খাদ্যের বিনিময়ে জমি ইজারা - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > খাদ্যের বিনিময়ে জমি ইজারা

সহিহ মুসলিম ৩৮৩৭

وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفَجْرِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

রাফি’ খাদীজ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে জমির মুহাকালাহ্‌ করতাম এবং এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতাম। এরপর এক সময় আমার এক চাচা আমাদের নিকট এসে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এমন একটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন যা আমাদের জন্যে লাভজনক ছিল। আর আল্লাহ ও তাঁর রসূলের কথা মেনে চলা আমাদের জন্যে অধিক কল্যাণকর। তিনি আমাদেরকে জমি মুহকালাহ করতে এবং এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতে নিষেধ করেছেন। আর জমির মালিককে নিজে চাষ করতে বা অপরের দ্বারা চাষ করাতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং ইজারা বা অন্য কিছু করার বিষয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। (ই.ফা. ৩৮০১, ই.সে. ৩৮০১)


সহিহ মুসলিম ৩৮৩৮

وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفَجْرِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা জমির মুহাকালাহ্‌ করতাম এবং এক তৃতীয়াংশ ও এক চতুর্থাংশের বিনিময়ে ইজারা দিতাম। এরপর ইবনু ‘উলাইয়্যার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৮০২, ই.সে. ৩৮০২)


সহিহ মুসলিম ৩৮৩৯

وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفَجْرِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

ইয়া’লা ইবনু হাকীম (রা.) থেকে বর্নিতঃ

ইয়া’লা ইবনু হাকীম (রাঃ)-এর সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৮০৩, ই.সে. ৩৮০৩)


সহিহ মুসলিম ৩৮৪০

وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفَجْرِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

রাফি’র সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

রাফি’র সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে তার কোন এক চাচার কথা বলেননি। (ই.ফা. ৩৮০৪, ই.সে. ৩৮০৪)


সহিহ মুসলিম ৩৮৪১

وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفَجْرِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

রাফি’ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

যুহায়র ইবনু রাফি’ (রহঃ) তাঁর চাচা হন। রাফি’ বলেন, যুহায়র একদা আমার নিকট এসে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এমন একটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন যা আমাদের জন্যে ছিল লাভজনক। আমি বললাম, তা কী? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তাই যথার্থ। তিনি বললেন, আমার নিকট তিনি জিজ্ঞেস করেছেন, কিভাবে তোমরা মুহাকালাহ্‌ করো? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা খালের সন্নিকটবর্তী জমির ফসলের শর্তে বিংবা খুরমা বা যবের কয়ের অসক প্রদানের শর্তে জমি বর্গা দিয়ে থাকি। তিনি বললেন, আর এরূপ করো না। তোমরা নিজেরা চাষ করো অথবা অপরকে দিয়ে চাষ করাও, তা না হলে এমনি রেখে দাও। (ই.ফা. ৩৮০৫, ই.সে. ৩৮০৪ [ক])


সহিহ মুসলিম ৩৮৪২

وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفَجْرِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

রাফি’ (রা.) সূ্ত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত হাদীস বর্ণিত। কিন্তু এতে তার চাচা যুহায়রের নাম উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৩৮০৬, ই.সে. ৩৮০৫)


সহিহ মুসলিম > স্বর্ণ-রৌপ্যের বিনিময়ে জমি ভাড়া দেয়া

সহিহ মুসলিম ৩৮৪৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا الْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي الصُّبْحِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

হানযালাহ্ ইবনু কায়স (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাফি’ ইবনু খাদীজের নিকট জমি বর্গা দেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন। রাবী বলেন, তখন আমি বললাম : স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়েও কি নিষেধ? তিনি বললেন, স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে হলে কোন সমস্যা নেই। (ই.ফা. ৩৮০৭, ই.সে. ৩৮০৬)


সহিহ মুসলিম ৩৮৪৪

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا الْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي الصُّبْحِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

হানযালাহ্‌ ইবনু কায়স আনসারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাফি’ ইবনু খাদীজকে স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে জমি বর্গা দেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেছেন, এতে কোন সমস্যা নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘আমালে লোকেরা পানির ঝর্ণার পাশ্ববর্তী অংশ, খালের অগ্রভাগের ভেজা অংশ ও ক্ষেতের অন্যান্য সুবিধা নেয়ার শর্তে জমি বর্গা দিত। এতে কখনও এক অংশ বিনষ্ট হত ও অপর অংশ ভাল থাকত। আবার কখনও এ অংশ ভাল থাকত আর অপর অংশ বিনষ্ট হত। আর এ ধরনের বর্গায় বঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই হত না। এ কারণে তিনি এ থেকে নিষেধ করেন। আর যদি নির্দিষ্ট পরিমাণের (স্বর্ণ-রৌপ্যের) বিনিময়ে বর্গা দেয়া হয়, তাহলে তাতে কোন সমস্যা নেই। (ই.ফা. ৩৮০৮, ই.সে. ৩৮০৭)


সহিহ মুসলিম ৩৮৪৫

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا الْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي الصُّبْحِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আনসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী জমির মালিক ছিলাম। এ শর্তে আমরা জমির ইজারা দিতাম যে, এ অংশ আমাদের আর ঐ অংশ তাদের। এরপর অনেক সময় এ অংশে ফসল ফলত আর ঐ অংশে কিছুই ফলত না। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কাজ থেকে আমাদেরকে নিষেধ করেন। আর রৌপ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতে তিনি আমাদেরকে নিষেধ করেননি। (ই.ফা. ৩৮০৯, ই.সে. ৩৮০৮)


সহিহ মুসলিম ৩৮৪৬

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا الْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي الصُّبْحِ وَالْمَغْرِبِ ‏.‏

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ)-এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৮১০, ই.সে. ৩৮০৯)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية