ইফরাদ ও ক্বিরান হাজ্জ প্রসঙ্গে - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > ইফরাদ ও ক্বিরান হাজ্জ প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২৮৮৪

حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ أَبُو مَسْلَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسًا ‏.‏ بِمِثْلِهِ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্ইয়ার রিওয়ায়াতে আছে যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। ইবনু ‘আওন-এর রিওয়ায়াতে আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। (ই.ফা. ২৮৬০, ই.সে. ২৮৫৯)


সহিহ মুসলিম ২৮৮৫

حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي خَمِيصَةٍ لَهَا أَعْلاَمٌ وَقَالَ ‏ ‏ شَغَلَتْنِي أَعْلاَمُ هَذِهِ فَاذْهَبُوا بِهَا إِلَى أَبِي جَهْمٍ وَائْتُونِي بِأَنْبِجَانِيِّهِ ‏" ‏ ‏‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (অধঃস্তন রাবী) বাক্র বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের তালবিয়াহ্ পাঠ করেছেন। অতঃপর আমি (বাক্র) আনাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তার কাছে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর বক্তব্য উল্লেখ করি। তখন আনাস (রাঃ) বললেন, তোমরা আমাদেরকেও শিশুই মনে কর। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (ই.ফা. ২৮৬১, ই.সে. ২৮৬০)


সহিহ মুসলিম ২৮৮৬

حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي خَمِيصَةٍ لَهَا أَعْلاَمٌ وَقَالَ ‏ ‏ شَغَلَتْنِي أَعْلاَمُ هَذِهِ فَاذْهَبُوا بِهَا إِلَى أَبِي جَهْمٍ وَائْتُونِي بِأَنْبِجَانِيِّهِ ‏" ‏ ‏‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ আদায় করতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা শুধু হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি। আমি (বাক্র) পুনরায় আনাস (রাঃ)-এর নিকট ফিরে আসি এবং ইবনু ‘উমার (রাঃ) যা বলেছেন, সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করলাম। আনাস (রাঃ) বললেন, আমরা বুঝি তখন শিশু ছিলাম! [২০] (ই.ফা. ২৮৬২, ই.সে. ২৮৬১)


সহিহ মুসলিম > হাজীদের জন্য ত্বওয়াফে কুদূম, অতঃপর সা’ঈ মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ২৮৮৭

حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي خَمِيصَةٍ ذَاتِ أَعْلاَمٍ فَنَظَرَ إِلَى عَلَمِهَا فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ قَالَ ‏ ‏ اذْهَبُوا بِهَذِهِ الْخَمِيصَةِ إِلَى أَبِي جَهْمِ بْنِ حُذَيْفَةَ وَائْتُونِي بِأَنْبِجَانِيِّهِ فَإِنَّهَا أَلْهَتْنِي آنِفًا فِي صَلاَتِي ‏" ‏ ‏‏

ওয়াবারাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, আল মাওক্বিফ (‘আরাফাহ্‌)-এ যাবার পূর্বে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করা আমার জন্য সঠিক হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, কিন্তু ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তুমি বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করো না-যে পর্যন্ত না মাওক্বিফে আসো! ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ করেছেন এবং মাওক্বিফে যাবার পূর্বেই বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেছেন। অতএব তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে বল, তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা মত ‘আমাল করা উচিত, না ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কথা মত? (ই.ফা. ২৮৬৩, ই.সে. ২৮৬২)


সহিহ মুসলিম ২৮৮৮

حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي خَمِيصَةٍ ذَاتِ أَعْلاَمٍ فَنَظَرَ إِلَى عَلَمِهَا فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ قَالَ ‏ ‏ اذْهَبُوا بِهَذِهِ الْخَمِيصَةِ إِلَى أَبِي جَهْمِ بْنِ حُذَيْفَةَ وَائْتُونِي بِأَنْبِجَانِيِّهِ فَإِنَّهَا أَلْهَتْنِي آنِفًا فِي صَلاَتِي ‏" ‏ ‏‏

ওয়াবারাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, আমি কি বায়তুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ করব অথচ আমি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি? তিনি বললেন, কিসে তোমাকে বাধা দিচ্ছে? সে বলল, আমি অমুকের পুত্রকে দেখেছি, তিনি তা পছন্দ করেন না কিন্তু তার তুলনায় আপনি আমাদের অধিক প্রিয়। আমরা লক্ষ্য করছি যে, এ দুনিয়া তাকে প্রলুব্ধ করেছে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যাকে দুনিয়া প্রলুব্ধ করেনি? অতঃপর তিনি বললেন, আমরা দেখেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছেন এবং বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করেছেন। অতএব তুমি সত্যবাদী হলে আল্লাহর হুকুম ও তাঁর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত অমুকের সুন্নাতের তুলনায় অনুসরণের বেলায় অগ্রগণ্য। (ই.ফা. ২৮৬৪, ই.সে. ২৮৬৩)


সহিহ মুসলিম ২৮৮৯

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَتْ لَهُ خَمِيصَةٌ لَهَا عَلَمٌ فَكَانَ يَتَشَاغَلُ بِهَا فِي الصَّلاَةِ فَأَعْطَاهَا أَبَا جَهْمٍ وَأَخَذَ كِسَاءً لَهُ أَنْبِجَانِيًّا ‏.‏

‘আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে আগমন করেছে, অতঃপর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করেনি- সে কি তার স্ত্রীর সাথে মিলতে পারে? ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ আগমন করে সাতবার বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেন, মাক্বামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করেন। আর তোমাদের জন্য অবশ্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৬৫, ই.সে. ২৮৬৪)


সহিহ মুসলিম ২৮৯০

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَتْ لَهُ خَمِيصَةٌ لَهَا عَلَمٌ فَكَانَ يَتَشَاغَلُ بِهَا فِي الصَّلاَةِ فَأَعْطَاهَا أَبَا جَهْمٍ وَأَخَذَ كِسَاءً لَهُ أَنْبِجَانِيًّا ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৮৬৬, ই.সে. ২৮৬৫)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية