সূর্যগ্রহণের সলাত - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > সূর্যগ্রহণের সলাত

সহিহ মুসলিম ১৯৭৪

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِهِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ جَرِيرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ قَتَادَةَ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏‏ وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ مِنْهُمْ ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏"‏ ‏.‏ إِلاَّ فِي رِوَايَةِ أَبِي كَامِلٍ وَحْدَهُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ أَبُو بَكْرِ ابْنُ أُخْتِ أَبِي النَّضْرِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ مُسْلِمٌ تُرِيدُ أَحْفَظَ مِنْ سُلَيْمَانَ فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ فَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ هُوَ صَحِيحٌ يَعْنِي وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏.‏ فَقَالَ هُوَ عِنْدِي صَحِيحٌ ‏.‏ فَقَالَ لِمَ لَمْ تَضَعْهُ هَا هُنَا قَالَ لَيْسَ كُلُّ شَىْءٍ عِنْدِي صَحِيحٍ وَضَعْتُهُ هَا هُنَا ‏.‏ إِنَّمَا وَضَعْتُ هَا هُنَا مَا أَجْمَعُوا عَلَيْهِ ‏.‏"

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একবার সূর্য গ্রহণ হলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতে লাগলেন। সলাতের মধ্যে তিনি বেশ দীর্ঘ এবং বেশ দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর রুকূ’ করলেন এবং তা খুব দীর্ঘায়িত করলেন। অতঃপর আবার রুকূ’ করলেন এবং রুকূ’ বেশ দীর্ঘায়িত করলেন, যা রুকূ’ থেকে বিছু কম, অতঃপর সাজদায় গেলেন। সাজদাহ্‌ থেকে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় ক্বিয়াম (দণ্ডায়মান হওয়া) করলেন। যা প্রথমবার ক্বিয়াম অপেক্ষা কিছুটা কম ছিল। অতঃপর রুকূ’তে গেলেন এবং এতে দীর্ঘ সময় কাটালেন। অবশ্য তা প্রথম রুকূ’ অপেক্ষা কম ছিল। অতঃপর দীর্ঘ রুকূ’ করলেন, অবশ্য তা প্রথম রুকূ’র চেয়ে কম ছিল। অতঃপর সাজ্‌দাহ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করলেন। এতক্ষণে সূর্য পরিষ্কার হয়ে গেল। তিনি লোকদের সামনে খুত্‌বাহ্‌ দিলেন। খুত্‌বাহ্‌ প্রসঙ্গে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর দু’টি নিদর্শন। আর চন্দ্র গ্রহণ ও সূর্য গ্রহণ কারো জন্ম ও মুত্যুর কারণে সংঘটিত হয় না। অতএব তোমরা যখন চন্দ্র গ্রহণ ও সূর্য গ্রহণ দেখতে পাও, তখন তাকবীর পড় আর আল্লাহর কাছে দু‘আ কর এবং সলাত আদায় কর ও সদাক্বাহ্‌ কর। হে উম্মাতে মুহাম্মাদ! মনে রেখ, এমন কেউ নেই যে মহান আল্লাহ থেকে অধিক আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন, যখন তার দাস বা দাসী ব্যভিচারে লিপ্ত হয় (তখন তিনি শাস্তি না দিয়ে থাকেন না)। হে উম্মাতে মুহাম্মাদী! আল্লাহর কসম, যদি তোমরা জানতে যা আমি জানি, তবে তোমরা অবশ্যই অধিক পরিমাণে কান্না-কাটি করতে এবং খুব কম হাসতে। আমি কি আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছি? মালিকের রিওয়ায়াতে এ বাক্যটি এভাবে উদ্ধৃত হয়েছে- সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর বিশেষ কুদরাতের নিদর্শনাবলী। (ই.ফা. ১৯৫৯, ই.সে. ১৯৬৬)


সহিহ মুসলিম ১৯৭৫

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِهِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ جَرِيرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ قَتَادَةَ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏‏ وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ مِنْهُمْ ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏"‏ ‏.‏ إِلاَّ فِي رِوَايَةِ أَبِي كَامِلٍ وَحْدَهُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ أَبُو بَكْرِ ابْنُ أُخْتِ أَبِي النَّضْرِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ مُسْلِمٌ تُرِيدُ أَحْفَظَ مِنْ سُلَيْمَانَ فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ فَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ هُوَ صَحِيحٌ يَعْنِي وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏.‏ فَقَالَ هُوَ عِنْدِي صَحِيحٌ ‏.‏ فَقَالَ لِمَ لَمْ تَضَعْهُ هَا هُنَا قَالَ لَيْسَ كُلُّ شَىْءٍ عِنْدِي صَحِيحٍ وَضَعْتُهُ هَا هُنَا ‏.‏ إِنَّمَا وَضَعْتُ هَا هُنَا مَا أَجْمَعُوا عَلَيْهِ ‏.‏"

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে একই সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তবে হিশাম এ কথাটুকু বাড়িয়েছেঃ “অতঃপর সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্গত” এবং এ কথাটুকুও বাড়িয়েছেনঃ “অতঃপর তিনি উভয় হাত উঠিয়ে বললেন, হে আল্লাহ! আমি কি তোমার বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছি?” (ই.ফা. ১৯৬০, ই.সে. ১৯৬৭)


সহিহ মুসলিম ১৯৭৬

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِهِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ جَرِيرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ قَتَادَةَ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏‏ وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ مِنْهُمْ ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏"‏ ‏.‏ إِلاَّ فِي رِوَايَةِ أَبِي كَامِلٍ وَحْدَهُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ أَبُو بَكْرِ ابْنُ أُخْتِ أَبِي النَّضْرِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ مُسْلِمٌ تُرِيدُ أَحْفَظَ مِنْ سُلَيْمَانَ فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ فَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ هُوَ صَحِيحٌ يَعْنِي وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏.‏ فَقَالَ هُوَ عِنْدِي صَحِيحٌ ‏.‏ فَقَالَ لِمَ لَمْ تَضَعْهُ هَا هُنَا قَالَ لَيْسَ كُلُّ شَىْءٍ عِنْدِي صَحِيحٍ وَضَعْتُهُ هَا هُنَا ‏.‏ إِنَّمَا وَضَعْتُ هَا هُنَا مَا أَجْمَعُوا عَلَيْهِ ‏.‏"

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় সূর্য গ্রহণ লেগেছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে চলে গেলেন এবং দাঁড়িয়ে তাকবীর উচ্চারণ করলেন। আর লোকজন তাঁর পিছনে সারিবদ্ধ ছিল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীর্ঘ ক্বিরাআত পাঠ করলেন। অতঃপর তাকবীর বলে রুকু’তে গেলেন এবং লম্বা রুকূ’ করলেন, অতঃপর মাথা উঠিয়ে “সামি‘আল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা- ওয়ালাকাল হাম্দ” বললেন। এরপর দাঁড়িয়ে লম্বা ক্বিরাআত পাঠ করলেন যা প্রথম ক্বিরাআত অপেক্ষা ছোট ছিল। এরপর তাকবীর বলে রুকূ’তে গেলেন এবং লম্বা রুকূ’ করলেন যা প্রথম রুকূ’ অপেক্ষা ছোট ছিল। অতঃপর তিনি “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ্, রব্বানা- ওয়ালাকাল হাম্দ” বলে সাজদায় গেলেন। আবুত্ ত্বহির-এর বর্ণনায় অবশ্য “সাজদাহ্”র কথাটি উল্লেখ নেই। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করলেন। এভাবে তিনি চারটি রুকূ’ ও চারটি সাজদাহ্ করলেন (দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন)। তিনি সলাত শেষ করার আগেই সূর্য পরিষ্কার হয়ে গেল। অতঃপর বললেন, চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ হয় না। অতএব, যখন তোমরা এ অবস্থা দেখতে পাও দ্রুত সলাতে ধাবিত হও। এরূপও বলেছেন: “এবং সলাত আদায় করতে থাক যে পর্যন্ত তোমাদের থেকে এ অবস্থা দূরীভূত না হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ প্রসঙ্গে বলেন, আমি আমার এ স্থানে দাঁড়িয়ে তোমাদের নিকট ওয়া’দাকৃত প্রতিটি বস্তু দেখতে পেলাম। এমনকি আমি নিজেকে যেন দেখতে পেলাম জান্নাতের এক ছড়া ফল নিতে যাচ্ছিলাম। এমনকি তোমরা আমাকে সামনে অগ্রসর হতে দেখেছ। [রাবী মুরাদী (রহঃ) (আরবী) বলেছেন] আমি অবশ্যই জাহান্নামকে (এরূপ ভয়াবহ অবস্থায়) দেখলাম যে, এর একাংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলেছে, এমনকি তোমরা আমাকে দেখলে আমি পিছনে সরে যাচ্ছি। আমি জাহান্নামে (‘আম্র) ইবনু লুহাইকে দেখতে পেলাম। সে সর্বপ্রথম প্রতিমার উদ্দেশে পশু ছেড়েছিল। আবুত্ ত্বহির-এর হাদীস তাঁর এ কথা পর্যন্ত শেষ হয়েছে- “ফাফ্যা‘উ লিস্সলা-ত” তিনি পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৯৬১, ই.সে. ১৯৬৮)


সহিহ মুসলিম ১৯৭৭

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِهِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ جَرِيرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ قَتَادَةَ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏‏ وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ مِنْهُمْ ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏"‏ ‏.‏ إِلاَّ فِي رِوَايَةِ أَبِي كَامِلٍ وَحْدَهُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ أَبُو بَكْرِ ابْنُ أُخْتِ أَبِي النَّضْرِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ مُسْلِمٌ تُرِيدُ أَحْفَظَ مِنْ سُلَيْمَانَ فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ فَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ هُوَ صَحِيحٌ يَعْنِي وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏.‏ فَقَالَ هُوَ عِنْدِي صَحِيحٌ ‏.‏ فَقَالَ لِمَ لَمْ تَضَعْهُ هَا هُنَا قَالَ لَيْسَ كُلُّ شَىْءٍ عِنْدِي صَحِيحٍ وَضَعْتُهُ هَا هُنَا ‏.‏ إِنَّمَا وَضَعْتُ هَا هُنَا مَا أَجْمَعُوا عَلَيْهِ ‏.‏"

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় একবার সূর্য গ্রহণ হয়েছিল। তিনি জনৈক ব্যক্তিকে এ ঘোষণা দেয়ার উদ্দেশে পাঠিয়ে দিলেন: (আরবী) “জামা‘আতে সলাত” অনুষ্ঠিত হচ্ছে। (ঘোষণা শুনে) সবাই একত্রিত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে অগ্রসর হয়ে তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। দু’ রাক‘আতে চারটি রুকূ’ ও চারটি সাজদাহ্‌ করলেন। (ই.ফা. ১৯৬২, ই.সে. ১৯৬৯)


সহিহ মুসলিম ১৯৭৮

وحدثنا محمد بن مهران، حدثنا الوليد بن مسلم، أخبرنا عبد الرحمن بن نمر، أنه سمع ابن شهاب، يخبر عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم جهر في صلاة الخسوف بقراءته فصلى أربع ركعات في ركعتين وأربع سجدات

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সলাতে ক্বিরাআত উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করেছেন এবং দু’ রাক‘আতের স্থলে চার রাক‘আত আদায় করেছেন এবং চারটি সাজদাহ্‌ করেছেন। (ই.ফা. ১৯৬৩, ই.সে. ১৯৭০)


সহিহ মুসলিম ১৯৭৯

قال الزهري وأخبرني كثير بن عباس، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه صلى أربع ركعات في ركعتين وأربع سجدات

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ রাক‘আতের স্থলে চার রাক‘আত আদায় করেছেন এবং চারটি সাজদাহ্ করেছেন। (ই.ফা. ১৯৬৩, ই.সে. ১৯৭০)


সহিহ মুসলিম ১৯৮০

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ ‏ ‏ فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَضَى عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏" ‏ ‏‏

কাসীর ইবনু ‘আব্বাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূর্যগ্রহণের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাত সম্পর্কে ঠিক ঐরূপ বর্ণনা করেছেন যেরূপ ‘উরওয়াহ্‌ ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৯৬৪, ই.সে. ১৯৭১)


সহিহ মুসলিম > সূর্যগ্রহণের সলাতে প্রতি রাক‘আতে তিনটি রুকূ’র বর্ণনা

সহিহ মুসলিম ১৯৮১

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ ‏ ‏ فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَضَى عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏" ‏ ‏‏

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় সূর্যগহণ লাগলে তিনি সলাতের উদ্দেশে দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘ ক্বিয়াম করলেন। অতঃপর রুকু’ করেন। রুকূ’র পর আবার দাঁড়ালেন আবার রুকূ’ করলেন। আবার দাঁড়ালেন, আবার রুকূ’ করলেন। এভাবে দু’ রাক‘আতে তিন রূকূ’ ও চার সাজদায় আদায় করলেন। সলাত শেষ হতে হতে সূর্যও পরিষ্কার হয়ে গেল। তিনি রুকূ’তে যাওয়ার সময় “আল্ল-হু আকবার” বলতেন, অতঃপর রুকূ’ করতেন। রুকূ’ থেকে মাথা উঠিয়ে “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন এবং বললেনঃচন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে লাগে না বরং এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শন, যা দ্বারা আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সতর্ক করেন। অতএব তোমরা যখন সূর্যগ্রহণ লাগতে দেখ, আল্লাহর যিক্‌রে মশ্‌গুল হও যতক্ষণ তা আলোকিত হয়ে না যায়। (ই.ফা. ১৯৬৫, ই.সে. ১৯৭২)


সহিহ মুসলিম ১৯৮২

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِهِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ جَرِيرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ قَتَادَةَ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏‏ وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ مِنْهُمْ ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏"‏ ‏.‏ إِلاَّ فِي رِوَايَةِ أَبِي كَامِلٍ وَحْدَهُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ أَبُو بَكْرِ ابْنُ أُخْتِ أَبِي النَّضْرِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ مُسْلِمٌ تُرِيدُ أَحْفَظَ مِنْ سُلَيْمَانَ فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ فَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ هُوَ صَحِيحٌ يَعْنِي وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏.‏ فَقَالَ هُوَ عِنْدِي صَحِيحٌ ‏.‏ فَقَالَ لِمَ لَمْ تَضَعْهُ هَا هُنَا قَالَ لَيْسَ كُلُّ شَىْءٍ عِنْدِي صَحِيحٍ وَضَعْتُهُ هَا هُنَا ‏.‏ إِنَّمَا وَضَعْتُ هَا هُنَا مَا أَجْمَعُوا عَلَيْهِ ‏.‏"

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সূর্য গ্রহণের সময়) ছয় রুকূ’ ও চার সাজদাহ্‌ সহকারে দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করেছেন। (ই.ফা. ১৯৬৬, ই.সে. ১৯৭৩)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية