সহিহ মুসলিম > আবাসে দু' ওয়াক্তের সলাত একত্রে আদায়
সহিহ মুসলিম ১৫১৩
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভীতিকর অবস্থা কিংবা সফররত অবস্থা ছাড়াই এবং 'আস্রের সলাত একসাথে এবং মাগরিব ও 'ইশার সলাত একসাথে আদায় করেছেন। (ই.ফা. ১৪৯৮, ই.সে. ১৫০৭)
সহিহ মুসলিম ১৫১৪
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সফররত বা ভীতিকর অবস্থা ছাড়াই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় অবস্থানকালে যুহর এবং 'আস্রের সলাত একসাথে আদায় করেছেন। আবুয্ যুবায়র বলেছেনঃ (এ হাদীস শুনে) আমি সা‘ঈদ ইবনু যুবায়রকে জিজ্ঞেস করলাম যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন? তিনি বললেনঃ তুমি যেন আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমিও তেমনি 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-কে (বিষয়টি) জিজ্ঞেস করেছিলাম। জবাবে তিনি আমাকে বলেছিলেন, এ দ্বারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইচ্ছা ছিল তাঁর উম্মাতের মনে যেন কোন প্রকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব না থাকে। [২৭] (ই.ফা. ১৪৯৯, ই.সে. ১৫০৮)
সহিহ মুসলিম ১৫১৫
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাবূক যুদ্ধকালে কোন এক সফরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একাধিক) সলাত একসাথে করেছিলেন। সুতরাং তিনি যুহর এবং 'আস্র আর মাগরিব ও 'ইশার সলাত একত্রে আদায় করেছিলেন। সা‘ঈদ ইবনু যুহায়র বর্ণনা করেছেন- আমি 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাসকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, তিনি কী কারণে এরূপ করেছিলেন জবাবে সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র বললেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাতকে বাধ্য করতে বা কষ্ট দিতে চাননি। (ই.ফা. ১৫০০, ই.সে. ১৫০৯)
সহিহ মুসলিম ১৫১৬
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، ح وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، كُلُّهُمْ عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَتَى أَحَدُكُمْ أَهْلَهُ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيَتَوَضَّأْ " زَادَ أَبُو بَكْرٍ فِي حَدِيثِهِ بَيْنَهُمَا وُضُوءًا وَقَالَ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يُعَاوِدَ
মু'আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা তাবূক অভিযানে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম। (এ সফরে) তিনি যুহর ও 'আস্র এবং মাগরিব ও 'ইশার সলাত একসাথে একই ওয়াক্তে আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৫০১, ই.সে. ১৫১০)
সহিহ মুসলিম ১৫১৭
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، ح وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، كُلُّهُمْ عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَتَى أَحَدُكُمْ أَهْلَهُ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيَتَوَضَّأْ " زَادَ أَبُو بَكْرٍ فِي حَدِيثِهِ بَيْنَهُمَا وُضُوءًا وَقَالَ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يُعَاوِدَ
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তাবূক অভিযানকালে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহর ও ‘আস্রের সলাত এবং মাগরীব ও ‘ইশার সলাত একসাথে আদায় করেছেন। আবূ তূফায়ল বর্ণনা করেছেনঃ আমি মু’আয ইবনু জাবালকে জিজ্ঞেস করলাম, কী কারণে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন? জবাবে মু’আয ইবনু জাবাল বললেন- তিনি তাঁর উম্মাতকে বাধ্যবাধকতার মধ্যে ফেলতে বা কষ্ট দিতে চাননি (এ কারণেই তিনি এরূপ করেছেন)। (ই.ফা. ১৫০২, ই.সে. ১৫১১)
সহিহ মুসলিম ১৫১৮
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাদীনায় অবস্থানরত কোন ভীতিকর পরিস্থিতি কিংবা বৃষ্টি-বাদল ছাড়াই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহর, ‘আস্র, মাগরিব এবং ‘ইশার সলাত আদায় করেছেন। (ওয়াকী’ বর্ণিত হাদীসে) এ কথার উল্লেখ রয়েছে যে, সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র বলেছেন- আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন এজন্যে যাতে তাঁর উম্মাতের কোন কষ্ট না হয়। তবে আবূ মু’আবিয়াহ্ বর্ণিত হাদীসে আছে যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে বলা হ’ল- রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী উদ্দেশে এরূপ করেছেন? জবাবে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস বললেনঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চেয়েছেন তাঁর উম্মাতের যেন কোন কষ্ট না হয়। (ই.ফা. ১৫০৩ ই.সে. ১৫১২)
সহিহ মুসলিম ১৫১৯
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে আট রাক‘আত (ফারয্) সলাত এবং একত্রে সাত রাক‘আত সলাত আদায় করেছি। আমি বললামঃ হে আবুশ্ শা’সা! আমার মনে হয় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত দেরী করে শেষ ওয়াক্তে এবং ‘আস্রের সলাত প্রথমভাগে আদায় করেছেন। আর তেমনি মাগরিবের সলাত দেরী করে এবং ‘ইশার সলাত প্রথমভাগে আদায় করেছেন। এ কথা শুনে তিনি বললেন, আমিও তাই মনে করি। (ই.ফা. ১৫০৪,ই.সে. ১৫১৩)
সহিহ মুসলিম ১৫২০
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাদীনায় অবস্থানরত অবস্থায় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাত রাক‘আত ও আট রাক‘আত সলাত একত্রে আদায় করেছেন। অর্থাৎ যুহর ও ‘আস্রের আট রাক‘আত একসাথে এবং মাগরিব ও ‘ইশার সাত রাক‘আত এক সাথে আদায় করেছেন। (ই.ফা. ১৫০৫, ই.সে. ১৫১৪)
সহিহ মুসলিম ১৫২১
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন ‘আস্রের সলাতের পর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস আমাদের সামনে বক্তব্য পেশ করতে থাকলেন। এ অবস্থায় সূর্য ডুবে গেল এবং তারকারাজি দৃষ্টিগোচর হতে থাকল। তখন লোকজন বলতে শুরু করল, সলাত! সলাত! (অর্থাৎ সলাতের সময় চলে যাচ্ছে, সলাত আদায় করুন)। ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব বলেনঃ এ সময় বানূ তামীম গোত্রের একজন লোক তাঁর কাছে আসল এবং শান্ত ও বিরত না হয়ে বারবার আস্ সলাত (সলাত! সলাত!) বলে চলল। তা দেখে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ তোমার সর্বনাশ হোক! তুমি কি আমাকে সুন্নাত (রসূলের পদ্ধতি) শিখাচ্ছ? পরে তিনি বললেনঃ আমি দেখেছি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহর ও ‘আস্রের সলাত এবং মাগরিব ও ‘ইশার সলাত একত্র করে আদায় করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব বলেন, এ কথা শুনে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জাগল। তাই আমি আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কথার সত্যতা স্বীকার করলেন। (ই.ফা. ১৫০৬, ই.সে. ১৫১৫)
সহিহ মুসলিম ১৫২২
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، جَمِيعًا عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব আল ‘উক্বায়লী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন জনৈক ব্যক্তি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলল- সলাতের সময় হয়েছে, সলাত আদায় করুন। কিন্তু তিনি চুপ করে রইলেন। সে আবার বলল- সলাত আদায় করুন। তিনি এবারও চুপ করে থাকলেন। লোকটি পুনরায় বলল- সলাতের সময় হয়েছে, সলাত আদায় করুন। এবার ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেনঃ তুমি আমাকে সলাত সম্পর্কিত ব্যাপারে শিখাচ্ছ? আমরা তো রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে দু’ওয়াক্ত সলাত একসাথে আদায় করতাম। (ই.ফা. ১৫০৭, ই.সে. ১৫১৬)
সহিহ মুসলিম > সলাত শেষে ডানে-বামে ফেরার বৈধতা
সহিহ মুসলিম ১৫২৩
وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي شُعَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا مِسْكِينٌ، - يَعْنِي ابْنَ بُكَيْرٍ الْحَذَّاءَ - عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ بِغُسْلٍ وَاحِدٍ .
’আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমাদের মধ্য হতে কেউ যেন তার পক্ষ থেকে শাইত্বনের জন্য কোন অংশ নির্ধারণ না করে। অর্থাৎ সে যেন এরূপ মনে না করে যে, সলাত শেষে ডান দিকে ছাড়া অন্য কোন দিকে মুখ ফিরানো যাবে না। কেননা আমি অধিকাংশ সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বাম দিকে মুখ ফিরাতে দেখেছি। (ই.ফা. ১৫০৮, ই.সে. ১৫১৭)
সহিহ মুসলিম ১৫২৪
وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي شُعَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا مِسْكِينٌ، - يَعْنِي ابْنَ بُكَيْرٍ الْحَذَّاءَ - عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ بِغُسْلٍ وَاحِدٍ .
ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম, ‘আলী ইবনু খশ্রাম (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন উভয়ে আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫০৯, ই.সে. ১৫১৮)
সহিহ মুসলিম ১৫২৫
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي طَلْحَةَ حَدَّثَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ جَاءَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ - وَهِيَ جَدَّةُ إِسْحَاقَ - إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ لَهُ وَعَائِشَةُ عِنْدَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ الْمَرْأَةُ تَرَى مَا يَرَى الرَّجُلُ فِي الْمَنَامِ فَتَرَى مِنْ نَفْسِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ مِنْ نَفْسِهِ . فَقَالَتْ عَائِشَةُ يَا أُمَّ سُلَيْمٍ فَضَحْتِ النِّسَاءَ تَرِبَتْ يَمِينُكِ . فَقَالَ لِعَائِشَةَ بَلْ أَنْتِ فَتَرِبَتْ يَمِينُكِ نَعَمْ فَلْتَغْتَسِلْ يَا أُمَّ سُلَيْمٍ إِذَا رَأَتْ ذَاكِ "
ইসমা‘ঈল ইবনু ‘আবদুর রহমান আস্ সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি সলাত শেষ করে কোন্ দিকে মুখ ফিরাব- ডানে না বাঁয়ে? তিনি বললেনঃ আমি অধিকাংশ সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি (সলাত শেষ করে) ডান দিকে মুখ ফিরাতেন। (ই.ফা. ১৫১০, ই.সে ১৫১৯)
সহিহ মুসলিম ১৫২৬
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي طَلْحَةَ حَدَّثَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ جَاءَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ - وَهِيَ جَدَّةُ إِسْحَاقَ - إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ لَهُ وَعَائِشَةُ عِنْدَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ الْمَرْأَةُ تَرَى مَا يَرَى الرَّجُلُ فِي الْمَنَامِ فَتَرَى مِنْ نَفْسِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ مِنْ نَفْسِهِ . فَقَالَتْ عَائِشَةُ يَا أُمَّ سُلَيْمٍ فَضَحْتِ النِّسَاءَ تَرِبَتْ يَمِينُكِ . فَقَالَ لِعَائِشَةَ بَلْ أَنْتِ فَتَرِبَتْ يَمِينُكِ نَعَمْ فَلْتَغْتَسِلْ يَا أُمَّ سُلَيْمٍ إِذَا رَأَتْ ذَاكِ "
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সলাত শেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডানদিকে (মুখ) ফিরাতেন। (ই.ফা. ১৫১১, ই.সে. ১৫২০)