সহিহ মুসলিম > কুরবানীর পশু পথিমধ্যে অচল হয়ে পড়লে কী করতে হবে?
সহিহ মুসলিম ৩১০৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ بُدَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَتَعَوَّذُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ جَهَنَّمَ وَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ .
মূসা ইবনু সালামাহ্ আল হুযালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি সিনান ইবনু সালামাহ্ ‘উমরাহ্ পালনের জন্য রওনা হলাম। সিনানের একটি কুরবানীর উট ছিল। সে পশুটি হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে পশুটি অচল হয়ে পড়লে এ ব্যাপারে সে অসহায় ও চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ল এবং (মনে মনে বলল) এ যদি সামনে অগ্রসর হতে না পারে, তবে এটাকে কি করে গন্তব্যস্থলে নেয়া যাবে? সে বলল, যদি মাক্কাহ্ পর্যন্ত পৌছাতে পারতাম তবে এ সম্পর্কে ভালরূপে মাসাআলাহ্ জেনে নিতাম। রাবী বলেন, আমরা দিনের প্রথমভাগে আবার চলতে শুরু করলাম এবং ‘বাত্বহা’ নামক স্থানে যাত্রা বিরতি করলাম। সিনান বলল, চল আমরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে (বিষয়টি) আলোচনা করি। ‘রাবী বলেন, সিনান তার নিকটে নিজের উটের কথা বর্ণনা করল। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তুমি উত্তমরূপে অবহিত ব্যক্তির নিকটই বিষটি বর্ণনা করেছ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির মাধ্যমে ষোলটি উট (মাক্কার হারামে) পাঠালেন এবং তাকে এগুলোর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করলেন। রাবী বলেন, সে রওনা হয়ে গেল এবং পুনরায় ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি এর মধ্যকার কোন পশু চলচ্ছক্তিহীন হয়ে পড়ে, তবে কি করব? তিনি বললেনঃ তা যাবাহ কর এবং এর (গলায় বাঁধা) জুতা জোড়া রক্তে রঞ্জিত করে এর কুঁজের উপর রেখে দাও। এর গোশত তুমি খাবে না, তোমার সঙ্গীদের কেউও খাবে না। (ই.ফা. ৩০৮২, ই.সে. ৩০৭৯)
সহিহ মুসলিম ৩১০৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ بُدَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَتَعَوَّذُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ جَهَنَّمَ وَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে আঠারটি উট (কুরবানীর জন্য মাক্কার হারামে) পাঠেলেন। .... অবশিষ্ট ‘আবদুল ওয়ারিশের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ সানাদে হাদীসের প্রথমাংশের (সিনানের সাথে সংশ্লিষ্ট) ঘটনা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩০৮৩, ই.সে. ৩০৮০)
সহিহ মুসলিম ৩১০৯
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، - فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ - عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعَلِّمُهُمْ هَذَا الدُّعَاءَ كَمَا يُعَلِّمُهُمُ السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ يَقُولُ قُولُوا اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ " قَالَ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ بَلَغَنِي أَنَّ طَاوُسًا قَالَ لاِبْنِهِ أَدَعَوْتَ بِهَا فِي صَلاَتِكَ فَقَالَ لاَ قَالَ أَعِدْ صَلاَتَكَ لأَنَّ طَاوُسًا رَوَاهُ عَنْ ثَلاَثَةٍ أَوْ أَرْبَعَةٍ أَوْ كَمَا قَالَ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার নিকট যুআয়ব আবূ ক্ববীসাহ্ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কুরবানীর উটসহ (মাক্কায়) পাঠাতেন এবং বলে দিতেনঃ “এগুলোর মধ্যকার কোন উট দুর্বল হয়ে চলতে অক্ষম হয়ে পড়লে এবং তুমি এর মৃত্যুর আশংকা করলে তা যাবাহ করে দিও। অতঃপর এর (গলায় বাঁধা) জুতা জোড়া রক্ত রঞ্জিত করে এর কুঁজে ছাপ মেরে দিও। তুমি এবং তোমার সঙ্গীদের কেইউ গোশ্ত খাবে না।” (ই.ফা. ৩০৮৪, ই.সে. ৩০৮১)
সহিহ মুসলিম > বিদায়ী ত্বওয়াফ বাধ্যতামূলক কিন্তু ঋতুবতী মহিলার ক্ষেত্রে তা পরিত্যাজ্য
সহিহ মুসলিম ৩১১০
حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ أَبِي عَمَّارٍ، - اسْمُهُ شَدَّادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ - عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلاَتِهِ اسْتَغْفَرَ ثَلاَثًا وَقَالَ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ " قَالَ الْوَلِيدُ فَقُلْتُ لِلأَوْزَاعِيِّ كَيْفَ الاِسْتِغْفَارُ قَالَ تَقُولُ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা বিভিন্ন পথ দিয়ে প্রত্যাবর্তন করছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “কেউই যেন শেষবারের মতো বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ না করা পর্যন্ত প্রত্যাবর্তন না করে।” যুহায়ের বর্ণনায় আরবি (মাঝে) ফী অব্যয়টি উল্লেখিত হয়নি। (ই.ফা.৩০৮৫, ই.সে.৩০৮২)
সহিহ মুসলিম ৩১১১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَلَّمَ لَمْ يَقْعُدْ إِلاَّ مِقْدَارَ مَا يَقُولُ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ " . وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ نُمَيْرٍ " يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ " ."
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকদেরকে (প্রত্যাবর্তনকালে) শেষবারের মত বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু ঋতুবতী মহিলাদেরকে তা থেকে রেহাই দেয়া হয়েছে।(ই.ফা. ৩০৮৬, ই.সে. ৩০৮৩)
সহিহ মুসলিম ৩১১২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَلَّمَ لَمْ يَقْعُدْ إِلاَّ مِقْدَارَ مَا يَقُولُ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ " . وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ نُمَيْرٍ " يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ " ."
ত্বাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কি এ ফাতওয়া দিচ্ছেন যে, হায়যগ্রস্ত মহিলা বিদায়ী ত্বওয়াফ না করেই প্রস্থান করতে পারবে? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তাকে বললেন, যদি আপনি আশ্বস্ত না হতে পারেন, তবে অমুক আনসারী মহিলাকে জিজ্ঞেস করুন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাকে এরূপ নির্দেশ দিয়েছিলেন? ত্বাওস বলেন, যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হাসতে হাসতে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট ফিরে এসে বললেন, আমি মনে করি আপনি সত্য কথাই বলেছেন। (ই.ফা. ৩০৮৭, ই.সে. ৩০৮৪)
সহিহ মুসলিম ৩১১৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة، وعروة، أن عائشة، قالت حاضت صفية بنت حيى بعد ما أفاضت - قالت عائشة - فذكرت حيضتها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أحابستنا هي " . قالت فقلت يا رسول الله إنها قد كانت أفاضت وطافت بالبيت ثم حاضت بعد الإفاضة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فلتنفر" .
আবূ সালামাহ্ ও ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, উম্মুল মু’মিনীন সফিয়্যাহ্ বিনতু হুয়াই (রাঃ) ত্বওয়াফে ইফাযাহ্ করার পর হায়যগ্রস্ত হয়ে পড়লেন। ‘আয়িশা (রাঃ) আরও বলেন, আমি তার হায়িযের কথা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে কি আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সে ত্বওয়াফে ইফাযাহ্ করার পর হায়যগ্রস্ত হয়েছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে সে রওনা হতে পারে। [২৮] (ই.ফা. ৩০৮৮, ই.সে. ৩০৮৫)
সহিহ মুসলিম ৩১১৪
حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، وأحمد بن عيسى، قال أحمد حدثنا وقال، الآخران أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد قالت طمثت صفية بنت حيى زوج النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بعد ما أفاضت طاهرا بمثل حديث الليث .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী সফিয়্যাহ্ বিনতু হুয়াই বিদায় হাজ্জকালে পবিত্র অবস্থায় ত্বওয়াফে ইফযাহ্ করার পর হায়যগ্রস্ত হন।...অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত লায়সের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩০৮৯, ই.সে. ৩০৮৬)
সহিহ মুসলিম ৩১১৫
وحدثنا قتيبة، - يعني ابن سعيد - حدثنا ليث، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا سفيان، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، كلهم عن عبد الرحمن، بن القاسم عن أبيه، عن عائشة، أنها ذكرت لرسول الله صلى الله عليه وسلم أن صفية قد حاضت . بمعنى حديث الزهري .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলেন যে, সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-এর হায়য হয়েছে। অবশিষ্ট যুহরীর হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩০৯০, ই.সে. ৩০৮৭)
সহিহ মুসলিম ৩১১৬
وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا أفلح، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، قالت كنا نتخوف أن تحيض، صفية قبل أن تفيض - قالت - فجاءنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " أحابستنا صفية " . قلنا قد أفاضت . قال " فلا إذا " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আশংকা করছিলাম যে, সফিয়্যাহ্ (রাঃ) ত্বওয়াফে ইফাযাহ্ করার পূর্বেই হায়যগ্রস্ত হয়ে পড়লেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট এলেন এবং বললেনঃ “সফিয়্যাহ্ আমাদের আটকে রাখবে হয়ত।” আমরা বললাম, তিনি ত্বওয়াফে ইফাযাহ্ করেছেন। তিনি বললেনঃ “তাহলে আটকে পড়ার কোন কারণ নেই।” (ই.ফা. ৩০৯১, ই.সে. ৩০৮৮)
সহিহ মুসলিম ৩১১৭
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن أبيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عائشة، أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن صفية بنت حيى قد حاضت . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لعلها تحبسنا ألم تكن قد طافت معكن بالبيت " . قالوا بلى . قال " فاخرجن " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! সফিয়্যাহ্ বিনতু হুইয়াই হায়যগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হয়ত সে আমাদের আটকে রাখবে। সে কি তোমাদের সঙ্গে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেনি? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তবে তোমরা চল। (ই.ফা. ৩০৯২, ই.সে. ৩০৮৯)
সহিহ মুসলিম ৩১১৮
حدثني الحكم بن موسى، حدثني يحيى بن حمزة، عن الأوزاعي، - لعله قال - عن يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن أبي سلمة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أراد من صفية بعض ما يريد الرجل من أهله . فقالوا إنها حائض يا رسول الله . قال " وإنها لحابستنا " . فقالوا يا رسول الله إنها قد زارت يوم النحر . قال " فلتنفر معكم " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কোন পুরুষ স্ত্রীর সাথে সাধারণত যা করার ইচ্ছা করে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-এর সাথে তাই করার ইচ্ছা করলেন। তারা বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি হায়যগ্রস্তা। তিনি বললেন, তাহলে সে তো আমাদের এখানে অবস্থান করতে বাধ্য করবে। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি কুরবানীর দিন (বায়তুল্লাহ-এর) যিয়ারাত করেছেন। তিনি বললেন, তাহলে সে তোমাদের সঙ্গে যাত্রা করুক। (ই.ফা. ৩০৯৩, ই.সে. ৩০৯০)
সহিহ মুসলিম ৩১১৯
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت لما أراد النبي صلى الله عليه وسلم أن ينفر إذا صفية على باب خبائها كئيبة حزينة . فقال " عقرى حلقى إنك لحابستنا " . ثم قال لها " أكنت أفضت يوم النحر " . قالت نعم . قال " فانفري " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রওনা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন সফিয়্যাকে তাঁর তাঁবুর দরজায় চিন্তিতা ও অবসাদগ্রস্তা দেখতে পেলেন। তিনি বললেনঃ বন্ধ্যা নারী! তুমি আমাদের (এখানে) আটকে রাখবে? তিনি পুনরায় তাকে বললেনঃ তুমি কি কুরবানীর দিন (বায়তুল্লাহ) যিয়ারত করেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে রওনা হও। (ই.ফা. ৩০৯৪, ই.সে. ৩০৯১)
সহিহ মুসলিম ৩১২০
وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب عن أبي معاوية، عن الأعمش، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن منصور، جميعا عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . نحو حديث الحكم غير أنهما لا يذكران كئيبة حزينة .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাকামের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘চিন্তিতা’ ও ‘অবসাদগ্রস্তা’ শব্দদ্বয়ের উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩০৯৫, ই.সে. ৩০৯২)