যে ব্যক্তি বলে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চার সাজদায় আট রাক‘আত সলাত আদায় করেছেন - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি বলে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চার সাজদায় আট রাক‘আত সলাত আদায় করেছেন

সহিহ মুসলিম ১৯৯৬

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ مَنْ صَلَّى عَلَىَّ وَاحِدَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ عَشْرًا ‏" ‏ ‏‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সময় আটটি রুকূ’ ও চারটি সাজদাহ্‌ সহকারে সলাত আদায় করেছেন। ‘আলী (রাঃ) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ১৯৮০, ই.সে. ১৯৮৭)


সহিহ মুসলিম ১৯৯৭

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ إِذَا قَالَ الإِمَامُ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏.‏ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ ‏.‏ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏" ‏ ‏‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সময় সলাত শুরু করে প্রথমে ক্বিরাআত পাঠ করেছেন, তারপর রুকূ’ করেছেন। আবার ক্বিরাআত পড়েছেন, আবার রুকূ’ করেছেন। আবার ক্বিরাআত পাঠ করে আবার রুকূ’ করেছেন। আবার ক্বিরাআত পাঠ করে আবার রুকূ’ করেছেন। অতঃপর সাজদাহ্‌ করেছেন। দ্বিতীয় রাক‘আতও অনুরূপভাবে আদায় করেছেন। (ই.ফা. ১৯৮১, ই.সে. ১৯৮৮)


সহিহ মুসলিম > সূর্যগ্রহণের সলাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সলাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ১৯৯৮

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ - عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَى حَدِيثِ سُمَىٍّ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময় যখন সূর্যগ্রহণ লাগল, তখন ঘোষণা করা হলো, “আস্‌সলা-তু জা-মি’আহ্‌” (সলাতের জামা‘আত) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ রুকূ’ ও এক সাজদাহ্‌ সহকারে এক রাক‘আত আদায় করলেন। অতঃপর সূর্য স্পষ্ট হয়ে গেল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি কখনও এর চেয়ে লম্বা রুকূ’ ও লম্বা সাজদাহ্‌ আদায় করিনি। (ই.ফা. ১৯৮২, ই.সে. ১৯৮৯)


সহিহ মুসলিম ১৯৯৯

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ إِذَا أَمَّنَ الإِمَامُ فَأَمِّنُوا فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ آمِينَ ‏"‏ ‏.‏"

আবূ মাস‘ঊদ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর দু’টি নিদর্শন। এগুলো দ্বারা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ভীতি প্রদর্শন করেন। আর এ দু’টি কোন মানুষের মৃত্যুর জন্য গ্রাসপ্রাপ্ত হয় না। অতএব, তোমরা যখন এরূপ কিছু দেখতে পাও, তখন তোমরা সলাত আদায় কর এবং দু‘আ করতে থাক যে পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদের এ অবস্থা দূর না করেন। (ই.ফা. ১৯৮৩, ই.সে. ১৯৯০)


সহিহ মুসলিম ২০০০

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ إِذَا أَمَّنَ الإِمَامُ فَأَمِّنُوا فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ آمِينَ ‏"‏ ‏.‏"

আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ অবশ্যই কোন মানুষের মৃত্যুর কারণে সংঘটিত হয় না। বরং এগুলো আল্লাহর দু’টি নিদর্শন। অতএব তোমরা যখন তা (গ্রাস) দেখ তখন উঠে গিয়ে সলাত আদায় কর। (ই.ফা. ১৯৮৪, ই.সে. ১৯৯১)


সহিহ মুসলিম ২০০১

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ إِذَا أَمَّنَ الإِمَامُ فَأَمِّنُوا فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ آمِينَ ‏"‏ ‏.‏"

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ..... সকলেই ইসমা‘ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তবে সুফ্ইয়ান ও ওয়াকী’-এর হাদীসে এভাবে বর্ণিত হয়েছে: যেদিন ইব্রাহীম (ইবনু মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) ইনতিকাল করেন, সেদিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। তখন লোকেরা বলতে লাগল, ইব্রাহীম-এর মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ লেগেছে। (ই.ফা. ১৯৮৫, ই.সে. ১৯৯২)


সহিহ মুসলিম ২০০২

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ الْمُسَيَّبِ، وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ وَلَمْ يَذْكُرْ قَوْلَ ابْنِ شِهَابٍ ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যামানায় একবার সূর্যগ্রহণ লাগল। তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে দাঁড়ালেন। (রাবীর ধারণা) তিনি ক্বিয়ামাত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। অবশেষে তিনি মাসজিদে এসে সলাতে দাঁড়ালেন এবং সবচেয়ে লম্বা ক্বিয়াম, লম্বা রুকূ’, লম্বা সাজদাহ্‌ সহকারে সলাত আদায় করতে লাগলেন। আমি কখনও কোন সলাত তাঁকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে) এত লম্বা করতে দেখিনি। সলাত শেষ করে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এসব নিদর্শনাবলী যা যা আল্লাহ জগতে পাঠান। কোন ব্যক্তির মৃত্যু বা জীবনের কারণেই অবশ্যই তা হয় না। বরং আল্লাহ এগুলো পাঠিয়ে বান্দাদের সতর্ক করেন। অতএব তোমরা যখন এমন কিছু দেখতে পাও, তখন তোমরা ভীত হয়ে আল্লাহর যিক্‌র, দু‘আ ও ইস্‌তিগফারে মশগুল হও। ইবনু ‘আলা এর বর্ণনায় রয়েছেঃ সূর্যগ্রহণের সময় এবং তিনি বলেন, বান্দাদের সতর্ক করার জন্য। (ই.ফা. ১৯৮৬, ই.সে. ১৯৯৩)


সহিহ মুসলিম ২০০৩

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ أَبَا يُونُسَ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ إِذَا قَالَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلاَةِ آمِينَ ‏.‏ وَالْمَلاَئِكَةُ فِي السَّمَاءِ آمِينَ ‏.‏ فَوَافَقَ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏" ‏ ‏‏

আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমি তীর নিক্ষেপ করেছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। তখন আমি এগুলো ফেলে রেখে মনে মনে ভাবলাম, আজ সূর্যগ্রহণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নতুন কিছু প্রকাশ পায় কিনা তা অবশ্যই দেখব। আমি তাঁর কাছে পৌঁছে গেলাম। এ সময়ে তিনি দু’ হাত উঠিয়ে দু‘আ করছিলেন এবং তাকবীর (আল্ল-হু আকবার), তাহমীদ (আল হাম্‌দুলিল্লা-হ) ও তাহলীলে (লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ) মশগুল ছিলেন। অবশেষে সূর্য পরিষ্কার হয়ে গেল। এরপর তিনি দু’টি সূরাহ্‌ পাঠ করলেন এবং দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১৯৮৭, ই.সে. ১৯৯৪)


সহিহ মুসলিম ২০০৪

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ أَبَا يُونُسَ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ إِذَا قَالَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلاَةِ آمِينَ ‏.‏ وَالْمَلاَئِكَةُ فِي السَّمَاءِ آمِينَ ‏.‏ فَوَافَقَ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏" ‏ ‏‏

আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীর অন্তর্ভূক্ত ছিলেন। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময়ে আমি একবার মাদীনায় তীর নিক্ষেপ করেছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ আরম্ভ হলো। তখন আমি এগুলো ফেলে রেখে মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! সূর্যগ্রহণকালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা কিছু প্রকাশ পায়, তা অবশ্যই দেখব। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে দেখি তিনি সলাতে দন্ডায়মান এবং দু’ হাত উঠিয়ে তাসবীহ (সুবহা-নাল্ল-হ), তাহমীদ (আল্‌ হাম্‌দুলিল্ল-হ), তাহলীল (লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ), তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) ও দু‘আ করছেন, অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হলো এবং তিনি দু’টি সূরাহ্‌ পাঠ করলেন এবং দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১৯৮৮, ই.সে. ১৯৯৫)


সহিহ মুসলিম ২০০৫

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ أَبَا يُونُسَ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ إِذَا قَالَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلاَةِ آمِينَ ‏.‏ وَالْمَلاَئِكَةُ فِي السَّمَاءِ آمِينَ ‏.‏ فَوَافَقَ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏" ‏ ‏‏

আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় একবার আমি আমার তীর ছুঁড়ছিলাম, এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। অতঃপর পূর্বোক্ত বর্ণনাকারীর মতো বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ১৯৮৯, ই.সে. ১৯৯৬)


সহিহ মুসলিম ২০০৬

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ إِذَا قَالَ أَحَدُكُمْ آمِينَ ‏.‏ وَالْمَلاَئِكَةُ فِي السَّمَاءِ آمِينَ ‏.‏ فَوَافَقَتْ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏" ‏ ‏‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ কারো জীবন ও মৃত্যুর কারণে লাগে না। বরং এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব তোমরা যখন এ দু’টি (গ্রহণ লাগতে) দেখ, তখন সলাতে মশগুল হও। (ই.ফা. ১৯৯০, ই.সে. ১৯৯৭)


সহিহ মুসলিম ২০০৭

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

যিয়াদ ইবনু ‘ইলাক্বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুগীরাহ্‌ ইবনু শু‘বাহ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যামানায় অর্থাৎ যেদিন ইব্‌রাহীম ইবনু মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল করেন, সূর্যগ্রহণ লেগেছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর দু’টি নিদর্শন। এগুলো কারো জীবন ও মরণের কারণে গ্রাসপ্রাপ্ত হয় না। অতএব যখন তোমরা তা দেখতে পাও। আল্লাহর কাছে দু‘আ কর ও সলাত আদায় করতে থাক যে পর্যন্ত গ্রাসমুক্ত না হয়। (ই.ফা. ১৯৯১, ই.সে. ১৯৯৮)


ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية