আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌র রাহমাত নেক্‌কারদের নিকটবর্তী। (সূরা আল-আ’রাফ ৭/৫৬) - সহিহ বুখারী | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌র রাহমাত নেক্‌কারদের নিকটবর্তী। (সূরা আল-আ’রাফ ৭/৫৬)

সহিহ বুখারী ৭৪৪৮

موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا عاصم عن أبي عثمان عن أسامة قال كان ابن لبعض بنات النبي صلى الله عليه وسلم يقضي فأرسلت إليه أن يأتيها فأرسل إن لله ما أخذ وله ما أعطى وكل إلى أجل مسمى فلتصبر ولتحتسب فأرسلت إليه فأقسمت عليه فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم وقمت معه ومعاذ بن جبل وأبي بن كعب وعبادة بن الصامت فلما دخلنا ناولوا رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبي ونفسه تقلقل في صدره حسبته قال كأنها شنة فبكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد بن عبادة أتبكي فقال إنما يرحم الله من عباده الرحماء

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কোন এক কন্যার এক ছেলের মৃত্যু উপস্থিত হলে তাঁর কন্যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যাওয়ার জন্য একজন লোক পাঠালেন। উত্তরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোক পাঠিয়ে জানালেনঃ আল্লাহ্ যা নিয়ে নেন আর যা দেন সবই তাঁরই জন্য। আর প্রতিটির বস্তুর জন্য একটা সময়সীমা নির্দিষ্ট আছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধরে এবং অবশ্যই সওয়াবের আশা করে। তারপর নবী-কন্যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যাওয়ার জন্য কসম দিয়ে আবার লোক পাঠালেন। তিনি যাওয়ার জন্য ওঠে দাঁড়ালেন। বর্ণনাকারী উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) বলেন, আমি, মু’আয ইব্‌নু জাবাল, উবাই ইব্‌ন কা’ব, ‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিতও তাঁর সঙ্গে যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালাম। আমরা সেখানে গিয়ে প্রবেশ করলে তখন তারা শিশুটিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে দিলেন। আর তখন বাচ্চার বুকের মধ্যে এক অস্বস্তি বোধ হচ্ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বলেছিলেনঃ এ তো যেন মশকের মত। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁদলেন। তা দেখে সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, আপনি কাঁদছেন? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ তাঁর দয়ালু বান্দাদের উপরই দয়া করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৪০)


সহিহ বুখারী ৭৪৪৯

عبيد الله بن سعد بن إبراهيم حدثنا يعقوب حدثنا أبي عن صالح بن كيسان عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اختصمت الجنة والنار إلى ربهما فقالت الجنة يا رب ما لها لا يدخلها إلا ضعفاء الناس وسقطهم وقالت النار يعني أوثرت بالمتكبرين فقال الله تعالى للجنة أنت رحمتي وقال للنار أنت عذابي أصيب بك من أشاء ولكل واحدة منكما ملؤها قال فأما الجنة فإن الله لا يظلم من خلقه أحدا وإنه ينشئ للنار من يشاء فيلقون فيها ف تقول هل من مزيد ثلاثا حتى يضع فيها قدمه فتمتلئ ويرد بعضها إلى بعض وتقول قط قط قط

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাত ও জাহান্নাম উভয়েই স্বীয় রবের নিকট অভিযোগ করল। জান্নাত বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমার ব্যপারটি কী যে তাতে শুধু নিঃস্ব ও নিম্ন শেণীর লোকেরাই প্রবেশ করবে। এদিকে জাহান্নামও অভিযোগ করল অর্থাৎ আপনি শুধুমাত্র অহংকারীদেরকেই আমাতে প্রাধান্য দিলেন। আল্লাহ্ জান্নাতকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমি আমার রহমত। জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাব। আমি যাকে চাইব, তোমাকে দিয়ে শাস্তি পৌঁছাব। তোমাদের উভয়কেই পূর্ণ করা হবে। তবে আল্লাহ্ তাঁর সৃষ্টির কারো উপর যুলুম করবেন না। তিনি জাহান্নামের জন্য নিজ ইচ্ছানুযায়ী নতুন সৃষ্টি সৃষ্টি করবেন। তাদেরকে যখন জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, তখন জাহান্নাম বলবে, আরো অতিরিক্ত আছে কি? জাহান্নামে আরো নিক্ষেপ করা হবে, তখনো বলবে, আরো অতিরিক্ত আছে কি? এভাবে তিনবার বলবে। অবশেষে আল্লাহ্ তাঁর পা জাহান্নামে প্রবেশ করিয়ে দিলে তা পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। তখন জাহান্নামের একটি অংশ অন্য অংশকে এ উত্তর করবে- আর নয়, আর নয়, আর নয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৪১)


সহিহ বুখারী ৭৪৫০

حفص بن عمر حدثنا هشام عن قتادة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليصيبن أقواما سفع من النار بذنوب أصابوها عقوبة ثم يدخلهم الله الجنة بفضل رحمته يقال لهم الجهنميون وقال همام قتادة حدثنا أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কতকগুলো সম্প্রদায় তাদের গুনাহের কারণে শাস্তি হিসেবে জাহান্নামের আগুনে পৌছবে। অতঃপর আল্লাহ্ নিজ রাহমাতে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেবেন। তাদেরকে ‘জাহান্নামী’ বলা হবে। হাম্মাম (রহঃ)....আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৪২)


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহই আসমান ও যমীনকে স্থির রাখেন যাতে ও দু’টো টলে না যায়। (সূরা ফাতির ৩৫/৪১)

সহিহ বুখারী ৭৪৫১

موسى حدثنا أبو عوانة عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله قال جاء حبر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن الله يضع السماء على إصبع والأرض على إصبع والجبال على إصبع والشجر والأنهار على إصبع وسائر الخلق على إصبع ثم يقول بيده أنا الملك فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال {وما قدروا الله حق قدره}

আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী বিদ্বান রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিন আসমানকে এক আঙ্গুলের ওপর, পৃথিবীকে এক আঙ্গুলের ওপর, পর্বতরাজিকে এক আঙ্গুলের ওপর, বৃক্ষলতা ও নদীনালাকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং সকল সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর রেখে দেবেন। এবং নিজ হাতে ইশারা দিয়ে বলবেন, সম্রাট একমাত্র আমিই। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসলেন এবং বললেনঃ তারা আল্লাহ্‌র যথাযোগ্য মর্যাদা উপলব্ধি করেনি- (সূরা আন’আম ৬/৯১)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৪৩)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية