সহিহ মুসলিম > বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সলাত আদায়
সহিহ মুসলিম ১৪৮৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ نَامَ .
নাফি ‘ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন ঝড় ও শীতের রাতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সলাতে আযান দিলেন। আযানে তিনি বললেনঃ তোমরা যার যার বাড়ীতে সলাত আদায় করে নাও। পরে তিনি বললেন যে, শীতের রাত অথবা মেঘাচ্ছন্ন রাত হলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুয়ায্যিনকে এ কথা ঘোষণা করতে আদেশ দিতেনঃ ‘তোমরা বাড়ীতে সলাত আদায় কর।‘ (ই.ফা. ১৪৭০, ই.সে ১৪৭৯)
সহিহ মুসলিম ১৪৮৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ نَامَ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার থেকে বর্নিতঃ
তিনি শীত ও ঝড়-বৃষ্টি কবলিত এক রাতে সলাতের আযান দিলেন। তিনি তার আযানে শেষে উচ্চৈঃস্বরে বলেন, শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানস্থলে সলাত আদায় করে নাও। শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানস্থলে সলাত আদায় করে নাও। অতঃপর তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফররত অবস্থায় শীত বা বর্ষণমুখর রাতে মুয়ায্যিনকে নির্দেশ দিতেন, সে যেন বলে, শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে সলাত আদায় করে নাও। (ই.ফা. ১৪৭১, ই.সে ১৪৭৯-ক)
সহিহ মুসলিম ১৪৮৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ نَامَ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার তিনি ‘যজনান’ নামক স্থানে সলাতের আযান দিলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর তিনি উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে এতটুকু কথা অধিক বর্ণনা করলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার বললেনঃ তোমরা যার যার অবস্থান স্থলেই সলাত আদায় করে নাও। তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার-এর কথা, “তোমরা যার যার অবস্থান স্থলেই সলাত আদায় করে নাও” কথাটি দ্বিতীয়বার বললেন না। (ই.ফা. ১৪৭২, ই.সে. ১৪৮০)
সহিহ মুসলিম ১৪৮৮
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ وَهُوَ جُنُبٌ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ قَبْلَ أَنْ يَنَامَ .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক সফরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গী ছিলাম। ইতোমধ্যে বৃষ্টি হলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কেউ চাইলে নিজের জায়গাতে অবস্থান করে সেখানেই সলাত আদায় করে নিতে পারো। (ই.ফা. ১৪৭৩, ই.সে. ১৪৮১)
সহিহ মুসলিম ১৪৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، وَوَكِيعٌ، وَغُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ جُنُبًا فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক বৃষ্টিঝরা দিনে তিনি মুয়াযযিনকে বললেনঃ আজকের আযানে যখন তুমি “আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লা-হ” বলে শেষ করবে তার পরে কিন্তু “হাইয়্যা ‘আলাস সলা-হ” বলবে না। বরং বলবে, “সল্লু ফী বুয়ূতিকুম” অর্থাৎ- তোমরা তোমাদের বাড়ীতেই সলাত আদায় করে নাও। হাদীসের বর্ণনা কারী (‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস) বলেছেনঃ এরূপ করা লোকজন পছন্দ করল না বলে মনে হ’ল। তা দেখে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস বললেনঃ তোমরা এ কাজকে আজগুবি মনে করছ? অথচ যিনি আমার চেয়ে উত্তম তিনি এরূপ করেছেন। জুমু’আর সলাত আদায় করা ওয়াজিব। কিন্তু তোমরা কাদাযুক্ত পিচ্ছিল পথে কষ্ট করে চলবে তা আমি পছন্দ করিনি। (ই.ফা. ১৪৭৪, ই.সে. ১৪৮২)
সহিহ মুসলিম ১৪৯০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، وَوَكِيعٌ، وَغُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ جُنُبًا فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ .
‘আবদুল হামীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) - কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, এক বৃষ্টিঝরা দিনে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস আমাদের সামনে বক্তৃতা করলেন। এতটুকু বর্ণনা করে তিনি পূর্বোক্ত ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্ বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি জুম’আর দিনের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেছেন, যিনি আমার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। আবূ কামিল বলেছেনঃ হাম্মাদ ‘আসিম-এর মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৪৭৫, ই.সে. ১৪৮৩)
সহিহ মুসলিম ১৪৯১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، وَوَكِيعٌ، وَغُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ جُنُبًا فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ .
আইয়ূব ও 'আসিম আল-আহ্ওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৪৭৬, ই.সে. ১৪৮৪)
সহিহ মুসলিম ১৪৯২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، وَوَكِيعٌ، وَغُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ جُنُبًا فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বৃষ্টিঝরা জুমু‘আর দিনে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস-এর (নিযুক্ত) মুয়াযযিন আযান দিলেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। তিনি (‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস) বললেনঃ তোমরা কর্দম্ময় ও পিচ্ছিল পথে চলবে তা আমার পছন্দ হয়নি। (ই.ফা. ১৪৭৭, ই.সে. ১৪৮৫)
সহিহ মুসলিম ১৪৯৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، وَوَكِيعٌ، وَغُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ جُنُبًا فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বৃষ্টিঝরা জুমু’আর দিনে তার (নিযুক্ত) মুয়ায্যিনকে আযান দেয়ার আদেশ দিলেন। মা’মার-এর হাদীসে রয়েছে, বৃষ্টিঝরা জুমু’আর দিনে উক্ত বর্ণনাকারীর অনুরূপ এবং মা’মার-এর বর্ণিত হাদীসে এ কথাও আছে যে, যিনি আমার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ১৪৭৮, ই.সে. ১৪৮৬)
সহিহ মুসলিম ১৪৯৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، وَوَكِيعٌ، وَغُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ جُنُبًا فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ .
আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বৃষ্টিঝরা জুমুআর দিনে তার (নিযুক্ত) মুয়াজ্জিনকে আযান দেয়ার আদেশ দিলেন। এভাবে তিনি অন্য বর্ণনাকারীদের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৯, ইসলামীক সেন্টার ১৪৮৭)
সহিহ মুসলিম > সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নাফ্ল সলাত আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন
সহিহ মুসলিম ১৪৯৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সওয়ারীর মুখ যেদিকেই থাক না কেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর পিঠে বসে নাফ্ল সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৪৮০, ই.সে. ১৪৮৮)
সহিহ মুসলিম ১৪৯৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উটের মুখ যেদিকেই থাকুক না কেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উটের পিঠে বসেই নাফ্ল সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৪৮১, ই.সে. ১৪৮৯)
সহিহ মুসলিম ১৪৯৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা থেকে মাদীনায় আসার পথে যে দিকেই তাঁর মুখ হোক না কেন সওয়ারীতে বসে সলাত আদায় করতেন। এ ব্যাপারেই আয়াত (অর্থ) “তোমরা যেদিকেই মুখ ফিরাবে সেটিই আল্লাহ্র দিক” – (সূরাহ আল বাক্বারাহ ২ : ১১৫) অবতীর্ণ হয়। (ই.ফা. ১৪৮২, ই.সে. ১৪৯০)
সহিহ মুসলিম ১৪৯৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
আবূ কুরায়ব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ...... সকলে ‘আবদুল মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মুবারাক ও ইবনু আবূ যায়িদাহ্ বর্ণিত হাদীসে এ কথা উল্লেখিত হয়েছে যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) “তোমরা যেদিকেই মুখ করনা কেন সবই আল্লাহ্র দিক” – (সূরাহ আল বাক্বারাহ ২ : ১১৫)। এ আয়াতটি তিলওয়াত করে বললেন, এ আয়াতটি এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়। (ই.ফা. ১৪৮৩, ই.সে. ১৪৯১)
সহিহ মুসলিম ১৪৯৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি গাধার পিঠে আরোহণ করে খায়বারের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করতে দেখেছি। (ই.ফা. ১৪৮৪, ই.সে. ১৪৯২)
সহিহ মুসলিম ১৫০০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
সা‘ঈদ ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমারের সাথে মাক্কার পথ ধরে চলছিলাম। ভোর হয়ে যাচ্ছে মনে করে একসময় সওয়ারী থেকে নেমে বিত্র এর সলাত আদায় করলাম এবং পড়ে তাঁর কাছে গিয়ে পৌছলাম। তখন 'আবদুল্লাহ ইবনে 'উমার আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, ফাজ্রের সময় হয়ে যাচ্ছে দেখে সওয়ারী থেকে নেমে বিত্র এর সলাত আদায় করলাম। এ কথা শুনে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবনে কি তোমার অনুসরণের জন্য উত্তম আদর্শ নেই। আমি বললাম, আল্লাহ্র শপথ! তা অবশ্যই আছে। তিনি বললেন, উটের পিঠে বসেই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিত্র সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৪৮৫, ই.সে. ১৪৯৩)
সহিহ মুসলিম ১৫০১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সওয়ারীর মুখ যেদিকেই থাক না কেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সফরে) সওয়ারীর পিঠে সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৪৮৬, ই.সে. ১৪৯৪) 'আবদুল্লাহ ইবনু দীনার বলেছেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমারও এরূপ করতেন। (অর্থাৎ সফরে তিনি সওয়ারীর পিঠে আরোহণরত অবস্থায় নাফ্ল সলাত আদায় করতেন। সওয়ারী কোন্ দিকে মুখ করে চলছে তাতে কোন দোষ আছে বলে মনে করতেন না।)
সহিহ মুসলিম ১৫০২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর উপর বসেই বিত্র সলাত আদায় করতেন। (ই. ফা. ১৪৮৭, ই. সে. ১৪৯৫)
সহিহ মুসলিম ১৫০৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে চলুক না কেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওয়ারীর উপর বসে নাফ্ল সলাত আদায় করতেন এবং সওয়ারীর উপরেই বিত্র সলাত আদায় করতেন। তবে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওয়ারীর উপর ফরয সলাত আদায় করতেন না। (ই.ফা. ১৪৮৮, ই.সে. ১৪৯৬)
সহিহ মুসলিম ১৫০৪
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ ابْنُ سَعِيدٍ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ - وَاللَّفْظُ لَهُمَا - قَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا أَبِي وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، - قَالاَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَرْقُدُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ قَالَ نَعَمْ إِذَا تَوَضَّأَ "
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আমির ইবনু রবী'আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সফররত অবস্থায় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাতের বেলা নফল সলাত সওয়ারীর পিঠে বসে যেদিকে সওয়ারীর মুখ ছিল সেদিকে মুখ করে আদায় করতে দেখেছেন। (ই.ফা. ১৪৮৯, ই.সে. ১৪৯৭)
সহিহ মুসলিম ১৫০৫
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ، اسْتَفْتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ هَلْ يَنَامُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ قَالَ نَعَمْ لِيَتَوَضَّأْ ثُمَّ لْيَنَمْ حَتَّى يَغْتَسِلَ إِذَا شَاءَ "
আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) যখন শাম (যা বর্তমানে সিরিয়া) থেকে (অথবা শামে) আসলেন, তখন আমরা তাঁর সাথে আইনুত্ তাম্র নামক স্থানে সাক্ষাৎ করলাম। তখন দেখলাম তিনি একটি গাধার পিঠে বসে ঐ দিকে মুখ করে সলাত আদায় করছেন। বর্ণনাকারী হুমাম ক্বিবলার বাম দিকে ইশারা করে দেখালেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, আমি আপনাকে ক্বিবলাহ্ ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে সলাত আদায় করতে দেখলাম যে, তিনি বললেনঃ যদি আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এরূপ করতে না দেখতাম তাহলে আমিও এরূপ করতাম না। (ই.ফা. ১৪৯০, ই.সে. ১৪৯৮)