সহিহ মুসলিম > নিজ নিজ শহরে চন্দ্রোদয়ের হিসাব অনুযায়ী কাজ করতে হবে, এক শহরের চন্দ্রোদয়ের হুকুম উল্লেখযোগ্য দূরত্বে অবস্থিত অন্য শহরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
সহিহ মুসলিম ২৪১৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، نَبَّأَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ وَسُجُودِهِ سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ رَبُّ الْمَلاَئِكَةِ وَالرُّوحِ "
কুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হারিসের কন্যা উম্মুল ফায্ল তাকে সিরিয়ায় মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। কুরায়ব বলেন, অতঃপর আমি সিরিয়া পৌঁছে তার প্রয়োজনীয় কাজ সমাপন করলাম। আমি সিরিয়ায় থাকতেই রমাযান এসে গেল। আমি জুমু’আর রাতে রমাযানের চাঁদ দেখতে পেলাম। অতঃপর মাসের শেষদিকে আমি মাদীনায় ফিরে এলাম। ‘আবদুল্লাহ ইবুন ‘আব্বাস (রাঃ) সিয়াম সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে আমাদের জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কখন চাঁদ দেখেছ? আমি বললাম, আমি তো জুমু’আর রাতেই চাঁদ দেখেছি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তুমি নিজেই কি তা দেখেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ, অন্যান্য লোকেরাও দেখেছে এবং তারা সিয়াম পালন করেছে। এমনকি মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)-ও সিয়াম পালন করেছে। তিনি বলেন, আমরা তো শনিবার রাতে চাঁদ দেখেছি, আমরা পূর্ণ ত্রিশটি রোযা রাখব অথবা এর আগে যদি চাঁদ দেখতে পাই তাহলে তখন ইফত্বার করব। আমি বললাম, আপনি কি মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর চাঁদ দেখা ও সিয়াম পালন করাকে (রমাযান মাস শুরু হওয়ার জন্য) যথেষ্ট মনে করেন না? তিনি বলরেন : না, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের এভাবেই (চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা ও ইফত্বার করার জন্য) নির্দেশ দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৩৯৫, ই.সে. ২৩৯৬)
সহিহ মুসলিম > চাঁদের আকারে (ত্রিশতম রাতে) ছোট বা বড় দেখা গেলে তাতে হুকুমের কোন পার্থক্য হবে না, আল্লাহ তা’আলা চাঁদকে দৃষ্টিগোচর হওয়ার উপযোগী করে দেন, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে মাসের ত্রিশদিন পূর্ণ করতে হবে
সহিহ মুসলিম ২৪১৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي قَتَادَةُ، قَالَ سَمِعْتُ مُطَرِّفَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدَّثَنِي هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ .
আবুল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আমরা ‘উমরাহ্ করার জন্য বের হলাম। যখন আমরা (মাক্কাহ ও তায়িফের মাঝামাঝি অবস্থিত) “বাত্বনে নাখলাহ্” নামক স্থানে অবতরণ করলাম সকলে মিলে চাঁদ দেখতে লাগলাম। লোকেদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, এ তো তিনদিনের চাঁদ, আবার কেউ বলল দু’দিনের। বর্ণনাকারী বলেন, পরে আমরা ইবুন ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমরা চাঁদ দেখেছি। কিন্তু লোকেদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছে, এ তো দু’দিনের চাঁদ আবার কেউ কেউ বলেছে এতো তিন দিনের চাঁদ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কোন্ রাতে চাঁদ দেখেছো? আমর বললাম, অমুক দিন, অমুক রাতে। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেদিন রাতে চাঁদ দেখতেন ঐ দিনেরই তারিখ ধরতেন। সুতরাং চাঁদ সে রাতেই উঠেছে যে রাতে তোমরা দেখেছো। (ই.ফা. ২৩৯৬, ই.সে. ২৩৯৭)
সহিহ মুসলিম ২৪২০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي قَتَادَةُ، قَالَ سَمِعْتُ مُطَرِّفَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدَّثَنِي هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ .
আবুল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আমরা যখন যাতু ‘ইর্ক্ব নামক স্থানে অবস্থান করছিলাম তখন রমাযানের চাঁদ দেখেতে পেলাম। অতঃপর আমরা এক ব্যক্তিকে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনেঃ আল্লাহ তা’আলা চাঁদ দেখার সাথে মাস নির্ধারণ করেছেন, যদি তোমাদের নিকট অপ্রকাশিত থাকে (মেঘের কারণে) তাহলে তোমরা (ত্রিশ দিনে) মাস পূর্ণ কর। (ই.ফা. ২৩৯৭, ই.সে. ২৩৯৮)