যারা বলে মধ্যবর্তী সলাত হচ্ছে ‘আসরের সলাত-তার দলীল - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > যারা বলে মধ্যবর্তী সলাত হচ্ছে ‘আসরের সলাত-তার দলীল

সহিহ মুসলিম ১৩০৯

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ ‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদের (যুদ্ধ তৎপরতায়) ব্যস্ত রাখার কারণে আমরা আসরের সলাত আদায় করতে পারিনি এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা যেন তাদের ক্ববর, বাড়ী-ঘর ও পেটসমূহ আগুন দ্বারা ভর্তি করে দেন। বর্ণনাকারী শু‘বাহ্ ঘর-বাড়ী ও পেটসমূহ কথাটি সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছেন। (ই.ফা.১২৯৬, ই.সে.১৩০৮)


সহিহ মুসলিম ১৩১০

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ ‏.‏

কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে ‘বুয়ূতাহুম ও কুবূরাহুম’ তাদের ‘ঘর-বাড়ী ও ক্ববরসমূহ’ সম্পর্কে কোন সন্দেহ পোষণ করেননি। (ই.ফা.১২৯৭, ই.সে.১৩০৯)


সহিহ মুসলিম ১৩১১

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ ‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন খন্দকের একটি খাঁজ বা সংকীর্ণ পথের উপর বসে বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে “সলাতুল উসত্বা” (মধ্যবর্তী সময়ের সলাত বা আসরের সলাত) আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে এবং এমনকি এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ক্ববর ও বাড়ি-ঘর অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ ক্ববরসমূহ অথবা পেট আগুন দ্বারা যেন ভর্তি করে দেন। (ই.ফা.১২৯৮, ই.সে.১৩১০)


সহিহ মুসলিম ১৩১২

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ ‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা কাফিররা আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সলাতুল উসত্বা (মধ্যবর্তীকালীন সলাত, অর্থাৎ- আসরের সলাত) থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ঘর-বাড়ী ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। অতঃপর তিনি এ সলাত মাগরিব এবং ইশার সলাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করলেন। [১] (ই.ফা.১২৯৯, ই.সে.১৩১১)


সহিহ মুসলিম ১৩১৩

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ بَيْنَا أَنَا مَعَ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ إِذْ نَزَلَ فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ جَاءَ فَصَبَبْتُ عَلَيْهِ مِنْ إِدَاوَةٍ كَانَتْ مَعِي فَتَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন মুশরিকগণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সলাত থেকে বিরত রাখল। এমনকি সূর্য লাল অথবা (বলেছেন) তাম্রবর্ণ ধারণ করল। এ অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা (মুশরিকরা) আমাকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে ‘সলাতুল উসত্বা’ (মধ্যবর্তীকালীন সলাত, অর্থাৎ- আসরের সলাত) থেকে বিরত রাখল। আল্লাহ যেন তাদের পেট ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দেন অথবা তিনি বললেনঃ (আরবী) (এখানে শুধু শাব্দিক তারতম্য দেখানো হয়েছে। অর্থের কোন পার্থক্য নেই)। (ই.ফা.১৩০০, ই.সে.১৩১২)


সহিহ মুসলিম ১৩১৪

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَقَالَ ‏ ‏ يَا مُغِيرَةُ خُذِ الإِدَاوَةَ ‏" ‏ ‏‏ فَأَخَذْتُهَا ثُمَّ خَرَجْتُ مَعَهُ فَانْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى تَوَارَى عَنِّي فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ جَاءَ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ شَامِيَّةٌ ضَيِّقَةُ الْكُمَّيْنِ فَذَهَبَ يُخْرِجُ يَدَهُ مِنْ كُمِّهَا فَضَاقَتْ عَلَيْهِ فَأَخْرَجَ يَدَهُ مِنْ أَسْفَلِهَا فَصَبَبْتُ عَلَيْهِ فَتَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ ثُمَّ مَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ثُمَّ صَلَّى ‏‏

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) - এর আযাদকৃত ক্রীতদাস আবূ ইউনুস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময়ে ‘আয়িশাহ্ আমাকে কুরআন মাজীদের এক কপি হাতে লিখে দিতে বললেনঃ লিখতে লিখতে যখন (আরবী) “তোমরা সলাতের প্রতি যত্নবান হবে বিশেষতঃ মধ্যবর্তী সলাতের” এ আয়াত পর্যন্ত পৌছবে তখন আমাকে জানাবে। আবূ ইউনুস বলেন, আমি এ আয়াতের কাছে পৌছলে তাঁকে জানালাম। তখন তিনি আমাকে আয়াতটি এভাবে লিখতে বললেন, (আরবী) “সব সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ কর। আর সলাতুল ‘উসত্বা (মধ্যবর্তী সলাতের) ও ‘আসরের সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ কর এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে অনুগত ও বিনীত হয়ে দাঁড়াও”।এভাবে লেখানোর পর ‘আয়িশাহ্ বললেনঃ আমি আয়াতটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। (ই.ফা.১৩০১, ই.সে.১৩১৩)


সহিহ মুসলিম ১৩১৫

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا الفضيل بن مرزوق، عن شقيق بن عقبة، عن البراء بن عازب، قال نزلت هذه الآية حافظوا على الصلوات وصلاة العصر ‏.‏ فقرأناها ما شاء الله ثم نسخها الله فنزلت ‏{‏ حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى‏}‏ فقال رجل كان جالسا عند شقيق له هي إذا صلاة العصر ‏.‏ فقال البراء قد أخبرتك كيف نزلت وكيف نسخها الله ‏.‏ والله أعلم ‏.‏ قال مسلم ورواه الأشجعي عن سفيان الثوري، عن الأسود بن قيس، عن شقيق بن عقبة، عن البراء بن عازب، قال قرأناها مع النبي صلى الله عليه وسلم زمانا ‏.‏ بمثل حديث فضيل بن مرزوق ‏.

বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এ আয়াতটি এভাবে অবতীর্ণ হয়েছিল- (আরবী)। যতদিন আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ততদিন এভাবেই আমরা আয়াতটি তিলাওয়াত করতাম। অতঃপর মহান আল্লাহ আয়াতটি ‘মানসূখ’ বা বাতিল ঘোষণা করে এভাবে অবতীর্ণ করলেন, (আরবী) (পূর্বোক্ত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাত সমূহের ও আসরের সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। পরবর্তীকালে নাযিলকৃত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাতসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ করো এবং (আরবী) বা মধ্যবর্তী কালীন সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। বর্ণনাকারী শ্বাক্বীক ইবনু ‘উকবাহ্ এর কাছে জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। এ কথা শুনে তিনি বারা ইবনু ‘আযিবকে লক্ষ্য করে বললঃ তাহলে তো এ কথা দ্বারা আসরের সলাতই বুঝায়। বারা ইবনু ‘আযিব তাকে বললেনঃ কী পরিস্থিতিতে কেমন করে পূর্বোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে কেমন করে তা ‘মানসূখ’ বা বাতিল হয়েছিল, তা আমি তোমাকে বলে দিয়েছি। আর আল্লাহ তা’আলাই এ সম্পর্কে সমধিক পরিজ্ঞাত। (ই.সে.১৩১৪) ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ আশজা’ঈ (রহঃ) …… বারাইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বেশ কিছু দিন যাবৎ আমরা ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতটি (পূর্বোক্তরূপে) পড়তাম। ফুযায়ল ইবনু মারযূক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.১৩০২, ই.সে.১৩১৪ (ক) )


সহিহ মুসলিম ১৩১৬

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، عَنْ عَامِرٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ فِي مَسِيرٍ فَقَالَ لِي ‏‏ أَمَعَكَ مَاءٌ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ فَنَزَلَ عَنْ رَاحِلَتِهِ فَمَشَى حَتَّى تَوَارَى فِي سَوَادِ اللَّيْلِ ثُمَّ جَاءَ فَأَفْرَغْتُ عَلَيْهِ مِنَ الإِدَاوَةِ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ مِنْ صُوفٍ فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يُخْرِجَ ذِرَاعَيْهِ مِنْهَا حَتَّى أَخْرَجَهُمَا مِنْ أَسْفَلِ الْجُبَّةِ فَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ أَهْوَيْتُ لأَنْزِعَ خُفَّيْهِ فَقَالَ ‏"‏ دَعْهُمَا فَإِنِّي أَدْخَلْتُهُمَا طَاهِرَتَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ وَمَسَحَ عَلَيْهِمَا ‏.‏"

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খন্দকে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব কাফির কুরায়শদের ভর্ৎসনা ও গালমন্দ করতে থাকলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! সূর্য এখন ডুবন্ত প্রায়। কিন্তু আজ আমি এখন পর্যন্ত আসরের সলাত আদায় করতে পারিনি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর শপথ, আমিও আজ এখন পর্যন্ত আসরের সলাত পড়িনি। এরপর আমরা একটি কংকরময় ভূমিতে গেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে ওযূ করলেন, আমরাও ওযূ করলাম। এরপর তিনি (আমাদের সাথে নিয়ে) আসরের সলাত আদায় করলেন। তখন সূর্য ডু্বে গিয়েছিল। এর (আসরের সলাত আদায়ের) পর তিনি মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা.১৩০৩, ই.সে.১৩১৫)


সহিহ মুসলিম ১৩১৭

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، عَنْ عَامِرٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ فِي مَسِيرٍ فَقَالَ لِي ‏‏ أَمَعَكَ مَاءٌ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ فَنَزَلَ عَنْ رَاحِلَتِهِ فَمَشَى حَتَّى تَوَارَى فِي سَوَادِ اللَّيْلِ ثُمَّ جَاءَ فَأَفْرَغْتُ عَلَيْهِ مِنَ الإِدَاوَةِ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ مِنْ صُوفٍ فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يُخْرِجَ ذِرَاعَيْهِ مِنْهَا حَتَّى أَخْرَجَهُمَا مِنْ أَسْفَلِ الْجُبَّةِ فَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ أَهْوَيْتُ لأَنْزِعَ خُفَّيْهِ فَقَالَ ‏"‏ دَعْهُمَا فَإِنِّي أَدْخَلْتُهُمَا طَاهِرَتَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ وَمَسَحَ عَلَيْهِمَا ‏.‏"

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১৩০৪, ই.সে.১৩১৬)


সহিহ মুসলিম > ফজর ও ‘আসর সলাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া

সহিহ মুসলিম ১৩১৮

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ وَضَّأَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَتَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَقَالَ لَهُ فَقَالَ ‏ ‏ إِنِّي أَدْخَلْتُهُمَا طَاهِرَتَيْنِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের বেলা ও দিনের বেলা মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ) এক দলের পর আর এক দল তোমাদের কাছে এসে থাকে এবং তাদের উভয় দল ফজর ও আসর সলাতের সময় একত্রিত হয়। অতঃপর যারা তোমাদের সাথে রাত্রি যাপন করেছে তারা উঠে যায়। তখন তাদের প্রভু মহান আল্লাহ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কিরূপ অবস্থায় রেখে আসলে? যদিও তিনি তাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত। মালায়িকাহ্ তখন বলেন, আমরা যখন তাদেরকে ছেড়ে চলে আসলাম তখন তারা সলাত আদায় করছিল। আবার তাদের কাছে আমরা যখন গিয়েছিলাম তখনও তারা সলাত আদায় করছিল। (ই.ফা.১৩০৫, ই.সে.১৩১৭)


সহিহ মুসলিম ১৩১৯

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ وَضَّأَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَتَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَقَالَ لَهُ فَقَالَ ‏ ‏ إِنِّي أَدْخَلْتُهُمَا طَاهِرَتَيْنِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মালায়িকাহ্ এক দলের পর আরেক দল তোমাদের কাছে এসে থাকে। এরপর আবুয্ যিনাদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩০৬, ই.সে. ১৩১৮)


সহিহ মুসলিম ১৩২০

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ تَخَلَّفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَخَلَّفْتُ مَعَهُ فَلَمَّا قَضَى حَاجَتَهُ قَالَ ‏ ‏ أَمَعَكَ مَاءٌ ‏" ‏ ‏‏ فَأَتَيْتُهُ بِمَطْهَرَةٍ فَغَسَلَ كَفَّيْهِ وَوَجْهَهُ ثُمَّ ذَهَبَ يَحْسِرُ عَنْ ذِرَاعَيْهِ فَضَاقَ كُمُّ الْجُبَّةِ فَأَخْرَجَ يَدَهُ مِنْ تَحْتِ الْجُبَّةِ وَأَلْقَى الْجُبَّةَ عَلَى مَنْكِبَيْهِ وَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ وَمَسَحَ بِنَاصِيَتِهِ وَعَلَى الْعِمَامَةِ وَعَلَى خُفَّيْهِ ثُمَّ رَكِبَ وَرَكِبْتُ فَانْتَهَيْنَا إِلَى الْقَوْمِ وَقَدْ قَامُوا فِي الصَّلاَةِ يُصَلِّي بِهِمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ وَقَدْ رَكَعَ بِهِمْ رَكْعَةً فَلَمَّا أَحَسَّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ذَهَبَ يَتَأَخَّرُ فَأَوْمَأَ إِلَيْهِ فَصَلَّى بِهِمْ فَلَمَّا سَلَّمَ قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقُمْتُ فَرَكَعْنَا الرَّكْعَةَ الَّتِي سَبَقَتْنَا ‏‏

জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে বসেছিলাম। এক সময় তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ অচিরেই (জান্নাতে) তো তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহ তা’আলাকে এমন স্পষ্টভাবে দেখতে পারবে যেন এ চাঁদকে অবাধে দেখতে পাচ্ছ। (সুতরাং যদি এরূপ চাও) তাহলে সাধ্যমত সূর্যোদয়ের পূর্বের সলাত এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সলাত উত্তম সময়ে আদায়ের মাধ্যমে আয়ত্তে রাখ। এ কথা দ্বারা তিনি ফজর ও আসরের সলাত বুঝালেন। অতঃপর জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ এ আয়াতটি পাঠ করলেন, (আরবী) “তুমি তোমার প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা ও প্রশংসা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে - (সূরাহ্ ত্ব-হা ২০:১৩০) ”। (ই.ফা.১৩০৭, ই.সে.১৩১৯)


সহিহ মুসলিম ১৩২১

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ تَخَلَّفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَخَلَّفْتُ مَعَهُ فَلَمَّا قَضَى حَاجَتَهُ قَالَ ‏ ‏ أَمَعَكَ مَاءٌ ‏" ‏ ‏‏ فَأَتَيْتُهُ بِمَطْهَرَةٍ فَغَسَلَ كَفَّيْهِ وَوَجْهَهُ ثُمَّ ذَهَبَ يَحْسِرُ عَنْ ذِرَاعَيْهِ فَضَاقَ كُمُّ الْجُبَّةِ فَأَخْرَجَ يَدَهُ مِنْ تَحْتِ الْجُبَّةِ وَأَلْقَى الْجُبَّةَ عَلَى مَنْكِبَيْهِ وَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ وَمَسَحَ بِنَاصِيَتِهِ وَعَلَى الْعِمَامَةِ وَعَلَى خُفَّيْهِ ثُمَّ رَكِبَ وَرَكِبْتُ فَانْتَهَيْنَا إِلَى الْقَوْمِ وَقَدْ قَامُوا فِي الصَّلاَةِ يُصَلِّي بِهِمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ وَقَدْ رَكَعَ بِهِمْ رَكْعَةً فَلَمَّا أَحَسَّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ذَهَبَ يَتَأَخَّرُ فَأَوْمَأَ إِلَيْهِ فَصَلَّى بِهِمْ فَلَمَّا سَلَّمَ قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقُمْتُ فَرَكَعْنَا الرَّكْعَةَ الَّتِي سَبَقَتْنَا ‏‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) বলেন, “আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ উসামাহ্ ও ওয়াকী’ থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেনঃ তোমাদেরকে তোমাদের প্রভুর দরবারে পেশ করা হবে। তখন তোমরা তাঁকে এমনভাবে স্পষ্ট দেখতে পাবে যেমনভাবে এ চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তিনি আরো বলেছেনঃ অতঃপর তিনি (আয়াত) পাঠ করলেন। তবে জারীর (পাঠ করলেন) কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১৩০৮, ই.সে.১৩২০)


সহিহ মুসলিম ১৩২২

حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالاَ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَمُقَدَّمِ رَأْسِهِ وَعَلَى عِمَامَتِهِ ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু ‘উমারাহ্ ইবনু রুআয়বাহ্ তার পিতা রুআয়বাহ্ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছিঃ এমন কোন ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের পূর্বের এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সলাত অর্থাৎ- ফজর ও আসরের সলাত আদায় করে। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী একটি লোক তাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি নিজে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট থেকে এ কথা শুনেছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন লোকটি বলে উঠল, আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। আমার দু’কান তা শুনেছে আর মন তা স্মরণ রেখেছে। (ই.ফা.১৩০৯, ই.সে.১৩২১)


সহিহ মুসলিম ১৩২৩

حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالاَ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَمُقَدَّمِ رَأْسِهِ وَعَلَى عِمَامَتِهِ ‏.‏

‘উমার ইবনু রুআয়বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে সলাত আদায় করবে সে জাহান্নামে যাবে না। এ সময় তার কাছে বাসরার অধিবাসী জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। সে বলল, তুমি কি সরাসরি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট থেকে এ হাদীসটি শুনেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী লোকটি বলল-আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ হাদীসটি আমিও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে যে স্থানে তুমি শুনেছ সে স্থানেই শুনেছি। (ই.ফা.১৩১০, ই.সে.১৩২২)


সহিহ মুসলিম ১৩২৪

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ بَكْرٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ ابْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

আবূ বাকর তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দু’টি ঠান্ডা সময়ের (ফজর ও আসর) সলাত ঠিকমত আদায় করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ই.ফা.১৩১১, ই.সে.১৩২৩)


সহিহ মুসলিম ১৩২৫

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ بَكْرٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ ابْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে উপরে বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু খিরাশ ও বিশর ইবনুস্ সারী আবূ বাকরকে আবূ মূসার সাথে সম্পর্কিত করে আবূ বাকর ইবনু আবূ মূসা বলে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা.১৩১২, ই.সে.১৩২৪)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية