জিবরাইলের সঙ্গে রবের কথাবার্তা , ফেরেশ্‌তাদের প্রতি আল্লাহ্‌র আহ্বান। - সহিহ বুখারী | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ বুখারী > জিবরাইলের সঙ্গে রবের কথাবার্তা , ফেরেশ্‌তাদের প্রতি আল্লাহ্‌র আহ্বান।

সহিহ বুখারী ৭৪৮৫

إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا عبد الرحمن هو ابن عبد الله بن دينار عن أبيه عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدا نادى جبريل إن الله قد أحب فلانا فأحبه فيحبه جبريل ثم ينادي جبريل في السماء إن الله قد أحب فلانا فأحبوه فيحبه أهل السماء ويوضع له القبول في أهل الأرض

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিব্রীলকে ডেকে বলেন, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। কাজেই জিব্রীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন। অতঃপর জিব্রীল (আঃ) আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং পৃথিবীবাসীদের মধ্যেও তাকে গ্রহণীয় করা হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৭)


সহিহ বুখারী ৭৪৮৬

قتيبة بن سعيد عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে ফেরেশ্তাগণ আসেন, একদল রাতে আর একদল দিনে। তাঁরা আবার একত্রিত হন ‘আসরের সলাতে ও ফজরের সলাতে। তারপর তোমাদের মাঝে যাঁরা রাতে ছিলেন তাঁরা উপরের জগতে চলে যান। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, অথচ তিনি সবচেয়ে অধিক জানেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কী অবস্থায় রেখে এসেছ? তখন তাঁরা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাতরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি আর যখন আমরা তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখনও তারা সলাতের হালাতেই ছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৮)


সহিহ বুখারী ৭৪৮৭

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن واصل عن المعرور قال سمعت أبا ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاني جبريل فبشرني أنه من مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة قلت وإن سرق وإن زنى قال وإن سرق وإن زنى

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কাছে জিব্‌রীল (আঃ) এসে এ খোশখবর দিল যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক না করে কেউ মারা গেলে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে চুরি ও যিনা করে তবুও কি! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদিও সে চুরি করে ও যিনা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৯)


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বানীঃ তা তিনি জেনে শুনে নাযিল করেছেন। আর ফেরেশ্‌তারা এর সাক্ষী। (সূরা আন-নিসা ৪/১৬৬)

সহিহ বুখারী ৭৪৮৮

مسدد حدثنا أبو الأحوص حدثنا أبو إسحاق الهمداني عن البراء بن عازب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا فلان إذا أويت إلى فراشك فقل اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي إليك وفوضت أمري إليك وألجأت ظهري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبنبيك الذي أرسلت فإنك إن مت في ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبت أجرا

বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বলেছেনঃ হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় যাবে তখন বলবে, হে আল্লাহ! আমি আমার নিজেকে তোমারই কাছে সোর্পদ করছি। আমার চেহারাকে তোমার দিকে ফিরাচ্ছি! আমার কর্ম তোমার কাছে সোপর্দ করছি। আমার নির্ভরতা তোমারই প্রতি আশা ও ভয় উভয় হালাতেই। তোমার নিকট ব্যতীত আর কোথাও আশ্রয় ও মুক্তির জায়গা নেই। আমি ঈমান এনেছি তোমার কিতাবের প্রতি যা তুমি নাযিল করেছ এবং তোমার নবীর প্রতি যাঁকে তুমি পাঠিয়েছ। অতঃপর এ রাতে যদি তোমার মওত হয়, তাহলে ফিত্‌রাতের ওপর তোমার মওত হবে। আর যদি (জীবিত থেকে) তোমার ভোর হয়, তুমি প্রতিদান পাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮০)


সহিহ বুখারী ৭৪৮৯

قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن إسماعيل بن أبي خالد عن عبد الله بن أبي أوفى قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب اللهم منزل الكتاب سريع الحساب اهزم الأحزاب وزلزل بهم زاد الحميدي حدثنا سفيان حدثنا ابن أبي خالد سمعت عبد الله سمعت النبي صلى الله عليه وسلم

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাবের দিনে বলেছেনঃ কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী আল্লাহ্ তুমি দলগুলোকে পরাজিত কর এবং তাদেরকে প্রকম্পিত কর। হুমায়দী (রহঃ) এর বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে.....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি .........। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮১)


সহিহ বুখারী ৭৪৯০

مسدد عن هشيم عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} قال أنزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم متوار بمكة فكان إذا رفع صوته سمع المشركون فسبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به فقال الله تعالى {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} لا تجهر بصلاتك حتى يسمع المشركون ولا تخافت بها عن أصحابك فلا تسمعهم {وابتغ بين ذلك سبيلاظ} أسمعهم ولا تجهر حتى يأخذوا عنك القرآن

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কুরআনের আয়াতঃ “তুমি সলাতে স্বর উঁচু করবে না এবং অতিশয় ক্ষীণও করবে না ...” (সূরা ইসরা ১৭/১১০)- এর তাফসীরে তিনি বলেন, এ আয়াতটি তখন নাযিল হয়, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহয় লুকিয়ে ছিলেন। সুতরাং যখন তিনি তাঁর স্বর উচু করতেন তাতে মুশরিক্‌রা শুনে গালমন্দ করত কুরআনকে, কুরআন নাযিলকারীকে এবং যাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে তাঁকে। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ বললেনঃ (হে নবী) তুমি সলাতে তোমার স্বর উঁচু করবে না, যাতে মুশরিক্‌রা শুনতে পায়। আর তা অতিশয় ক্ষীণও করবে না যাতে তোমার সঙ্গীরাও শুনতে না পায়। এই দু’য়ের মধ্যপথ গ্রহণ কর। তুমি স্বর উঁচু করবে না, তারা শুনে এভাবে পাঠ করবে যেন তারা তোমা হতে কুরআন শিখতে পারে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮২)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية