তিন মাসজিদ ব্যতীত সফরের প্রস্তুতি নেয়া যায় না - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > তিন মাসজিদ ব্যতীত সফরের প্রস্তুতি নেয়া যায় না

সহিহ মুসলিম ৩২৭৫

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، سَلاَّمُ بْنُ سُلَيْمٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ خَبَّابٍ، قَالَ شَكَوْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصَّلاَةَ فِي الرَّمْضَاءِ فَلَمْ يُشْكِنَا ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, উটের পিঠে হাওদা আটাঁ যাবে না (সফর করা যাবে না) তিনটি মাসজিদ ব্যতীতঃ এ মাসজিদ, মাসজিদুল হারাম ও মাসজিদুল আক্বসা। (ই.ফা. ৩২৫০, ই.সে. ৩২৪৭)


সহিহ মুসলিম ৩২৭৬

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، سَلاَّمُ بْنُ سُلَيْمٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ خَبَّابٍ، قَالَ شَكَوْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصَّلاَةَ فِي الرَّمْضَاءِ فَلَمْ يُشْكِنَا ‏.‏

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা এভাবে শুরু হয়েছেঃ “তিনটি মাসজিদের উদ্দেশ্যে সফর করা যাবে।” (ই.ফা. ৩২৫১, ই.সে. ৩২৪৮)


সহিহ মুসলিম ৩২৭৭

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، سَلاَّمُ بْنُ سُلَيْمٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ خَبَّابٍ، قَالَ شَكَوْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصَّلاَةَ فِي الرَّمْضَاءِ فَلَمْ يُشْكِنَا ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেবলমাত্র তিনটি মাসজিদের উদ্দেশ্যে সফর করা যাবেঃ কা’বাহ মাসজিদ, আমার এ মাসজিদ এবং ঈলিয়ার মাসজিদ (বায়তুল মুকাদ্দাস) (ই.ফা. ৩২৫২, ই.সে. ৩২৪৯)


সহিহ মুসলিম > যে মসজিদের ভিত্তি তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত তার বর্ননা এবং তা হল মদীনায় মাসজিদে নাবাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)

সহিহ মুসলিম ৩২৭৮

وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَعَوْنُ بْنُ سَلاَّمٍ، - قَالَ عَوْنٌ أَخْبَرَنَا وَقَالَ ابْنُ يُونُسَ، وَاللَّفْظُ، لَهُ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، - قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ خَبَّابٍ، قَالَ أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ حَرَّ الرَّمْضَاءِ فَلَمْ يُشْكِنَا ‏.‏ قَالَ زُهَيْرٌ قُلْتُ لأَبِي إِسْحَاقَ أَفِي الظُّهْرِ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قُلْتُ أَفِي تَعْجِيلِهَا قَالَ نَعَمْ ‏.‏

আবু সালামাহ্ ইবনু ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবু সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)-এর পুত্র ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) আমার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম ‘যে মাসজিদের ভিত্তি তাক্বওয়ার উপর স্থাপিত হয়েছে” সে মাসজিদ সম্পর্কে আপনার পিতাকে আপনি কিরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, তার কোন এক স্ত্রীর ঘরে আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমি বললাম হে আল্লাহর রসুল! সে মাসজিদ কোনটি যার ভিত্তি তাক্বওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? রাবী (আবু সাঈদ) বলেন, তিনি একমুষ্টি কাঁকর তুলে তা জমিনের বুকে নিক্ষেপ করলেন, অতঃপর বললেন, “তা তোমাদের এ মাসজিদ মদীনার মাসজিদ।” রাবী (আবু সালামাহ্) বলেন, এখন আমি বললাম, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চিত আমিও আপনার পিতাকে এভাবেই ঐ মাসজিদের উল্লেখ করতে শুনেছি। (ই.ফা. ৩২৫৩, ই.সে. ৩২৫০)


সহিহ মুসলিম ৩২৭৯

وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَعَوْنُ بْنُ سَلاَّمٍ، - قَالَ عَوْنٌ أَخْبَرَنَا وَقَالَ ابْنُ يُونُسَ، وَاللَّفْظُ، لَهُ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، - قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ خَبَّابٍ، قَالَ أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ حَرَّ الرَّمْضَاءِ فَلَمْ يُشْكِنَا ‏.‏ قَالَ زُهَيْرٌ قُلْتُ لأَبِي إِسْحَاقَ أَفِي الظُّهْرِ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قُلْتُ أَفِي تَعْجِيلِهَا قَالَ نَعَمْ ‏.‏

আবু সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবু সা’ঈদ (রাঃ) থেকে এ সানাদে উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্নীত হয়েছে। কিন্তু এ সানাদের মধ্যে ‘আব্দুর রহমান ইবনু আবু সা’ঈদের নাম উল্লেখিত হয়নি। (ই.ফা. ৩২৫৪, ই.সে. ৩২৫১)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية