নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরকে সদাক্বাহ্‌ উসূলকারী নিযুক্ত না করা প্রসঙ্গে - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরকে সদাক্বাহ্‌ উসূলকারী নিযুক্ত না করা প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২৩৭১

حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا ‏.‏

‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্‌ ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রবী’আহ্‌ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দু’টিকে অর্থাৎ আমি ও ফায্‌ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তার কাছে গিয়ে তাদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিতে এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রামিক পায় তারাও সেভাবে পারিশ্রামিক পেত। রাবী বলেন, তাঁরা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) এসে তাঁদের মাঝে দাঁড়ালেন। তাঁরা এ প্রস্তাবটি তাঁর কাছে উত্থাপন করলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ! তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রাবী’আহ্‌ ইবনু হারিস (রাঃ) তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! “তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না!” তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, এদের দু’জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তারা উভয়ে চলে গেল এবং ‘আলী (রাঃ) বিছানায় শুয়ে থাকলেন। ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্‌ বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তাঁর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু’জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কন্ঠে) বললেন, “কোন মতলবে এসেছো, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।” তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি যায়নাব বিনতু জাহ্‌শ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। রাবী বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! “আপনি সর্বশ্রেষ্ট অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরনাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রামিক পাব।” এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে যায়নাব (রাঃ) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য ‘যাকাত’ গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহ্‌মিয়্যাহ্‌ এবং নাওফাল ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবী বলেন, তারা দু’জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহ্‌মিয়্যাহ্‌ বললেনঃ “তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফায্‌ল ইবনু ‘আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও। তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নাওফাল ইবনু হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহ্‌মিয়্যাকে বললেন, এ দু’জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মুহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও। যুহরী বলেন, আমার শায়খ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আমার কাছে মুহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ২৩৪৯, ই. সে. ২৩৪৯)


সহিহ মুসলিম ২৩৭২

حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا ‏.‏

‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্‌ ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্‌ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্‌ ও ফায্‌ল ইবনু ‘আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু’জন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর ‘আলী (রাঃ) নিজের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেনে এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না। এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্‌মিয়্যাহ্‌ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)


সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায়

সহিহ মুসলিম ২৩৭৩

وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ، - يَعْنِي ابْنَ كَثِيرٍ - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، يَقُولُ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَأَنَا رَاكِعٌ أَوْ سَاجِدٌ ‏.‏

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী জুওয়াইরিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাকে এ হাদীস অবহিত করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে এসে বললেনঃ খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের খাওয়ার কিছু নেই। তবে বকরীর কয়েকটি হাড় আছে। এটা আমার মুক্ত দাসীকে সদাক্বাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ তা আমার কাছে নিয়ে এসো, কেননা সদাক্বাহ্ তার নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে গেছে। (ই. ফা. ২৩৫১, ই. সে. ২৩৫১)


সহিহ মুসলিম ২৩৭৪

وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ، - يَعْنِي ابْنَ كَثِيرٍ - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، يَقُولُ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَأَنَا رَاكِعٌ أَوْ سَاجِدٌ ‏.‏

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৫২, ই. সে. ২৩৫২)


সহিহ মুসলিম ২৩৭৫

وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّهُ قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْقِرَاءَةِ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ وَلاَ أَقُولُ نَهَاكُمْ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীয়াহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিছু গোশ্‌ত উপহার দিলেন। এটা তাকে সদাক্বাহ্‌ হিসেবে দেয়া হয়েছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ গোশ্‌ত তার (বারীরার) জন্য সদাক্বাহ্‌ কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ বা উপঢৌকন হিসেবে গণ্য। (ই. ফা. ২৩৫৩, ই. সে. ২৩৫৩)


সহিহ মুসলিম ২৩৭৬

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَانِي حِبِّي صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু গরুর গোশ্‌ত আনা হলো। অতঃপর বলা হলো এ গোশ্‌ত বারীরাকে সদাক্বাহ্‌ হিসেবে দান করা হয়েছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা তার জন্য সদাক্বাহ্‌ কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ বা উপঢৌকন।” (ই. ফা. ২৩৫৪, ই. সে. ২৩৫৪)


সহিহ মুসলিম ২৩৭৭

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَانِي حِبِّي صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরাহ্‌ (রাঃ)-কে মুক্বদ্দামার প্রেক্ষিতে শারী’আতের তিনটি হুকুম প্রবর্তিত হয়। লোকজন তাকে সদাক্বাহ্‌ দিত এবং তিনি তা আমাদেরকে উপহার হিসেবে দান করতেন। এ ব্যাপারে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালাম। তিনি বললেন, এটা তার জন্য সদাক্বাহ্‌ এবং তোমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্‌। সুতরাং তোমরা তা খাও। (ই. ফা. ২৩৫৫, ই. সে. ২৩৫৫)


সহিহ মুসলিম ২৩৭৮

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَانِي حِبِّي صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৬, ই. সে. ২৩৫৬)


সহিহ মুসলিম ২৩৭৯

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَانِي حِبِّي صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৭, ই. সে. ২৩৫৭)


সহিহ মুসলিম ২৩৮০

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، ح وَحَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ الْمِصْرِيُّ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، ح وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ - أَخْبَرَنِي مُحَمَّدٌ، وَهُوَ ابْنُ عَمْرٍو ح قَالَ وَحَدَّثَنِي هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، - إِلاَّ الضَّحَّاكَ وَابْنَ عَجْلاَنَ فَإِنَّهُمَا زَادَا عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ، - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كُلُّهُمْ قَالُوا نَهَانِي عَنْ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَأَنَا رَاكِعٌ وَلَمْ يَذْكُرُوا فِي رِوَايَتِهِمُ النَّهْىَ عَنْهَا فِي السُّجُودِ كَمَا ذَكَرَ الزُّهْرِيُّ وَزَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ وَالْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ وَدَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ ‏.‏

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য সদাক্বার একটি বকরী পাঠালেন। অতঃপর আমি এ থেকে কিছু গোশ্‌ত ‘আয়িশা (রাঃ)-এর জন্য পাঠালাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, না; তবে আপনি নুসায়বার (উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌) কাছে (সদাক্বার) বকরী পাঠিয়ে ছিলেন। এ থেকে সে আমার জন্য কিছু গোশ্‌ত পাঠিয়েছে। তিনি বললেন, এ (সদাক্বাহ্‌) তো তাঁর যথাযথ স্থানে পৌঁছে গেছে (অর্থাৎ উম্মু ‘আত্বিয়ার জন্য সদাক্বাহ্‌ ছিল। সে তা হস্তান্তর করার পর এখন তোমার জন্য এটা হাদীয়্যাহ। কাজেই তুমি খাও, আমাকে দাও)। (ই. ফা. ২৩৫৮, ই. সে. ২৩৫৮)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية