সহিহ মুসলিম > বাধাপ্রাপ্ত হলে হালাল হওয়ার বৈধতা এং হাজ্জে ক্বিরান বৈধ হওয়ার বিবরণ
সহিহ মুসলিম ২৮৭৯
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ أَبِي مَسْلَمَةَ، سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي النَّعْلَيْنِ قَالَ نَعَمْ .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাঙ্গামা [হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যকার সংঘাত] চলাকালীন সময়ে ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ পৌঁছতে আমরা যদি বাধাপ্রাপ্ত হই তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যেরূপ করেছিলাম, এখনও তদ্রূপ করব। অতএব তিনি রওনা হলেন এবং ‘উমরার ইহরাম বাঁধলেন, তিনি সফর অব্যাহত রাখলেন; যতক্ষণ না আল বায়দা নামক স্থানে পৌঁছলেন। এখানে তিনি নিজের সঙ্গীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের নিয়ম একই। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি নিজের জন্য হাজ্জকে ‘উমরার সাথে বাধ্যতামূলক করলাম। (রাবী বলেন) অতএব তিনি রওনা হয়ে বায়তুল্লাহ পৌঁছলেন, সাতবার ত্বওয়াফ করলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং নিজের (হাজ্জ ও ‘উমরার) জন্য এটাই (এক ত্বওয়াফ ও এক সা’ঈ) যথেষ্ট বিবেচনা করলেন এবং কুরবানী করলেন। (ই.ফা. ২৮৫৫, ই.সে. ২৮৫৪)
সহিহ মুসলিম ২৮৮০
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ أَبِي مَسْلَمَةَ، سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي النَّعْلَيْنِ قَالَ نَعَمْ .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এবং সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ উভয়ে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে কথা বললেন- যে বছর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে এসেছিল। তারা উভয়ে বললেন, এ বছর হাজ্জ না করলে আপনার কী ক্ষতি আছে? কারণ আমাদের আশংকা হচ্ছে- গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং আপনি বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে পারবেন না। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি তা আমার ও বায়তুল্লাহ-এর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়ও তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন, আমিও তদ্রূপ করব। কুরায়শ কাফিররা যখন তাঁর ও বায়তুল্লাহ্র মাঝে প্রতিবন্ধক হয়েছিল, এ সময় আমি তাঁর সঙ্গে ছিলাম। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি ‘উমরার নিয়্যত করলাম। অতঃপর তিনি রওনা হয়ে যুল হুলায়ফাহ্ নামক স্থানে পৌঁছে ‘উমরার জন্য তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন। অতঃপর বললেন, যদি আমার পথ উন্মুক্ত থাকে, তবে আমি ‘উমরাহ্ পূর্ণ করব। আর যদি আমার ও বায়তুল্লাহ-এর মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন আমিও তাই করব। সে সময় আমি তাঁর সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন : “তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩ : ২১)। তিনি আবার চলতে লাগলেন, যতক্ষণ না বায়দা নামক স্থানের উপকণ্ঠে পৌঁছলেন। এখানে পৌঁছে তিনি বললেনঃ হাজ্জ ও ‘উমরার বিধান একই। যদি আমার এবং ‘উমরার মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে আমার এবং হাজ্জের মাঝেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি আমার ‘উমরার সাথে হাজ্জকেও বাধ্যতামূলক করে নিলাম। অতঃপর তিনি অগ্রসর হলেন এবং কুদায়দ নামক স্থানে পৌঁছে কুরবানীর পশু ক্রয় করলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের জন্য এক ত্বওয়াফ (সাত চক্কর) ও এক সা’ঈ (সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার দৌড়) করলেন এবং ইহরাম খুললেন না, বরং হাজ্জ সমাপন করে কুরবানীর দিন উভয়ের ইহরাম খুললেন। (ই.ফা. ২৮৫৬, ই.সে. ২৮৫৫)
সহিহ মুসলিম ২৮৮১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ أَبِي مَسْلَمَةَ، سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي النَّعْلَيْنِ قَالَ نَعَمْ .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাজ্জাজ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হ’ল- ঐ বছর ‘উমার (রাঃ) হাজ্জের সংকল্প করলেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ সূত্রে হাদীসের শেষাংশে উল্লেখ আছে যে, “তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি হাজ্জ ও ‘উমরার জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধল, তার জন্য এক ত্বওয়াফই (সাত চক্কর) যথেষ্ট এবং উভয়ের অনুষ্ঠান সমাপ্ত না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলবে না। (ই.ফা. ২৮৫৭, ই.সে. ২৮৫৬)
সহিহ মুসলিম ২৮৮২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ أَبِي مَسْلَمَةَ، سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي النَّعْلَيْنِ قَالَ نَعَمْ .
নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হ’ল- সে বছর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাজ্জে যাবার সংকল্প করলেন। তাকে বলা হ’ল, লোকদের মধ্যে এখন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আমাদের আশংকা হচ্ছে- তারা আপনাকে বাধা দিবে। তিনি বললেন, “তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”- (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩ : ২১)। এরূপ পরিস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন, আমিও অনুরূপ করব। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, নিশ্চয়ই আমি ‘উমরার সংকল্প করেছি। অতঃপর তিনি রওনা হলেন। অবশেষে যখন আল বায়দার উপকণ্ঠে পৌঁছলেন তখন তিনি বললেন, হাজ্জ ও ‘উমরার অবস্থা একই, তোমরা সাক্ষী থাক। ইবনু রুম্হের বর্ণনায় আছে : আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি নিশ্চয়ই আমার ‘উমরার সাথে হাজ্জ অনিবার্য করে নিলাম। অতঃপর তিনি কুরবানীর পশু সঙ্গে নিলেন যা তিনি কুদায়দ নামক স্থানে ক্রয় করেছিলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও ‘উমরার একত্রে ইহরাম বেঁধে অগ্রসর হলেন। অবশেষে মাক্কায় পৌঁছে তিনি বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করলেন না। তিনি কুরবানীও করেননি। মাথা মুণ্ডান বা চুল ছাঁটেননি এবং (ইহরামের কারণে) যা কিছু তার জন্য হারাম হয়েছিল, তার কোনটি হালাল করেননি। অবশেষে কুরবানীর দিন এলে তিনি কুরবানী করলেন ও মাথা কামালেন এবং তার মত অনুযায়ী তিন তার প্রথম ত্বওয়াফ দ্বারাই হাজ্জ ও ‘উমরার ত্বওয়াফ সম্পাদন করে ফেলেছেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ২৮৫৮, ই.সে. ২৮৫৭)
সহিহ মুসলিম ২৮৮৩
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ أَبِي مَسْلَمَةَ، سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي النَّعْلَيْنِ قَالَ نَعَمْ .
নাফি’ সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেন। তবে এ সূত্রে হাদীসের প্রথমাংশে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উল্লেখ করেছেন- যখন তাকে বলা হ’ল, আপনি বায়তুল্লাহ এ পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হবেন। তখন তিনি বললেন, তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ করেছেন, আমিও তদ্রূপ করব। তিনি হাদীসের শেষে উল্লেখ করেননি যে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন”-যেমন লায়স (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৫৯, ই.সে. ২৮৫৮)
সহিহ মুসলিম > ইফরাদ ও ক্বিরান হাজ্জ প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ২৮৮৪
حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ أَبُو مَسْلَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسًا . بِمِثْلِهِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহ্ইয়ার রিওয়ায়াতে আছে যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। ইবনু ‘আওন-এর রিওয়ায়াতে আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। (ই.ফা. ২৮৬০, ই.সে. ২৮৫৯)
সহিহ মুসলিম ২৮৮৫
حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي خَمِيصَةٍ لَهَا أَعْلاَمٌ وَقَالَ شَغَلَتْنِي أَعْلاَمُ هَذِهِ فَاذْهَبُوا بِهَا إِلَى أَبِي جَهْمٍ وَائْتُونِي بِأَنْبِجَانِيِّهِ "
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (অধঃস্তন রাবী) বাক্র বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের তালবিয়াহ্ পাঠ করেছেন। অতঃপর আমি (বাক্র) আনাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তার কাছে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর বক্তব্য উল্লেখ করি। তখন আনাস (রাঃ) বললেন, তোমরা আমাদেরকেও শিশুই মনে কর। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (ই.ফা. ২৮৬১, ই.সে. ২৮৬০)
সহিহ মুসলিম ২৮৮৬
حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي خَمِيصَةٍ لَهَا أَعْلاَمٌ وَقَالَ شَغَلَتْنِي أَعْلاَمُ هَذِهِ فَاذْهَبُوا بِهَا إِلَى أَبِي جَهْمٍ وَائْتُونِي بِأَنْبِجَانِيِّهِ "
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ আদায় করতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা শুধু হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি। আমি (বাক্র) পুনরায় আনাস (রাঃ)-এর নিকট ফিরে আসি এবং ইবনু ‘উমার (রাঃ) যা বলেছেন, সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করলাম। আনাস (রাঃ) বললেন, আমরা বুঝি তখন শিশু ছিলাম! [২০] (ই.ফা. ২৮৬২, ই.সে. ২৮৬১)