সহিহ মুসলিম > মুহরিমের জন্য শিকার করা হারাম
সহিহ মুসলিম ২৭৩৫
حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنِ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي فَلَمَّا رَكَعْتُ شَبَّكْتُ أَصَابِعِي وَجَعَلْتُهُمَا بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَضَرَبَ يَدَىَّ فَلَمَّا صَلَّى قَالَ قَدْ كُنَّا نَفْعَلُ هَذَا ثُمَّ أُمِرْنَا أَنْ نَرْفَعَ إِلَى الرُّكَبِ .
সা’ব ইবনু জাসসামাহ্ আল লায়সী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বন্য গাধা (গোশত) হাদিয়্যাহ্ স্বরূপ দিলেন। আর তিনি তখন আবওয়া অথবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। তিনি তার কাছে তা ফেরত পাঠালেন। সা‘ব (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার চেহারা মলিন দেখে বললেন, আমি তোমাকে তা ফেরত দিতাম না, শুধু ইহরামের কারণেই তা ফেরত দিয়েছি। (ই.ফা. ২৭১২, ই.সে. ২৭১১)
সহিহ মুসলিম ২৭৩৬
حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنِ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي فَلَمَّا رَكَعْتُ شَبَّكْتُ أَصَابِعِي وَجَعَلْتُهُمَا بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَضَرَبَ يَدَىَّ فَلَمَّا صَلَّى قَالَ قَدْ كُنَّا نَفْعَلُ هَذَا ثُمَّ أُمِرْنَا أَنْ نَرْفَعَ إِلَى الرُّكَبِ .
যুহরী (রহঃ) থেকে উপরোক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি (সা‘ব) তাঁকে বন্য গাধার গোশত হাদিয়্যাহ্ দিয়েছিলাম। ইমাম মালিক (রহঃ) যেরূপ বর্ণনা করেছেন। লায়স ও সালিহ এর বর্ণনায় রয়েছে- সা‘ব ইবনু জাসসামাহ্ (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন। (ই.ফা. ২৭১৩, ই.সে. ২৭১২)
সহিহ মুসলিম ২৭৩৭
حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنِ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي فَلَمَّا رَكَعْتُ شَبَّكْتُ أَصَابِعِي وَجَعَلْتُهُمَا بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَضَرَبَ يَدَىَّ فَلَمَّا صَلَّى قَالَ قَدْ كُنَّا نَفْعَلُ هَذَا ثُمَّ أُمِرْنَا أَنْ نَرْفَعَ إِلَى الرُّكَبِ .
যুহরী (রহঃ) থেকে উক্তঃ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সা’ব) বলেন, আমি তাঁকে বন্য গাধার গোশত হাদিয়্যাহ্ দিয়েছিলাম। (ই.ফা. ২৭১৪, ই.সে. ২৭১৩)
সহিহ মুসলিম ২৭৩৮
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، - وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ - قَالاَ جَمِيعًا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ طَاوُسًا يَقُولُ قُلْنَا لاِبْنِ عَبَّاسٍ فِي الإِقْعَاءِ عَلَى الْقَدَمَيْنِ فَقَالَ هِيَ السُّنَّةُ . فَقُلْنَا لَهُ إِنَّا لَنَرَاهُ جَفَاءً بِالرَّجُلِ . فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بَلْ هِيَ سُنَّةُ نَبِيِّكَ صلى الله عليه وسلم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর জন্য বন্য গাধার গোশত উপঢৌকন পাঠিয়েছিলেন। আর তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। রাবী বলেন, তাই তিনি এ উপঢৌকন তাকে ফেরত দিলেন এবং বললেন, আমরা যদি ইহরাম অবস্থায় না থাকতাম তবে তোমার এ উপঢৌকন অবশ্যই গ্রহণ করতাম। (ই.ফা. ২৭১৫, ই.সে. ২৭১৪ )
সহিহ মুসলিম ২৭৩৯
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، - وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ - قَالاَ جَمِيعًا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ طَاوُسًا يَقُولُ قُلْنَا لاِبْنِ عَبَّاسٍ فِي الإِقْعَاءِ عَلَى الْقَدَمَيْنِ فَقَالَ هِيَ السُّنَّةُ . فَقُلْنَا لَهُ إِنَّا لَنَرَاهُ جَفَاءً بِالرَّجُلِ . فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بَلْ هِيَ سُنَّةُ نَبِيِّكَ صلى الله عليه وسلم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বন্য গাধার পায়ের গোশত হাদিয়্যাহ্ দেন। তখন তা থেকে রক্ত ঝরছিল। আর হাকাম–এর সূত্রে শু‘বাহ কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে বন্য গাধার পেছনের অংশের কথা উল্লেখ আছে। আর হাবীব–এর সূত্রে শু‘বাহ কর্তৃক অপর বর্ণনায় আছে, তিনি (সা‘ব) বন্য গাধার উরুর পার্শ্বের গোশত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য উপঢৌকন পাঠান। কিন্তু তিনি তা ফেরত দেন। (ই.ফা. ২৭১৬, ই.সে. ২৭১৫ )
সহিহ মুসলিম ২৭৪০
حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ - وَتَقَارَبَا فِي لَفْظِ الْحَدِيثِ - قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ حَجَّاجٍ الصَّوَّافِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ الْحَكَمِ السُّلَمِيِّ، قَالَ بَيْنَا أَنَا أُصَلِّي، مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ عَطَسَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ فَقُلْتُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ . فَرَمَانِي الْقَوْمُ بِأَبْصَارِهِمْ فَقُلْتُ وَاثُكْلَ أُمِّيَاهْ مَا شَأْنُكُمْ تَنْظُرُونَ إِلَىَّ . فَجَعَلُوا يَضْرِبُونَ بِأَيْدِيهِمْ عَلَى أَفْخَاذِهِمْ فَلَمَّا رَأَيْتُهُمْ يُصَمِّتُونَنِي لَكِنِّي سَكَتُّ فَلَمَّا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَبِأَبِي هُوَ وَأُمِّي مَا رَأَيْتُ مُعَلِّمًا قَبْلَهُ وَلاَ بَعْدَهُ أَحْسَنَ تَعْلِيمًا مِنْهُ فَوَاللَّهِ مَا كَهَرَنِي وَلاَ ضَرَبَنِي وَلاَ شَتَمَنِي قَالَ إِنَّ هَذِهِ الصَّلاَةَ لاَ يَصْلُحُ فِيهَا شَىْءٌ مِنْ كَلاَمِ النَّاسِ إِنَّمَا هُوَ التَّسْبِيحُ وَالتَّكْبِيرُ وَقِرَاءَةُ الْقُرْآنِ " . أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي حَدِيثُ عَهْدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ وَقَدْ جَاءَ اللَّهُ بِالإِسْلاَمِ وَإِنَّ مِنَّا رِجَالاً يَأْتُونَ الْكُهَّانَ . قَالَ " فَلاَ تَأْتِهِمْ " . قَالَ وَمِنَّا رِجَالٌ يَتَطَيَّرُونَ . قَالَ " ذَاكَ شَىْءٌ يَجِدُونَهُ فِي صُدُورِهِمْ فَلاَ يَصُدَّنَّهُمْ " . قَالَ ابْنُ الصَّبَّاحِ " فَلاَ يَصُدَّنَّكُمْ " . قَالَ قُلْتُ وَمِنَّا رِجَالٌ يَخُطُّونَ . قَالَ " كَانَ نَبِيٌّ مِنَ الأَنْبِيَاءِ يَخُطُّ فَمَنْ وَافَقَ خَطَّهُ فَذَاكَ " . قَالَ وَكَانَتْ لِي جَارِيَةٌ تَرْعَى غَنَمًا لِي قِبَلَ أُحُدٍ وَالْجَوَّانِيَّةِ فَاطَّلَعْتُ ذَاتَ يَوْمٍ فَإِذَا الذِّيبُ قَدْ ذَهَبَ بِشَاةٍ مِنْ غَنَمِهَا وَأَنَا رَجُلٌ مِنْ بَنِي آدَمَ آسَفُ كَمَا يَأْسَفُونَ لَكِنِّي صَكَكْتُهَا صَكَّةً فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَظَّمَ ذَلِكَ عَلَىَّ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَلاَ أُعْتِقُهَا قَالَ " ائْتِنِي بِهَا " . فَأَتَيْتُهُ بِهَا فَقَالَ لَهَا " أَيْنَ اللَّهُ " . قَالَتْ فِي السَّمَاءِ . قَالَ " مَنْ أَنَا " . قَالَتْ أَنْتَ رَسُولُ اللَّهِ . قَالَ " أَعْتِقْهَا فَإِنَّهَا مُؤْمِنَةٌ " ."
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) তাঁর নিকট এলেন। তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শিকার করা জন্তুর গোশত উপঢৌকন দেয়া হয়েছিল। সেটা যে হারাম এ কথা আপনি আমাকে কিভাবে অবহিত করেছিলেন? রাবী (ত্বাউস) বলেন, তিনি বললেন, তাঁকে শিকারকৃত জন্তুর একটি অঙ্গ হাদিয়্যাহ্ দেয়া হয়েছিল, তিনি তা ফেরত দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, আমরা এ গোশত খেতে পারি না, কারণ আমরা ইহরাম অবস্থায় আছি। (ই.ফা. ২৭১৭ , ই.সে. ২৭১৬ )
সহিহ মুসলিম ২৭৪১
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
আবু ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে রওনা হলাম, এমনকি ‘ক্বাহাহ্’ নামক স্থানে গিয়ে পৌঁছলাম। আমাদের কতক ইহরাম অবস্থায় এবং কতক ইহরামবিহীন অবস্থায় ছিল। আমি লক্ষ্য করলাম, আমার সঙ্গীরা একটা কিছুর দিকে তাকাচ্ছে। আমি তাকিয়ে দেখলাম, তা একটি বন্য গাধা। অতএব আমি আমার ঘোড়ার জীন বাঁধলাম এবং বল্লম তুলে নিলাম। এরপর ঘোড়ার পিঠে চেপে বসলাম। এ অবস্থায় আমার চাবুক নিচে পড়ে গেল। আমি আমার সঙ্গীদের তা তুলে দিতে বললাম, তারা ইহরাম অবস্থায় ছিল। তাই তারা আল্লাহর শপথ করে বলল, আমরা তোমাকে এ ব্যাপারে কিছুমাত্র সাহায্য করতে পারব না। অতঃপর আমি নিচে নেমে এসে তা তুললাম। অতঃপর ঘোড়ায় চড়ে গাধার পশ্চাদ্ধাবন করলাম। তা ছিল একটি টিলার আড়ালে। আমি বল্লমের আঘাতে এটাকে হত্যা করলাম। অতঃপর আমার সঙ্গীদের কাছে নিয়ে এলাম। তাদের কতক বলল, তা খাও, আর কতক বলল, খেও না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সম্মুখভাগে ছিলেন। আমি ঘোড়া হাঁকিয়ে তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তা হালাল, অতএব তোমরা তা খাও। (ই.ফা. ২৭১৮, ই.সে. ২৭১৭ )
সহিহ মুসলিম ২৭৪২
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। মাক্কার একটি পথে যখন আমরা পৌছলাম তখন তিনি তার কতিপয় মুহরিম সঙ্গীসহ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পেছনে পড়ে গেলেন। তিনি ছিলেন ইহরামমুক্ত। তিনি একটি বন্য গাধা দেখতে পেয়ে নিজের ঘোড়ায় চেপে বসলেন এবং সঙ্গীদেরকে তার চাবুকটি তুলে দিতে বললেন। তারা তা তুলে দিতে রাযি হলেন না। তিনি তাদেরকে নিজের বল্লমটি তুলে দিতে বললেন, এবারও তারা তার কথায় রাজী হলেন না। এরপর তিনি নিজেই তা তুলে নিলেন এবং ঘোড়া হাঁকিয়ে গাধাটি শিকার করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতিপয় সাহাবী তার গোশত খেলেন এবং কতক তা প্রত্যাখ্যান করলেন। অতএব তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌছে তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেন, এতো খাদ্য, মহামহিম আল্লাহ তোমাদের তা দান করেছেন। (ই.ফা. ২৭১৯, ই.সে. ২৭১৮)
সহিহ মুসলিম ২৭৪৩
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বন্য গাধা সম্পর্কিত হাদীসটি এ সূত্রেও আবূ নাযর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হয়েছে। কিন্তু যায়দ ইবনু আসলামের বর্ণনায় আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, এর কিছু গোশত তোমাদের সাথে আছে কি? (ই.ফা. ২৭২০, ই.সে. ২৭১৯)
সহিহ মুসলিম ২৭৪৪
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা হুদায়বিয়ার বছর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে গেলেন। তাঁর সঙ্গীগণ ইহরাম বাঁধলেন, কিন্তু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) ইহরাম বাঁধলেন না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবহিত করা হ‘ল যে, শত্রুরা গয়কাহ্ নামক স্থানে ওঁৎ পেতে আছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের যাত্রা অব্যাহত রাখলেন। আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর সাহাবীগনের সঙ্গে ছিলাম, তাদের কতক আমার দিকে চেয়ে হাসছিল। আমি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে একটি বন্য গাধা দেখতে পেলাম। আমি বর্শার আঘাতে তার গতিরোধ করলাম এবং সাহাবীগণের সাহায্য চাইলাম। কিন্তু তারা আমাকে সাহায্য করতে অস্বীকৃতি জানালেন। আমরা এর গোশত খেলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশংকাবোধ করলাম। অতএব আমি তাঁর কাছে পৌছার জন্য কখনো ঘোড়া হাঁকিয়ে, আবার কখনো পদব্রজে অগ্রসর হতে লাগলাম। মধ্যরাতে গিফার গোত্রের এক ব্যক্তির সাক্ষাৎ পেলাম এবং তাকে জিজ্ঞেগ করলাম, তুমি কোথায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাক্ষাৎ পেয়েছো? সে বলল, আমি তাঁকে তা‘হিন নামক স্থানে ছেড়ে এসেছি এবং তিনি সুফ্ইয়া নামক স্থানে দুপুরের সময়টা যাত্রা বিরতি করার মনস্থ করেছেন। আমি (আবূ ক্বাতাদাহ্) তাঁর সাথে মিলিত হয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনার সাহাবীগন আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং আপনার জন্য আল্লাহর রহমাত কামনা করেছেন। তারা আপনার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশংকা করেছেন। অতএব আপনি তাদের জন্য অপেক্ষা করুন। অতএব তিনি তাদের জন্য অপেক্ষা করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল!! আমি একটি শিকার ধরেছি এবং তার কিছু অংশ আমার কাছে অবশিষ্ট আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদেরকে বললেন, তোমরা খাও। তারা ইহরাম অবস্থায় রয়েছে। (ই.ফা. ২৭২১, ই.সে. ২৭২০)
সহিহ মুসলিম ২৭৪৫
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের উদ্দেশে রওনা হলেন এবং আমরাও তাঁর সফরসঙ্গী হলাম। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভিন্ন পথ ধরলেন এবং আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) সহ কতিপয় সাহাবাকে (অন্য পথ অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়ে) বললেন, তোমরা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করা পর্যন্ত সমুদ্র তীরবর্তী পথ ধরে অগ্রসর হও। আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, অতএব তারা সমুদ্র উপকূল বরাবর পথ ধরলেন। তারা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পথে মোড় নিলেন, তখন আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) ছাড়া আর সকলে ইহরাম বাঁধলেন, তিনি ইহরাম বাঁধলেন না। এ অবস্থায় পথ চলতে চলতে তারা কতকগুলো বন্য গাধা দেখতে পেলেন এবং আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) এগুলোকে আক্রমণ করে একটি গাধী শিকার করলেন। তারা যাত্রা বিরতি দিয়ে গাধীর গোশত খেলেন। আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, তারা বললেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় শিকারের গোশত খেলাম। এরপর তারা এর অবশিষ্ট গোশত সঙ্গে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে মিলিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা ইহরাম বেঁধেছি কিন্তু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) ইহরাম বাঁধেননি। এ অবস্থায় আমরা কয়েকটি বন্য গাধা দেখতে পেলাম। আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) এগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একটি গাধী শিকার করেন। আমরা যাত্রা বিরতি দিয়ে এর গোশত খেয়েছি। অতঃপর আমরা পরস্পর বললাম, আমরা ইহরাম অবস্থায় শিকারকৃত পশুর গোশত আহার করব কি অথচ আমরা মুহরিম? আমরা অবশিষ্ট গোশত সাথে করে নিয়ে এসেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের কেউ কি তা শিকার করার নির্দেশ অথবা ইঙ্গিত করেছে? তারা বললেন, না। তিনি বললেন, তাহলে অবশিষ্ট গোশতও খেতে পার। (ই.ফা. ২৭২২, ই.সে. ২৭২১)
সহিহ মুসলিম ২৭৪৬
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
‘উসমান ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাওহাব (রহঃ) থেকে উপরোক্ত সানাদ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
শায়বানের বর্ণনায় আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, “তোমাদের কেউ কি তাকে (গাধীটি) আক্রমণ করার নির্দেশ দিয়েছে অথবা এর প্রতি ইঙ্গিত করেছে?” আর শু‘বাহর বর্ণনায় আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, “তোমরা কি (শিকারের দিকে) ইঙ্গিত করেছিলে অথবা সাহায্য করেছিলে” অথবা “শিকার করেছিলে”। শু‘বাহ্ বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘টো বাক্য বলেছেন কিনা তা আমার জানা নেই। (ই.ফা. ২৭২৩, ই.সে. ২৭২২)
সহিহ মুসলিম ২৭৪৭
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা তাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে হুদায়বিয়ার অভিযানে অংশগ্রহন করেছিলেন। তিনি বলেন, আমি ছাড়া আর সকলেই ‘উমরাহ্ করার জন্য ইহরাম বেঁধেছিলেন। আমি একটি বন্য গাধা শিকার করলাম এবং আমার মুহরিম সঙ্গীদের এর গোশত্ খাওয়ালাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁকে অবহিত করলাম যে, শিকারের অবশিষ্ট গোশ্ত আমাদের সাথে আছে। তিনি বললেন, “তোমরা তা খাও”; তখন তারা ছিলেন মুহরিম। (ই.ফা. ২৭২৪, ই.সে. ২৭২৩)
সহিহ মুসলিম ২৭৪৮
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে (সফরে) রওনা হলেন। তারা সবাই ইহরাম অবস্থায় ছিলেন, কিন্তু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) হালাল অবস্থায় ছিলেন। হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্ববৎ। তবে এ বর্ণনায় আরও আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, এর কিছু গোশত্ তোমাদের সাথে আছে কি? তারা বললেন, এর পায়ের গোশত্ আমাদের সাথে আছে। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা নিয়ে আহার করলেন। (ই.ফা. ২৭২৫, ই.সে. ২৭২৪)
সহিহ মুসলিম ২৭৪৯
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) ইহরামকারী একটি দলের সঙ্গে ছিলেন, কিন্তু তিনি ইহরামমুক্ত ছিলেন। হাদীসের পরবর্তী বর্ণনা পূর্ববৎ। এতে আছেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কেউ কি শিকারের দিকে ইঙ্গিত করেছে অথবা কোনরূপ নির্দেশ দিয়েছে? তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! না। তিনি বললেন, তাহলে এটা খেতে পার। (ই.ফা. ২৭২৬, ই.সে. ২৭২৫)
সহিহ মুসলিম ২৭৫০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ وَأَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ - وَأَلْفَاظُهُمْ مُتَقَارِبَةٌ - قَالُوا حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا نُسَلِّمُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ فَيَرُدُّ عَلَيْنَا فَلَمَّا رَجَعْنَا مِنْ عِنْدِ النَّجَاشِي سَلَّمْنَا عَلَيْهِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْنَا فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ كُنَّا نُسَلِّمُ عَلَيْكَ فِي الصَّلاَةِ فَتَرُدُّ عَلَيْنَا . فَقَالَ إِنَّ فِي الصَّلاَةِ شُغُلاً "
মু‘আয ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘উসমান আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় ত্বলহাহ্ ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তাকে (শিকার করা) পাখির গোশ্ত উপঢৌকন দেয়া হল। এ সময় তিনি ঘুমে ছিলেন। আমাদের কতক তা খেল এবং কতক বিরত থাকল। ত্বলহাহ্ (রাঃ) ঘুম থেকে উঠে গোশ্ত আহরনকারীদের অনুকূলে মত প্রকাশ করলেন এবং বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে (ইহরাম অবস্থায়) তা (শিকার করা প্রাণীর গোশ্ত) খেয়েছি। (ই.ফা. ২৭২৭, ই.সে. ২৭২৬)
সহিহ মুসলিম > হারাম এবং হারামের বাইরে ইহরাম কিংবা ইহরামমুক্ত অবস্থায় কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করা জায়িয
সহিহ মুসলিম ২৭৫১
حَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ، حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ এমন চার প্রকার দুষ্ট জন্তু হারাম এবং হারামের বাইরে নিধন করা যায়ঃ চিল (এবং শকুন), কাক, ইঁদুর এবং হিংস্র কুকুর। তিনি (‘উবায়দুল্লাহ) বলেন, আমি ক্বাসিমকে জিজ্ঞেস করলাম, সাপের বিষয়ে আপনার মত কী? তিনি বললেন, তা হীনভাবে হত্যা করতে হবে। (ই.ফা. ২৭২৮, ই.সে. ২৭২৭)
সহিহ মুসলিম ২৭৫২
حَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ، حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পাঁচ প্রকার দুষ্ট জন্তুকে হারাম এবং হারামের বাইরে নিধন করা যায়ঃ সাপ, আব্ক্বা’ (যার বুক ও পিঠ সাদা বর্ণের) কাক, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর এবং চিল। (ই.ফা. ২৭২৯, ই.সে. ২৭২৮)
সহিহ মুসলিম ২৭৫৩
حَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ، حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচটি অনিষ্টকর প্রাণীকে হারামের ভিতরে হত্যা করা যায়ঃ বিচ্ছু, ইঁদুর, কাক, চিল ও হিংস্র কুকুর। (ই.ফা. ২৭৩০, ই.সে. ২৭২৯)
সহিহ মুসলিম ২৭৫৪
حَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ، حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৭৩১, ই.সে. ২৭৩০)
সহিহ মুসলিম ২৭৫৫
حَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ، حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচটি দুষ্ট জন্তু হারামের মধ্যেও হত্যা করতে হবেঃ ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক, চিল এবং হিংস্র কুকুর। (ই.ফা. ২৭৩২, ই.সে. ২৭৩১)
সহিহ মুসলিম ২৭৫৬
حَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ، حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
যুহরী (রহঃ) থেকে এ সানাদে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচটি দুষ্ট অনিষ্টকর জন্তু হারাম ও হারামের বাইরে নিধনের নির্দেশ দিয়েছেন। হাদীসের অবশিষ্ট অংশ ইয়াযীদ ইবনু যুরা'য় (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৭৩৩, ই.সে. ২৭৩২)
সহিহ মুসলিম ২৭৫৭
حَدَّثَنِي ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ، حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচটি জন্তুর প্রতিটিই অনিষ্টকর। ইহরাম অবস্থায় তা হত্যা করা যাবেঃ কাক, চিল, হিংস্র কুকুর, বিচ্ছু ও ইঁদুর। (ই.ফা. ২৭৩৪, ই.সে. ২৭৩৩)
সহিহ মুসলিম ২৭৫৮
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ كُنَّا نَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ يُكَلِّمُ الرَّجُلُ صَاحِبَهُ وَهُوَ إِلَى جَنْبِهِ فِي الصَّلاَةِ حَتَّى نَزَلَتْ { وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ وَنُهِينَا عَنِ الْكَلاَمِ .
সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পাঁচটি জন্তু নিধনে কোন দোষ নেই, হারামের ভিতরে ও ইহরাম অবস্থায়ঃ ইঁদুর, কাক, চিল, বিচ্ছু ও হিংস্র কুকুর। ইবনু আবূ ‘উমার তার রিওয়ায়াতে “হারাম শরীফে বা ইহরাম অবস্থায়” কথাটুকু উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২৭৩৫, ই.সে. ২৭৩৪)
সহিহ মুসলিম ২৭৫৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَوَكِيعٌ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، كُلُّهُمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সহধর্মিণী হাফসাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচটি জন্তুর প্রত্যেকটিই অনিষ্টকর, কেউ তা হত্যা করলে তার কোন দোষ হবে নাঃ বিচ্ছু, কাক, চিল, ইঁদুর ও হিংস্র কুকুর। (ই.ফা. ২৭৩৬, ই.সে. ২৭৩৫)
সহিহ মুসলিম ২৭৬০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَوَكِيعٌ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، كُلُّهُمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
যায়দ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল, মুহরিম ব্যক্তি কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করতে পারে? তিনি বললেন, আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জনৈকা সহধর্মিণী অবহিত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইঁদুর, বিচ্ছু, চিল, হিংস্র কুকুর ও কাক হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন অথবা রাবী বলেন, নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ২৭৩৭, ই.সে. ২৭৩৬)
সহিহ মুসলিম ২৭৬১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَوَكِيعٌ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، كُلُّهُمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
যায়দ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু ‘ঊমার (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করল, মুহরিম ব্যক্তি কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করতে পারে? তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জনৈকা সহধর্মিণী বলেছেন যে, তিনি হিংস্র কুকুর, ইঁদুর, বিচ্ছু, চিল, কাক ও সাপ হত্যা করার নির্দেশ দিতেন। এমনকি সলাতরত অবস্থায়ও তা হত্যা করা যায়। (ই.ফা. ২৭৩৮, ই.সে. ২৭৩৭)
সহিহ মুসলিম ২৭৬২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ كُنَّا نَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ يُكَلِّمُ الرَّجُلُ صَاحِبَهُ وَهُوَ إِلَى جَنْبِهِ فِي الصَّلاَةِ حَتَّى نَزَلَتْ { وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ وَنُهِينَا عَنِ الْكَلاَمِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এমন পাঁচটি জন্তু আছে যা মুহরিম ব্যক্তি হত্যা করলে কোন দোষ হবে নাঃ কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর এবং হিংস্র কুকুর। (ই.ফা. ২৭৩৯, ই.সে. ২৭৩৮)
সহিহ মুসলিম ২৭৬৩
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ كُنَّا نَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ يُكَلِّمُ الرَّجُلُ صَاحِبَهُ وَهُوَ إِلَى جَنْبِهِ فِي الصَّلاَةِ حَتَّى نَزَلَتْ { وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ وَنُهِينَا عَنِ الْكَلاَمِ .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নাফি’ (রহঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, আপনি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে মুহরিম ব্যক্তির জন্য কোন্ কোন্ প্রাণী হত্যার বৈধতা ঘোষণা করতে শুনেছেন? নাফি’ (রহঃ) আমাকে বললেন, ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, এমন পাঁচ প্রকারের প্রাণী আছে, কোন ব্যক্তি তা হত্যা করলে তার কোন গুনাহ হবে নাঃ কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর ও হিংস্র কুকুর। (ই.ফা. ২৭৪০, ই.সে. ২৭৩৯)
সহিহ মুসলিম ২৭৬৪
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ كُنَّا نَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ يُكَلِّمُ الرَّجُلُ صَاحِبَهُ وَهُوَ إِلَى جَنْبِهِ فِي الصَّلاَةِ حَتَّى نَزَلَتْ { وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ وَنُهِينَا عَنِ الْكَلاَمِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু মালিক (রহঃ) ও ইবনু জুরায়জের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং একমাত্র ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ব্যতীত নাফি’ “ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি” কথাটি আর কেউ বলেননি। এ বর্ণনায় ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। (ই.ফা. ২৭৪১, ই.সে. ২৭৪০)
সহিহ মুসলিম ২৭৬৫
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ كُنَّا نَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ يُكَلِّمُ الرَّجُلُ صَاحِبَهُ وَهُوَ إِلَى جَنْبِهِ فِي الصَّلاَةِ حَتَّى نَزَلَتْ { وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ وَنُهِينَا عَنِ الْكَلاَمِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, পাঁচ ধরনের প্রাণী, এর কোন একটি হারাম শরীফে বা ইহরাম অবস্থায় হত্যা করা হলে কোন দোষ নেই....পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৭৪২, ই.সে. ২৭৪০)
সহিহ মুসলিম ২৭৬৬
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ كُنَّا نَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ يُكَلِّمُ الرَّجُلُ صَاحِبَهُ وَهُوَ إِلَى جَنْبِهِ فِي الصَّلاَةِ حَتَّى نَزَلَتْ { وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ وَنُهِينَا عَنِ الْكَلاَمِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন পাঁচ ধরনের প্রাণী আছে, ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি সেগুলো হত্যা করলে তাতে তার কোন গুনাহ হবে নাঃ বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, কাক ও চিল। হাদীসের মূল পাঠ ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়ার বর্ণনা থেকে নেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ২৭৪৩, ই.সে. ২৭৪১)