মাসজিদে হারানো বস্তু খোঁজ করা নিষিদ্ধ এবং যে খোঁজ করে তাকে কি বলবে - সহিহ মুসলিম | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ মুসলিম > মাসজিদে হারানো বস্তু খোঁজ করা নিষিদ্ধ এবং যে খোঁজ করে তাকে কি বলবে

সহিহ মুসলিম ১১৪৭

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، وَأَبُو مَعْنٍ الرَّقَاشِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي - أَوْ، حَدَّثَنَا - أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي سَالِمٌ، مَوْلَى الْمَهْرِيِّ قَالَ خَرَجْتُ أَنَا وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، فِي جَنَازَةِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ فَمَرَرْنَا عَلَى بَابِ حُجْرَةِ عَائِشَةَ فَذَكَرَ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏

আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ কোন লোককে মাসজিদের মধ্যে হারানো জিনিস খোঁজ করতে দেখলে (অর্থাৎ- উচ্চৈঃস্বরে) যেন বলেঃ আল্লাহ করুন! তোমার জিনিস যেন তুমি না পাও। কারণ মসজিদ তো এ উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়নি। (ই.ফা. ১১৪১, ই.সে. ১১৪৯)


সহিহ মুসলিম ১১৪৮

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، وَأَبُو مَعْنٍ الرَّقَاشِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي - أَوْ، حَدَّثَنَا - أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي سَالِمٌ، مَوْلَى الْمَهْرِيِّ قَالَ خَرَجْتُ أَنَا وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، فِي جَنَازَةِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ فَمَرَرْنَا عَلَى بَابِ حُجْرَةِ عَائِشَةَ فَذَكَرَ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏

আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি। পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১৪১, ই.সে. ১১৫০)


সহিহ মুসলিম ১১৪৯

حَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ، حَدَّثَنِي نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سَالِمٍ، مَوْلَى شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ قَالَ كُنْتُ أَنَا مَعَ، عَائِشَةَ - رضى الله عنها - فَذَكَرَ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

বুরায়দাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (বুরায়দাহ্) বলেন, জনৈক ব্যক্তি মাসজিদে হারানো জিনিস অনুসন্ধান করল। সে বলল, লাল বর্ণের উটের প্রতি কে ঘোষণা জানাল? অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যেন তোমার হারানো জিনিস না পাও। কেননা মসজিদ তো মাসজিদের কাজের জন্য বানানো হয়েছে। (ই.ফা. ১১৪২, ই.সে. ১১৫১)


সহিহ মুসলিম ১১৫০

حَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ، حَدَّثَنِي نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سَالِمٍ، مَوْلَى شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ قَالَ كُنْتُ أَنَا مَعَ، عَائِشَةَ - رضى الله عنها - فَذَكَرَ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

বুরায়দাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (বুরায়দাহ্) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত আদায় শেষ হলে জনৈক ব্যক্তি দাড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, লোহিত বর্ণের উটের কথা কে বলল? এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি যেন তা (তোমার হারানো বস্তুটি) না পাও। কারণ মসজিদ মাসজিদের কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে। (ই.ফা. ১১৪৩, ই.সে. ১১৫২)


সহিহ মুসলিম ১১৫১

حَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ، حَدَّثَنِي نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سَالِمٍ، مَوْلَى شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ قَالَ كُنْتُ أَنَا مَعَ، عَائِشَةَ - رضى الله عنها - فَذَكَرَ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

বুরায়দাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (বুরায়দাহ্) বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাত আদায়ের পর এক গ্রাম্য আরব এসে মাসজিদের দরজায় তার মাথা প্রবেশ করল। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি (মুহাম্মাদ ইবনু শায়বাহ) আবূ মিসান ও সাওরী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু সম্বলিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, শায়বাহ ইবনু না’আমাহ আবূ না’আমাহ (রহঃ)। তাঁর থেকে মিস’আর, হুশায়ম, জারীর সহ অন্যান্য কুফীগণ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১৪৪, ই.সে. ১১৫৩)


সহিহ মুসলিম > সলাতে ভুল-ত্রুটি হওয়া এবং এর জন্য সাহু সাজদাহ্ দেয়া

সহিহ মুসলিম ১১৫২

وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنِيهِ حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ حَدَّثَنِي يُونُسُ، ح وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ عُيَيْنَةَ ‏‏ إِمَامًا مُقْسِطًا وَحَكَمًا عَدْلاً ‏"‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ يُونُسَ ‏"‏ حَكَمًا عَادِلاً ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ إِمَامًا مُقْسِطًا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ صَالِحٍ ‏"‏ حَكَمًا مُقْسِطًا ‏"‏ كَمَا قَالَ اللَّيْثُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏"‏ وَحَتَّى تَكُونَ السَّجْدَةُ الْوَاحِدَةُ خَيْرًا مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ ‏{‏ وَإِنْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلاَّ لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ‏}‏ الآيَةَ ‏.‏"

আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কেউ যখন সলাতে দাঁড়াও তখন শাইত্বন তার কাছে এসে তাকে সন্দেহ ও দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে ফেলে দেয়। এমনকি সে কয় রাকা’আত সলাত আদায় করল তাও স্মরণ করতে পারে না। তোমরা কেউ এরুপ অবস্থা হতে দেখলে যেন বসে বসেই দু’টি (অতিরিক্ত) সাজদাহ্ করে নেয়। (ই.ফা. ১১৪৫, ই.সে. ১১৫৪)


সহিহ মুসলিম ১১৫৩

وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنِيهِ حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ حَدَّثَنِي يُونُسُ، ح وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ عُيَيْنَةَ ‏‏ إِمَامًا مُقْسِطًا وَحَكَمًا عَدْلاً ‏"‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ يُونُسَ ‏"‏ حَكَمًا عَادِلاً ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ إِمَامًا مُقْسِطًا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ صَالِحٍ ‏"‏ حَكَمًا مُقْسِطًا ‏"‏ كَمَا قَالَ اللَّيْثُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏"‏ وَحَتَّى تَكُونَ السَّجْدَةُ الْوَاحِدَةُ خَيْرًا مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ ‏{‏ وَإِنْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلاَّ لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ‏}‏ الآيَةَ ‏.‏"

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১৪৬, ই.সে. ১১৫৫)


সহিহ মুসলিম ১১৫৪

وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنِيهِ حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ حَدَّثَنِي يُونُسُ، ح وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ عُيَيْنَةَ ‏‏ إِمَامًا مُقْسِطًا وَحَكَمًا عَدْلاً ‏"‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ يُونُسَ ‏"‏ حَكَمًا عَادِلاً ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ إِمَامًا مُقْسِطًا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ صَالِحٍ ‏"‏ حَكَمًا مُقْسِطًا ‏"‏ كَمَا قَالَ اللَّيْثُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏"‏ وَحَتَّى تَكُونَ السَّجْدَةُ الْوَاحِدَةُ خَيْرًا مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ ‏{‏ وَإِنْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلاَّ لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ‏}‏ الآيَةَ ‏.‏"

আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সলাতের আযান শুরু হলে শাইত্বন পিঠ ফিরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে এবং এত দূরে চলে যায় যে, আর আযান শুনতে পায় না। অতঃপর আযান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে। কিন্তু যে সময় তাকবীর দেয়া হয় তখন পুনরায় পিঠ ফিরে পালায়। কিন্তু তাকবীর শেষ হলে আবার ফিরে আসে এবং মানুষের (মুসল্লীর) মনে সন্দেহ ও দ্বিধা-দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে বলে অমুক কথা এবং অমুক কথা স্মরণ কর যেসব কথা কখনো তার স্মরণ করার নয়। অবশেষে সে (মুসল্লী) কত রাকা’আত আদায় করল তা স্মরণ করতে পারে না। এরূপ অবস্থায় তোমরা যখন কেউ স্মরণ করতে পারবে না কত রাকা’আত আদায় করেছ তখন বসে বসেই সর্বশেষ দু’টি সাজদাহ্ করবে। (ই.ফা. ১১৪৭, ই.সে. ১১৫৬)


সহিহ মুসলিম ১১৫৫

وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنِيهِ حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ حَدَّثَنِي يُونُسُ، ح وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ عُيَيْنَةَ ‏‏ إِمَامًا مُقْسِطًا وَحَكَمًا عَدْلاً ‏"‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ يُونُسَ ‏"‏ حَكَمًا عَادِلاً ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏"‏ إِمَامًا مُقْسِطًا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ صَالِحٍ ‏"‏ حَكَمًا مُقْسِطًا ‏"‏ كَمَا قَالَ اللَّيْثُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِ مِنَ الزِّيَادَةِ ‏"‏ وَحَتَّى تَكُونَ السَّجْدَةُ الْوَاحِدَةُ خَيْرًا مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ ‏{‏ وَإِنْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلاَّ لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ‏}‏ الآيَةَ ‏.‏"

আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সময় সলাতের তাকবীর বলা হয় সে সময় শাইত্বন বায়ু নিঃসরণ করতে করতে দৌড়ে পালায়। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে এতে এতটুকু কথা অধিক বর্ণনা করলেন যে, সে (শাইত্বন) তাকে উৎসাহিত করে, আশান্বিত করে এবং যা সে কখনো স্মরণ করত না তা তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। (ই.ফা. ১১৪৮, ই.সে. ১১৫৭)


সহিহ মুসলিম ১১৫৬

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ رَجَعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِمَاءٍ بِالطَّرِيقِ تَعَجَّلَ قَوْمٌ عِنْدَ الْعَصْرِ فَتَوَضَّئُوا وَهُمْ عِجَالٌ فَانْتَهَيْنَا إِلَيْهِمْ وَأَعْقَابُهُمْ تَلُوحُ لَمْ يَمَسَّهَا الْمَاءُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়নাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে দু’ রাকা’আত সলাত আদায় করলেন। (দ্বিতীয় রাকা’আতে) তিনি না বসে উঠে দাঁড়ালে লোকজন সবাই তার সাথে উঠে দাঁড়াল। তিনি সলাত শেষ করলে [অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত প্রায় শেষ করলে] আমরা তার সালাম ফিরানোর অপেক্ষায় ছিলাম। এ সময় তিনি তাকবীর বললেন এবং সালাম ফিরানোর পূর্বেই বসে দু’টি সাজদাহ্ করলেন। এরপর তিনি সালাম ফিরালেন। (ই.ফা. ১১৪৯, ই.সে. ১১৫৮)


সহিহ মুসলিম ১১৫৭

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ رَجَعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِمَاءٍ بِالطَّرِيقِ تَعَجَّلَ قَوْمٌ عِنْدَ الْعَصْرِ فَتَوَضَّئُوا وَهُمْ عِجَالٌ فَانْتَهَيْنَا إِلَيْهِمْ وَأَعْقَابُهُمْ تَلُوحُ لَمْ يَمَسَّهَا الْمَاءُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়নাহ্ আল আসদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাতে (দু’ রাকা’আতের পর) না বসেই দাঁড়িয়ে গেলেন সলাত শেষ করে, অর্থাৎ- সলাতের শেষ পর্যায়ে তিনি সালাম ফিরানোর পূর্বে ভুলে যাওয়া বৈঠকের পরিবর্তে বসে বসেই দু’টি সাজদাহ্ করলেন এবং প্রতিটি সাজদাতেই তাকবীর বললেন। লোকজন সবাই তার সাথে সাথে সাজাদাহ্ দু’টি করলেন। (ই.ফা. ১১৫০, ই.সে. ১১৫৯)


সহিহ মুসলিম ১১৫৮

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ رَجَعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِمَاءٍ بِالطَّرِيقِ تَعَجَّلَ قَوْمٌ عِنْدَ الْعَصْرِ فَتَوَضَّئُوا وَهُمْ عِجَالٌ فَانْتَهَيْنَا إِلَيْهِمْ وَأَعْقَابُهُمْ تَلُوحُ لَمْ يَمَسَّهَا الْمَاءُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মালিক ইবনু বুহায়নাহ্ আল আযদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন সলাতরত অবস্থায় যে দু’রাকা’আত আদায় করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দাঁড়িয়ে পড়লেন। তিনি সলাত আদায় করতে লাগলেন। অবশেষে সলাতের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে সালাম ফিরানোর পূর্বে দু’টি সাজদাহ্ করলেন। তারপর সালাম ফিরালেন। (ই.ফা. ১১৫১, ই.সে. ১১৬০)


সহিহ মুসলিম ১১৫৯

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، كِلاَهُمَا عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ شُعْبَةَ ‏ ‏ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ ‏" ‏ ‏‏ وَفِي حَدِيثِهِ عَنْ أَبِي يَحْيَى الأَعْرَجِ ‏‏

আবু সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন রাকা’আত আদায় করা হলো না চার রাকা’আত আদায় করা হলো –সলাতের মধ্যে তোমাদের কারো এরূপ সন্দেহ হলে সে যে কয় রাকা’আত আদায় করেছে বলে নিশ্চিত হবে (তিন রাকা’আত) সে কয় রাকা’আতকে ভিত্তি ধরে অবশিষ্ট করণীয় করবে। এরপর সালাম ফিরানোর পূর্বে দু’টি সাজদাহ্ করবে। (এখন) সে যদি পাঁচ রাকা’আত আদায় করে থাকে তাহলে এ দু’ সাজদাহ্ দ্বারা তার সলাতের জোড়া পূর্ণ হয়ে যাবে। আর যদি তার সলাত চার রাকা’আত হয়ে থাকে তাহলে (এই) সাজদাহ্ দু’টি শাইত্বনের মুখে মাটি নিক্ষেপের শামিল হবে। (ই.ফা. ১১৫২, ই.সে. ১১৬১)


সহিহ মুসলিম ১১৬০

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، كِلاَهُمَا عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ شُعْبَةَ ‏ ‏ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ ‏" ‏ ‏‏ وَفِي حَدِيثِهِ عَنْ أَبِي يَحْيَى الأَعْرَجِ ‏‏

যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে উপরোক্ত অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। অতঃপর সুলাইমান ইবনু বিলাল-এর মতই বর্ণনা করেছেন যে, সালাম ফিরানোর পূর্বে দু’টি সাজদাহ্ করবে। (ই.ফা. ১১৫৩, ই.সে. ১১৬২)


সহিহ মুসলিম ১১৬১

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করলেন। বর্ণনাকারী ইবরাহীমের বর্ণনা মতে, এ সলাতে তিনি কিছুই কম বা বেশি করে ফেললেন। সালাম ফিরানোর পর তাঁকে (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে) জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! সলাতের ব্যাপারে কি নতুন কোন হুকুম দেয়া হয়েছে? এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, নতুন হুকুম আবার কেমন? তখন সবাই বললঃ আপনি সলাতে এরূপ করেছেন। এ কথা শুনে তিনি পা দু’খানা ভাঁজ করে ক্বিবলামুখী হয়ে বসলেন এবং দু’টি সিজদা করে তারপর সালাম ফিরালেন। এরপর আমাদের দিকে ঘুরে বললেনঃ সলাতের ব্যাপারে কোন নতুন হুকুম আসলে আমি তোমাদেরকে জানাতাম। (এটা তেমনি কিছু নয়) বরং আমি তো মানুষ বৈ কিছুই না। তোমাদের যেমন ভুল হয় আমারও তেমন ভুল হয়। সুতরাং আমি যদি কোন কিছু ভুলে যাই তাহলে তোমরা আমাকে স্মরণ করে দিও। আর সলাতের মধ্যে তোমাদের কারো কোন সন্দেহ হলে চিন্তা-ভাবনার ভিত্তিতে যেটি সঠিক বলে মনে হবে সেটিই করবে এবং এর উপর ভিত্তি করে সলাত শেষ করবে। অতঃপর দু’টি সাজদাহ্ করবে। (ই.ফা. ১১৫৪, ই.সে. ১১৬৩)


সহিহ মুসলিম ১১৬২

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু বিশর-এর বর্ণনায় (আরবি) এবং ওয়াকী‘ এর বর্ণনায় (আরবি) কথাটি উল্লেখিত আছে। (ই.ফা. ১১৫৫, ই.সে. ১১৬৪)


সহিহ মুসলিম ১১৬৩

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে মানসূর বলেছেন, সঠিক হওয়ার ব্যাপারে সর্বাপেক্ষা সঠিক ধারণাটি গ্রহন করতে হবে। (ই.ফা. ১১৫৬, ই.সে. ১১৬৫)


সহিহ মুসলিম ১১৬৪

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে হবে। (ই.ফা. ১১৫৬, ই.সে. ১১৬৬)


সহিহ মুসলিম ১১৬৫

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করবে সেটিই গ্রহন করবে। (ই.ফা. ১১৫৭, ই.সে. ১১৬৭)


সহিহ মুসলিম ১১৬৬

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করবে সেটিই গ্রহন করবে। (ই.ফা. ১১৫৭, ই.সে. ১১৬৮)


সহিহ মুসলিম ১১৬৭

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

মানসূর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাদের সবার বর্ণিত সানাদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মানসূর (রহঃ) বলেছেনঃ চিন্তা-ভাবনা করে তার ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। (ই.ফা. ১১৫৭, ই.সে. ১১৬৯)


সহিহ মুসলিম ১১৬৮

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করলেন। তিনি যখন সালাম ফিরালেন তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, সলাতের সংখ্যা কি বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ আবার কেমন কথা? তখন সবাই বলল, আপনি তো সলাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করলেন। এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’টি সাজদাহ্ করলেন। (ই.ফা. ১১৫৮, ই.সে. ১১৭০)


সহিহ মুসলিম ১১৬৯

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘আলক্বামাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (‘আলক্বামাহ্‌) একদিন তাদের সাথে (যুহরের) পাঁচ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১১৫৯, ই.সে. ১১৭১)


সহিহ মুসলিম ১১৭০

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

ইব্‌রাহীম ইবনু সুওয়াইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সালাম ফিরানোর পর লোকজন তাকে বলল, হে আবূ শিব্‌ল (‘আলক্বামার উপনাম) ! আপনি সলাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করেছেন। তিনি বললেনঃ আমি কখনো এরূপ করিনি। কিন্তু লোকজন সবাই আবারো বলল, হ্যাঁ, আপনি এরূপ করেছেন। ইব্‌রাহীম ইবনু সুওয়াইদ বলেছেন, আমি তখন বালক ছিলাম এবং সবার থেকে দূরে এক কোণে ছিলাম আমিও বললাম হ্যাঁ, আপনি সলাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করেছেন। তিনি তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেনঃ ওরে কানা, তুমিও তাই বলছ! আমি বললামঃ হ্যাঁ। ইব্‌রাহীম ইবনু সুওয়াইদ বলেন, তখন তিনি ঘুরে দু’টি সাজদাহ্ করলেন এবং সালাম ফিরানোর পরে বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ বর্ণনা করেছেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক সলাত আদায় করতে পাঁচ রাক‘আত আদায় করলেন। সলাত শেষে তিনি ঘুরলে লোকজন পরস্পর কানাঘুষা করতে থাকল। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, ব্যাপার কি? সবাই বলল, হে আল্লাহর রসূল! সলাতের রাক‘আত কি বৃদ্ধি করা হয়েছে? তিনি বললেনঃ না, তখন সবাই বলল, আপনি তো সলাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করেছেন। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুরলেন এবং দু’টি সাজদাহ্ করে তারপর সালাম ফিরালেন। অতঃপর বললেনঃ আমি তোমাদের মতোই মানুষ। আমিও ভুল করি যেমন তোমরা ভুল করো। ইবনু নুমায়র তার বর্ণিত হাদীসে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, (সলাতের মধ্যে) তোমাদের কারো ভুল হয়ে গেলে সে যেন দু’টি সজদাহ্ করে। (ই.ফা. ১১৫৯, ই.সে. ১১৭১)


সহিহ মুসলিম ১১৭১

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক সলাত আদায় করতে পাঁচ রাক‘আত আদায় করলেন। আমরা তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! সলাত (এর রাক‘আত সংখ্যা) কি বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। (এ কথা শুনে) তিনি বললেনঃ এ আবার কি কথা? তখন সবাই বললঃ আপনি তো সলাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করেছেন, এ কথা শুনে তিনি বললেন আমি তো তোমাদের মতই মানুষ। আমি স্মরণ রাখি যেমন তোমরা স্মরণ রাখো। আবার আমি ভুলে যাই যেমন তোমরা ভুলে যাও। এরপর তিনি দু’টি সাহু সাজদাহ্ দিলেন। (ই.ফা. ১১৬০, ই.সে. ১১৭২)


সহিহ মুসলিম ১১৭২

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করলেন। কিন্তু তিনি সলাতে কিছু কম বা কিছু বেশী করে ফেললেন। হাদীসের বর্ণনাকারী ইব্‌রাহীম বলেছেনঃ (তিনি কম করলেন না বেশী করলেন) এ সন্দেহটা আমার নিজের। বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! সলাতে কি কিছু বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে? এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের মতো মানুষ বৈ আর কিছুই নই। আমারও তোমাদের মতো ভুল হয়। সুতরাং সলাতে তোমাদের কেউ কিছু ভুলে গেলে সে যেন বসেই দু’টি সাজদাহ্ করে নেয়। এ কথার পর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুরলেন এবং দু’টি সাজদাহ্ করলেন। (ই.ফা. ১১৬১, ই.সে. ১১৭৩)


সহিহ মুসলিম ১১৭৩

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের সাহু সাজদার দু’টি সাজদাহ্ সালাম ফিরিয়ে কথা বলার পর করেছিলেন |[১] (ই.ফা. ১১৬২, ই.সে. ১১৭৪)


সহিহ মুসলিম ১১৭৪

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ تَخَلَّفَ عَنَّا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ سَافَرْنَاهُ فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ حَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করলাম। (এ সলাতে) তিনি কিছু বেশী বা কম করলেন। (হাদীসের বর্ণনাকারী) ইব্‌রাহীম বলেছেন, আল্লাহর শপথ, এ সন্দেহ (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে বেশী করলেন না, কম করলেন) আমার নিজের। তিনি (ইব্‌রাহীম) বলেছেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! সলাতের ব্যাপারে কি নতুন কোন হুকুম অবতীর্ণ হয়েছে? তিনি বললেনঃ না। (নতুন কোন হুকুম অবতীর্ণ হয়নি)। তখন (সলাতে) তিনি যা করেছেন আমরা তাঁকে তা বললাম। তিনি বললেনঃ কোন ব্যক্তি যদি সলাতে কোন কিছু বেশী বা কম করে ফেলে তাহলে (সাজদাহ্-ই সাহুর) দু’টি সাজদাহ্ করবে। বর্ণনাকারী ইব্‌রাহীম বলেনঃ এর (এ কথা বলার) পর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’টি সাজদাহ্ করলেন। (ই.ফা. ১১৬৩, ই.সে. ১১৭৫)


সহিহ মুসলিম ১১৭৫

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلاَّمٍ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً لَمْ يَغْسِلْ عَقِبَيْهِ فَقَالَ ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে দিবাভাগের দু’ ওয়াক্ত সলাতের কোন এক ওয়াক্ত সলাতে অর্থাৎ- যুহর কিংবা ‘আস্‌রের সলাত আদায় করলেন। কিন্তু দু’ রাক‘আত আদায় করার পরই সালাম ফিরালেন। এরপর তিনি রাগান্বিত মনে মাসজিদের ক্বিবলার দিকে স্থাপিত এক বৃক্ষ শাখার উপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন। এ সময় সবার মাঝে আবূ বকর ও ‘উমারও ছিলেন। কিন্তু তারা উভয়েই (এ পরিস্থিতিতে) কথা বলতে সাহস পেল না। আর যাদের তাড়াতাড়ি করে যাওয়ার ছিল তারা এই বলে দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল যে, সলাত কমিয়ে দেয়া হয়েছে। অতঃপর যুল ইয়াদায়ন উপনামে পরিচিত জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সলাত কি কম করে দেয়া হয়েছে- না আপনি ভুলে গিয়েছেন? এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডানে বাঁয়ে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন যুল ইয়াদায়ন যা বলছে তা কি ঠিক? সবাই জবাব দিলো, হ্যাঁ সে যা বলেছে সত্য বলেছে। আপনি তো সলাত দু’ রাক‘আত মাত্র আদায় করেছেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। এরপর তাকবীর বলে সাজদাহ্ করলেন এবং তাকবীর বলে মাথা উঠালেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন বললেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন সম্পর্কে আমাকে বলা হয়েছে যে তিনি বলেছেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম ফিরালেন। (ই.ফা. ১১৬৪, ই.সে. ১১৭৬)


সহিহ মুসলিম ১১৭৬

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلاَّمٍ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً لَمْ يَغْسِلْ عَقِبَيْهِ فَقَالَ ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে দিবাভাগের দু’ ওয়াক্ত সলাতের এক ওয়াক্ত সলাত আদায় করলেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি সুফ্‌ইয়ান বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু সম্বলিত হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১১৬৫, ই.সে. ১১৭৭)


সহিহ মুসলিম ১১৭৭

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلاَّمٍ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً لَمْ يَغْسِلْ عَقِبَيْهِ فَقَالَ ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে আস্‌রের সলাত আদায় করালেন। কিন্তু দু’রাক’আত আদায় করার পর সালাম ফিরালেন। যুল ইয়াদায়ন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! সলাত কি কমিয়ে দেয়া হয়েছে না আপনি ভুল করেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এসব কিছুই হয়নি (সলাত কমিয়ে দেয়া বা আমার ভূল করা) কিছুই হয়নি। এ কথা শুনে যুল ইয়াদায়ন বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কিছু একটা অবশ্যই হয়েছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের দিকে ঘুরে বললেনঃ যুল ইয়াদায়ন-এর কথা কি ঠিক? সবাই বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের অবশিষ্ঠ অংশ পূর্ন করলেন এবং সালাম ফিরানোর পর বসে বসেই দু’টি সাজদাহ্ (সাহু সাজদাহ্) করলেন। (ই.ফা.১১৬৬, ই.সে. ১১৭৮)


সহিহ মুসলিম ১১৭৮

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلاَّمٍ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً لَمْ يَغْسِلْ عَقِبَيْهِ فَقَالَ ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত দু’রাক’আত আদায় করে সালাম ফিরালেন। তখন বানী সুলায়ম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সলাত সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হয়েছে না আপনি ভূল করলেন? এতটুকু বর্ণনা করার পর আবূ সালামাহ্‌ হাদীসটি পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করলেন। (ই.ফা.১১৬৭, ই.সে. ১১৭৯)


সহিহ মুসলিম ১১৭৯

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلاَّمٍ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً لَمْ يَغْسِلْ عَقِبَيْهِ فَقَالَ ‏ ‏ وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে যুহরের সলাত আদায় করেছিলাম। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’রাক’আত আদায় করেই সালাম ফিরালে বানী সুলায়ম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি উঠে দাঁড়াল। এরপর তিনি (শায়বান) হাদীসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করলেন। (ই.ফা.১১৬৮, ই.সে. ১১৮০)


সহিহ মুসলিম ১১৮০

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ رَأَى قَوْمًا يَتَوَضَّئُونَ مِنَ الْمِطْهَرَةِ فَقَالَ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ فَإِنِّي سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ وَيْلٌ لِلْعَرَاقِيبِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন ‘আস্‌রের সলাত আদায় করতে তিন রাক’আত আদায় করার পর সালাম ফিরালেন। এরপর তিনি তার বাড়ীর মধ্যে চলে গেলেন। তখন দীর্ঘ হাত বিশিষ্ট খিরবাক্ব নামক জনৈক ব্যক্তি তাঁর কাছে গিয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এরপর সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছিলেন তা বর্ণনা করল। এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত মনে চাদর হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে আসলেন এবং লোকদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ লোকটি কি ঠিক কথা বলছে? সবাই জবাব দিলো, হ্যাঁ সে ঠিক বলেছে। তখন তিনি আরো এক রাক’আত সলাত আদায় করলেন এবং সালাম ফিরালেন। এরপর দু’টি সাহু সাজদাহ্ দিয়ে আবার সালাম ফিরালেন। (ই.ফা.১১৬৯, ই.সে. ১১৮১)


সহিহ মুসলিম ১১৮১

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ رَأَى قَوْمًا يَتَوَضَّئُونَ مِنَ الْمِطْهَرَةِ فَقَالَ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ فَإِنِّي سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ وَيْلٌ لِلْعَرَاقِيبِ مِنَ النَّارِ ‏" ‏ ‏‏

‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন ‘আস্‌রের সলাত আদায় করতে তিন রাক’আত আদায় করে সালাম ফিরালেন এবং নিজ কামরার মধ্যে প্রবেশ করলেন। তখন লম্বা দু’টি হাত বিশিষ্ট এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সলাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে? এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হয়ে বেরিয়ে আসলেন, অতঃপর যে এক রাক’আত সলাত তিনি ছেড়েছিলেন তা আদায় করে সালাম ফিরালেন। এরপর সাহুর দু’টি সাজদাহ্ করলেন এবং আবার সালাম ফিরালেন। (ই.ফা.১১৭০, ই.সে. ১১৮২)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية