সহিহ মুসলিম > আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ ও স্ত্রী লোকের সদাক্বায় সাওয়াব হওয়া সম্পর্কে, স্ত্রী স্বামীর প্রকাশ্য অনুমতি সাপেক্ষে অথবা প্রচলিত প্রথামত স্বামীর সম্পদ থেকে দান করলে সে তার সাওয়াব পাবে
সহিহ মুসলিম ২২৫৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ بِـ { ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} وَكَانَ صَلاَتُهُ بَعْدُ تَخْفِيفًا .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে মুসলিম আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ নির্দেশ মুতাবিক যথাযথভাবে হুকুম পালন করে বা দান করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাপককে পূর্ণমাত্রায় দান করে, সেও জনৈক দাতা হিসেবে গণ্য, অর্থাৎ সেও মূল মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব লাভ করবে। (ই.ফা. ২২৩২, ই.সে.২২৩৩)
সহিহ মুসলিম ২২৫৪
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ رَافِعٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ سِمَاكٍ، قَالَ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ عَنْ صَلاَةِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ يُخَفِّفُ الصَّلاَةَ وَلاَ يُصَلِّي صَلاَةَ هَؤُلاَءِ . قَالَ وَأَنْبَأَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ بـ { ق وَالْقُرْآنِ} وَنَحْوِهَا .
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন স্ত্রীলোক ক্ষতির মনোভাব না নিয়ে স্বামীর ঘরের খাদ্যদ্রব্য দান করে, সে তার দানের সাওয়াব পাবে এবং তার স্বামীও তার উপার্জনের সাওয়াব পাবে। অনুরূপভাবে এ সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারীও মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। এতে একজনের দ্বারা অপরজনের প্রাপ্য সাওয়াব মোটেও কমবে না। (ই.ফা. ২২৩৩, ই.সে.২২৩৪)
সহিহ মুসলিম ২২৫৫
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ رَافِعٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ سِمَاكٍ، قَالَ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ عَنْ صَلاَةِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ يُخَفِّفُ الصَّلاَةَ وَلاَ يُصَلِّي صَلاَةَ هَؤُلاَءِ . قَالَ وَأَنْبَأَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ بـ { ق وَالْقُرْآنِ} وَنَحْوِهَا .
মানসূর (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে “তার ঘরে খাদ্যশস্যের” পরিবর্তে তার “স্বামীর খাদ্যশস্যের” কথা উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ২২৩৪, ই.সে.২২৩৫)
সহিহ মুসলিম ২২৫৬
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ رَافِعٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ سِمَاكٍ، قَالَ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ عَنْ صَلاَةِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ يُخَفِّفُ الصَّلاَةَ وَلاَ يُصَلِّي صَلاَةَ هَؤُلاَءِ . قَالَ وَأَنْبَأَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ بـ { ق وَالْقُرْآنِ} وَنَحْوِهَا .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনরূপ ক্ষতির মনোভাব ছাড়া স্ত্রী যখন তার স্বামীর ঘর থেকে খরচ করে, স্বামী স্ত্রী উভয়েই এর সমান সাওয়াব লাভ করে। স্বামী সাওয়াব পায় তার উপার্জনের জন্য এবং স্ত্রী সাওয়াব পায় তার দানের জন্য। অনুরূপভাবে কোষাধ্যক্ষও সাওয়াব পাবে। তবে এদের সাওয়াব লাভের কারণে পরস্পরের সাওয়াবের কোন কমতি হবে না। (ই.ফা. ২২৩৫, ই.সে. ২২৩৬)
সহিহ মুসলিম ২২৫৭
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ رَافِعٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ سِمَاكٍ، قَالَ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ عَنْ صَلاَةِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ يُخَفِّفُ الصَّلاَةَ وَلاَ يُصَلِّي صَلاَةَ هَؤُلاَءِ . قَالَ وَأَنْبَأَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ بـ { ق وَالْقُرْآنِ} وَنَحْوِهَا .
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭)
সহিহ মুসলিম > ক্রীতদাস তার মনিবের সম্পদ হতে যে পরিমাণ সম্পদ ব্যয় করতে পারবে
সহিহ মুসলিম ২২৫৮
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ بِـ { اللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} وَفِي الْعَصْرِ نَحْوَ ذَلِكَ وَفِي الصُّبْحِ أَطْوَلَ مِنْ ذَلِكَ .
আবূ লাহ্ম-এর [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] আযাদকৃত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম ক্রীতদাস। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আমার মালিকের সম্পদ থেকে কিছু দান করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আর তোমরা দু’জনকেই এর অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৭, ই.সে. ২২৩৮)
সহিহ মুসলিম ২২৫৯
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ بِـ { اللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} وَفِي الْعَصْرِ نَحْوَ ذَلِكَ وَفِي الصُّبْحِ أَطْوَلَ مِنْ ذَلِكَ .
আবূ লাহম (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মালিক আমাকে গোশ্ত শুকানোর জন্য নির্দেশ দিলেন। আমার কাছে জৈনক মিসকীন আসলো। আমি তাকে এ থেকে খাওয়ার জন্য দিলাম। এটা টের পেয়ে আমার মালিক আমাকে মারধর করলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে ব্যাপারটি জানালাম। তিনি তাঁকে ডেকে এনে বললেন, তুমি একে মারলে কেন? আমার মালিক বলেন, আমার খাদ্যদ্রব্য আমার অনুমতি ছাড়াই সে দান করে। তিনি বলেন, তোমরা দু’জনেই এর সমান সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৮, ই.সে. ২২৩৯)
সহিহ মুসলিম ২২৬০
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، . أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ بِـ { سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى} وَفِي الصُّبْحِ بِأَطْوَلَ مِنْ ذَلِكَ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তার একটি এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রী যেন (নফল) রোযা না রাখে। তার উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া সে যেন তার ঘরে প্রবেশ করার জন্য অন্য কাউকে অনুমতি না দেয়। তার (স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া সে তার উপার্জিত সম্পদ থেকে যা কিছু দান করবে তাতেও সে (স্বামী) অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৯, ই.সে. ২২৪০)