ই‘তিকাফে ইচ্ছুক ব্যক্তি কখন ই‘তিকাফের স্থানে প্রবেশ করবে - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > ই‘তিকাফে ইচ্ছুক ব্যক্তি কখন ই‘তিকাফের স্থানে প্রবেশ করবে

সহিহ মুসলিম ২৬৭৫

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ جَمِيعًا عَنْ يَحْيَى، - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، - عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ، يَقُولُ صَلَّيْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ سِتَّةَ عَشَرَ شَهْرًا أَوْ سَبْعَةَ عَشَرَ شَهْرًا ثُمَّ صُرِفْنَا نَحْوَ الْكَعْبَةِ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ই‘তিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফাজরের সলাত আদায়ের পর ই‘তিকাফের স্থানে প্রবেশ করতেন। একবার তিনি (মাসজিদের অভ্যন্তরে) তাঁবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তদানুযায়ী তা খাটানো হ‘ল। তিনি রমাযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করার সংকল্প করলেন। উম্মুল মু‘মিনীন যায়নাব (রাঃ)-ও তাঁর তাঁবু খাটিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হ‘ল। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অপরাপর স্ত্রীগণও নিজ নিজ তাঁবুগুলো খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হ‘ল। ফাজরের সলাত শেষে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকিয়ে তাঁবুগুলো খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন এবং তা তুলে ফেলা হল। তিনি রমাযানের ই‘তিকাফ ভঙ্গ করলেন এবং শাওওয়াল মাসের প্রথম দশকে কাযা করলেন। (ই.ফা. ২৬৫২, ই.সে. ২৬৫১)


সহিহ মুসলিম ২৬৭৬

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ جَمِيعًا عَنْ يَحْيَى، - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، - عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ، يَقُولُ صَلَّيْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ سِتَّةَ عَشَرَ شَهْرًا أَوْ سَبْعَةَ عَشَرَ شَهْرًا ثُمَّ صُرِفْنَا نَحْوَ الْكَعْبَةِ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ মু‘আবিয়াহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মার্থানুযায়ী বর্ণিত হয়েছে। ইবনু ‘উয়াইনাহ্, ‘আমর ইবনুল হারিস ও ইবনু ইসহাক্বের বর্ণনায় ‘আয়িশা (রাঃ), হাফসাহ্ (রাঃ) ও যায়নাব (রাঃ) সম্পর্কে উল্লেখ আছে যে, তারা ই‘তিকাফের উদ্দেশে তাঁবু খাটিয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৬৫৩, ই.সে. ২৬৫২)


সহিহ মুসলিম > রমাযানের শেষ দশকে (‘ইবাদাতের জন্য) সচেষ্ট হওয়া

সহিহ মুসলিম ২৬৭৭

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ بَيْنَمَا النَّاسُ فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ بِقُبَاءٍ إِذْ جَاءَهُمْ آتٍ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ ‏.‏ وَقَدْ أُمِرَ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الْكَعْبَةَ فَاسْتَقْبِلُوهَا ‏.‏ وَكَانَتْ وُجُوهُهُمْ إِلَى الشَّامِ فَاسْتَدَارُوا إِلَى الْكَعْبَةِ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযানের শেষ দশক শুরু হবার সাথে সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সারা রাত জেগে থাকতেন ও নিজ পরিবারের সদস্যদের ঘুম থেকে জাগাতেন এবং তিনি নিজেও ‘ইবাদাতের জন্য জোর প্রস্তুতি নিতেন। (ই.ফা. ২৬৫৪, ই.সে. ২৬৫৩)


সহিহ মুসলিম ২৬৭৮

حَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ بَيْنَمَا النَّاسُ فِي صَلاَةِ الْغَدَاةِ إِذْ جَاءَهُمْ رَجُلٌ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমাযানের শেষ দশকে অধিক পরিমাণে এমনভাবে সচেষ্ট থাকতেন যা অন্য সময়ে থাকতেন না। (ই.ফা ২৬৫৫, ই.সে. ২৬৫৪)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية