‘হিন্দার ঘটনা’ - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > ‘হিন্দার ঘটনা’

সহিহ মুসলিম ৪৩৬৯

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ كَانَ يُصَلِّي ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً يُصَلِّي ثَمَانَ رَكَعَاتٍ ثُمَّ يُوتِرُ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ فَرَكَعَ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ النِّدَاءِ وَالإِقَامَةِ مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিন্দা বিন্‌ত উত্‌বা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করেন না। তবে আমি তাকে না জানিয়েই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহন করে থাকি। এতে কি আমার কোন পাপ হবে? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাঁর সম্পদ থেকে ততটুকু গ্রহণ করতে পার, যা তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়। (ই. ফা. ৪৩২৮, ই. সে. ৪৩২৯)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭০

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ كَانَ يُصَلِّي ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً يُصَلِّي ثَمَانَ رَكَعَاتٍ ثُمَّ يُوتِرُ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ فَرَكَعَ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ النِّدَاءِ وَالإِقَامَةِ مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩২৯, ই. সে. ৪৩৩০)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭১

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ كَانَ يُصَلِّي ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً يُصَلِّي ثَمَانَ رَكَعَاتٍ ثُمَّ يُوتِرُ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ فَرَكَعَ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ النِّدَاءِ وَالإِقَامَةِ مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিন্দা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর কসম, পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর এখন পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তা আরো বাড়বে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন কৃপণ স্বভাবের লোক। তবে আমি যদি তার বিনা অনুমতিতে তার সন্তান-সন্ততির জন্য তার সম্পদ থেকে খরচ করি, এতে কি আমার কোন অন্যায় হবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাদের জন্য তুমি যথাবিধি খরচ করলে কোন দোষ হবেনা। (ই. ফা. ৪৩৩০, ই. সে. ৪৩৩১)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭২

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ كَانَ يُصَلِّي ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً يُصَلِّي ثَمَانَ رَكَعَاتٍ ثُمَّ يُوتِرُ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ فَرَكَعَ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ النِّدَاءِ وَالإِقَامَةِ مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিন্দা বিন্‌ত উত্‌বা ইনু রবী’য়াহ্‌, এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (মুসলিম হওয়ার পূর্বে) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর আজ (মুসলিম হওয়ার পর) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর কসম যাঁর হাতে আমার জীবন, তা আরো বৃদ্ধি পাবে। তারপর হিন্দা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন বড় কৃপণ স্বভাবের লোক। এমতাবস্থায় আমি যদি আমাদের সন্তানাদির খাবার (তারই অজান্তে) তার সম্পদ থেকে প্রদান করি তবে কি এতে আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেনঃ না। তবে তা যথাবিধি হতে হবে। (ই. ফা. ৪৩৩১, ই. সে. ৪৩৩২)


সহিহ মুসলিম > বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৪৩৭৩

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ، ح وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّ فِي حَدِيثِهِمَا تِسْعَ رَكَعَاتٍ قَائِمًا يُوتِرُ مِنْهُنَّ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা তিনটি কাজ পছন্দ করেন এবং তিনটি কাজ অপছন্দ করেন। তোমাদের জন্য তিনি যা পছন্দ করেন, তা হলঃ ১. তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত করবে, ২. তাঁর সঙ্গে কিছুই শারীক করবেনা এবং ৩. তোমরা সম্মিলিতভাবে আল্লাহর রজ্জু মজবুতভাবে ধারণ করবে ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হবে না। আর যে সকল বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেনঃ ১. নিরর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩২, ই. সে. ৪৩৩৩)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৪

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ، ح وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّ فِي حَدِيثِهِمَا تِسْعَ رَكَعَاتٍ قَائِمًا يُوتِرُ مِنْهُنَّ ‏.‏

সুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেনঃ “এবং তিনি তোমাদের তিনটি কাজে রাগাম্বিত হন”। “এবং তোমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না” বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেন নি। (ই. ফা. ৪৩৩৩, ই. সে. ৪৩৩৪)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৫

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ لِيَتَهَجَّدَ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ ‏.‏

মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন মায়েদের অবাধ্য হওয়া, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে ফেলা এবং অন্যের হক আদায় না করা এবং না-হক কোন বস্তু প্রার্থনা করা। আর তিনটি বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেন। তা হলঃ ১. নিরর্থক কথা-বার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩৪, ই. সে. ৪৩৩৫)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৬

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ لِيَتَهَجَّدَ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ ‏.‏

মানসূর (রহঃ) হতে উক্ত সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্ত তিনি “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন” স্থলে বলেছেন “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের উপর হারাম করেছেন। (ই. ফা. ৪৩৩৫, ই. সে. ৪৩৩৬)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৭

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ لِيَتَهَجَّدَ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ ‏.‏

শা’বি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ)-এর লেখক আমাকে বলেছেন যে, মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) মুগীরাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখলেন, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, এমন কিছু বিষয় আমাকে লিখে অবহিত করুন। তখন তিনি তাঁকে লিখলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য তিনটি কাজ অপছন্দ করেনঃ ১. অনর্থক কথা-বার্তা বলা, ২. সম্পদ বিনষ্ট করা এবং ৩. বেশী বেশী প্রশ্ন করা। (ই. ফা. ৪৩৩৬, ই. সে. ৪৩৩৭)


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৮

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ لِيَتَهَجَّدَ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ ‏.‏

ওয়ার্‌রাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুগীরাহ্‌ (রাঃ) মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখলেনঃ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তিনটি বিষয় হারাম করেছেন এবং তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি হারাম করেছেনঃ পিতা-মাতার নাফরমানী, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে রাখা এবং পাওনাদারের হক আদায় না করা। আর তিনি তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন, তা হলোঃ ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অতিরিক্ত প্রশ্ন করা এবং ৩. ধন-সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩৭, ই. সে. ৪৩৩৮)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية