَأَعْظِمْ لِي نُورًا ‏" ‏ ‏‏

কাতাদাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) তাঁদের বলেছেন, হুদাইবিয়াহ্‌ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় যখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “নিশ্চয় আমি তোমাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়, যেন আল্লাহ্‌ তোমার ত্রুটিসমূহ মার্জনা করেন ..... মহা সাফল্য” পর্যন্ত (সূরা ফাতহ্‌ ৪৮ : ১-৪), তখন তাঁদের সব দুঃখ বেদনা ক্ষোভে পূর্ণ ছিল। আর হুদাইবিয়াতেই (কুরবানীর) পশুগুলো কুরবানী করা হয়েছিল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার প্রতি এমন আয়াত নাযিল হয়েছে, যা সমগ্র দুনিয়া থেকে আমার কাছে অধিক প্রিয়। (ই.ফা. ৪৪৮৬, ই.সে. ৪৪৮৮)


সহিহ মুসলিম ৪৫৩০

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَلْمَانَ الْحَجْرِيِّ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، أَنَّ سَلَمَةَ بْنَ كُهَيْلٍ، حَدَّثَهُ أَنَّ كُرَيْبًا حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ بَاتَ لَيْلَةً عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْقِرْبَةِ فَسَكَبَ مِنْهَا فَتَوَضَّأَ وَلَمْ يُكْثِرْ مِنَ الْمَاءِ وَلَمْ يُقَصِّرْ فِي الْوُضُوءِ ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ وَفِيهِ قَالَ وَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَتَئِذٍ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً ‏.‏ قَالَ سَلَمَةُ حَدَّثَنِيهَا كُرَيْبٌ فَحَفِظْتُ مِنْهَا ثِنْتَىْ عَشْرَةَ وَنَسِيتُ مَا بَقِيَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ اللَّهُمَّ اجْعَلْ لِي فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي لِسَانِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَمِنْ فَوْقِي نُورًا وَمِنْ تَحْتِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ شِمَالِي نُورًا وَمِنْ بَيْنِ يَدَىَّ نُورًا وَمِنْ خَلْفِي نُورًا وَاجْعَلْ فِي نَفْسِي نُورًا وَأَعْظِمْ لِي نُورًا ‏" ‏ ‏‏

ইবনু মুসান্না, আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু আরূবাহ্ (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৮৭, ই.সে. ৪৪৮৯)


সহিহ মুসলিম > প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করা

সহিহ মুসলিম ৪৫৩১

وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي شَرِيكُ بْنُ أَبِي نَمِرٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ رَقَدْتُ فِي بَيْتِ مَيْمُونَةَ لَيْلَةَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عِنْدَهَا لأَنْظُرَ كَيْفَ صَلاَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِاللَّيْلِ - قَالَ - فَتَحَدَّثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَعَ أَهْلِهِ سَاعَةً ثُمَّ رَقَدَ ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ وَفِيهِ ثُمَّ قَامَ فَتَوَضَّأَ وَاسْتَنَّ ‏.‏

হুযাইফাহ্‌ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে বদর যুদ্ধে যোগদান থেকে এছাড়া অন্য কিছু বিরত রাখেনি যে, আমি এবং আমার পিতা হুসায়ল ঘর থেকে বেড়িয়েছিলাম। এমন সময় কুরায়শ কাফির আমাদের ধরে বসে এবং বলে যে, তোমরা অবশ্যই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যেতে মনস্থ করেছো। জবাবে আমরা বললাম, আমরা তাঁর কাছে যেতে চাইনা বরং আমরা মাদীনায় (ফিরে) যেতে চাই। তখন তারা আল্লাহ্‌র নামে আমাদের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিল যে, আমরা অবশ্যই মাদীনায় ফিরে যাব এবং তাঁর সাথে যুদ্ধ করবো না। তারপর আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং সে সংবাদ তাঁকে জানালাম। তখন তিনি বললেন, ফিরে যাও। আমরা তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করবো এবং তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্‌র সাহায্য চাইব। (ই.ফা. ৪৪৮৮, ই.সে. ৪৪৯০)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية