সহিহ মুসলিম > পুতি ও স্বর্ণযুক্ত হার বিক্রয়
সহিহ মুসলিম ৩৯৬৭
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى وَالنَّاسُ أَكْثَرُ مَا كَانُوا فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ . قَالَ مُسْلِمٌ حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ هُوَ أَخُو عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ لأُمِّهِ .
ফুযালাহ্ ইবনু ‘উবাদাহ্ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারে অবস্থানকালে তাঁর নিকট গনীমাতের একটি হার উপস্থিত করা হয়। তাতে পুতি ও স্বর্ণ লাগান ছিল। হারটি বিক্রি হচ্ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হারের সাথে যুক্ত স্বর্ণের ব্যাপারে আদেশ দান করেন। অতঃপর কেবল সেটাকেই (স্বর্ণ) আলাদা করা হয়। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেন, স্বর্ণের বদলে স্বর্ণ সমান ওজনে বিক্রি করতে হবে। (ই. ফা. ৩৯৩০, ই. সে. ৩৯২৯)
সহিহ মুসলিম ৩৯৬৮
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى وَالنَّاسُ أَكْثَرُ مَا كَانُوا فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ . قَالَ مُسْلِمٌ حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ هُوَ أَخُو عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ لأُمِّهِ .
ফুযালাহ্ ইবনু ‘উবায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি খাইবারের যুদ্ধের দিনে বার দীনার এর বিনিময়ে একটি হার ক্রয় করি। তাতে স্বর্ণ ও পুতি ছিল। এরপর আমি তা আলাদা করলাম এবং বার দীনারের চেয়ে অধিক পেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকটে বিষয়টি আমি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আলাদা না করে বিক্রি করা যাবে না। (ই. ফা. ৩৯৩১, ই. সে. ৩৯৩০)
সহিহ মুসলিম ৩৯৬৯
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى وَالنَّاسُ أَكْثَرُ مَا كَانُوا فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ . قَالَ مُسْلِمٌ حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ هُوَ أَخُو عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ لأُمِّهِ .
সা‘ঈদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে উক্ত রূপ বর্ণিত। (ই. ফা. ৩৯৩২, ই. সে. ৩৯৩১)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭০
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى وَالنَّاسُ أَكْثَرُ مَا كَانُوا فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ . قَالَ مُسْلِمٌ حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ هُوَ أَخُو عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ لأُمِّهِ .
ফুযালাহ্ ইবনু ‘উবায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা খাইবার দিবসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলাম। ইয়াহূদীদের সাথে এক উকিয়া স্বর্ণ দু’ বা তিন দীনারের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করতাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্বর্ণের সমান সমান ওজন ব্যতিরেকে বিক্রি করো না। (ই. ফা. ৩৯৩৩, ই. সে. ৩৯৩২)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى وَالنَّاسُ أَكْثَرُ مَا كَانُوا فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ . قَالَ مُسْلِمٌ حَارِثَةُ بْنُ وَهْبٍ الْخُزَاعِيُّ هُوَ أَخُو عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ لأُمِّهِ .
হানাশ (রহঃ) -এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কোন এক যুদ্ধে ফুযালাহ্ ইবনু ‘উবায়দ এর সঙ্গে ছিলাম। আমার ও আমার সাথীদের অংশে একটি হার আসে যার মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য ও জাওহার খচিত ছিল। আমি সেটা খরিদ করে রাখতে ইচ্ছা করলাম। তাই ফুযালাহ্ ইবনু ‘উবায়দ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এর স্বর্ণ আলাদা করে এক পাল্লায় রাখ আর তোমার স্বর্ণ অন্য পাল্লায় রাখ এবং পরিমাপের সমান সমান না হলে গ্রহণ করো না। কারণ, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন সমান সমান না হলে গ্রহণ না করে। (ই. ফা. ৩৯৩৪, ই. সে. ৩৯৩৩)
সহিহ মুসলিম > খাদ্যের বদলে খাদ্য সমান সমান বিক্রয়
সহিহ মুসলিম ৩৯৭২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، أَذَّنَ بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ فَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ . ثُمَّ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ ذَاتُ مَطَرٍ يَقُولُ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ "
মা‘মার ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক সা‘ গমসহ তার গোলামকে পাঠিয়ে দেন এবং বলে দেন যে, এটা বিক্রি করে তা দিয়ে যব কিনে আনো। গোলাম চলে যায় এবং এক সা‘ ও সা‘য়ের কিছু অতিরিক্ত গ্রহণ করে। যখন সে মা‘মারের নিকট উপস্থিত হলো এবং যখন তাঁকে এ বষয়ে অবহিত করল মা‘মার (রহঃ) তাকে বলল, তুমি এরূপ কেন করেছ? পুনরায় যাও ও তাকে ফেরত দাও, সমপরিমাণ ব্যতীত কিছুতেই গ্রহণ করবে না। কারণ, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ খাদ্যের বিনিময়ে খাদ্য সমান সমান হতে হবে। আর ঐ সময়ে যব ছিল আমাদের খাদ্য। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো এটা তো সেটার অনুরূপ নয়। তিনি বললেন, অনুরূপ হওয়ার আশংকা আমি বোধ করছি। (ই. ফা. ৩৯৩৫, ই. সে. ৩৯৩৪)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ وَمَطَرٍ فَقَالَ فِي آخِرِ نِدَائِهِ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ . ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ أَوْ ذَاتُ مَطَرٍ فِي السَّفَرِ أَنْ يَقُولَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) ও আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন যে, আনসারদের ‘আদী গোত্রের এক ব্যক্তিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারে আমির নিযুক্ত করেন। সে জানীব জাতীয় (উন্নত মানের) খেজুর নিয়ে আসে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, খাইবারের সমস্ত খেজুরই কি এ রকম? সে বলল, না; আল্লাহর কসম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা মিশ্রিত খেজুরের দু’ সা‘ -এর বিনিময়ে এক সা‘ ক্রয় করি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরূপ করো না বরং সমান সমানভাবে করো অথবা একটি বিক্রি করে তার মূল্য দিয়ে অন্যটি খরিদ করিও, অনুরূপভাবে ওজনের ক্ষেত্রেও। (ই. ফা. ৩৯৩৬, ই. সে. ৩৯৩৫)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ وَمَطَرٍ فَقَالَ فِي آخِرِ نِدَائِهِ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ . ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ أَوْ ذَاتُ مَطَرٍ فِي السَّفَرِ أَنْ يَقُولَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ .
আবূ সা‘ঈদ খুদরী ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে খায়বরের আমির নিযুক্ত করেন। সে জানীব শ্রেণীর খেজুর নিয়ে তাঁর নিকট আগমন করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ খাইবারের সব খেজুর কি এ শ্রেণীর? সে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহর কসম! এরূপ নয়। আমরা এ শ্রেণীর এক সা‘ দু’ সা‘র বদলে এবং দু’ সা‘ তিন সা‘র বদলে খরিদ করে থাকি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরূপ করো না। মিশ্রিত খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করো। তারপর দিরহামের বিনিময়ে জানীব খরিদ করো। (ই. ফা. ৩৯৩৭, ই. সে. ৩৯৩৬)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭৫
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِهِ وَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ . وَلَمْ يُعِدْ ثَانِيَةً أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ . مِنْ قَوْلِ ابْنِ عُمَرَ .
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বার্নী জাতীয় খেজুর নিয়ে বিলাল (রাঃ) আগমন করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কোত্থেকে এনেছ? বিলাল (রাঃ) বলল, আমাদের নিকট নিম্ন শ্রেণীর খেজুর ছিল আমি তা থেকে দু’ সা‘ এক সা‘ -এর বিনিময়ে বিক্রি করেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে খাওয়ানোর জন্যে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেনঃ হায় আফসোস! এতো সাক্ষাত সুদ, এরূপ করো না, বরং যখন তুমি খেজুর ক্রয় করতে চাও, তখন এটাকে বিক্রি করবে, তারপর এর মূল্য দ্বারা ক্রয় করবে। ইবনু সাহ্ল (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় ‘তখন’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ৩৯৩৮, ই. সে. ৩৯৩৭)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭৬
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِهِ وَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ . وَلَمْ يُعِدْ ثَانِيَةً أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ . مِنْ قَوْلِ ابْنِ عُمَرَ .
আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট কিছু খেজুর আনা হয়। তিনি বললেন, আমাদের খেজুর অপেক্ষা এ খেজুর তো খুবই উত্তম। লোকটি বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের দু’ সা‘ খেজুর এক সা‘র বিনিময়ে বিক্রি করেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ তো সুদ। এটা ফেরত দাও, তারপর আমাদের খেজুর বিক্রি কর এবং এ জাতীয় খেজুর আমাদের জন্যে ক্রয় করো। (ই. ফা. ৩৯৩৯, ই. সে. ৩৯৩৮)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭৭
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَمُطِرْنَا فَقَالَ لِيُصَلِّ مَنْ شَاءَ مِنْكُمْ فِي رَحْلِهِ "
আবু সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আমলে মিশ্রিত খেজুর আমাদের দেয়া হত আর তা হচ্ছে মিশ্রিত খেজুর। আমরা এর দু’ সা’ এক সা’র বিনিময়ে বিক্রি করে দিতাম। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পৌঁছালো। তিনি বলেন, দু’ সা’ খেজুর এক সা’র বিনিময়ে, দু’ সা’ গম এক সা’র বিনিময়ে এবং দু’ দিরহাম এক দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করা চলবে না। (ই. ফা. ৩৯৪০, ই. সে. ৩৯৩৯)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭৮
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِهِ وَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ . وَلَمْ يُعِدْ ثَانِيَةً أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ . مِنْ قَوْلِ ابْنِ عُمَرَ .
আবূ নায্রাহ্ (রহঃ) -এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে সার্ফ (স্বর্ণ- রৌপ্যের বিনিময়) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। তিনি বলেন, সেটা কি নগদ নগদ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন এতে কোন আপত্তি নেই। অতঃপর আমি সা’ঈদকে জানালাম এবং বললাম, আমি ইবনু ‘আব্বাসের নিকট সার্ফ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেছেন সেটা কি নগদ নগদ? আমি বলেছি, হ্যাঁ। তিনি বলেছেন, কোন ক্ষতি নেই। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেছেন, আমি শীঘ্রই তাকে লিখে দিচ্ছি। অতঃপর তিনি আর তোমাদেরকে এ ফাতাওয়া দিবেন না। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম। কতিপয় যুবক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট কিছু খেজুর নিয়ে আসে। সে বলল, এটা আমাদের দেশের খেজুরের মধ্যে অথবা আমাদের এ বছরের খেজুরের মধ্যে কিছুটা খারাপ ছিল। অতঃপর আমি এটা গ্রহণ করি এবং কিছুটা বৃদ্ধি করি। তিনি বলেন, বেশী দিয়েছ তো সুদ প্রদান করেছ, এর কাছেও যেয়ো না। যখন তোমার খেজুরের মধ্যে কোন খারাপ খেজুর দেখবে তখন তা বিক্রি করে দিও, পরে যে খেজুর পছন্দ করো তা ক্রয় করো। (ই. ফা. ৩৯৪১, ই. সে. ৩৯৪০)
সহিহ মুসলিম ৩৯৭৯
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِهِ وَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ . وَلَمْ يُعِدْ ثَانِيَةً أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ . مِنْ قَوْلِ ابْنِ عُمَرَ .
আবূ নাযরাহ্ (রাঃ) এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট বায় -এ সার্ফ (স্বর্ণ-রৌপ্যের বিনিময়) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। তারা এতে কোন দোষ মনে করেননি। পরবর্তীকালে একবার আমি আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তার নিকট সার্ফ বিষয়ে জানতে চাইলাম। তিনি বললেন, যা বাড়তি হবে তা সুদ। কিন্তু তাদের দু’জনের মতের কারণে আমি এর প্রতিবাদ করলাম। এরপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা শুনেছি তাই তোমার কাছে বর্ণনা করেছি। একদা তাঁর নিকট খেজুরের বাগানের এক মালিক এক সা’ ভালো মানের খেজুর নিয়ে আসে। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খেজুরও এই শ্রেণীরই ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ তুমি কোথায় পেলে? সে বলল, আমি দু’ সা’ খেজুর নিয়ে বাজারে যাই এবং তার বদলে এক সা’ ক্রয় করি। কেননা বাজারে এটির মূল্য এতো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বল্লেনঃ আফসোস তোমার প্রতি, তুমি সুদের কাজ করেছ। যখন তুমি এরূপ চাও, তখন তোমার খেজুর কোন বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। পরে তোমার বস্তুর বিনিময়ে যে প্রকার খেজুর চাও কিনবে। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, সুতরাং খেজুরের বিনিময়ে খেজুর সুদ হওয়ায় অধিক যোগ্য নাকি রৌপ্যের বিনিময়ে অতিরিক্ত রৌপ্য সুদ হওয়ার বেশী যোগ্য। রাবী বলেন, পরবর্তীকালে আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এসেছি এবং তিনি আমাকে নিষেধ করেছেন। আর আমি ইবনু ‘আব্বাসের নিকট যাইনি। রাবী বলেন, আবুস সাহ্বা (রহঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এ ব্যাপারে ইবনু ‘আব্বাসের কাছে মাক্কায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন তিনি তা পছন্দ করেননি। (ই. ফা. ৩৯৪২, ই. সে. ৩৯৪১)
সহিহ মুসলিম ৩৯৮০
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، صَاحِبِ الزِّيَادِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ لِمُؤَذِّنِهِ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَلاَ تَقُلْ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ - قَالَ - فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَاكَ فَقَالَ أَتَعْجَبُونَ مِنْ ذَا قَدْ فَعَلَ ذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أُحْرِجَكُمْ فَتَمْشُوا فِي الطِّينِ وَالدَّحْضِ .
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দীনারের বিনিময়ে দীনার ও দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম সমান সমান হওয়া চাই। যে বেশি দিবে বা বেশি নিবে সে সুদের কারবার করল। আমি তাকে বললাম, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তো অন্য কিছু বলে থাকেন। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাসের সাথে সাক্ষাত করেছি এবং জিজ্ঞেস করেছি যে, আপনি এটা যা বলেছেন, তা-কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, না-কি আল্লাহর কিতাবে পেয়েছেন? তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এটা শুনিনি এবং আল্লাহর কিতাবেও পাইনি বরং উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বাকী বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সুদ হয়। (ই. ফা. ৩৯৪৩, ই. সে. ৩৯৪২)
সহিহ মুসলিম ৩৯৮১
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، صَاحِبِ الزِّيَادِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ لِمُؤَذِّنِهِ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَلاَ تَقُلْ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ - قَالَ - فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَاكَ فَقَالَ أَتَعْجَبُونَ مِنْ ذَا قَدْ فَعَلَ ذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أُحْرِجَكُمْ فَتَمْشُوا فِي الطِّينِ وَالدَّحْضِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) জানিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সুদ কেবল বাকীতে হয়। (ই. ফা. ৩৯৪৪, ই. সে. ৩৯৪৩)
সহিহ মুসলিম ৩৯৮২
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، صَاحِبِ الزِّيَادِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ لِمُؤَذِّنِهِ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَلاَ تَقُلْ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ - قَالَ - فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَاكَ فَقَالَ أَتَعْجَبُونَ مِنْ ذَا قَدْ فَعَلَ ذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أُحْرِجَكُمْ فَتَمْشُوا فِي الطِّينِ وَالدَّحْضِ .
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নগদ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সুদ হয় না। (ই. ফা. ৩৯৪৫, ই. সে. ৩৯৪৪)
সহিহ মুসলিম ৩৯৮৩
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، صَاحِبِ الزِّيَادِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ لِمُؤَذِّنِهِ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَلاَ تَقُلْ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ - قَالَ - فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَاكَ فَقَالَ أَتَعْجَبُونَ مِنْ ذَا قَدْ فَعَلَ ذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أُحْرِجَكُمْ فَتَمْشُوا فِي الطِّينِ وَالدَّحْضِ .
আতা ইবনু আবূ রাবাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে জিজ্ঞেস করেন, ‘সারফ্’ সম্পর্কে আপনার যে বক্তব্য, তার কিছু কি আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, না-কি আল্লাহর কিতাবে কিছু পেয়েছেন? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, কোনটাই আমি বলছি না। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে তো আপনারা অধিক জানেন এবং আল্লাহর কিতাবেও তা আমি জানি না। বরং উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সুদ কেবল বাকীর ক্ষেত্রেই হয়। (ই. ফা. ৩৯৪৬, ই. সে. ৩৯৪৫)