সহিহ মুসলিম > কসম দ্বারা যদি পরিবারের লোকদের কষ্ট হয় তবে কসম ভঙ্গ না করা নিষেধ, তবে তাতে শর্ত হলো কাজটি হারাম হবে না
সহিহ মুসলিম ৪১৮৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ وَقَالَ يَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! তোমাদের কেউ স্বীয় পরিবারের সাথে (কোন বিষয়) আল্লাহর নামে কসম করে এর পুনরাবৃত্তি করে বা এর উপর অটল থাকে তা অধিক গুনাহর কারণ বলে বিবেচিত হবে- কসম করে আল্লাহর নির্ধারিত (শপথ ভঙ্গের) কাফফারাহ্ আদায় করার তুলনায়। [২৩] (ই.ফা. ৪১৪৫, ই.সে. ৪১৪৪)
সহিহ মুসলিম > কোন কাফির ব্যক্তি কুফ্রী অবস্থায় কোন মানৎ করে, অতঃপর মুসলিম হয়ে যায়
সহিহ মুসলিম ৪১৮৪
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، حَدَّثَتْهُمْ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি জাহিলিয়্যাতের জামানায় মাসজিদুল হারামে এক রাত্রি ‘ই‘তিকাফ’ করার মানৎ করেছিলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার মানৎ পূর্ণ কর। (ই.ফা. ৪১৪৬, ই.সে. ৪১৪৫)
সহিহ মুসলিম ৪১৮৫
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، حَدَّثَتْهُمْ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলা, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্র ইবনু জাবালা ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ) ..... সকলেই ‘উবাহদুল্লাহ (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁদের মধ্য হতে হাফ্স (রহঃ) ‘উমার (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামাহ্ এবং সাকিফী (রহঃ) উভয়ের বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (এক রাত্রির ই‘তিকাফের) কথা উল্লেখ আছে। আর শু‘বাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (তিনি তাঁর উপর একদিনের ই‘তিকাফ করা ধার্য করে নিয়েছিলেন)। উল্লেখিত হাফ্স (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে ‘একদিন এবং এক রাত্রির’ কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৪১৪৭, ই.সে. ৪১৪৬)
সহিহ মুসলিম ৪১৮৬
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، حَدَّثَتْهُمْ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
আবূ তাহির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়িফ থেকে ফিরে আসার পর জি‘রানাহ্ নামক স্থানে অবস্থান কালে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি অজ্ঞতার যুগে মাস্জিদুল হারামে একদিন ই‘তিকাফ করার মানৎ করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তখন তিনি বললেনঃ যাও এবং একদিন ই‘তিকাফ করো। বর্ণনাকারী বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত সম্পদের (গনীমাতের) এক পঞ্চমাংশ থেকে একটি দাসী প্রদান করেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্ত করে দেন তখন ‘উমার (রাঃ) তাদের শোরগোল শুনতে পান। তারা বলাবলি করছিল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। ‘উমার (রাযি;) বললেন, ব্যাপার কী? তখন তারা বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! ঐ দাসীটির কাছে গিয়ে তাকে মুক্ত করে দাও। (ই.ফা. ৪১৪৮, ই.সে. ৪১৪৭)
সহিহ মুসলিম ৪১৮৭
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، حَدَّثَتْهُمْ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরে এলেন- তখন 'উমার (রাঃ) তাঁর জাহিলী যুগে করা একদিনের ই'তিকাফ করার মানৎ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ)- এর হাদীসের মর্মানুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৪৯, ই.সে. ৪১৪৮)
সহিহ মুসলিম ৪১৮৮
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، حَدَّثَتْهُمْ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
নাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু 'উমার (রাঃ)- এর নিকট জি'রানাহ্ থেকে ফেরার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর 'উমরাহ্' করার কথা উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেন, সেখান থেকে তিনি 'উমরাহ্ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন যে, 'উমার (রাঃ) জাহিলী যুগে একরাত্রি ই'তিকাফ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম ও মা'মার সূত্রে আইয়ূব হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৫০, ই.সে. ৪১৪৯)
সহিহ মুসলিম ৪১৮৯
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، حَدَّثَتْهُمْ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আবদুর রহমান দারিমী, ইয়াহ্ইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) .... উভয়েই নাফি' (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
মানৎ সম্পর্কে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে সকলেই (আরবী) (একদিনের ই'তিকাফ) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৫১, ই.সে. ৪১৫০)