মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন যাকাত নেই - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন যাকাত নেই

সহিহ মুসলিম ২১৬৩

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ سُهَيْلٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন যাকাত নেই। (ই.ফা. ২১৪২,ই.সে. ২১৪৫)


সহিহ মুসলিম ২১৬৪

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ سُهَيْلٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন সদাক্বাহ্ (যাকাত) ধার্য হয় না। (ই.ফা. ২১৪৩, ই.সে.২১৪৬)


সহিহ মুসলিম ২১৬৫

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ سُهَيْلٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২১৪৪, ই.সে. ২১৪৬[ক] )


সহিহ মুসলিম ২১৬৬

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ سُهَيْلٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) এর সূত্রে রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, গোলামের জন্য (মনিবের উপর ) যাকাত নেই। তবে সদাক্বায়ে ফিতর আছে। (ই.ফা. ২১৪৫, ই.সে. ২১৪৭)


সহিহ মুসলিম > যাকাত দেয়া এবং যাকাত দেয়া হতে নিবৃত থাকা সম্পর্কে

সহিহ মুসলিম ২১৬৭

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ الرِّجَالَ عَاقِدِي أُزُرِهِمْ فِي أَعْنَاقِهِمْ مِثْلَ الصِّبْيَانِ مِنْ ضِيقِ الأُزُرِ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ قَائِلٌ يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ لاَ تَرْفَعْنَ رُءُوسَكُنَّ حَتَّى يَرْفَعَ الرِّجَالُ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'উমার (রাঃ)-কে যাকাত আদায়ের জন্য পাঠালেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হলো, ইবনু জামীল এবং খালিদ ইবনু ওয়ালীদ ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচা 'আব্বাস (রাঃ) যাকাত দিতে অস্বীকার করেছেন। এখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইবনু জামীল দরিদ্র ছিল আল্লাহ তাকে ধনী করে দিয়েছেন সে প্রতিশোধ সে নিচ্ছে। আর খালিদ ইবনু ওয়ালীদের কাছে তোমরা যাকাত চেয়ে অবিচার করেছো। কারণ সে তার বর্ম এবং সম্পদ আল্লাহর পথে ওয়াক্বফ করে রেখেছে। আমার চাচা 'আব্বাস, তার এ বছরের যাকাত ও তার সমপরিমাণ আরও আমার জিম্মায়। অতঃপর তিনি বললেন, হে 'উমার! তুমি কি উপলব্ধি করছ না যে, কোন ব্যক্তির চাচা তার পিতার সমতুল্য। (ই.ফা. ২১৪৬, ই.সে. ২১৪৮)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية