মাদীনার ফাযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মাদীনার হারামের সীমা - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > মাদীনার ফাযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মাদীনার হারামের সীমা

সহিহ মুসলিম ৩২০৪

وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ بِلاَلٌ يُؤَذِّنُ إِذَا دَحَضَتْ فَلاَ يُقِيمُ حَتَّى يَخْرُجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا خَرَجَ أَقَامَ الصَّلاَةَ حِينَ يَرَاهُ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আসিম থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারাম বানিয়েছেন এবং এখানকার বাসিন্দাদের জন্য দু’আ করেছেন। আর আমি নিশ্চয়ই মাদীনাকে হারামে পরিণত করলাম ঠিক যেভাবে ইবরাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারামে পরিণত করেছেন। আমি এখানকার মুদ্দ ও সা’ (ওজন পরিমাপের দু’টি একক) এর জন্য দু’আ করলাম যেরূপ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কার অধিবাসীদের জন্য দু’আ করেছেন। (ই.ফা. ৩১৭৯, ই.সে. ৩১৭৬)


সহিহ মুসলিম ৩২০৫

وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ بِلاَلٌ يُؤَذِّنُ إِذَا دَحَضَتْ فَلاَ يُقِيمُ حَتَّى يَخْرُجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا خَرَجَ أَقَامَ الصَّلاَةَ حِينَ يَرَاهُ ‏.‏

‘আমর ইবনু ইয়াহ্ইয়া আল মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৮০, ই.সে. ৩১৭৭)


সহিহ মুসলিম ৩২০৬

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلاَةِ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلاَةَ ‏" ‏ ‏‏

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারামে পরিণত করেছেন, আর আমি দু’টি কৃষ্ণ প্রস্তরময় ভূমির মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম ঘোষণা করছি। তিনি মাদীনাকে বুঝিয়েছেন। (ই.ফা. ৩১৮১, ই.সে. ৩১৭৮)


সহিহ মুসলিম ৩২০৭

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلاَةِ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلاَةَ ‏" ‏ ‏‏

নাফি’ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান ইবনু হাকাম লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি মাক্কাহ্ ও তার বাসিন্দা এবং এর হারামের মর্যাদা সম্পর্কে উল্লেখ করলেন। তখন রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) তাকে ডাক দিয়ে বললেন, কী ব্যাপার! আমি আপনাকে মাক্কাহ্, তার অধিবাসী এবং তার হারামের মর্যাদা সম্পর্কে উল্লেখ করতে শুনছি, অথচ মাদীনাহ্, তার অধিবাসী এবং তার হারামের মর্যাদা সম্পর্কে আপনি কিছুই বলেননি; অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার দু’প্রান্তের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এ হাদীস আমাদের নিকট একটি খাওলানী চামড়ায় লিপিবদ্ধ আছে। আপনি চাইলে আমি তা আপনার সামনে পড়ে শোনাতে পারি। রাবী বলেন, মারওয়ান চুপ হয়ে গেলেন, অতঃপর বললেন, অবশ্য আমিও এ রকম কিছু শুনেছি। (ই.ফা. ৩১৮২, ই.সে. ৩১৭৯)


সহিহ মুসলিম ৩২০৮

وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلاَةِ مَعَ الإِمَامِ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلاَةَ ‏" ‏ ‏‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কার হারাম নির্ধারণ করেছেন, আর আমি মাদীনাকে হারাম বলে ঘোষণা করছি- এর দু’প্রান্তের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশকে। অতএবং এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছও কাটা যাবে না এবং এখানকার জীবজন্তুও শিকার করা যাবে না। (ই.ফা. ৩১৮৩, ই.সে. ৩১৮০)


সহিহ মুসলিম ৩২০৯

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، وَالأَوْزَاعِيِّ، وَمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، وَيُونُسَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، قَالَ وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، جَمِيعًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ مِنْهُمْ ‏‏ مَعَ الإِمَامِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلاَةَ كُلَّهَا ‏"‏ ‏.‏"

‘আমির ইবনু সা’ঈদ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি মাদীনার দু’ পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশকে হারাম বলে ঘোষণা দিচ্ছি। এখানকার কাঁটাযুক্ত গাছও কাটা যাবে না এবং এখানকার জীবজন্তুও শিকার করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, মাদীনাহ্ তার অধিবাসীদের জন্য কল্যাণকর স্থান, যদি তারা বুঝে। যে ব্যক্তি অনাগ্রহবশতঃ মাদীনাহ্ ত্যাগ করে, আল্লাহ তার চাইতে উত্তম ব্যক্তিকে তার স্থলবর্তী করেন। আর যে ব্যক্তি এখানে ক্ষুধা ও কষ্টের সময় ধৈর্যধারণ করে, আমি তার জন্য ক্বিয়ামাতের দিন শাফা’আতকারী অথবা বলেছেন, সাক্ষী হব। (ই.ফা. ৩১৮৪, ই.সে. ৩১৮১)


সহিহ মুসলিম ৩২১০

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، وَالأَوْزَاعِيِّ، وَمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، وَيُونُسَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، قَالَ وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، جَمِيعًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ مِنْهُمْ ‏‏ مَعَ الإِمَامِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلاَةَ كُلَّهَا ‏"‏ ‏.‏"

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তৎপরবর্তী অংশ উপরোক্ত ইবনু নুমায়রের অনুরূপ। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত আছে যে, [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন] যে ব্যক্তিই মাদীনাবাসীদের ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করবে আল্লাহ তা’আলা তাকে জাহান্নামের আগুনে এমনভাবে বিগলিত করবেন, যেভাবে আগুনের তাপে সীসা গলে যায় অথবা লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। (ই.ফা. ৩১৮৫, ই.সে. ৩১৮২)


সহিহ মুসলিম ৩২১১

وَحَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنَا عُرْوَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ح قَالَ وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، كِلاَهُمَا عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، - وَالسِّيَاقُ لِحَرْمَلَةَ - قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَهُ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الْعَصْرِ سَجْدَةً قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ أَوْ مِنَ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ فَقَدْ أَدْرَكَهَا ‏" ‏ ‏‏ وَالسَّجْدَةُ إِنَّمَا هِيَ الرَّكْعَةُ ‏‏

‘আমির ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ (রাঃ) আল-‘আক্বীক্বে তার আবাসে রওনা হলেন। পথিমধ্যে তিনি একটি ক্রীতদাসকে একটি গাছ কাটতে অথবা (লাঠি দিয়ে) এর পাতা ঝরাতে দেখলেন। অতএব তিনি তার অস্ত্র কেড়ে নিলেন। তিনি ফিরে এলে ঐ গোলামের মনিব এসে তার সাথে আলাপ করলেন এবং তাদের গোলামের নিকট থেকে তিনি যা কেড়ে নিয়েছেন তা তাদের কাছে অথবা তাদের গোলামের কাছে ফেরত দিতে অনুরোধ করলেন। তিনি বললেন, যে জিনিস রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে উপহার স্বরূপ দিয়েছেন তা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি। অতএবং তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করলেন। (ই.ফা. ৩১৮৬, ই.সে. ৩১৮৩)


সহিহ মুসলিম ৩২১২

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، وَعَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، وَعَنِ الأَعْرَجِ، حَدَّثُوهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ وَمَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْعَصْرَ ‏" ‏ ‏

‘আম্‌র ইবনু আবূ ‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ) কে বললেনঃ তোমাদের বালকদের মধ্য থেকে একজন বালক আমার খিদমাতের জন্য খুজে আন। অতএব আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ) আমাকে বাহনে তাঁর পিছনে বসিয়ে রওনা হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই (বাহন থেকে) নামতেন, আমি তাঁর প্রয়োজনীয় সেবা করতাম। এ হাদীসে তিনি আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অগ্রসর হতে থাকলেন এবং উহুদ পাহাড় তাঁর দৃষ্টিগোচর হল- তিনি বললেনঃ “এ পাহাড় আমাদের ভালোবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি”। তিনি যখন মাদীনার নিকটবর্তী হলেন তখন বললেনঃ “হে আল্লাহ! তাদের (মাদীনার অধিবাসীদের) মুদ্দ ও সা’-এ বারাকাত দান করুন”। (ই.ফা. ৩১৮৭, ই.সে. ৩১৮৪)


সহিহ মুসলিম ৩২১৩

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، وَعَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، وَعَنِ الأَعْرَجِ، حَدَّثُوهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ وَمَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْعَصْرَ ‏" ‏ ‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূ্ত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আমি মাদীনার দু’ প্রান্তের কংকরময় মাঠের মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম করছি।” (ই.ফা. ৩১৮৮, ই.সে. ৩১৮৫)


সহিহ মুসলিম ৩২১৪

وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، ‏.

‘আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মাদীনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এখান থেকে ওখানের মধ্যবর্তী স্থান। অতএব যে ব্যক্তি এখানে কোন পাপ করে, তিনি পুণরায় আমাকে বললেন, তা খুবই ভয়ংকর ব্যাপার যে, এখানে কোন পাপ করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালাক্ব এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা তাঁর ফরয অথবা নফল কোন ‘ইবাদাতই কবুল করবেন না। [৩৮] রাবী বলেন, আনাস (রাঃ)-এর পুত্র বললেন, “অথবা যে কোন পাপীকে আশ্রয় দিল”। (ই.ফা. ৩১৮৯, ই.সে. ৩১৮৬)


সহিহ মুসলিম ৩২১৫

وَحَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الْعَصْرِ رَكْعَةً قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ وَمَنْ أَدْرَكَ مِنَ الْفَجْرِ رَكْعَةً قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ ‏" ‏ ‏‏

‘আসিম আল আহওয়ার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মাদীনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ, তা হারাম। অতএব এখানকার উদ্ভিদ উপড়ানো যাবে না। যে বক্তি তা করবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালাক্ব এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। (ই.ফা. ৩১৯০, ই.সে. ৩১৮৭)


সহিহ মুসলিম ৩২১৬

وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ سَمِعْتُ مَعْمَرًا، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: হে আল্লাহ! তাদের বারাকাত দান করুন দাঁড়িপাল্লায়, তাদের সা’-এ এবং তাদের মুদ্দ-এ। (ই.ফা. ৩১৯১, ই.সে. ৩১৮৮)


সহিহ মুসলিম ৩২১৭

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا ابْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخَّرَ الْعَصْرَ شَيْئًا فَقَالَ لَهُ عُرْوَةُ أَمَا إِنَّ جِبْرِيلَ قَدْ نَزَلَ فَصَلَّى إِمَامَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ اعْلَمْ مَا تَقُولُ يَا عُرْوَةُ ‏.‏ فَقَالَ سَمِعْتُ بَشِيرَ بْنَ أَبِي مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ نَزَلَ جِبْرِيلُ فَأَمَّنِي فَصَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ‏" ‏ ‏‏ يَحْسُبُ بِأَصَابِعِهِ خَمْسَ صَلَوَاتٍ ‏‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন : “হে আল্লাহ! আপনি মাক্কাতে বারাকাত দান করেছেন, মাদীনায় তার দ্বিগুণ বারাকাত দান করুন”। (ই.ফা. ৩১৯২, ই.সে. ৩১৮৯)


সহিহ মুসলিম ৩২১৮

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا وَهُوَ بِالْكُوفَةِ فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا هَذَا يَا مُغِيرَةُ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ ‏ ‏ بِهَذَا أُمِرْتُ ‏" ‏ ‏‏ فَقَالَ عُمَرُ لِعُرْوَةَ انْظُرْ مَا تُحَدِّثُ يَا عُرْوَةُ أَوَإِنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ هُوَ أَقَامَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقْتَ الصَّلاَةِ فَقَالَ عُرْوَةُ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ ‏‏

ইব্রাহীম আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আমাদের (আহলে বায়ত) কাছে আল্লাহ্‌র কিতাব ছাড়া যা আমরা পাঠ করি এবং এ সহীফাহ্ রাবী বলেন, অর্থাৎ ঐ সহীফাহ্ যা তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত ছিল তা ছাড়া কিছু আছে, সে মিথ্যা বলে। এ সহীফায় উটের বয়স [৩৯] এবং কিছু যখমের বর্ণনা ছিল। এর মধ্যে আরও ছিল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মাদীনার ‘আয়র ও সাওর এর মধ্যবর্তী স্থান হারাম। এখানে যে ব্যক্তি কোন বিদ’আতী কর্মে লিপ্ত হয় অথবা কোন বিদ্’আতীতে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকার ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তার কোন ফারয ও নফল ‘ইবাদাত কবূল করবেন না। মুসলিমদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদানে সকলে সমান। তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকর। যে অন্য পিতার সাথে নিজ বংশ দাবী করে অথবা নিজ মুনীবের পরিবর্তে অন্য মুনীবের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। আল্লাহ তা’আলা ক্বিয়ামাতরে দিন তার ফরয বা নফল কোন ‘ইবাদাতই গ্রহণ করবেন না। রাবী বলেন, আবূ বকর ও যুহায়রের হাদীস শেষ হয়ে গেছে “তাদের নিন্মস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকরী” এ কথা পর্যন্ত। তারা এর পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি। তাদের উভয়ের বর্ণনায় “তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত” কথাটুকু উল্লেখিত হয়নি। (ই.ফা. ৩১৯৩, ই.সে. ৩১৯০)


সহিহ মুসলিম ৩২১৯

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا وَهُوَ بِالْكُوفَةِ فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا هَذَا يَا مُغِيرَةُ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ ‏ ‏ بِهَذَا أُمِرْتُ ‏" ‏ ‏‏ فَقَالَ عُمَرُ لِعُرْوَةَ انْظُرْ مَا تُحَدِّثُ يَا عُرْوَةُ أَوَإِنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ هُوَ أَقَامَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقْتَ الصَّلاَةِ فَقَالَ عُرْوَةُ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ ‏‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে উল্লেখ আছে “যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের সাথে (নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পর) বিশ্বাসঘাতকতা করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকার ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নাফল কোন ‘ইবাদাতই কবূল করা হবে না। তাদের (‘আলী ও ওয়াকী’) উভয়ের বর্ণনায় “যে ব্যক্তি নিজ পিতৃ পরিচয়ের পরিবর্তে অন্য পিতৃ পরিচয়ের দাবী করে” কথাটুকুর উল্লেখ এবং ওয়াকী’র বর্ণনায় “ক্বিয়ামাতের দিন” কথাটুকুর উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩১৯৪, ই.সে. ৩১৯১)


সহিহ মুসলিম ৩২২০

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا وَهُوَ بِالْكُوفَةِ فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا هَذَا يَا مُغِيرَةُ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ ‏ ‏ بِهَذَا أُمِرْتُ ‏" ‏ ‏‏ فَقَالَ عُمَرُ لِعُرْوَةَ انْظُرْ مَا تُحَدِّثُ يَا عُرْوَةُ أَوَإِنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ هُوَ أَقَامَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقْتَ الصَّلاَةِ فَقَالَ عُرْوَةُ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ ‏‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূ্ত্রে ইবনু মুসহির ও ওয়াকী’র হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এদের বর্ণনায় “গোলাম নিজের মুনীবের পরিবর্তে অন্যকে নিজের মুনীব বলে পরিচয় দেয়” কথাটুকু নেই। আর তার প্রতি লা’নাতের কথা উল্লেখিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৯৫, ই.সে. ৩১৯২)


সহিহ মুসলিম ৩২২১

قَالَ عُرْوَةُ وَلَقَدْ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ، زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا قَبْلَ أَنْ تَظْهَرَ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মাদীনাহ্ হারাম। অতএব, যে এখানে কোন পাপে লিপ্ত হয় অথবা কোন পাপীকে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকাহ্ এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নফল (কিছুই) কবূল করা হবে না। (ই.ফা. ৩১৯৬, ই.সে. ৩১৯৩)


সহিহ মুসলিম ৩২২২

قَالَ عُرْوَةُ وَلَقَدْ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ، زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا قَبْلَ أَنْ تَظْهَرَ ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি ‘ক্বিয়ামাতের দিন’ কথাটুকু বলেননি। তিনি বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন, “মুসলিমদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদানে সকলে সমান। তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তা ও কার্যকর। কেউ যদি মুসলিম প্রদত্ত নিরাপত্তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকাহ্ এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নফল কিছুই কবূল হবে না। (ই.ফা. ৩১৯৭, ই.সে. ৩১৯৪)


সহিহ মুসলিম ৩২২৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ طَالِعَةٌ فِي حُجْرَتِي لَمْ يَفِئِ الْفَىْءُ بَعْدُ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ لَمْ يَظْهَرِ الْفَىْءُ بَعْدُ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যদি মাদীনায় হরিণ বিচরণ করতে দেখি তবে তাকে ভয় দেখাব না। (কেননা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাদীনার দু’ পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশ হারাম। (ই.ফা. ৩১৯৮, ই.সে. ৩১৯৫)


সহিহ মুসলিম ৩২২৪

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ طَالِعَةٌ فِي حُجْرَتِي لَمْ يَفِئِ الْفَىْءُ بَعْدُ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ لَمْ يَظْهَرِ الْفَىْءُ بَعْدُ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার দু’পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশ হারাম ঘোষণা করেছেন। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি যদি মাদীনার দু’পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশে হরিণ বিচরণ করতে দেখি, তবে আমি তাকে উত্যক্ত করব না এবং তিনি মাদীনার চারপাশের বারো মাইল পর্যন্ত চরণভূমি ঘোষণা করেছেন। (ই.ফা. ৩১৯৯, ই.সে. ৩১৯৬)


সহিহ মুসলিম ৩২২৫

وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا لَمْ يَظْهَرِ الْفَىْءُ فِي حُجْرَتِهَا ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা যখন প্রথম (পাকা) ফল দেখতে পেত, তা নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসত এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তা গ্রহণ করতেন তখন তিনি নিম্নোক্ত দু’আ পড়তেন : “হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ফলে (বা উৎপন্ন ফসলে) বারাকাত দান করুন, আমাদের মাদীনায় বারাকাত দান করুন, আমাদের সা’-এ বারাকাত দান করুন এবং আমাদের মুদ্দ-এ বারাকাত দান করুন। হে আল্লাহ! নিশ্চয় ইব্রাহীম (‘আঃ) আপনার বান্দা, প্রিয় বন্ধু ও নবী। আর আমিও আপনার বান্দা ও নবী। তিনি মাক্কার জন্য আপনার নিকট দু’আ করেছেন। আমিও আপনার নিকট মাদীনার জন্য দু’আ করছি- যেমন তিনি মাক্কার জন্য আপনার নিকট দু’আ করেছিলেন এবং তার সাথে অনুরূপ আরও কিছু”। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি কোন শিশুকে ডাকতেন এবং তাকে এ ফল দিয়ে দিতেন। (ই.ফা. ৩২০০, ই.সে. ৩১৯৭)


সহিহ মুসলিম ৩২২৬

وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا لَمْ يَظْهَرِ الْفَىْءُ فِي حُجْرَتِهَا ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মৌসুমের প্রথম ফল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেয়া হত। তিনি তখন বলতেন : “হে আল্লাহ! আমাদের মাদীনায়, আমাদের ফলে (বা উৎপন্ন ফসলে), আমাদের মুদ্দ-এ ও আমাদের সা’-এ বারাকাত দান করুন, বারাকাতের উপর বারাকাত দান করুন”। অতঃপর তিনি ফলটি তাঁর নিকট উপস্থিত সবচেয়ে শিশুকে দিয়ে দিতেন। (ই.ফা. ৩২০১, ই.সে. ৩১৯৮)


সহিহ মুসলিম > মাদীনাতে বসবাস করার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও এর বিপদে ধৈর্য ধারণ করা

সহিহ মুসলিম ৩২২৭

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ وَاقِعَةٌ فِي حُجْرَتِي ‏.‏

আবূ সা’ঈদ মাওলা আল মাহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা মাদীনায় কষ্ট ও দুঃখে পতিত হন। তিনি আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে বললেন, আমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনেক এবং আমরা দুঃখ দুর্দশার সম্মুখীন হয়েছি। তাই আমি আমার পরিবারকে কোন শস্য শ্যামল এলাকায় স্থানান্তরের মনস্থ করেছি। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বললেন, তা করো না বরং মাদীনাকে আঁকড়ে থাক। কারণ, একদা আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বের হলাম, আমার মনে হয়, তিনি এও বলেছেন যে, এবং ‘উস্ফান পর্যন্ত পৌঁছলেন। এখানে তিনি কয়েক রাত অবস্থান করলেন। লোকেরা বলল, আল্লাহর কসম! আমরা এখানে অযথা সময় নষ্ট করছি। অথচ আমাদের পরিবার পরিজন আমাদের পশ্চাতে নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছে এবং আমরা তাদের (নিরাপত্তার) ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারছি না। এ কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বলেনঃ কী ব্যাপার, তোমাদের এ কথা আমার নিকটে পৌঁছেছে। রাবী বলেন, আবূ সা’ঈদ (রাঃ) কথাটা কিভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছেন তা আমার হুবহু মনে নেই। সে সত্তার নামে শপথ অথবা সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! অবশ্য আমি মনস্থ করেছি, অথবা যদি তোমরা চাও- রাবী বলেন, আবূ সা’ঈদ (রাঃ) কোন্টি বলেছেন তা আমার সঠিক মনে নেই। তবে আমি নিশ্চত আমার উষ্ট্রীকে অগ্রসর হবার নির্দেশ দিব এবং মাদীনায় পৌঁছা পর্যন্ত তার একটি গিটও খুলব না। (যাত্রা বিরতি করব না)। অতঃপর তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! নিশ্চয় ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন এবং তা পবিত্র ও সম্মানিত হয়েছে। আর আমি মাদীনাকে হারাম ঘোষনা করলাম- যা দু’পাহাড়ের (‘আয়র ও উহুদ) মধ্যস্থলে অবস্থিত। অতএবং এখানে রক্তপাত করা যাবে না, এখানে যুদ্ধের উদ্দেশে অস্ত্রবহন করা যাবে না এবং পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্য ব্যতীত গাছপালার পাতাও পাড়া যাবে না। হে আল্লাহ! আমাদের এ শহরে বারাকাত দান করুন, হে আল্লাহ! আমাদের সা’-এ বারাকাত দান করুন, হে আল্লাহ! আমাদের মুদ্দ-এ বারাকাত দান করুন, হে আল্লাহ! বারাকাতের সাথে আমাদের আরো দু’টি বারাকাত দান করুন। সে সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! মাদীনার এমন কোন প্রবেশ পথ বা গিরি পথ, বা পাহাড়ের পথ নেই যেখানে তোমাদের মাদীনায় ফিরে আসা পর্যন্ত দু’জন করে মালাক পাহারায় নিযুক্ত নেই। পুনরায় তিনি লোকদের উদ্দেশে বললেন, “তোমরা রওনা হও”। অতএব আমরা রওনা হলাম এবং মাদীনাহ্ এসে পৌঁছলাম। সে সত্তার শপথ যাঁর নামে আমরা শপথ করি অথবা যাঁর নামে শপথ করা হয়- হাম্মাদ তাঁর ঊর্দ্ধতন রাবী কোন্টি বলেছেন সে সম্বন্ধে সন্দেহে পড়েছেন। আমরা মাদীনাহ্ প্রবেশ করে বাহনের পিঠের হাওদা তখনও খুলিনি- ইত্যবসরে ‘আবদুল্লাহ ইবনু গাত্বফান গোত্রের লোকেরা আমাদের উপর অতর্কিতে আক্রমণ করে, অথচ ইতোপূর্বে এরূপ কিছু করার দুঃসাহস তাদের হয়নি। (ই.ফা. ৩২০২, ই.সে. ৩১৯৯)


সহিহ মুসলিম ৩২২৮

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ وَاقِعَةٌ فِي حُجْرَتِي ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, হে আল্লাহ! আমাদের মুদ্দ ও সা’-এ বারাকাত দিন এবং বারাকাতের সাথে আরও দু’টি বারাকাত দান করুন। (ই.ফা. ৩২০৩, ই.সে. ৩২০০)


সহিহ মুসলিম ৩২২৯

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ وَاقِعَةٌ فِي حُجْرَتِي ‏.‏

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূ্ত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২০৪, ই.সে. ৩২০১)


সহিহ মুসলিম ৩২৩০

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ وَاقِعَةٌ فِي حُجْرَتِي ‏.‏

আবূ সা’ঈদ মাওলা আল মাহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল হাররার রাতগুলোতে আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)-এর নিকট এলেন এবং মাদীনাহ্ থেকে (কোথাও) চলে যাওয়ার পরামর্শ করলেন। তিনি তাঁর কাছে এখানকার দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও নিজের বৃহৎ পরিবারের অভিযোগ করলেন। তিনি তাঁকে আরও জানালেন যে, তিনি এখানকার ক্লেশ ও রুক্ষ আবহাওয়া বরদাশ্ত করতে পারছেন না। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) তাঁকে বললেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়, আমি তোমাকে মাদীনাহ্ ত্যাগের পরামর্শ দিতে পারি না। কারণ, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি এখানকার কষ্ট সহ্য করে মৃত্যুবরণ করবে, ক্বিয়ামাতের দিন অবশ্যই আমি তার জন্য শাফা’আত করব অথবা সাক্ষী হব, যদি সে মুসলিম হয়ে থাকে। (ই.ফা. ৩২০৫, ই.সে. ৩২০১-৩২০২)


সহিহ মুসলিম ৩২৩১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ وَاقِعَةٌ فِي حُجْرَتِي ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন : মাদীনার দু’প্রান্তের প্রস্তরময় ভূমির মধ্যবর্তী স্থানকে আমি হারাম ঘোষণা করছি, যেমন ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। (অধঃস্তন রাবী) ‘আবদুর রহমান বলেন, অতঃপর আবূ সা’ঈদ (রাঃ) যদি আমাদের কারও হাতে পাখি দেখতে পেতেন তবে তিনি তার হাত থেকে পাখিকে মুক্ত করে ছেড়ে দিতেন। (ই.ফা. ৩২০৬, ই.সে. ৩২০৩)


সহিহ মুসলিম ৩২৩২

حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا مُعَاذٌ، - وَهُوَ ابْنُ هِشَامٍ - حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ إِذَا صَلَّيْتُمُ الْفَجْرَ فَإِنَّهُ وَقْتٌ إِلَى أَنْ يَطْلُعَ قَرْنُ الشَّمْسِ الأَوَّلُ ثُمَّ إِذَا صَلَّيْتُمُ الظُّهْرَ فَإِنَّهُ وَقْتٌ إِلَى أَنْ يَحْضُرَ الْعَصْرُ فَإِذَا صَلَّيْتُمُ الْعَصْرَ فَإِنَّهُ وَقْتٌ إِلَى أَنْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ فَإِذَا صَلَّيْتُمُ الْمَغْرِبَ فَإِنَّهُ وَقْتٌ إِلَى أَنْ يَسْقُطَ الشَّفَقُ فَإِذَا صَلَّيْتُمُ الْعِشَاءَ فَإِنَّهُ وَقْتٌ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ ‏" ‏ ‏‏

সাহ্‌ল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত দিয়ে মাদীনার দিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ ঐ স্থান হারাম ও নিরাপদ। (ই.ফা. ৩২০৭, ই.সে. ৩২০৪)


সহিহ মুসলিম ৩২৩৩

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، - وَاسْمُهُ يَحْيَى بْنُ مَالِكٍ الأَزْدِيُّ وَيُقَالُ الْمَرَاغِيُّ وَالْمَرَاغُ حَىٌّ مِنَ الأَزْدِ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ وَقْتُ الظُّهْرِ مَا لَمْ يَحْضُرِ الْعَصْرُ وَوَقْتُ الْعَصْرِ مَا لَمْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ وَوَقْتُ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَسْقُطْ ثَوْرُ الشَّفَقِ وَوَقْتُ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ وَوَقْتُ الْفَجْرِ مَا لَمْ تَطْلُعِ الشَّمْسُ ‏" ‏ ‏‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় এলাম এবং তা ছিল অস্বাস্থ্যকর স্থান। আবূ বকর (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণের অসুস্থতা লক্ষ্য করে দু’আ করলেন : “হে আল্লাহ! মাদীনাকে আমাদের জন্য প্রিয় স্থান করুন যেমন মাক্কাকে প্রিয় স্থান করেছেন অথবা আরও অধিক, তাকে স্বাস্থ্যকর স্থানে পরিণত করুন, আমাদের জন্য এখানকার সা’ ও মুদ্দ-এ বারাকাত দান করুন এবং জ্বর জুহফায় সরিয়ে দিন”। (ই.ফা. ৩২০৮, ই.সে. ৩২০৫)


সহিহ মুসলিম ৩২৩৪

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، - وَاسْمُهُ يَحْيَى بْنُ مَالِكٍ الأَزْدِيُّ وَيُقَالُ الْمَرَاغِيُّ وَالْمَرَاغُ حَىٌّ مِنَ الأَزْدِ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ وَقْتُ الظُّهْرِ مَا لَمْ يَحْضُرِ الْعَصْرُ وَوَقْتُ الْعَصْرِ مَا لَمْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ وَوَقْتُ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَسْقُطْ ثَوْرُ الشَّفَقِ وَوَقْتُ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ وَوَقْتُ الْفَجْرِ مَا لَمْ تَطْلُعِ الشَّمْسُ ‏" ‏ ‏‏

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২০৯, ই.সে. ৩২০৬).


সহিহ মুসলিম ৩২৩৫

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِمَا قَالَ شُعْبَةُ رَفَعَهُ مَرَّةً وَلَمْ يَرْفَعْهُ مَرَّتَيْنِ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি এখানকার দুঃখ কষ্ট সহ্য করে আমি ক্বিয়ামাতের দিন অবশ্যই তার জন্য শাফা’আত করব অথবা তার পক্ষে সাক্ষী হব। (ই.ফা. ৩২১০, ই.সে. ৩২০৭)


সহিহ মুসলিম ৩২৩৬

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِمَا قَالَ شُعْبَةُ رَفَعَهُ مَرَّةً وَلَمْ يَرْفَعْهُ مَرَّتَيْنِ ‏.‏

যুবায়রের আযাদকৃত গোলাম ইউহান্নিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ফিৎনার সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। তার নিকট তার এক আযাদকৃত বাঁদী সালাম দিয়ে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমি (মাদীনাহ্ থেকে) বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করছি। আমাদের উপর দিয়ে কঠিন সময় অতিবাহিত হচ্ছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাকে বললেন, বোকা মেয়ে, থেকে যাও। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : “যে ব্যক্তি মাদীনার দুঃখ কষ্ট ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করবে আমি ক্বিয়ামাতের দিন তার পক্ষে সাক্ষী হব অথবা তার শাফা’আতকারী হব। (ই.ফা. ৩২১১, ই.সে. ৩২০৮)


সহিহ মুসলিম ৩২৩৭

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِمَا قَالَ شُعْبَةُ رَفَعَهُ مَرَّةً وَلَمْ يَرْفَعْهُ مَرَّتَيْنِ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি এখানকার দুঃখকষ্ঠ ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করে আমি ক্বিয়ামাতের দিন তার পক্ষে সাক্ষী হব অথবা তার শাফা’আতকারী হব। ‘এখানকার’ বলতে মাদীনাকে বুঝানো হয়েছে। (ই.ফা. ৩২১২, ই.সে. ৩২০৯)


সহিহ মুসলিম ৩২৩৮

وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ وَقْتُ الظُّهْرِ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ وَكَانَ ظِلُّ الرَّجُلِ كَطُولِهِ مَا لَمْ يَحْضُرِ الْعَصْرُ وَوَقْتُ الْعَصْرِ مَا لَمْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ وَوَقْتُ صَلاَةِ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَغِبِ الشَّفَقُ وَوَقْتُ صَلاَةِ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ الأَوْسَطِ وَوَقْتُ صَلاَةِ الصُّبْحِ مِنْ طُلُوعِ الْفَجْرِ مَا لَمْ تَطْلُعِ الشَّمْسُ فَإِذَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَأَمْسِكْ عَنِ الصَّلاَةِ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মতের যে ব্যক্তি মাদীনার দুঃখকষ্ট ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করবে, তার জন্যই আমি ক্বিয়ামাতের দিন শাফা’আতকারী হব অথবা তার পক্ষে সাক্ষী হব। (ই.ফা. ৩২১৩, ই.সে. ৩২১০)


সহিহ মুসলিম ৩২৩৯

وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ وَقْتُ الظُّهْرِ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ وَكَانَ ظِلُّ الرَّجُلِ كَطُولِهِ مَا لَمْ يَحْضُرِ الْعَصْرُ وَوَقْتُ الْعَصْرِ مَا لَمْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ وَوَقْتُ صَلاَةِ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَغِبِ الشَّفَقُ وَوَقْتُ صَلاَةِ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ الأَوْسَطِ وَوَقْتُ صَلاَةِ الصُّبْحِ مِنْ طُلُوعِ الْفَجْرِ مَا لَمْ تَطْلُعِ الشَّمْسُ فَإِذَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَأَمْسِكْ عَنِ الصَّلاَةِ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২১৪, ই.সে. ৩২১১)


সহিহ মুসলিম ৩২৪০

وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ وَقْتُ الظُّهْرِ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ وَكَانَ ظِلُّ الرَّجُلِ كَطُولِهِ مَا لَمْ يَحْضُرِ الْعَصْرُ وَوَقْتُ الْعَصْرِ مَا لَمْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ وَوَقْتُ صَلاَةِ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَغِبِ الشَّفَقُ وَوَقْتُ صَلاَةِ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ الأَوْسَطِ وَوَقْتُ صَلاَةِ الصُّبْحِ مِنْ طُلُوعِ الْفَجْرِ مَا لَمْ تَطْلُعِ الشَّمْسُ فَإِذَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَأَمْسِكْ عَنِ الصَّلاَةِ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মাদীনার দুঃখকষ্টের উপর ধৈর্যধারণ করবে ...। অবশিষ্টাংশ আগের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩২১৫, ই.সে. ৩২১২)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية