দানের জন্য উদ্বুদ্ধ করা যদিও তা এক টুকরা খেজুর বা ভালো কথা বলার মাধ্যমে হয়, সদাক্বাহ্‌ জাহান্নামের অগ্নি থেকে হিফাযাতকারী - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > দানের জন্য উদ্বুদ্ধ করা যদিও তা এক টুকরা খেজুর বা ভালো কথা বলার মাধ্যমে হয়, সদাক্বাহ্‌ জাহান্নামের অগ্নি থেকে হিফাযাতকারী

সহিহ মুসলিম ২২৩৭

حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ سَعِيدٍ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ - عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ قَزْعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ لَقَدْ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَأْتِي وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى مِمَّا يُطَوِّلُهَا ‏.‏

’আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার সামর্থ্য রাখে সে যেন একটা খেজুর দিয়ে হলেও তাই করে। (অর্থাৎ দান যতই ক্ষুদ্র হোক তাঁকে খাটো করে দেখা যাবে না। সামান্য দানও কবূল হলে নাযাতের ওয়াসীলাহ্‌ হতে পারে)। (ই.ফা. ২২১৬, ই.সে.২২১৭)


সহিহ মুসলিম ২২৩৮

حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ سَعِيدٍ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ - عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ قَزْعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ لَقَدْ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَأْتِي وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى مِمَّا يُطَوِّلُهَا ‏.‏

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যকেকেই আল্লাহ্‌ তা’আলার সাথে কথা বলতে হবে তা এমনভাবে যে, আল্লাহ্‌ ও বান্দার মধ্যে কোন দোভাষী থাকবে না। সে ডান দিকে তাকালে তাঁর পৃথিবীতে করা যাবতীয় কাজ দেখতে পাবে। আর বাম দিকে তাকালেও সে তার কৃতকর্ম (ছাড়া আর কিছু) দেখতে পাবে না- যা তার মুখের কাছেই থাকবে। সুতরাং এক টুকরো খেজুর দিয়ে হলেও জাহান্নামের আগুন থেকে নিষ্কৃতি লাভ কর। ইবনু হুজ্‌র (রহঃ) ... খায়সামাহ্‌ (রহঃ) থেকে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তবে তাঁর বর্ণনায় “একটি পবিত্র এবং ভালো কথার মাধ্যমে হলেও” কথাটি বর্ধিত বর্ণনা রয়েছে। ইসহাক্ব (রহঃ) ‘আম্‌র ইবনু মুর্‌রাহ্‌ (রহঃ)-এর সুত্রে খায়সামাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২২১৭, ই.সে.২২১৮)


সহিহ মুসলিম ২২৩৯

حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ سَعِيدٍ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ - عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ قَزْعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ لَقَدْ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَأْتِي وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى مِمَّا يُطَوِّلُهَا ‏.‏

’আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাহান্নামের শাস্তির কথা উল্লেখ করে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং চরম অস্বস্তির ভাব প্রকাশ করলেন- “তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর”। তিনি পুনরায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও এমন ভাব প্রকাশ করলেন যাতে আমাদের মনে হচ্ছিল যে, তিনি তা দেখেছেন। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর যদি তা এক টুকরা খেজুরের বিনিময়েও হয়। আর যার এ সামর্থ্যটুকু নেই সে যেন ভাল কথার মাধ্যমে তা করে”। বর্ণনাকারী আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনায় (আরবী) ‘যেন’ শব্দটির উল্লেখ নেই। তিনি বলেন, আবূ মু’আবিয়াহ্‌ আমার কাছে বলেন এবং আ’মাশ তার কাছে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২২১৮, ই.সে.২২১৯)


সহিহ মুসলিম ২২৪০

حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ سَعِيدٍ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ - عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ قَزْعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ لَقَدْ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَأْتِي وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى مِمَّا يُطَوِّلُهَا ‏.‏

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাহান্নামের কথা উল্লেখ করে (আল্লাহ্‌র কাছে) এর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করলেন এবং তিনবার মুখ ফিরিয়ে অস্বস্তির ভাব প্রকাশ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর যদি তা এক টুকরো খেজুরের মাধ্যমেও হয়। আর যদি তোমরা এতটুকু দান করতেও সমর্থ না হও তাহলে ভাল কথার মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে বাঁচো। (ই.ফা. ২২১৯, ই.সে.২২২০)


সহিহ মুসলিম ২২৪১

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَبِيعَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي قَزْعَةُ، قَالَ أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ وَهُوَ مَكْثُورٌ عَلَيْهِ فَلَمَّا تَفَرَّقَ النَّاسُ عَنْهُ قُلْتُ إِنِّي لاَ أَسْأَلُكَ عَمَّا يَسْأَلُكَ هَؤُلاَءِ عَنْهُ - قُلْتُ - أَسْأَلُكَ عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ مَا لَكَ فِي ذَاكَ مِنْ خَيْرٍ ‏.‏ فَأَعَادَهَا عَلَيْهِ فَقَالَ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَنْطَلِقُ أَحَدُنَا إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَأْتِي أَهْلَهُ فَيَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى الْمَسْجِدِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى ‏.‏

মুনযির ইবনু জারীর থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা ভোরের দিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এ সময় তাঁর কাছে পাদুকাবিহীন, বস্ত্রহীন, গলার চামড়ার আবা পরিহিত এবং নিজেদের তরবারি ঝুলন্ত অবস্থায় একদল লোক আসল। এদের অধিকাংশ কিংবা সকলেই মুযার গোত্রের লোক ছিল। অভাব অনটনে তাদের এ করুণ অবস্থা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডল পরিবর্তিত ও বিষন্ন হয়ে গেল। তিনি ভিতরে প্রবেশ করলেন, অতঃপর বেরিয়ে আসলেন। তিনি বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে নির্দেশ দিলেন। বিলাল (রাঃ) আযান ও ইক্বামাত দিলেন। সলাত শেষ করে তিনি উপস্থিত মুসল্লীদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “হে মানব জাতি! তোমরা নিজেদের প্রতিপালককে ভয় কর যিনি তোমাদের একটি মাত্র ব্যক্তি থেকে [আদম (‘আঃ)]! থেকে সৃষ্টি করেছেন। ... নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের রক্ষণাবেক্ষণকারী”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪:১)। অতঃপর তিনি সূরাহ হাশ্রের শেষের দিকের এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তি যেন ভবিষ্যতের জন্য কী সঞ্চয় করেছে সেদিকে লক্ষ্য করে”-(সূরাহ্ আল হাশ্র ৫৯:১৮)। অতঃপর উপস্থিত লোকদের কেউ তার দীনার, কেউ দিরহাম, কেউ কাপড়, কেউ এক সা’আটা ও কেউ এক সা’ খেজুর দান করল। অবশেষে তিনি বললেন, অন্ততঃ এক টুকরা খেজুর হলেও নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি একটি বিরাট থলি নিয়ে আসলেন। এর ভারে তার হাত অবসাদ্গ্রস্ত হয়ে যাচ্ছিল কিংবা অবশ হয়ে গেল। রাবী আরো বলেন, অতঃপর লোকেরা সারিবদ্ধভাবে একের পর এক দান করতে থাকল। ফলে খাদ্য ও কাপড়ের দুটি স্তূপ হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা মুবারক খাঁটি সোনার ন্যায় উজ্জ্বল হয়ে হাসতে লাগল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে কোন উত্তম প্রথা বা কাজের প্রচলন করে সে তার এ কাজের সাওয়াব পাবে এবং তার পরে যারা তার এ কাজ দেখে তা করবে সে এর বিনিময়েও সাওয়াব পাবে। তবে এতে তাদের সাওয়াব কোন অংশে কমানো হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে (ইসলামের পরিপন্থী) কোন খারাপ প্রথা বা কাজের প্রচলন করবে, তাকে তার এ কাজের বোঝা (গুনাহ এবং শাস্তি) বহন করতে হবে। তারপর যারা তাকে অনুসরণ করে এ কাজ করবে তাদের সমপরিমাণ বোঝাও তাকে বইতে হবে। তবে এতে তাদের অপরাধ ও শাস্তি কোন অংশেই কমবে না। (ই.ফা. ২২২০, ই.সে. ২২২১)


সহিহ মুসলিম ২২৪২

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَبِيعَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي قَزْعَةُ، قَالَ أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ وَهُوَ مَكْثُورٌ عَلَيْهِ فَلَمَّا تَفَرَّقَ النَّاسُ عَنْهُ قُلْتُ إِنِّي لاَ أَسْأَلُكَ عَمَّا يَسْأَلُكَ هَؤُلاَءِ عَنْهُ - قُلْتُ - أَسْأَلُكَ عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ مَا لَكَ فِي ذَاكَ مِنْ خَيْرٍ ‏.‏ فَأَعَادَهَا عَلَيْهِ فَقَالَ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَنْطَلِقُ أَحَدُنَا إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَأْتِي أَهْلَهُ فَيَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى الْمَسْجِدِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى ‏.‏

মুন্‌যির ইবনু জারীর (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা দিনের প্রথম ভাগে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম ... ইবনু জা’ফারের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। আর মু’আয (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে আরো আছে : (আরবী) “অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন এবং ভাষণ দিলেন” উক্তিটি অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২২১, ই.সে.২২২২)


সহিহ মুসলিম ২২৪৩

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَبِيعَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي قَزْعَةُ، قَالَ أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ وَهُوَ مَكْثُورٌ عَلَيْهِ فَلَمَّا تَفَرَّقَ النَّاسُ عَنْهُ قُلْتُ إِنِّي لاَ أَسْأَلُكَ عَمَّا يَسْأَلُكَ هَؤُلاَءِ عَنْهُ - قُلْتُ - أَسْأَلُكَ عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ مَا لَكَ فِي ذَاكَ مِنْ خَيْرٍ ‏.‏ فَأَعَادَهَا عَلَيْهِ فَقَالَ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَنْطَلِقُ أَحَدُنَا إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَأْتِي أَهْلَهُ فَيَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى الْمَسْجِدِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى ‏.‏

মুন্‌যির ইবনু জারীর (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বসা ছিলাম। এ সময় চামড়ার আবা পরিহিত একদল লোক আসলেন ... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো আছে, অতঃপর তিনি যুহরের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর ছোট একটি মিম্বারে উঠে আল্লাহ্ তা’আলার প্রশংসা ও গুণগান করলেন। অতঃপর বললেন, আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে নাযিল করেছেন-“হে মানব গোষ্ঠী! তোমরা তোমাদের প্রভুকে ভয় কর। (ই.ফা. ২২২২, ই.সে.২২২৩)


সহিহ মুসলিম ২২৪৪

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَبِيعَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي قَزْعَةُ، قَالَ أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ وَهُوَ مَكْثُورٌ عَلَيْهِ فَلَمَّا تَفَرَّقَ النَّاسُ عَنْهُ قُلْتُ إِنِّي لاَ أَسْأَلُكَ عَمَّا يَسْأَلُكَ هَؤُلاَءِ عَنْهُ - قُلْتُ - أَسْأَلُكَ عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ مَا لَكَ فِي ذَاكَ مِنْ خَيْرٍ ‏.‏ فَأَعَادَهَا عَلَيْهِ فَقَالَ كَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ تُقَامُ فَيَنْطَلِقُ أَحَدُنَا إِلَى الْبَقِيعِ فَيَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَأْتِي أَهْلَهُ فَيَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى الْمَسْجِدِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى ‏.‏

জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পশমী কাপড় পরিহিত অবস্থায় গ্রাম থেকে কয়েক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তিনি তাদের দুরবস্থা দেখেন। তারা অভাব অনটনে নিমজ্জিত আছে। হাদীসের অবশিষ্ঠ বর্ণনা পূর্বের হাদীসসমূহের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২২৩, ই.সে.২২২৪)


সহিহ মুসলিম > সদাক্বাহ্‌ করার জন্য পারিশ্রমিকের বোঝা বহন করা, দানকারীর দান পরিমাণে কম করলে খোঁটা দেয়া বা তাকে হেয় মনে করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ২২৪৫

وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، - وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، يَقُولُ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ سُفْيَانَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُسَيَّبِ الْعَابِدِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ صَلَّى لَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الصُّبْحَ بِمَكَّةَ فَاسْتَفْتَحَ سُورَةَ الْمُؤْمِنِينَ حَتَّى جَاءَ ذِكْرُ مُوسَى وَهَارُونَ أَوْ ذِكْرُ عِيسَى - مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ يَشُكُّ أَوِ اخْتَلَفُوا عَلَيْهِ - أَخَذَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَعْلَةٌ فَرَكَعَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ السَّائِبِ حَاضِرٌ ذَلِكَ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ فَحَذَفَ فَرَكَعَ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو ‏.‏ وَلَمْ يَقُلِ ابْنِ الْعَاصِ ‏.‏

আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বোঝা বহনকারী শ্রমিক ছিলাম, আমাদেরকে দান-খায়রাত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। অতঃপর আবূ ‘আক্বীল অর্ধ সা’ সদাক্বাহ্‌ করল এবং আরেক ব্যক্তি এর চেয়ে কিছু বেশী নিয়ে আসল। মুনাফিক্বরা বলতে লাগল আল্লাহ্‌র কাছে সামান্য দানের কোন মূল্য নেই এবং তিনি এর মুখাপেক্ষী নন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি (আবূ ‘আক্বীল) শুধু লোক দেখানোর উদ্দেশেই দান করেছেন। অতঃপর এ আয়াত নাযিল হলো: “যারা বিদ্রূপ করে স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সদাক্বাহ্‌ প্রদানকারী মু’মিনদেরকে, আর তাদেরকে যাদের পারিশ্রমিক ছাড়া কোন আয় বা সামর্থ্য নেই”- (সূরাহ আত্‌ ত্বওবাহ্‌ ৯:৭৯)। বিশ্‌রের বর্ণনায় (আরবী) শব্দটি নেই। (ই.ফা. ২২২৪, ই.সে.২২২৫)


সহিহ মুসলিম ২২৪৬

وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، - وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، يَقُولُ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ سُفْيَانَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُسَيَّبِ الْعَابِدِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ صَلَّى لَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الصُّبْحَ بِمَكَّةَ فَاسْتَفْتَحَ سُورَةَ الْمُؤْمِنِينَ حَتَّى جَاءَ ذِكْرُ مُوسَى وَهَارُونَ أَوْ ذِكْرُ عِيسَى - مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ يَشُكُّ أَوِ اخْتَلَفُوا عَلَيْهِ - أَخَذَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَعْلَةٌ فَرَكَعَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ السَّائِبِ حَاضِرٌ ذَلِكَ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ فَحَذَفَ فَرَكَعَ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو ‏.‏ وَلَمْ يَقُلِ ابْنِ الْعَاصِ ‏.‏

শু’বাহ্ (রাঃ) থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সা’ঈদ ইবনু রবী’-এর বর্ণনায় আছে: আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন, আমরা পিঠে করে বোঝা বহন করতাম। (ই.ফা. ২২২৫, ই.সে.২২২৬)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية