সহিহ মুসলিম > ক্রীতদাস তার মনিবের সম্পদ হতে যে পরিমাণ সম্পদ ব্যয় করতে পারবে
সহিহ মুসলিম ২২৫৮
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ بِـ { اللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} وَفِي الْعَصْرِ نَحْوَ ذَلِكَ وَفِي الصُّبْحِ أَطْوَلَ مِنْ ذَلِكَ .
আবূ লাহ্ম-এর [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] আযাদকৃত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম ক্রীতদাস। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আমার মালিকের সম্পদ থেকে কিছু দান করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আর তোমরা দু’জনকেই এর অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৭, ই.সে. ২২৩৮)
সহিহ মুসলিম ২২৫৯
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ بِـ { اللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} وَفِي الْعَصْرِ نَحْوَ ذَلِكَ وَفِي الصُّبْحِ أَطْوَلَ مِنْ ذَلِكَ .
আবূ লাহম (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মালিক আমাকে গোশ্ত শুকানোর জন্য নির্দেশ দিলেন। আমার কাছে জৈনক মিসকীন আসলো। আমি তাকে এ থেকে খাওয়ার জন্য দিলাম। এটা টের পেয়ে আমার মালিক আমাকে মারধর করলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে ব্যাপারটি জানালাম। তিনি তাঁকে ডেকে এনে বললেন, তুমি একে মারলে কেন? আমার মালিক বলেন, আমার খাদ্যদ্রব্য আমার অনুমতি ছাড়াই সে দান করে। তিনি বলেন, তোমরা দু’জনেই এর সমান সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৮, ই.সে. ২২৩৯)
সহিহ মুসলিম ২২৬০
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، . أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ بِـ { سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى} وَفِي الصُّبْحِ بِأَطْوَلَ مِنْ ذَلِكَ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তার একটি এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রী যেন (নফল) রোযা না রাখে। তার উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া সে যেন তার ঘরে প্রবেশ করার জন্য অন্য কাউকে অনুমতি না দেয়। তার (স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া সে তার উপার্জিত সম্পদ থেকে যা কিছু দান করবে তাতেও সে (স্বামী) অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৯, ই.সে. ২২৪০)
সহিহ মুসলিম > দান-খায়রাতের সাথে অন্যান্য সাওয়াবের কাজও করা ফযীলত
সহিহ মুসলিম ২২৬১
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْغَدَاةِ مِنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজ সম্পদ থেকে আল্লাহর রাস্তায় জোড়া খরচ করে জান্নাতে তাকে এই বলে ডাকা হবে যে, ওহে আল্লাহর বান্দা! এখানে আসো, এখানে তোমার জন্য উত্তম ও কল্যাণ রয়েছে। যে ব্যক্তি নামাযী তাকে সলাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে, যে ব্যক্তি মুজাহিদ তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে। সদাক্বাহ্ দানকারীকে সদাক্বার দরজা দিয়ে ডাকা হবে এবং রোযাদারকে রোযার দরজা রাইয়্যান দিয়ে ডাকা হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কোন ব্যক্তিকে সবগুলো দরজা দিয়ে ডাকা হবে কি? অর্থাৎ এমন কোন ব্যক্তি হবে কি যাকে সবগুলো দরজা দিয়েই ডাকা হবে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, আর আমি আশা করি তুমিই হবে তাদের মধ্যে সে ব্যক্তি। (ই.ফা. ২২৪০, ই.সে.২২৪১)
সহিহ মুসলিম ২২৬২
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْغَدَاةِ مِنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ .
যুহরী (রহঃ)-এর সূত্রে ইউনুস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৪১, ই.সে. ২২৪২)
সহিহ মুসলিম ২২৬৩
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْغَدَاةِ مِنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জোড়ায় খরচ করবে জান্নাতের দরজাগুলোর প্রত্যেক কোষাধ্যক্ষ তাকে ডেকে বলবে, হে অমুক ! এখানে আসো, এখানে আসো। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যাকে এভাবে সবগুলো দরজা থেকে ডাকা হবে সে অসুবিধায় পড়ে যাবে না তো? তার কোন প্রকার অনিষ্টের সম্ভাবনা নেই তো? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি নিশ্চিতই আশা করি তুমিই হবে তাদের সেই ব্যক্তি। (ই.ফা. ২২৪২, ই.সে. ২২৪৩)
সহিহ মুসলিম ২২৬৪
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ آيَةً .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজ তোমাদের মধ্যে কে রোযা রেখেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে জানাযার সাথে গেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে মিসকীনকে খাবার দিয়েছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তির মধ্যে এসব কাজের সমাবেশ ঘটে, সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে। (ই.ফা. ২২৪৩, ই.সে.২২৪৪)