নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময় - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময়

সহিহ মুসলিম ২৯২৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، كِلاَهُمَا عَنْ شَبَابَةَ بْنِ سَوَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، جَمِيعًا عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ্ করেছেন এবং হাজ্জের সাথের ‘উমরাহ্ ব্যতীত সকল ‘উমরাহ্ই যুল ক্বা’দায় করেন। (১) হুদায়বিয়াহ্ থেকে বা হুদায়বিয়ার সময়ের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (২) পরবর্তী বছরের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (৩) জি’রানাহ্ থেকে কৃত ‘উমরাহ, যেখানে হুনায়নের গনীমাতের সম্পদ বণ্টন করা হয়েছিল, সে ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে এবং (৪) আর একটি ‘উমরাহ্ যা হাজ্জের সাথে করেন। (ই.ফা. ২৮৯৯. ই.সে. ২৮৯৮)


সহিহ মুসলিম ২৯২৪

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، كِلاَهُمَا عَنْ شَبَابَةَ بْنِ سَوَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، جَمِيعًا عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.‏

ক্বাতাদাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার হাজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, একবার এবং ‘উমরাহ্‌ করেছেন চারবার।... অবশিষ্ট বর্ণনা হাদ্দাদের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৯০০, ই.সে. ২৮৯৯)


সহিহ মুসলিম ২৯২৫

حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ حَيْوَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، مَوْلَى شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ مَنْ سَمِعَ رَجُلاً يَنْشُدُ ضَالَّةً فِي الْمَسْجِدِ فَلْيَقُلْ لاَ رَدَّهَا اللَّهُ عَلَيْكَ فَإِنَّ الْمَسَاجِدَ لَمْ تُبْنَ لِهَذَا ‏" ‏ ‏‏

আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে কয়বার যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরবার। রাবী বলেন, যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) আমাকে আরও বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঊনিশবার যুদ্ধ করেছেন এবং তিনি হিজরাত করার পরে একবার হাজ্জ করেছেন, তা হ’ল বিদায় হাজ্জ। আবূ ইসহাক্ব আরও বলেন, তিনি মাক্কাহ্ থেকেও একবার হাজ্জ করেছেন। (ই.ফা. ২৯০১, ই.সে. ২৯০০)


সহিহ মুসলিম ২৯২৬

وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الأَسْوَدِ، يَقُولُ حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، مَوْلَى شَدَّادٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏.‏ بِمِثْلِهِ ‏.‏

‘উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ঠেস দিয়ে বসেছিলাম এবং আমরা মিসওয়াক দিয়ে তার দাঁত মাজার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান (ইবনু ‘উমার)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রজব মাসে ‘উমরাহ্‌ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি (‘উরওয়াহ্‌) বললাম, হে আম্মা! আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন আবূ ‘আবদুর রহমান কী বলছেন? তিনি বললেন, সে কী বলছে? আমি বললাম, তিনি বলছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজব মাসে ‘উমরাহ্‌ করেছেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আবূ ‘আবদুর রহমানকে ক্ষমা করুন। আমার জীবনের শপথ, তিনি রজব মাসে কখনও ‘উমরাহ্‌ করেননি। আর তিনি যখনই ‘উমরাহ্‌ করেছেন, অবশ্যই আবূ ‘আবদুর রহমান তাঁর সঙ্গে ছিল। রাবী বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) কথাগুলো শুনছিলেন, কিন্তু তিনি হ্যাঁ-ও বলেননি এবং না-ও বলেননি, বরং নীরব ছিলেন। (ই.ফা. ২৯০২, ই.সে. ২৯০১)


সহিহ মুসলিম ২৯২৭

وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الأَسْوَدِ، يَقُولُ حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، مَوْلَى شَدَّادٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏.‏ بِمِثْلِهِ ‏.‏

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র মাসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আয়িশার হুজরায় বসা ছিলেন এবং লোকেরা মাসজিদে চাশ্‌তের সলাত আদায় করছিল। আমরা এদের সলাত সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তা বিদ’আত। তাকে ‘উরওয়াহ্ বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরাহ্ করেছেন? তিনি বললেন, চারটি ‘উমরাহ্, এর একটি রজব মাসে। আমরা তার কথা অসত্য মনে করা ও তা রদ করা অপছন্দ করলাম। আমরা হুজরাহ থেকে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মিসওয়াক করার শব্দ শুনতে পেলাম। ‘উরওয়াহ্ বললেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! আবূ ‘আবদুর রহমান কী বলেছেন তা কি আপনি শুনছেন না? তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কী বলে? ‘উরওয়াহ্ বললেন, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ্ করেছেন, এর একটি ছিল রজব মাসে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আবূ ‘আবদুর রহমানকে রহম করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই ‘উমরাহ্ করেছেন, সে তার সাথেই ছিল। তিনি কখনও রজব মাসে ‘উমরাহ্ করেননি। (ই.ফা. ২৯০৩, ই.সে. ২৯০২)


সহিহ মুসলিম > রমাযান মাসের ‘উমরার ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ২৯২৮

وحدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، قال أخبرني عطاء، قال سمعت ابن عباس، يحدثنا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لامرأة من الأنصار سماها ابن عباس فنسيت اسمها ‏"‏ ما منعك أن تحجي معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت لم يكن لنا إلا ناضحان فحج أبو ولدها وابنها على ناضح وترك لنا ناضحا ننضح عليه قال ‏"‏ فإذا جاء رمضان فاعتمري فإن عمرة فيه تعدل حجة ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারী মহিলাকে বললেন যার নাম ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু আমি তার নাম ভুলে গেছি- আমাদের সাথে হাজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, আমাদের পানি বহনকারী মাত্র দু’টি উট আছে। আমার ছেলের বাপ (স্বামী) ও তার ছেলে এর একটিতে চড়ে হাজ্জ করেন এবং অপরটি আমাদের জন্য রেখে যান পানি বহনের উদ্দেশে। তিনি বললেন, রমাযান মাস এলে তুমি ‘উমরাহ্‌ কর। কারণ এ মাসের ‘উমরাহ্‌ একটা হাজ্জের সমান। (ই.ফা. ২৯০৪, ই.সে. ২৯০৩)


সহিহ মুসলিম ২৯২৯

وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حبيب، المعلم عن عطاء، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لامرأة من الأنصار يقال لها أم سنان ‏"‏ ما منعك أن تكوني حججت معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت ناضحان كانا لأبي فلان - زوجها - حج هو وابنه على أحدهما وكان الآخر يسقي عليه غلامنا ‏.‏ قال ‏"‏ فعمرة في رمضان تقضي حجة ‏.‏ أو حجة معي ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সিনান নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ আমাদের সাথে হাজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, অমুকের পিতা- তার স্বামীর দু’টি পানি বহনকারী উট আছে। এর একটি নিয়ে সে ও তার ছেলে হাজ্জে গিয়েছে। অপরটির সাহায্যে আমাদের গোলাম পানি বহন করছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে রমাযান মাসের ‘উমরাহ্ হাজ্জের সমান কিংবা তিনি বলেছেন, আমাদের সঙ্গে একটি হাজ্জের সমান। (ই.ফা. ২৯০৫, ই.সে. ২৯০৪)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية