সহিহ মুসলিম > জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে
সহিহ মুসলিম ২৪৭৯
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ سُتْرَةِ الْمُصَلِّي فَقَالَ مِثْلُ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ "
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁর আলোচনায় বললেন, জানাবাত অবস্থায় কারো ভোর হলে তার সওম হবে না। এরপর এ কথাটি আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করলেন। তরপর ‘আবদুর রহমান চললেন। আমিও তাঁর সাথে সাথে চললাম। আমরা ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর ‘আবদুর রহমান তাঁদের উভয়কে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকে জানাবাতের অবস্থায় ভোর করতেন এবং সওম পালন করতেন। তারপর আমরা মারওয়ানের নিকট আসলাম এবং ‘আবদুর রহমান তার সাথে এ নিয়ে আলোচনা করলেন। এরপর মারওয়ান বললেন, আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি, তুমি আবূ হুরায়রার নিকট যাও এবং তার কথাটি রদ করে দাও। এরপর আমি আবূ হুরায়রার নিকট গেলাম। এ সময় আবূ বকর (রাঃ) ‘আবদুর রহমানের সাথে ছিলেন। ‘আবদুর রহমান এ নিয়ে আবূ হুরায়রার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, তোমার নিকট তাঁরা উভয়েই কি এ কথা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাঁরা উভয়েই এ কথা বলেছেন। তখন আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, বস্তুত তাঁরাই সর্বাধিক অবগত। তারপর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁর এ কথাটিকে ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসের প্রতি সম্পর্কিত করে বললেন, আমি এ কথাটি ফায্লের (ইবনু আব্বাস) থেকে শুনেছিলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনিনি। রাবী বলেন, এরপর আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) এ বিষয়ে তাঁর মত পরিবর্তন করেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘আবদুল মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, তারা রমাযানের কথা বলেছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ অনুরূপই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকেও জানাবাত অবস্থায় ভোর করতেন। এরপর সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৬, ই.সে. ২৪৫৫)
সহিহ মুসলিম ২৪৮০
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ سُتْرَةِ الْمُصَلِّي فَقَالَ مِثْلُ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ "
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসে ইহতিলাম ছাড়াই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জানাবাত অবস্থায় ফাজ্রের সলাতের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৭, ই.সে. ২৪৫৬)
সহিহ মুসলিম ২৪৮১
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ سُتْرَةِ الْمُصَلِّي فَقَالَ مِثْلُ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ "
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা মারওয়ান তাকে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের অবস্থায় ভোর হলো, সে সওম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহতিলাম ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সওম ভঙ্গও করতেন না এবং সওমের কাযাও করতেন না। (ই.ফা. ২৪৫৮, ই.সে. ২৪৫৭)
সহিহ মুসলিম ২৪৮২
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ سُتْرَةِ الْمُصَلِّي فَقَالَ مِثْلُ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ "
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ই বলেন, রমাযান মাসে ইহ্তিলাম ছাড়াই স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভোর হতো, এরপর তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৯, ই.সে. ২৪৫৮)
সহিহ মুসলিম ২৪৮৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا حَيْوَةُ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ عَنْ سُتْرَةِ الْمُصَلِّي فَقَالَ كَمُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ "
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। এ সময় তিনি দরজার পেছন থেকে কথাগুলো শুনছিলেন। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ! জানাবাতের অবস্থায় আমার ফাজরের সময় হয়ে যায়, এমতাবস্থায় আমি সওম পালন করতে পারি কি? উত্তরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জানাবাতের অবস্থায় আমারও ফাজরের সলাতের সময় হয়ে যায়, আমি তো সওম পালন করি। এরপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো আমাদের মতো নন। আল্লাহ তা’আলা আপনার পূর্বাপর সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমার আশা, আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে সর্বাধিক ভয় করি এবং আমি সর্বাধিক অবগত ঐ বিষয় সম্পর্কে, যা থেকে আমার বিরত থাকা আবশ্যক। (ই.ফা. ২৪৬০, ই.সে. ২৪৫৯)
সহিহ মুসলিম ২৪৮৪
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ سُتْرَةِ الْمُصَلِّي فَقَالَ مِثْلُ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ "
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, জানাবাতের অবস্থায় যার ভোর হয়, সে সওম পালন করবে কি? তিনি বললেন, ইহতিলাম ছাড়াই জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভোর হতো এবং তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৬১, ই.সে. ২৪৬০)
সহিহ মুসলিম > রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্ফারাহ আদায় করতে হবে
সহিহ মুসলিম ২৪৮৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ أَمَرَ بِالْحَرْبَةِ فَتُوضَعُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا وَالنَّاسُ وَرَاءَهُ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গিয়েছি। তিনি বলরেন, কিসে তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি রমাযানে সওমরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি যাকে তুমি আযাদ করে দিতে পার? সে বলল, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ক্রমাগত দু’মাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। তারপর সে বসে গেল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হ’ল। তিনি লোকটিকে বললেন, এগুলো সদাক্বাহ করে দাও। তখন সে বলল, আমার চেয়েও অভাবী লোককে সদাক্বাহ করে দিব? (মাদীনার) দু’টি কংকরময় ভূমির মধ্যস্থিত স্থানে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবী আর একটিও নেই। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর সামনের দাঁতগুলো প্রকাশ হয়ে পড়ল। তখন তিনি বললেন, তাহলে যাও এবং তোমার পরিবারকে খেতে দাও। (ই.ফা. ২৪৬২, ই.সে. ২৪৬১)
সহিহ মুসলিম ২৪৮৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ أَمَرَ بِالْحَرْبَةِ فَتُوضَعُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا وَالنَّاسُ وَرَاءَهُ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ .
মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম আয্ যুহরী (রাঃ)-এর সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে (আরবী) এরপর (আরবী) শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাসির কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৩, ই.সে. ২৪৬২)
সহিহ মুসলিম ২৪৮৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ أَمَرَ بِالْحَرْبَةِ فَتُوضَعُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا وَالنَّاسُ وَرَاءَهُ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। এক ব্যক্তি রমাযান মাসে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এবং এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করল। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি? সে বলল, না। তিনি আবার বললেন, তুমি দু’মাস সওম পালন করতে পারবে কি? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। (ই.ফা. ২৪৬৪, ই.সে. ২৪৬৩)
সহিহ মুসলিম ২৪৮৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ أَمَرَ بِالْحَرْبَةِ فَتُوضَعُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا وَالنَّاسُ وَرَاءَهُ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ .
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এর কাফ্ফারাহ হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৪৬৫, ই.সে. ২৪৬৪)
সহিহ মুসলিম ২৪৮৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ أَمَرَ بِالْحَرْبَةِ فَتُوضَعُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا وَالنَّاسُ وَرَاءَهُ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নির্দেশ দিলেন, হয় তো সে একটি গোলাম আযাদ করবে অথবা দু’মাস সওম পালন করবে অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে। (ই.ফা. ২৪৬৬, ই.সে. ২৪৬৫)
সহিহ মুসলিম ২৪৯০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ أَمَرَ بِالْحَرْبَةِ فَتُوضَعُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا وَالنَّاسُ وَرَاءَهُ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ .
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৬৭, ই.সে. ২৪৬৬)
সহিহ মুসলিম ২৪৯১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَرْكُزُ - وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ يَغْرِزُ - الْعَنَزَةَ وَيُصَلِّي إِلَيْهَا . زَادَ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ وَهْىَ الْحَرْبَةُ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমি জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেন? সে বলল, রমাযানের দিনে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ দাও, সদাক্বাহ দাও। সে বলল, আমার নিকট কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বসার জন্য নির্দেশ দিলেন। এমতাবস্থায় দু’ টুকরি ভর্তি খাদ্য আসল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এগুলো সদাক্বাহ করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২৪৬৮, ই.সে. ২৪৬৭)
সহিহ মুসলিম ২৪৯২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَرْكُزُ - وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ يَغْرِزُ - الْعَنَزَةَ وَيُصَلِّي إِلَيْهَا . زَادَ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ وَهْىَ الْحَرْبَةُ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তবে এ হাদীসের প্রথমে “সদাক্বাহ করো, সদাক্বাহ করে” শব্দ দু’টো উল্লেখ নেই এবং এতে “দিনের বেলায়” কথাটিও উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৯, ই.সে. ২৪৬৮)
সহিহ মুসলিম ২৪৯৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَرْكُزُ - وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ يَغْرِزُ - الْعَنَزَةَ وَيُصَلِّي إِلَيْهَا . زَادَ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ وَهْىَ الْحَرْبَةُ .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের মাসে মসজিদের মধ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো জ্বলে গিয়েছি, আমি তো জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার, কী হয়েছে তার? সে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ কর। সে বলল, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর নাবী! আমার কিছুই নেই এবং এ ব্যাপারে আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন, বসো। সে বসল, লোকটি বসা থাকতেই এক ব্যক্তি গাধা হাঁকিয়ে আসল। এর উপর ছিল খাদ্য। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ঐ অগ্নিদদ্ধ লোকটি কোথায়, যে কিছুক্ষণ পূর্বে এসেছিল? লোকটি দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো সদাক্বাহ্ করে দাও। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের ছাড়া অন্য লোকদের সদাক্বাহ করে দিব? আল্লাহর শপথ আমরা অত্যন্ত ক্ষুধার্ত, আমাদের কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে ওগুলো তোমরা খেয়ে ফেল। (ই.ফা. ২৪৭০, ই.সে. ২৪৬৯)