বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে

সহিহ মুসলিম ৩৮৭৯

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ ‏ لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন অথবা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি দেউলিয়া ঘোষিত কোন লোকের কাছে তার মাল অবিকলভাবে পায় কিংবা কোন মানুষের নিকট পায় যাকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়েছে তবে সে তার মাল ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় বেশী হক্‌দার। (ই. ফা. ৩৮৪২, ই. সে. ৩৮৪১)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮০

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ ‏ لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ ‏" ‏ ‏‏

ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, কুতাইবাহ্ ইবনু সা‘ঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ রাবী’ ও ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাবীব..... আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্..... ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে যুহাইর বর্ণিত হাদীসের অর্থ মিলে বর্ণনা করেন। আর তাদের মধ্যে কেবল ইবনু রুম্হ (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন- কোন ব্যক্তি দেউলিয়া সাব্যস্ত হলে। (ই. ফা. ৩৮৪৩, ই. সে. ৩৮৪২)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮১

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ ‏ لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

দেউলিয়া লোকের নিকট যদি কোন বস্তু পাওয়া যায় এবং স্থানান্তরিত না হয়ে থাকে তাহলে বিক্রেতাই ঐ বস্তুর প্রাপক। (ই. ফা. ৩৮৪৪, ই. সে. ৩৮৪৩)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮২

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ ‏ لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যদি কোন লোককে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয় আর কোন লোক স্বীয় সম্পদ অবিকলভাবে তার কাছে পায়, তবে সে ব্যক্তিই তা পাওয়ার বেশী হক রাখে। (ই. ফা. ৩৮৪৫, ই. সে. ৩৮৪৪)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮৩

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ ‏ لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ ‏" ‏ ‏‏

কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কাতাদাহ (রহঃ) হতে উক্ত রূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য এ বর্ণনার শেষে বলা হয়েছে সে ব্যক্তিই অন্যান্য সকল পাওনাদারদের চেয়ে বেশী হক্দার। (ই. ফা. ৩৮৪৬, ই. সে. ৩৮৪৫)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮৪

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ ‏ لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক যখন দেউলিয়া হয়ে যায়, আর তার নিকট কোন মাল বিক্রেতা তার বিক্রিত মাল অপরিবর্তিত অবস্থায় পায় তখন সে-ই সে মাল পেতে বেশী হকদার। (ই. ফা. ৩৮৪৭, ই. সে. ৩৮৪৬)


সহিহ মুসলিম > অসহায়কে সুযোগ দেয়ার ফযীলত

সহিহ মুসলিম ৩৮৮৫

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ مَنْ نَسِيَ صَلاَةً أَوْ نَامَ عَنْهَا فَكَفَّارَتُهَا أَنْ يُصَلِّيَهَا إِذَا ذَكَرَهَا ‏" ‏ ‏‏

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতের এক ব্যক্তির রুহের সাথে ফেরেশতাগণ সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করলেনঃ বিশেষ কোন সৎকাজ তুমি করেছ কি? সে বলল, না। তারা বললেনঃ মনে করে দেখো। সে বললঃ আমি মানুষের সাথে লেনদেন করতাম। তারপর অসচ্ছল ব্যক্তিদের সুযোগ দিতে ও সচ্ছল ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করতে আমি আমার লোকদের নির্দেশ দিতাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এরপর আল্লাহ তা‘আলা বললেনঃ “ওকে ছেড়ে দাও।” (ই. ফা. ৩৮৪৮, ই. সে. ৩৮৪৭)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮৬

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ مَنْ نَسِيَ صَلاَةً أَوْ نَامَ عَنْهَا فَكَفَّارَتُهَا أَنْ يُصَلِّيَهَا إِذَا ذَكَرَهَا ‏" ‏ ‏‏

রিবঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)-ও আবূ মাস‘উদ (রাঃ) একত্রিত হন। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেনঃ এক ব্যক্তির তার প্রভুর (আল্লাহ) সাথে সাক্ষাৎ হয়। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞসে করেন, তুমি কী কী সাওয়াবের কাজ করেছ? সে বললঃ আমি তেমন কোন সৎকাজ করিনি; তবে আমি একজন ধনী লোক ছিলাম। আমি মানুষের কাছে পাওনা চাইতাম এভাবে যে, সচ্ছলদেরকে সময় আর গরীবদেরকে মুক্ত করে দিতাম। এরপর আল্লাহ নির্দেশ দিলেনঃ আমার বান্দাকে মাফ করে দাও। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এরূপই বলতে শুনেছি। (ই. ফা. ৩৮৪৯, ই. সে. ৩৮৪৮)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮৭

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ مَنْ نَسِيَ صَلاَةً أَوْ نَامَ عَنْهَا فَكَفَّارَتُهَا أَنْ يُصَلِّيَهَا إِذَا ذَكَرَهَا ‏" ‏ ‏‏

হুযাইফাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মৃত্যুর পর জান্নাতে প্রবেশ করে। তাকে জিজ্ঞেস করা হল তুমি কেমন আমল করতে? রাবী বলেনঃ এরপর সে স্মরণ করে বা তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। সে বললঃ আমি মানুষের সাথে কেনা-বেচা করতাম। দরিদ্র লোকদেরকে আমি অবকাশ দিতাম এবং মুদ্রা বা টাকা মাফ করে দিতাম। এ কারণে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। এরপর আবূ মাস’ঊদ বলেনঃ এরূপই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। (ই. ফা. ৩৮৫০, ই. সে. ৩৮৪৯)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮৮

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ مَنْ نَسِيَ صَلاَةً أَوْ نَامَ عَنْهَا فَكَفَّارَتُهَا أَنْ يُصَلِّيَهَا إِذَا ذَكَرَهَا ‏" ‏ ‏‏

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ তা’আলার কাছে তাঁর এমন এক বান্দাকে হাযির করা হয়, যাকে তিনি প্রচুর সম্পদ দান করেছিলেন। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেন, দুনিয়ায় তুমি কী ‘আমাল করেছে? রাবী বলেনঃ আর আল্লাহর নিকট কেউ কোন কথা গোপন রাখতে পারে না। সে বললঃ হে আমার রব! আপনি আপনার সম্পদ আমাকে দান করেছিলেন। আমি মানুষের সাথে ক্রয়-বিক্রয় করতাম। সুতরাং সচ্ছল ব্যক্তির সহিত আমি সহনশীলতা প্রদর্শন করতাম আর গরীবকে সময় দিতাম। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ এ ব্যাপারে (হে বান্দা) তোমার চেয়ে আমি অধিকযোগ্য। তোমার আমার বান্দাকে ছেড়ে দাও। ‘উক্‌বাহ্ ইবনু ‘আমির জুহানী ও আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাঃ) বলেন, এরূপই আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মুখ থেকে শুনেছি। (ই. ফা. ৩৮৫১, ই. সে. ৩৮৫০)


সহিহ মুসলিম ৩৮৮৯

وَحَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا الْمُثَنَّى، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ إِذَا رَقَدَ أَحَدُكُمْ عَنِ الصَّلاَةِ أَوْ غَفَلَ عَنْهَا فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا فَإِنَّ اللَّهَ يَقُولُ أَقِمِ الصَّلاَةَ لِذِكْرِي ‏" ‏ ‏‏

আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পূরবর্তী লোকদের মধ্যে এক লোকের হিসেব গ্রহণ করা হয়, কিন্তু তার মধ্যে কোন প্রকার ভাল ‘আমাল পাওয়া যায়নি। কিন্তু সে মানুষের সাথে লেনদেন করত এবং সে ছিল সচ্ছল। তাই দরিদ্র লোকদের ক্ষমা করে দেয়ার জন্যে সে তার কর্মচারীদের নির্দেশ দিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ বললেনঃ এ ব্যাপারে (অর্থাৎ ক্ষমা করার ব্যাপারে) আমি তার চেয়ে অধিক যোগ্য। একে ক্ষমা করে দাও। (ই. ফা. ৩৮৫২, ই. সে. ৩৮৫১)


সহিহ মুসলিম ৩৮৯০

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক লোক মানুষের সাথে লেনদেন করত। সে তার গোলামকে বলে দিত, তুমি যখন কোন অভাবগ্রস্তের কাছে যাবে তখন তাকে ক্ষমা করে দিবে। হয়ত আল্লাহ আমাদেরকেও ক্ষমা করে দিবেন। অতঃপর সে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে মিলিত হলো। আর আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। (ই. ফা. ৩৮৫৩, ই. সে. ৩৮৫২)


সহিহ মুসলিম ৩৮৯১

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি শুনেছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ৩৮৫৪, ই. সে. ৩৮৫৩)


সহিহ মুসলিম ৩৮৯২

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ حِينَ فَرَضَهَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ أَتَمَّهَا فِي الْحَضَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ عَلَى الْفَرِيضَةِ الأُولَى ‏.‏

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ কাতাদাহ্ (রাঃ) একবার তার কাছ থেকে ঋণ গ্রহণকারী একজনকে খোঁজ করেন। সে তার থেকে লুকিয়েছিল। পরে তিনি তাকে পেয়ে যান। সে বললঃ আমি অভাবগ্রস্ত। তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! সে বললঃ আল্লাহর শপথ। তিনি বললেনঃ তাহলে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি এটা চায় যে, আল্লাহ তাকে কিয়ামাত দিবসের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি দিক সে যেন ঋণগ্রস্ত অক্ষম লোকের সহজ ব্যবস্থা করে কিংবা ঋণ মওকূফ করে দেয়। (ই. ফা. ৩৮৫৫, ই. সে. ৩৮৫৪)


সহিহ মুসলিম ৩৮৯৩

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ حِينَ فَرَضَهَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ أَتَمَّهَا فِي الْحَضَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ عَلَى الْفَرِيضَةِ الأُولَى ‏.‏

আইয়ূব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আইয়ূব (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৩৮৫৭, ই. সে. ৩৮৫৫)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية