ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা করানো জায়িয - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা করানো জায়িয

সহিহ মুসলিম ২৭৭৭

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ شِنْظِيرٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَاجَةٍ ‏.‏ بِمَعْنَى حَدِيثِ حَمَّادٍ ‏.‏

নুবায়হ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার (ইহরাম অবস্থায়) আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ)-এর সাথে রওনা হলাম। আমরা মালাল নামক স্থানে পৌঁছলে ‘উমার ইবনু ‘উবায়দুল্লাহর চোখে পীড়া দেখা দিল। রাওহা নামক স্থানে পৌঁছে তার চোখের ব্যথা আরও তীব্রতর হ‘ল। তিনি (নুবায়হ) আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ)-এর কাছে (কী করতে হবে তা) জিজ্ঞেস করার জন্য একজনকে পাঠালেন, তিনি বলে পাঠালেন, চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দাও, কারণ ‘উসমান (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইহরাম অবস্থায় এক ব্যক্তির চক্ষুরোগ দেখা দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দেন। (ই.ফা. ২৭৫৪, ই.সে. ২৭৫২)


সহিহ মুসলিম ২৭৭৮

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ شِنْظِيرٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَاجَةٍ ‏.‏ بِمَعْنَى حَدِيثِ حَمَّادٍ ‏.‏

নুবায়হ ইবনু ওয়াহাব্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উবায়দুল্লাহ ইবনু মা‘মার-এর পুত্র ‘উমারের চোখ ফুলে উঠলে তিনি সুরমা লাগানোর ইচ্ছা করলেন। কিন্তু আবান ইবনু ‘উসমান (রাঃ) তাকে চোখে সুরমা লাগাতে নিষেধ করলেন এবং মুসব্বারের প্রলেপ দেয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এও বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ২৭৫৫, ই.সে. ২৭৫৩)


সহিহ মুসলিম > মুহরিম ব্যক্তির জন্য শরীর ও মাথা ধৌত করা জায়িয

সহিহ মুসলিম ২৭৭৯

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ إِنَّ عِفْرِيتًا مِنَ الْجِنِّ جَعَلَ يَفْتِكُ عَلَىَّ الْبَارِحَةَ لِيَقْطَعَ عَلَىَّ الصَّلاَةَ وَإِنَّ اللَّهَ أَمْكَنَنِي مِنْهُ فَذَعَتُّهُ فَلَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَرْبِطَهُ إِلَى جَنْبِ سَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي الْمَسْجِدِ حَتَّى تُصْبِحُوا تَنْظُرُونَ إِلَيْهِ أَجْمَعُونَ - أَوْ كُلُّكُمْ - ثُمَّ ذَكَرْتُ قَوْلَ أَخِي سُلَيْمَانَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَهَبْ لِي مُلْكًا لاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ مِنْ بَعْدِي ‏.‏ فَرَدَّهُ اللَّهُ خَاسِئًا ‏" ‏ ‏‏ وَقَالَ ابْنُ مَنْصُورٍ شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ ‏‏

ইব্রাহীম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) আবওয়া নামক স্থানে পরস্পর মতবিরোধে লিপ্ত হলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, মুহরিম ব্যক্তি মাথা ধৌত করতে পারবে, কিন্তু মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, সে মাথা ধৌত করতে পারবে না। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে (অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়নকে) এ সম্পর্কিত মাসাআলাহ্ জানার জন্য আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। আমি তাকে কূপের দু‘ খুঁটির মাঝে গোসলরত অবস্থায় পেলাম। তিনি একখণ্ড কাপড় টাঙ্গিয়ে নিজেকে আড়াল করে নিয়েছিলেন। আমি তাকে সালাম করলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কে? আমি বললাম, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন, আমাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আপনার নিকট এ কথা জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় কিভাবে মাথা ধৌত করতেন? আবূ আইয়ূব (রাঃ) তার হাত টানানো কাপড়ের উপর রাখলেন এবং তা (সামান্য) নীচু করলেন- যাতে তার মাথা আমার দৃষ্টিগোচর হ‘ল। অতঃপর তিনি তার গোসলে সাহায্যকারী ব্যক্তিকে পানি ঢালতে বললেন। অতপর সে তার মাথায় ঢালল। এরপর তিনি উভয় হাত সামনে ও পিছনে সঞ্চালন করে নিজের মাথা মললেন। এরপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এরূপ করতে দেখেছি। (ই.ফা. ২৭৫৬, ই.সে. ২৭৫৪)


সহিহ মুসলিম ২৭৮০

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ إِنَّ عِفْرِيتًا مِنَ الْجِنِّ جَعَلَ يَفْتِكُ عَلَىَّ الْبَارِحَةَ لِيَقْطَعَ عَلَىَّ الصَّلاَةَ وَإِنَّ اللَّهَ أَمْكَنَنِي مِنْهُ فَذَعَتُّهُ فَلَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَرْبِطَهُ إِلَى جَنْبِ سَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي الْمَسْجِدِ حَتَّى تُصْبِحُوا تَنْظُرُونَ إِلَيْهِ أَجْمَعُونَ - أَوْ كُلُّكُمْ - ثُمَّ ذَكَرْتُ قَوْلَ أَخِي سُلَيْمَانَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَهَبْ لِي مُلْكًا لاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ مِنْ بَعْدِي ‏.‏ فَرَدَّهُ اللَّهُ خَاسِئًا ‏" ‏ ‏‏ وَقَالَ ابْنُ مَنْصُورٍ شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ ‏‏

যায়দ ইবনু আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদ সূত্রে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, আবূ আইয়ূব (রাঃ) তার উভয় হাত সামনে-পিছনে সঞ্চালন করে সম্পূর্ণ মাথা ভালভাবে মললেন। এরপর মিসওয়ার (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললেন, আমি আর কখনও আপনার সাথে বিতর্কে লিপ্ত হব না। (ই.ফা. ২৭৫৭, ই.সে. ২৭৫৫)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية